স্বাস্থ্য

দেশে আইসিইউ ৯১৩টি: হাইকোর্টে মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২১ মে ২০১৯ | আপডেট : ২১ মে ২০১৯

দেশে আইসিইউ ৯১৩টি: হাইকোর্টে মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন

  সমকাল প্রতিবেদক

দেশের সরকারি হাসপাতালে ৩৪০ ও বেসরকারি হাসপাতালে ৫৭৩টি আইসিইউ ইউনিট (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) রয়েছে। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় ৩৪৪টি সিসিইউ (করোনারি কেয়ার ইউনিট) রয়েছে। বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাখিল করা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ৭ মার্চ দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে কতগুলো আইসিইউ, সিসিইউ ইউনিট রয়েছে তার সংখ্যা নিরূপণ করে তালিকা দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি আইসিইউ-সিসিইউ ইউনিট স্থাপন করতে কী পরিমাণ টাকা ব্যয় হয় এবং কত জনবল ও কতজন বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন হয়- সে বিষয়েও প্রতিবেদন উল্লেখ করতে বলা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে এই প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

গত বছরের ২৪ জুলাই হিউম্যান রাইটস লইয়ার্স অ্যান্ড সিকিউরিং এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ মো. শাহ আলম হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। রিটে ৩০ দিনের মধ্যে সব অনুমোদিত ও অনুমোদনহীন প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের যন্ত্রপাতিসহ তালিকা দাখিল, সব জেলা সদরের হাসপাতালে ৩০ বেডের আইসিইউ/সিসিইউ স্থাপন, মেয়াদহীন ওষুধ ব্যবহারে প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিএসটিআইর অনুমোদিত ওষুধ ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের নির্দেশনা চাওয়া হয়। হাইকোর্ট ওই রিটের শুনানি নিয়ে ওইদিন রুলসহ 'দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিস (রেগুলেশনস) অর্ডিন্যান্স-১৯৮২' অনুযায়ী নীতিমালা প্রণয়নে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় পরে খসড়া নীতিমালাসহ হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদনও দাখিল করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

মন্তব্য


অন্যান্য