স্বাস্থ্য

'হৃদরোগীদের তেল ছাড়া খাবার সরবরাহে সফল সাওল'

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯

'হৃদরোগীদের তেল ছাড়া খাবার সরবরাহে সফল সাওল'

ছবি: সমকাল

  সমকাল প্রতিবেদক

অস্ত্রোপচার ছাড়াই হৃদরোগ চিকিৎসার পথিকৃত সাওল হার্ট সেন্টারের তেল ছাড়া খাবার জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৩০ হাজারেরও বেশি হার্টের রোগীকে সাওল পদ্ধতিতে তেল ছাড়া খাবার সরবরাহ করে সুস্থ রেখেছে। সাওল হার্ট সেন্টারের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন রোডের সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে আয়োজকেরা এ তথ্য জানান।

তারা আরও জানান, 'অয়েল ফ্রি কিচেন' ও 'ক্যাফে' প্রতিষ্ঠা করে স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু খাবারের হোম ডেলিভারি ও ক্যাটারিংয়ের ব্যবস্থা করে হার্টের রোগীদের সুস্থ রাখার জন্য তারা সামাজিক আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। বিজ্ঞান সম্মত সফল হৃদরোগ চিকিৎসার এই পদ্ধতি সারাদেশে পৌঁছে দিতে জনসচেনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়।

রাজধানী ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামে আয়োজিত সাওল চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে দুই শতাধিক রোগী পরামর্শ নেন। প্রতিষ্ঠাতা মোহন রায়হান বলেন, দেশে সাওল চিকিৎসা পদ্ধতি চালু ও গ্রহণযোগ্য করে তোলাই ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জে আমরা বিজয়ী হয়েছি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কনসালটেন্ট সার্জন জেনারেল বিজয় কুমার সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি। অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আব্দুল হাকিম মজুমদা, প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা মাহমুদ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমাবেন যেভাবে


আরও খবর

স্বাস্থ্য

  অনলাইন ডেস্ক

গোটা বিশ্বে হাজারো মানুষ এখন ফ্যাটি লিভার সমস্যায় ভূগছেন। সাধারণত শারীরিক পরিশ্রম না করা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, অ্যালকোহল কিংবা ধূমপান পান এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবপযাপান পদ্ধতির কারণে এ ধরনের সমস্যা হয়। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়লে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ কারণে শুরু থেকে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা প্রতিরোধ করা উচিত। কিছু ঘরোয়া উপায়ে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। যেমন-

১.  আপেল সিডার ভিনেগার ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দূর করতে দারুন কার্যকরী। যারা ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভূগছেন তারা এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চামচ করে আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে দিনে দুইবার পান করুন। এতে এই সমস্যা সহজেই দূর হবে। 

২. প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় হলুদ যোগ করুন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ হলুদ খেলে হজমপদ্ধতি উন্নত হয়।এজন্য নিয়মিত হলুদের তৈরি সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন। এছাড়া গরম দুধ কিংবা হালকা গরম পানির সঙ্গে সামান্য হলুদের গুড়া মিশিয়ে খেলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দুর করা যায়। 

৩. যাদের বয়স কিংবা উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি তারা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিতে আছেন। এ কারণে ফ্যাটি খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। 

৪. নিয়মিত লেবু কিংবা লেবুর রস খেলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। এছাড়া ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলও ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দূর করতে দারুন কার্যকরী। সূত্র : হেলদি বিল্ডার্জড

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

দাঁড়িয়ে পানি পান ক্ষতিকর যেসব কারণে


আরও খবর

স্বাস্থ্য

  অনলাইন ডেস্ক

পানির অপর নাম জীবন। বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে এটি একটি অপরিহার্য উপাদান। পানি পান করলে শুধু তৃষ্ণাই মেটে না, সেই সঙ্গে শরীরে পানির  মাত্রা বা ভারসাম্যও বজায় থাকে। তবে সঠিক পদ্ধতিতে পানি পান না করলে অনেকসময় তা শরীরের জন্য বিপদজনক হতে পারে। বিশেষ করে অনেকেই তাড়াহুড়ার সময় দাঁড়িয়ে পানি পান করেন। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা অনুযায়ী এভাবে পানি পানে অনেক ধরনের সমস্যা হতে পারে। যেমন-

১. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে অনেকসময় স্নায়ু উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তখন উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। এ কারণে এভাবে পানি পান করলে উদ্বেগ বাড়ার ঝুঁকি থাকে। 

২. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে শরীরের ভিতরে থাকা ছাঁকনিগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। তখন শরীরের কার্যক্রম বিঘ্নিত হয় এবং শরীরে টক্সিনের মাত্রা বাড়তে থাকে।

৩. দাঁড়িয়ে পানি পানে কিডনির কর্মক্ষমতা কমে। ফলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত বা বিকল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৪. অনেকসময় দাঁড়িয়ে পানি পানে বুকের পেশীতে চাপ পড়ে। তখন আমাদের হৃদযন্ত্রের উপরেও চাপ সৃষ্টি হয় যা মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে।

৫. দাঁড়িয়ে পানি পান করলে সরাসরি পাকস্থলীতে গিয়ে তা আঘাত করে। পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত পাচক রসের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে হজমের নানা সমস্যা তৈরি হয়। গ্যাস্ট্রো ইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজিজ-এর মতো হজমের অসুখও হয়। 

পানি পানের কিছু সঠিক পদ্ধতি রয়েছে। যেমন-

১. সবসময়ই বসে পানি পান করা উচিত 

২. এক ঢোঁকে না খেয়ে ছোট ছোট চুমুকে পানি পান করা স্বাস্থ্যকর। 

পানি পানের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি মেনে চলতে পারলে সহজেই সুস্থ, সতেজ থাকা সম্ভব।সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কাশি রোগ নয়, উপসর্গ


আরও খবর

স্বাস্থ্য
কাশি রোগ নয়, উপসর্গ

প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতীকী ছবি

  ডা. আবু রায়হান

কাশি কোনো রোগ নয়, এটি অনেক রোগের উপসর্গ। কফ হলো শ্বাসনালির রস, স্বাভাবিক অবস্থায় শ্বাসনালিকে ভিজিয়ে রাখাই এটির কাজ। কাশি হলে বুঝতে হবে শরীর সমস্যায় পড়েছে, সম্ভবত সেই সমস্যা শ্বাসনালিতে।

শ্বাসনালিকে পরিষ্কার করার জন্য আমরা কাশি দেই। নাক মুখের পেছন দিকটা এক, সেখান থেকে আলাদা হয়ে যায় শ্বাসনালি ও খাদ্যনালি। খাবার খাওয়ার সময় যাতে শ্বাসনালিতে না যায়, সেজন্য শ্বাসনালির শুরুতে একটি দরজা আছে। কাশির সময় সেই দরজা বন্ধ হয়। ফলে ফুসফসের ভেতরে চাপ বাড়ে। এই বাড়তি চাপে হঠাৎ দরজা খুলে গিয়ে ফুসফুসের বাতাস তাড়াতাড়ি বেরিয়ে কাশির আওয়াজ হয়।

বারবার কাশি, রাতে কাশি, কাশতে কাশতে বমি হয়ে যায়, কাশির সঙ্গে বুক, পিঠ, হাত ও পায়ে ব্যথা লাগাতার হলে তা চিন্তার বিষয়।

অনেক রোগে কাশি হয়। যেমন- শ্বাসতন্ত্রের জীবাণু সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস সিওপিডি, আইএলডি, অ্যালার্জিজনিত অ্যাজমা প্রভৃতি। যেসব কাজের পরিবেশ ধুলাবহুল এবং সেখানে যারা কাজ করেন, তাদের শ্বাসতন্ত্রের বড় ধূলিকণাগুলো নাকের পশমে আটকে পড়ে। তার চেয়ে ছোট কণাগুলো শ্বাসনালি কফের সঙ্গে বের করে দেয়। ছোট কণাগুলো ফুসফুসের বাতাসের থলিতে ঢুকে ঘায়ের সৃষ্টি করে।

কাশির সঙ্গে রক্ত গেলে, শ্বাসকষ্ট হলে, কাশি দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে এবং শিশুদের ক্ষেত্রে মায়ের বুকের দুধ টেনে খেতে না পারলে সঙ্গে সঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। চিকিৎসা নিন, ভালো থাকুন।


লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, রেসপিরেটরি মেডিসিন, প্রকল্প পরিচালক ও উপ-পরিচালক, শ্যামলী ২৫০ শয্যা টিবি হাসপাতাল

সংশ্লিষ্ট খবর