স্বাস্থ্য

সরকারি হিসেবে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৫৭

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সরকারি হিসেবে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৫৭

প্রতীকী ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।

রোববার পর্যন্ত চলতি বছরের হিসেব করে স্বাস্থ্য অধিদফতর এ তথ্য জানায়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) গঠিত কমিটি ডেঙ্গু রোগে মৃত্যুর ঘটনা পর্যালোচনা করছে।

তবে আইইডিসিআর গঠিত কমিটির কার্যক্রম নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শনাক্ত ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু ঘটলে সেখান থেকে তা ঘোষণা করা হচ্ছে। কিন্তু আইইডিসিআরের কমিটি তা মানছে না। কমিটির সদস্যরা নতুন করে তা পর্যালোচনা করার পর মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হাসপাতালে একদিন পর আবারও বেড়েছে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা- এই ২৪ ঘণ্টায় আগের দিনের তুলনায় বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যা হাজারের ওপরে যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৯০২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৪০৫ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ৪৯৭ জন ভর্তি হয়েছেন।

শনিবার আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৬০। আগস্ট মাসে এটিই ছিল সর্বনিম্ন আক্রান্তের সংখ্যা। চলতি বছর এ পর্যন্ত ৭১ হাজার ৯৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬৬ হাজার ৬৫৮ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এখনও চার হাজার ২৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে রাজধানীর ৪১ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে দুই হাজার ৩৪০ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভাগীয় ও জেলা সদর হাসপাতালে এক হাজার ৯১৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন। তবে ঢাকার বাইরে নতুন রোগী এখনও বাড়ছে।

রোববার ঢাকা শিশু হাসপাতালে আনফি নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি ঢাকার মিরপুর এলাকায়।

এছাড়া সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খাদিজা আক্তারের মৃত্যু হয়েছে। তার গ্রামের বাড়ি বরিশালের ভাণ্ডারিয়া এলাকায়। খাদিজা পরিবারের সঙ্গে সাভার পৌরসভার ছায়াবীথি এলাকায় থাকতেন। তার স্বামী হাবিবুর রহমান আশুলিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক।

মন্তব্য


অন্যান্য