ফুটবল

চ্যাম্পিয়নস লিগে নিষিদ্ধ হতে পারে ম্যানসিটি

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৯

চ্যাম্পিয়নস লিগে নিষিদ্ধ হতে পারে ম্যানসিটি

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

পেট্রো ডলারের দাপটে গত সাত বছরে চারটি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা ঘরে তুলেছে ম্যানচেস্টার সিটি। এর মধ্যে গত শনিবার লিভারপুলকে পেছনে ফেলে সর্বশেষ শিরোপাটি জিতেছেন পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। সে আনন্দে তারা এখন মাতোয়ারা। তাদের মূল লক্ষ্য এখন চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা। তবে লিগ শিরোপা জয়ের উৎসব শেষ হওয়ার আগেই একটি দুঃসংবাদ পেয়েছে সিটি।

আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলার সুযোগ নাও পেতে পারে তারা। তাদের বিপক্ষে আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছে ইউরোপের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। অভিযোগ সত্য হলে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে সিটি এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হতে পারে বলে সোমবার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

জার্মান ম্যাগাজিন 'ডার স্টেইগেল'-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যে নতুন করে আবারও 'ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে' নীতি ভঙ্গ করেছে ইংলিশ ক্লাব ম্যানসিটি। এর পরই তাদের বিপক্ষে তদন্তে নামে উয়েফা। সিটির বিপক্ষে আর্থিক নিয়ম ভাঙার অভিযোগ নতুন নয়। এর আগে 'ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে' নীতি ভাঙার দায়ে অভিযুক্ত হয়ে জরিমানাও দিয়েছিল তারা।

ইংলিশ ফুটবল কর্তৃপক্ষ ও উয়েফার আর্থিক বিভাগের কর্মকর্তারা গত কয়েক মাস ধরেই সিটির ব্যাংক হিসাবে নানা অনিয়ম নিয়ে তদন্ত করছে। চার বছর আগে ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নিয়ম ভেঙে সিটি ১৮৮ মিলিয়নের বেশি অর্থ খরচ করেছিল বলেও প্রতিবেদনে দাবি করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

পত্রিকাটি আরও জানায়, উয়েফার আর্থিক নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের তদন্ত দলের সদস্যরা দুই সপ্তাহ আগে সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। সেখানে নাকি তারা তাদের সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত দলের প্রধান বেলজিয়ামের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইয়েভেস লেত্রেমে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, 'চূড়ান্ত মতামত দিয়ে এ সপ্তাহেই তারা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেন। তদন্ত দল এক মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাশা করছেন।'

তবে নিষেধাজ্ঞা আগামী মৌসুমে নাকি পরের মৌসুমে কার্যকর হবে সেটা তদন্ত প্রতিবেদনে পরিষ্কার নয়। অবশ্য আগামী জুনে চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুম শুরুর আগেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন। আর এ রায়ের বিপক্ষে 'কোর্ট অব আর্বিট্রেশন ফর স্পোর্ট'-এ আপিল করতে পারবে ম্যানসিটি। গত মার্চে এ বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে যাচ্ছে ক্লাবটি।

উয়েফার তদন্ত দলকে স্বাগতও জানিয়েছিল তারা। ডার স্পেইগেলের রিপোর্টকে তারা তাদের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা বলেও উল্লেখ করেছিল। তবে চার বছর আগে আর্থিক নিয়ম ভেঙে নতুন খেলোয়াড় দলে টানার জন্য ৬০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা গুনেছিল সিটি। এ কারণেই তাদের বিরুদ্ধে ওঠা এ অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

মন্তব্য


অন্যান্য