স্বাস্থ্য

শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের যাত্রা বুধবার

প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৮

শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটের যাত্রা বুধবার

'শেখ হাসিনা ন্যাশনাল বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট'- ফোকাস বাংলা

  সমকাল প্রতিবেদক

বিশ্বের সর্ববৃহৎ বার্ন ইনস্টিটিউটের যাত্রা হচ্ছে ঢাকায়। দগ্ধ রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে পথচলা শুরু করতে যাওয়া এ প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছে 'শেখ হাসিনা ন্যাশনাল বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট'।

বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করবেন। বার্ন ইনস্টিটিউটটি স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্নিষ্টরা। দগ্ধ রোগীর পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্সদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে এ প্রতিষ্ঠানটি। 

ইনস্টিটিউটের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম সমকালকে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঁচটি শয্যা নিয়ে বার্ন ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এর পর ধাপে ধাপে তা ১শ' শয্যায় রূপান্তরিত হয়। এখন এটি পাঁচশ' শয্যার ইনস্টিটিউটে রূপান্তরিত হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বার্ন চিকিৎসার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিল।

বিএনপি-জামায়াত জোট ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন বর্জনের পরই দেশব্যাপী পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। শত শত মানুষ পেট্রোল বোমায় হতাহত হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে পেট্রোল বোমায় আহত হয়ে ঢাকায় আনার পথেই অনেকের মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হলেও চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে শয্যার তুলনায় কয়েক গুণ রোগী ভর্তি থাকায় সেখানেও সংকুলান করতে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষকে। এ অবস্থায় সরকার দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ বার্ন ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

২০১৫ সালের নভেম্বরে একনেক সভায় এই ইনস্টিটিউটের অনুমোদন দেওয় হয়। ২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. সামন্তলাল সেন সমকালকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা ও নির্দেশনা অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পেতে যাচ্ছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে তার কাছে এটি অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের।

বার্ন ইনস্টিটিউটে যা আছে : রাজধানীর চানখাঁরপুলে ৯১২ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই একর জমিতে ১৮ তলাবিশিষ্ট এই ইনস্টিটিউট নির্মাণ করা হয়েছে। প্রথমে ৫২২ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হলেও পরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৯১২ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। এই ইনস্টিটিউটে বার্ন ইউনিট, প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট এবং একাডেমিক উইং মিলে তিনটি ব্লক থাকছে। রোগীর চিকিৎসার জন্য রয়েছে ৫০০ শয্যা। এ ছাড়া গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ২২টি শয্যা রয়েছে। রোগীর উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য ২২ শয্যাবিশিষ্ট হাই ডেফিসিয়েন্সি ইউনিট (এইচডিইউ), ১২টি অপারেশন থিয়েটার এবং একটি অত্যাধুনিক পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ড আছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগী নিয়ে আসার জন্য ভবনের ছাদে হেলিপ্যাড সুবিধা রয়েছে। 

হাসপাতালের পার্কিংয়ে একসঙ্গে ১৮০টি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুরাতন ভবনের সঙ্গে একটি ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে নতুন ভবনের সংযোগ স্থাপন করা হবে।

বার্ন ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম কেনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ২ হাজার ২০০ জনবল নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

লিভারের সমস্যার যত উপসর্গ


আরও খবর

স্বাস্থ্য
লিভারের সমস্যার যত উপসর্গ

প্রকাশ : ১২ নভেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

লিভার বা যকৃৎ মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এটি পরিপাক ক্রিয়ায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। শরীরের সব বর্জ্যপদার্থ বের করে শরীরকে সুস্থ রাখাই যকৃৎ বা লিভারের কাজ। কিন্তু  লিভার যদি  স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়, তাহলে মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ে। লিভার ঠিক মতো কাজ করছে কিনা বা লিভারে কোন ধরনের অসুস্থতা দেখা দিয়েছে কিনা তা কয়েকটি লক্ষণ বা উপসর্গ দেখে বোঝা যায়। যেমন-

১. যদি হঠাৎ করে খাওয়া-দাওয়ার প্রতি অরুচি বা অনীহা তৈরি হয় তাহলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। এটা লিভারের কোন সমস্যার কারণে হতে পারে। 

২. পাঁজরের একটু নীচে, পেটের ডান দিকে ব্যথা হলেও লিভারের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৩. কিছু খেলেই বমি বমি লাগে অথবা সারাক্ষন যদি বমি বমি ভাব থাকে তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অনেকসময় ফ্যাটি লিভারের কারণে এরকম হয়। 

৪.হঠাৎ করে যদি গায়ের চামড়া কোনও জায়গায় খুব শুষ্ক হয়ে যায়, খোসা উঠতে থাকে, তাহলে সেটাও লিভারের সমস্যার কারণে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 

৫. প্রসাব এবং পায়খানার রঙ পরিবর্তিত হলে অবহেলা করা ঠিক নয়। লিভার কিংবা হজমের সমস্যার কারণে এটা হতে পারে। 

৬.যদি হঠাৎ করে চোখের সাদা অংশের রঙ, গায়ের চামড়া হলুদ হতে শুরু তাহলে বুঝতে হবে এটা জন্ডিসের লক্ষণ। এরকম হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। 

৭. যদি  পেটের নিচের অংশ অস্বাভাবিক রকম ফুলে ওঠে এবং দীর্ঘদিন একই অবস্থা থাকে তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নারী ও পুরুষদের জন্য কোন মাল্টিভিটামিন উপকারী?


আরও খবর

স্বাস্থ্য

  অনলাইন ডেস্ক

মাল্টিভিটামিন হচ্ছে এক ধরনের সাপ্লিমেন্ট যাতে নানা ধরনের খনিজ, ভিটামিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান থাকে। অনেকেই খাবারে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করতে না পেরে বিকল্প হিসাবে মাল্টিভিটামিন খান। এই মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, পাউডার, লিকুইড, ইনজেকশন আকারে হয়।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোন ধরনের মাল্টিভিটামিন নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য উপকারী? এখানে এ বিষয়ে কিছু ধারণা দেওয়া হল।

পুরুষের নানা ধরনের ভিটামিন ও খনিজ প্রয়োজন হয়, যেমন-

ভিটামিন এ : ভিটামিন এ পুরুষের চোখের স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং শক্তি বজায় রাখে।

ভিটামিন সি : এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে রেডিকেলমুক্ত থাকতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে এটি যেকোন ধরনের অসুখ এবং ইনফেকশন থেকে বাঁচায়। ভিটামিন সি ত্বক মসৃণ ও টানটান রাখে।

ম্যাগনেশিয়াম : পুরুষের শরীরে ম্যাগনেশিয়াম নামক খনিজটির প্রয়োজনীয়তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি পরিপাকে সহায়তা ও মস্তিষ্ক সুরক্ষা করে। সেই সঙ্গে মাংসপেশী গঠনে ভূমিকা রাখে। 

সেলেনিয়াম : উপাদানটি পুরুষের কর্মশক্তি ও উর্বরতা বজায় রাখে। সেলেনিয়াম থাইরয়েডের ঝুঁকিও যেমন কমায় তেমনি সেল গঠনেও সাহায্য করে। 

কিছু পার্থক্য থাকলেও নারীর শরীরেও প্রায় একই ধরনের ভিটামিন ও খনিজ প্রয়োজন। যেমন-

ভিটামিন এ : ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখা, বিভিন্ন অসুস্থতা রোধ করা এবং নানা ধরনের ইনফেকশন প্রতিরোধ করার জন্য নারীর ভিটামিন-এ খাওয়া প্রয়োজন হয়। এছাড়া দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতেও ভিটামিন এ দরকার আছে।

ভিটামিন সি : ত্বকের জন্য ভিটামিন সি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এটি সেল ধ্বংস রোধসহ নারীদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। 

ক্যালসিয়াম : নারীর হাড় গঠন ও হাড় ক্ষয় রোধের জন্য ক্যালসিয়াম খুবই দরকারী। মেনোপোজের আগে ও পরে তাদের শরীরে ক্যালসিয়াম ঘাটতি তৈরি হয়।

ফলিক এসিড : নারীদের শরীরে বেড়ে ওঠা ভ্রুণের জন্য ফলিক এসিড বিশেষ দরকারী উপাদান। সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শীতকালীন অ্যাজমায় সতর্কতা


আরও খবর

স্বাস্থ্য
শীতকালীন অ্যাজমায় সতর্কতা

প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০১৮

  ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ

ঋতুর পরিবর্তনে আবহাওয়ারও পরিবর্তন হয়। এতে অনেকের স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। শীতকালে বিভিন্ন বয়সের মানুষের শীতকালীন কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। অনেক শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন বা শীতজুড়ে অসুস্থ থাকেন। এর বেশিরভাগ হয়ে থাকে কোল্ড অ্যালার্জির কারণে। ঠাণ্ডা বাতাস, সিগারেটের ধোঁয়া, সুগন্ধি, পত্রিকা বা বই-খাতার ধুলা যাতে মাইট থাকে, ফুলের রেণু ইত্যাদির উপস্থিতি অনেকেই একেবারে সহ্য করতে পারেন না। এসবের উপস্থিতি শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা অ্যাজমা, সর্দি ইত্যাদি দেখা দেয়। এসব বিষয়কে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যালারজেন বলা হয়। এসব অ্যালারজেনজনিত উপসর্গকে আমরা অ্যালার্জি বলে থাকি।

নাসারন্ত্র ও শ্বাসনালিতে স্নায়ুকোষের কিছু রিসেপ্টর আছে। এই রিসেপ্টরগুলো আবার ভ্যাগাস নার্ভ, যা শ্বাসনালি ও কণ্ঠনালির মাংসপেশির সংকোচন ও প্রসারণকে উদ্দীপ্ত করে এর সঙ্গে সংযুক্ত। এর আগে উল্লেখিত অ্যালারজেনগুলো শ্বাসনালির রিসেপ্টর নার্ভকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে শ্বাসনালির মাংসপেশির সংকোচন ঘটে এবং শ্বাসনালি সরু হয়ে যায়, তখন রোগীর শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দেখা দেয়।

সাধারণত শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশি দেখা দেয়, তবে যে কোনো বয়সেই হতে পারে। শীতকালে কেন এ উপসর্গ বেশি হয়, তা এখনও পরিপূর্ণভাবে জানা যায়নি। তবে অনেক রোগীর সামগ্রিক অবস্থা পরীক্ষা করে কিছু লক্ষণ চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। যেমন- আবহাওয়ার অবস্থা, দ্রুত তাপমাত্রা এবং বায়ুচাপের পরিবর্তন, উচ্চ আর্দ্রতা মোল্ড ও মাইট-এর বংশবিস্তারের জন্য উপযোগী, যা শীতকালীন রোগের কারণগুলোর অন্যতম। নাক দিয়ে পানি পড়ে, নাক চুলকায়, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বাঁশির মতো আওয়াজ বের হওয়া, বুক চেপে আসা লক্ষণ দেখা গেলে বুঝতে হবে কোল্ড অ্যালার্জি হয়েছে।

যেসব কারণে এ উপসর্গগুলো দেখা দেয়, অ্যালার্জি পরীক্ষা করে কারণ নির্ণয় করে তা পরিহার করে চলা উচিত। ঠাণ্ডা বাতাস থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য এক ধরনের মুখোশ বা মুখবন্ধনী ব্যবহার করা যেতে পারে। সালবিউটামল ইনহেলার নেওয়া যেতে পারে। কারণ, এ ওষুধ উপসর্গ নিসরণে প্রথম পছন্দনীয় ওষুধ। দীর্ঘমেয়াদি ভালো থাকার জন্য স্টেরয়েড ইনহেলার নেওয়া যেতে পারে। আগে ধারণা ছিল, অ্যালার্জি একবার হলে আর সারে না। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। প্রথম দিকে ধরা পড়লে অ্যালার্জিজনিত রোগ একেবারে সারিয়ে তোলা সম্ভব। অবহেলা করলে এবং রোগ অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে নিরাময় করা কঠিন হয়ে পড়ে। উন্নত দেশের সব প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। তাই সময়মতো অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


লেখক: ডিন, মেডিসিন অনুষদ; অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

সংশ্লিষ্ট খবর