স্বাস্থ্য

রিজিওনাল টিবি রেফারেন্স ল্যাবরেটরি হস্তান্তর

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৮

রিজিওনাল টিবি রেফারেন্স ল্যাবরেটরি হস্তান্তর

  অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি যক্ষার জন্য প্রনীত কৌশলগত পরিকল্পনা (২০১৮-২০২২) অনুসারে গুনগত ও মানসম্মত উপায়ে যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছে। 

মার্কিন সহযোগি সংস্থা ইউএসএইডের পক্ষ থেকে সোমবার এক জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, রিজিওনাল টিবি রেফারেন্স ল্যাবরেটরি, বায়োসেফটি লেভেল ৩ (বিএসএল-৩ ল্যাব) নামক ল্যাবরেটরিটি বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিলেটের বক্ষব্যাধী হাসপাতালকে হস্তান্তর করা হয়েছে।  

ল্যাবরেটরিটি ইউএসএইডের অর্থায়নে পরিচালিত, টি.বি. কেয়ার টু এবং চ্যালেঞ্জ টিবি নামক দুটি প্রোজেক্ট দ্বারা পরিকল্পিত, নির্মিত এবং ইনস্টল করা হয়েছিল এবং পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) সিলেট, সিভিল সার্জন সিলেট, জনশক্তি বিভাগ (পিডব্লিউডি) এবং সিলেট  সিটি কর্পোরেশন।

গ্লোবাল ফান্ড ও এ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছে। সিলেটের বক্ষব্যাধী হাসপাতাল সংলগ্ন বিএসএল-৩ ল্যাবটিতে নাম ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এরপর পূর্ব দরগা গেইটে স্টার প্যাসিফিক হোটেলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরীক্ষাগারটির হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই দেখানো হয় গবেষণাগারটি সম্পর্কে একটি টেকনিক্যাল প্রেজেন্টেশন। 

বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির কা্রণে যক্ষার পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরি সংখ্যা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। সর্বোচ্চ সুবিধাসম্পন্ন বায়োসেফটি তিন স্তরের এ ল্যাবরেটরিটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অধিবাসীদের দ্রুত ও মানসম্মত সেবা প্রদান করবে। 

অত্যাধুনিক ডায়াগনিস্টিক টেকনোলজি সম্পন্ন এ ল্যাবরেটরী ওষুধ প্রতিরোধী যক্ষ্মার পরীক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। একটি শিপিং কন্টেইনারের ভিতরে নির্মিত এ পরীক্ষাগার সম্পূর্ণ নিরাপদ, নির্ভুল এবং সাশ্রয়ী পন্থায় যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় করতে সক্ষম। 

পরীক্ষাগারটি সলিড কালচার ও ডিএসটি এর মাধ্যমে  প্রথম এবং দ্বিতীয় স্তরের ঔষধ প্রতিরোধী যক্ষ্মা নির্নয় করার পাশাপাশি এটি জিন এক্সপার্ট প্রক্রিয়া এবং অত্যাধুনিক ডায়াগনষ্টিক যন্ত্রাংশের সহায়তায় রফাম্পিসিম প্রতিরোধকারী যক্ষ্মা দ্রুত সনাক্ত করবে। 

এটি জাতীয় ওষুধ প্রতিরোধকারী যক্ষ্মা বিষয়ক জরিপ, গবেষণা এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় একটি কেন্দ্রীয় গবেষণাগার হিসেবেও কাজ করবে।

সিলেটের পুর্ব দরগা গেইটে হোটেল স্টার প্যাসিফিকে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে বিএসএল-৩ ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা প্রদানের জন্য ইউএসএইডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। 

এসময় অর্থমন্ত্রী ল্যাবরেটরির সফলভাবে প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করার জন্য এনটিপি, স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ, বিশেষ করে সিলেট জেলার সিভিল সার্জনকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ইউএসএআইডি এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য সাধুবাদ জানান। 

ইউএসএআইডি প্রতিনিধি ডা. আলিয়া আল মোহান্দেজ, সিনিয়র ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাডভাইজর, অফিস অব দি পপুলেশন, হেল্থ, নিউট্রিশন অ্যান্ড এডুকেশন, ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ সিলেটে এই অত্যাধুনিক ডায়াগনষ্টিক টেকনোলজি সম্পন্ন যক্ষ্মা নির্ণয় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করার জন্য জাতীয় ও স্থানীয় সরকারি সংস্থার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং এর কার্যক্রম চালু রাখার জন্য সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানান । 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক এমবিডিসি ও লাইন ডাইরেক্টর টিবি-লেপ্রসী অ্যান্ড এএসপি অধ্যাপক ডা. মো. শামিউল ইসলাম, ড. এ কে আবদুল মোমেন, প্রাক্তন স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদুত, জাতিসংঘ, ডা: মো: ইহতেশামুল হক চৌধুরী; মহাসচিব, বিএমএ এবং প্রাক্তন অতিরিক্ত পরিচালক (প্রশাসন) ও লাইন ডিরেক্টর, টিবি-লেপ্রসী ও এএসপি,  ডা. হিমাংশু লাল রায়; সিভিল সার্জন, সিলেট, ডিভিসনাল ডিরেক্টর, প্রফেসর ডা. আবুল কালাম আজাদ, মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ডা. আলিয়া আল মোহান্দেজ; সিনিয়র ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাডভাইজর, অফিস অব দি পপুলেশন, হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড এডুকেশন, ইউএসএআইডি, বাংলাদেশ এবং ডা. অস্কার কর্ডন; কান্ট্রি প্রজেক্ট ডিরেক্টর, চ্যালেঞ্জ টিবি প্রজেক্ট সহ ম্যানেজমেন্ট সাইন্সেস ফর হেলথ, আইআরডি এবং অন্যান্য অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

১৯৭১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউএসএআইডি’র মাধ্যমে বাংলাদেশকে সাতশ' কোটি ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করেছে। ২০১৭ সালে ইউএসএআইডি বাংলাদেশের জনগণের জীবনমানের উন্নয়নে প্রায় একুশ কোটি ডলার প্রদান করেছে। ইউএসএআইডি বাংলাদেশে যে সকল কর্মসূচিতে সহায়তা প্রদান করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে– গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও অনুশীলনের প্রসার, খাদ্যনিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সুবিধাদির সম্প্রসারণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেবার উন্নয়ন ও অভিযোজন এবং স্বল্প কার্বন উন্নয়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সাইনাসের সমস্যা কমবে ঘরোয়া উপায়ে


আরও খবর

স্বাস্থ্য

  অনলাইন ডেস্ক

অনেকেরই সাইনাসের সমস্যা আছে। এই সমস্যা তীব্র হলে প্রচণ্ড মাথা ব্যথা হয়, সারাক্ষণ নাক-মাথায় ভারী ভাব, এমনকি ব্যথার কারণে জ্বরও চলে আসে। একটু অনিয়ম হলেই এই সমস্যা বাড়তে পারে।

মুখের হাড়ের ভেতরে যে ফাঁপা, বায়ুভর্তি জায়গা থাকে, তার ভিতরের ঝিল্লিতে কোনও রকম বাধা এলে বা জ্বালা করলে সেখান থেকেই সাইনোসাইটিসের সমস্যা শুরু হয়।

যাদের সাইনাসের সমস্যা আছে তাদের সারা বছরই সাবধান থাকা প্রয়োজন। সমস্যা বেশি হলে কখনও কখনও ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা হতে পারে। তবে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরন করলে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যেমন-

১. সাইনোসাইটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় এক কোয়া রসুন ও এক চামচ মধু যোগ করুন। এই দুটি উপাদানেই একাধিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রয়েছে। বিশেষ করে কফজনিত অসুখ ঠেকাতে এগুলোর জুড়ি নেই। এক কোয়া রসুনের সঙ্গে দুই চামচ মধু মিশিয়ে খেলে সাইনাসের আক্রমণ ঠেকাতে পারবেন অনেকটাই।

২. সাইনোসাইটিসের ক্ষেত্রে স্যাঁতসেঁতে বা অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া ক্ষতিকারক। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে, এমন জায়গায় থাকুন।

৩. সাইনাসের সমস্যায় মাঝেমধ্যে নাকে গরম ভাপ নিন। বিশেষ করে একটু ঠাণ্ডার প্রবণতা বাড়লে নিয়মিত গরম ভাপ নিন। এতে নাক পরিষ্কার থাকবে। 

৪. আদা, মধুর মিশ্রণ জমে থাকা কফ পরিষ্কারের জন্য অত্যন্ত উপকারী। মধুর অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি ক্ষমতা শরীর গরম রাখে। আদা প্রাকৃতির ভাবেই অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল। এই দুই উপাদানের মিশ্রণ প্রতি দিন খেতে পারলে সাইনাসের সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়।

৫. নিয়মিত গরম পানীয় খান। চা-কফি খেলে তাতে চিনি বাদ দিয়ে মধু খান। সাইনাসের সমস্যা হলে গরম স্যুপও খেতে পারেন। 

৬. গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে ভাল করে নিংড়ে নিন। এ বার এই তোয়ালে মুখের উপর দিয়ে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকুন। এতে অনেকটা আরাম পাবেন।

৭. সিগারেটের ধোঁয়া, বডি স্প্রে, ধুলোবালি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন। এ সব সাইনোসাইটিসের সমস্যা বাড়াতে ভূমিকা রাখে। সূত্র : আনন্দবাজার

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ইউরিনে ইনফেকশন হলে কী করবেন


আরও খবর

স্বাস্থ্য
ইউরিনে ইনফেকশন হলে কী করবেন

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

ইউরিন ইনফেকশন একটি পরিচিত সমস্যা। পুরুষের তুলনায় নারীদের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। মানুষের শরীরের দুটি কিডনি, দুটি ইউরেটার, একটি ইউরিনারি ব্লাডার (মূত্রথলি) এবং ইউরেথ্রা (মূত্রনালি) নিয়ে মূত্রতন্ত্র গঠিত। আর এই রেচনন্ত্রের যে কোনও অংশে যদি জীবাণুর সংক্রমণ হয় তাহলে সেটাকে ‘ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন’ বলা হয়। ইউরিন ইনফেকশন হলে কিছু লক্ষণের মাধ্যমে সেগুলো প্রকাশ পায়। যেমন-

১. প্রস্রাবে দুর্গন্ধ হয়।

২. প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা লালচে হয়ে যায়

৩. প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভূত হয়

৪. একটু পর পর প্রস্রাবের বেগ অনুভব করলেও ঠিক মতো প্রস্রাব হয় না

৫. তলপেটে বা পিঠের নিচের দিকে তীব্র ব্যথা হয়

৬. বমি ভাব বা বমি হয়

৭. সারাক্ষণ জ্বর জ্বর ভাব বা কাঁপুনি দিয়ে ঘন ঘন জ্বর আসে

ইউরিন ইনফেকশন এমনই এক সমস্যা যা একবার হলে বারবার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ঘন ঘন ওষুধ না খেয়ে বরং ঘরোয়া কিছু প্রতিকারের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। যেমন-

১. ইউরিন ইনফেকশন হলে অনেক চিকিৎসকই রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এটি মুত্রথলি ভাল রাখে এবং প্রস্রাবের সময় জ্বালা ভাব কমাতে সহায্য করে। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতেও সহায়তা করে ভিটামিন সি। তাই ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।

২. প্রতিদিন অন্তত তিন লিটার পানি পান করা উচিত। বিশেষ করে প্রসাবে হলুদ ভাব দেখা গেলেই দেরি না করে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। 

৩. আনারসে ব্রোমেলাইন নামক উপকারী এনজাইম থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত রোগীদের সাধারণত ব্রোমেলাইন সমৃদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। তাই ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রতিদিন এক কাপ আনারসের রস খান।

৪. ইউরিন ইনফেকশন হলে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সংক্রমণ কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। তাই যত দ্রুত সম্ভব এটি নিরাময় করা উচিত। আধা চামচ বেকিং সোডা এক গ্লাস পানিতে ভাল করে মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে প্রস্রাবের সময় জ্বালা বা ব্যথা ভাব অনেকটাই কমে যাবে। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শীতকালে গরম পানিতে গোসল কতটা স্বাস্থ্যকর?


আরও খবর

স্বাস্থ্য

  অনলাইন ডেস্ক

শীতকালে অনেকেই নিয়মিত গোসল করতে চান না। আর গোসল করলেও গরম পানি ব্যবহার করেন। অনেকেই মনে করেন ঠাণ্ডার ভয়ে গোসল না করার চেয়ে গরম পানিতে গোসল করাই ভাল। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা্। 

শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়ায় এমনিতেই ত্বকের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। এই সময় বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ খুব কম থাকায় ত্বকও শুষ্ক হয়ে যায়। শীতকালে বাতাসের অতিরিক্ত শুষ্কতার প্রভাবে ত্বক অতিরিক্ত রুক্ষ, শুষ্ক আর নিষ্প্রাণ হয়ে পড়ে।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, শুষ্ক আবহাওয়ায় নিয়মিত গরম পানিতে গোসল করার ফলে ত্বক দ্রুত আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। প্রতিদিন গরম পানিতে গোসল করার কারণে হজমেরও নানা সমস্যা হতে পারে। সেই সঙ্গে বাড়তে পারে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা।

গবেষকদের মতে, শীতকালে ঠাণ্ডার হাত থেকে বাঁচতে গোসলের পানি হালকা গরম হলে ক্ষতি নেই। তবে এমন পানি দিয়ে গোসল করলে গোসলের সময় কমিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। এ সময় বেশি ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল না করাই ভাল। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর