ফুটবল

মেসিদের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে ব্রাজিল

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০১৯ | আপডেট : ০৩ জুলাই ২০১৯

মেসিদের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে ব্রাজিল

ছবি: গোল

  অনলাইন ডেস্ক

ঘরের মাঠ। ব্রাজিল দর্শকদের উন্মাদনা। এক যুগ পরে কোপা আমেরিকা জয়ের লক্ষ্য। ব্রাজিল এক প্রকার সংকল্প নিয়েই কোপা আমেরিকা ‍শুরু করে। কিন্তু ফাইনালের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। আলবেসেলেস্তেদের দলে লিওনেল মেসি ছিলেন। ব্রাজিলের ভয় ছিল ওখানেই। তবে ব্রাজিল মেসিকে নিষ্ক্রিয় করে রাখার পথ খুঁজে নেয়। ম্যাচের দুই অর্ধে দুই গোল করে সেলেকাওরা। সুপার ক্লাসিকো জিতে নিশ্চিত করে কোপা আমেরিকার ফাইনাল।

ম্যাচের ১৯  মিনিটের মাথায় ব্রাজিল স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল জেসুস দলকে লিড এনে দেন। স্ট্রাইকার হিসেবে খেলা রর্বাতো ফিরমিনো এ ম্যাচে ছিলেন ফরোয়ার্ডের ভূমিকায়। তার দেওয়া বল ধরে গোল করেন জেসুস। পরে ম্যাচের ৭১ মিনিট গোল করেন ফিরমিনো। দলকে এনে দেন ২-০ গোলের লিড। এবার তাকে বল পাস দেন জেসুস। দুই গোলে জয়ের সুবাতাসও পেয়ে যায় সেলেকাওরা।

এ জয়ে ২০০৭ সালের পর কোপা আমেরিকার ফাইনালে উঠল ব্রাজিল। সময়ের হিসেবে যা এক যুগ। আর সর্বশেষ দুই কোপার আসরে ফাইনালে খেলা প্রতিবেশি আর্জেন্টিনা এবং মেসিদের বিদায় করে দিল আসর থেকে। কোপা আমেরিকা সামনে রেখে গেল মে মাসে স্বেচ্ছাবসর কাটিয়ে জাতীয় দলে ফেরেন মেসি। কিন্তু আরও একবার ব্যর্থ হলেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার মেসি। শিরোপা খরা কাটাতে মেসি এখন কাতার বিশ্বকাপে চোখ রাখবেন কি-না তা সময়ই বলে দেবে। 

দু’দল সমান ৫০ ভাগ বল পায়ে নিয়ে খেলেছে। পাস ব্রাজিলের ৪২০, আর্জেন্টিনা ৪১৯টি। গোল মুখে ব্রাজিলের শট তিনটি। দুটি শট নিতে পারে আর্জেন্টিনা। লক্ষ্যভ্রষ্ট শট গোটা পাঁচেক। তবে তাদের আশা ভেঙেছে বারে গেলে ফেরা বল। পেরাদেজ দারুণ এক সুযোগ পেয়েও বল ওপর দিয়ে মারেন। সুযোগ অবশ্য ব্রাজিলও পেয়েছে। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ হাতছাড়া করেন ফিলিপে কৌতিনহো। পুরো ম্যাচ জুড়ে দারুণ খেলেছেন দানি আলভেস। প্রমাণ করেছেন বয়স কেবল একটা সংখ্যা।

এই জয়ে আপাতত ব্রাজিলের মাথা থেকে বেলো হরিজন্তে ভূত নামল। ২০১৪ বিশ্বকাপে এখানে জার্মানির বিপক্ষে ৭-১ গোলে হেরে ইতিহাসে নাম তোলে  ব্রাজিল। এবার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কোপায় তারা জয় পেল। ব্রাজিল ঘরের মাঠে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রতিযোগিতামূলক (প্রীতি ম্যাচ বাদে) কোন ম্যাচে হারেনি। সেই রেকর্ডও বজায় রাখল। অপর সেমিফাইনালে বৃহস্পতিবার সকালে পেরু-চিলি মুখোমুখি হবে। জয়ী দলের বিপক্ষে আগামী রোববার ফাইনাল জয়ের লড়াইয়ে নামবে ব্রাজিল। পরাজিত দলের সঙ্গে আর্জেন্টিনা শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবে।

মন্তব্য


অন্যান্য