হলিউড

‘বিয়েই আমাকে যৌন হেনস্তা থেকে সুরক্ষা দিয়েছে’

প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০১৮

‘বিয়েই আমাকে যৌন হেনস্তা থেকে সুরক্ষা দিয়েছে’

নিকোল কিডম্যান

  অনলাইন ডেস্ক

হলিউড-বলিউডে চলছে # মি টু আন্দোলনের ঝড়। এ ঝরে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাচ্ছে অনেক বড় বড় তারকার জীবন। এবার  #মি টু আন্দোলন বিষয়ে মুখ খুললেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান। তবে যৌন হেনস্তার প্রতিবাদে বা তার কোনো ঘটনা বিষয়ে বলেননি তিনি। জানালেন,  ক্যারিয়ারে কখনোই এমন পরিস্থিতির শিকার না হওয়ার কারণ।

কিডম্যান এ পরিস্থিতির শিকার না হওয়ার পুরো  ক্রেডিট দিয়েছেন তার সাবেক স্বামী  অভিনেতা টম ক্রুজকে।

সম্প্রতি #মি টু  আন্দোলন নিয়ে নিউইয়র্ক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে  নিকোল কিডম্যান বলেন, আমি এখন উপলব্ধি করছি যে, ওইসময় আমার সুপারস্টার স্বামী থাকায় হলিউডের অন্ধকার দিক থেকে সুরক্ষা পেয়েছিলাম আমি।

তিনি বলেন, ‘খুব অল্প বয়সে প্রেমে পড়ে বিয়ে করেছিলাম। পরে আমার ক্ষমতা না বাড়লেও, এই বিয়েটাই আমাকে সুরক্ষা দিয়েছিল। খুব ক্ষমতাশালী লোকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল বলেই হয়তো যৌন হয়রানিমূলক সব বিপদ থেকে নিরাপদ ছিলাম।’

টম ক্রুজ ও নিকোল কিডম্যান বিয়ে করেছিলেন ১৯৯০ সালে। পরে ২০০১ সালে টম ক্রুজের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় কিডম্যানের। এরপর ২০০৬ সালে কিথ আরবান নামের একজন কান্ট্রি মিউজিক গায়ককে বিয়ে করেন  নিকোল কিডম্যান। এ সংসারে তাদের দুটি মেয়ে সন্তান রয়েছে।  আরবানের সঙ্গেই এখন ঘর করছেন অস্কারবিজয়ী নিকোল কিডম্যান।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

অ্যাম্বারের বিরুদ্ধে ডেপের মামলা


আরও খবর

হলিউড

জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড

  বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের সাবেক তারকা জুটি অ্যাম্বার হার্ড ও জনি ডেপের বিরোধ এখন আর কারও অজানা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্ব চরমে ঠেকেছে। ভালোবেসে বিয়ের পর ২০১৬ সালে ভেঙে যায় তাদের সংসার। সেই বিচ্ছেদের জেরে এবার সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৫০ মিলিয়ন ডলারের মানহানির মামলা করেছেন জনি ডেপ। বাংলাদেশি হিসেবে অঙ্কটা প্রায় ৪২০ কোটি টাকা।

পাইরেটস অব ক্যারিবিয়ান তারকা জনি ডেপের সঙ্গে অ্যাম্বারের প্রথম পরিচয় হয় ২০১১ সালে। সেখান থেকেই প্রেমের শুরু। ২০১৫ সালে সে প্রেম গড়ায় বিয়ে পর্যন্ত। সে সংসার বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ২০১৬ সালে শারীরিক ও যৌন হেনস্তার অভিযোগ এনে আদালতে ডিভোর্সের আবেদন করেন অ্যাম্বার হার্ড। সে অভিযোগ অস্বীকার করলেও ৭ মিলিয়ন ডলার দিয়ে ডিভোর্স প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন জনি ডেপ। এরপর তারা আদালতের কাছে প্রতিজ্ঞাও করেন ভবিষ্যতে তাদের দাম্পত্য জীবন নিয়ে লোকপ্রকাশ্যে কোনো ধরনের আলোচনা করবেন না। কিন্তু গত বছর সে প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্টের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জনি ডেপের বিরুদ্ধে আবারও শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন তার সাবেক স্ত্রী। 

সে কারণেই ব্যক্তিগত আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে ৫০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করলেন জনি ডেপ। তার ব্যক্তিগত আইনজীবী বলেন, 'ডেপ কখনও হার্ডকে নির্যাতন করেননি। ২০১৬ সালে তার আনা এ অভিযোগ মিথ্যা। তার পক্ষে প্রচারণা আর নিজের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এই মিথ্যা পরিকল্পনার আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বাংলাদেশে ‘ক্যাপ্টেন মার্ভেল’


আরও খবর

হলিউড

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে ছবিটি

  অনলাইন ডেস্ক

মারাত্মক এক বিস্ফোরণের পর আকাশ থেকে একটি ভিডিও স্টোরের মধ্যে ছিটকে পড়েন বর্ম পরিহিত এক নারী। তারপর সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুক্ষণ হতভম্ব হয়ে চলাফেরা। কিছুক্ষণের মধ্যে শুরু হয় তার অতিমানবীয়-অনন্য আচরণ, একের পর এক শত্রুদের বধ করতে থাকেন তিনি। ক্যাপ্টেন মার্ভেল ছবির প্রথম ট্রেলারে এভাবেই ক্যাপ্টেন মার্ভেল বেশে হাজির হয়েছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী ব্রি লারসন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অ্যানা বডেন ও রায়ান ফ্লেক। ক্যারোল ড্যানভার বা ক্যাপ্টেন মার্ভেল রূপে অভিনয় করেছেন ব্রি লারসন। ট্রেলারে ড্যানভারের শৈশব ও কৈশোরের কিছু সময়কালকে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সঙ্গে দেখানো হয়েছে তার সামরিক বাহিনীতে যোগদানের বিষয়টিও। 

ব্রি লারসন ছাড়াও এ ছবিতে অভিনয় করেছেন জুড ল, বেন মেলডেনসন, জিমন হুনসু, লি পেস ও গেমা চ্যান অভিনয় করেছেন। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স নির্মিত নারী সুপারহিরোকেন্দ্রিক এ ছবিটি ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে ছবিটি।

ক্যাপ্টেন মার্ভেল মার্কিন বিমানবাহিনীর একজন পাইলট। তিনিই সুপারহিরো। ক্যাপ্টেন মার্ভেল ছবিতে তাকে একটি এলিট সামরিক দলের অংশ হিসেবে দেখা যাবে। ছবিটির পরিচালক অ্যানা বডেন ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘ক্যারল ড্যানভার বা ক্যাপ্টেন মার্ভেলের বিশেষত্ব হচ্ছে তার মানবিকতা। সুপারহিরো হলেও তিনি মনে-হূদয়ে একেবারে মানুষ।’ ব্রি লারসন তার নতুন লুক দিয়ে ভক্ত, সমালোচকদের মুখে বিস্ময় জাগিয়ে তুলেছিলেন। প্রায় সবাই প্রশংসা করছেন ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে। মার্ভেল কমিকসের চরিত্র ক্যারল ড্যানভার বা ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারহিরো হিসেবে তুলে ধরেছে এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি, সঙ্গে তারা এটাও বলেছে, ‘ভবিষ্যৎ দুনিয়া নারীদের’। 

‘ক্যাপ্টেন মার্ভেল’-ই মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের প্রথম সিনেমা যেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে কোনো নারীকে। কমিক দুনিয়ায় ‘ক্যাপ্টেন মার্ভেল’ চরিত্রটির প্রথম আগমন ঘটে ১৯৬৮ সালে। মহাশূন্যের এলিয়েন ‘মার-ভেল’-এর মানব সঙ্গী হিসেবে। পরে সেই সঙ্গীই ধীরে ধীরে অর্জন করে নেয় তার নিজস্ব ‘সুপার পাওয়ার’। সত্তরের দশকের মধ্যের দিকে যাকে ডাকা হতো ‘মিস মার্ভেল’ নামে। কমিকসের পাতায় ১৯৮২ সালে ক্যান্সারের কারণে মারা যায় মূল ‘মার-ভেল’। ২০১২ সালে মিস মার্ভেলকে দেওয়া হয় ‘ক্যাপ্টেন মার্ভেল’-এর খেতাব। 

‘ক্যাপ্টেন মার্ভেল’ কি পারবে মার্ভেল কমিকসের নারী সুপারহিরো কেন্দ্রিক প্রথম ছবি হিসেবে ডিসি ইউনিভার্সের একমাত্র সুপারডুপার হিট ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’-কে ভুলিয়ে দিতে? দর্শক ট্রেইলার দেখেই ক্যাপ্টেন মার্ভেলের প্রশংসা করেছেন ‘নারীশক্তির প্রতীক’ হিসেবে। তবে সঠিক উত্তরের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০১৯ সালের ৮ মার্চ পর্যন্ত। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

প্রেম করছেন না লেডি গাগা


আরও খবর

হলিউড
প্রেম করছেন না লেডি গাগা

প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

লেডি গাগা

  অনলাইন ডেস্ক

প্রথমবার অস্কার জয়ের পর থেকেই গণমাধ্যমগুলোর অন্যতম আলোচিত নাম সঙ্গীত তারকা লেডি গাগা। শুধু কি গাগা, তার নামের সঙ্গে এখন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে ব্রাডলি কুপারের নামও। কিছুদিন আগে এ দুজনের মেলবন্ধনে 'শ্যালো' গানটি জয় করল অস্কার পুরস্কার।

তবে অস্কারের মঞ্চে দু'জনের চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সের পর গুঞ্জনও কম হয়নি। গত কয়েক দিন ধরেই তাই বিনোদন গণমাধ্যমের শিরোনাম হতে থাকে, প্রেম করছেন লেডি গাগা। দু'জনের রোমান্টিক রসায়নের কারণেই সবারই ধারণা গোপনে প্রেমের তরীতে ভাসছেন কুপার-গাগা।

এ ছাড়াও এই আলোচনার প্রভাব পড়েছে ব্র্যাডলি কুপারের প্রেমিকা ইরিনা শেইখের ওপরেও। সম্প্রতি লেডি গাগাকে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় আনফলো করে দিয়েছেন। তবে এ ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছেন স্বয়ং লেডি গাগা। সম্প্রতি এক ব্রিটিশ গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমাদের অনস্ট্ক্রিন রসায়ন নিয়ে ইদানীং বিভিন্ন গণমাধ্যম চটকদার সংবাদ পরিবেশন করছে।

এ বিষয়টি আমাকে খুবই মর্মাহত করেছে। সত্যি বলতে কুপারের সঙ্গে আমার খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। 'অ্যা স্টার ইজ বর্ন'-এর প্রয়োজনেই মূলত আমাদের ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। নিজেদের মধ্যে যদি আন্তঃসম্পর্ক গভীর না হতো তাহলে ভক্তদের 'শ্যালো' গানটি হয়তো ভালো লাগত না।'

সংশ্লিষ্ট খবর