ফুটবল

প্রতিপক্ষের জালে ৯ গোল ম্যানসিটির

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

প্রতিপক্ষের জালে ৯ গোল ম্যানসিটির

ছবি: গোল

  অনলাইন ডেস্ক

ছোট দলগুলো বড় ম্যাচ নিয়ে উচ্ছ্বসিত থাকে। ভয়ে থাকে তটস্থও। একদিনে বড় বড় তারকা-কোচদের বিপক্ষে খেলার রোমাঞ্চ। অন্যদিকে তাদের আটকানোর ছক দুই নিয়েই মাথা ঘামাতে হয়। বার্টন আলবিওনের সেই অবস্থায় হলো সম্ভবত। না হলে কারাবাও কাপের সেমিফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে ৯ গোল খায় তারা। তৃতীয় বিভাগের দলটি এই ম্যাচ দিয়েই হয়তো বুঝেছে, শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবল কাকে বলে। 

বার্টন আলবিওন অবশ্য ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের তৃতীয় বিভাগের দল। এটাই তাদের ক্লাব ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ম্যাচ। আর সেই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল পেপ গার্দিওয়ালার ম্যানসিটি। সেমিফাইনালে অবশ্য প্রতিপক্ষ ছোট পাওয়ার সুযোগ নেই। হোক সেটা চ্যাম্পিয়নস লিগ কিংবা কারাবাও কাপ। ম্যানসিটি তাই খর্ব শক্তির দল নিয়ে মাঠে নামেনি। জেসুস, সানে, সিলভা, গুন্ডোগান, মাহরেজ কে ছিল না তাদের দলে।

শক্ত এই দল দেখেই হয়তো দমে গেছে বার্টন। ম্যানসিটির হয়ে এ ম্যাচে চার গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল জেসুস। এছাড়া ডি ব্রুইনি, মাহরেজ এবং ওয়ার্কাররা পেয়েছেন গোল। তাদের দুর্দান্ত পারফর্মে খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে বার্টন আলবিওন। ম্যাচের শুরুতে ৫ মিনিটের মাথায় গোল করেন বেলজিয়াম তারকা ডি ব্রুইনি।

এরপর তারা ২৫ মিনিট আটকে রেখেছিল সিটিকে। ম্যাচের ৩০ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করেন জেসুস। দলের গোল বেড়ে হয় দুই। এরপর ৩৪ মিনিটে আবার জেসুসের গোল। জিকেনকো গোল করেন ৩৭ মিনেটে। গোল ব্যবধান বেড়ে হয় ৩-০। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৭ মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ব্রাজিয়িলান তারকা জেসুস।

এরপর ম্যাচের ৬২ মিনিটে গোল করেন ফোডেন। বার্টন কেবল ম্যাচের দর্শক। তারা দৌড়ে বেড়িয়েছে পেপ গার্দিওয়ালার তিকিতাকার ছকে। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে নিজের নামের পাশে চতুর্থ গোল লেখেন জেসুস। এরপরও যদি থামতো ম্যানসিটির গোল উৎসব! ম্যাচের ৭০ মিনিটে ওয়ার্কার এবং ৮৩ মিনিটে গোল করে ব্যবধান ৯-০ করেন রিয়াদ মাহরেজ।

লিগ কাপে ম্যানসিটির এই জয় অন্যতম বড় জয় হিসেবে লেখা হয়ে গেছে। এর আগে ১৯৮৬ সালে ফুলহামের বিপক্ষে লিগ কাপে ১০-০ গোলের জয় পেয়েছিল লিভারপুল। এবার পেপ গড়লেন ৯-০ গোলে জয়ের রেকর্ড। এছাড়া ম্যানসিটির হয়ে এটি সবেচেয়ে বড় জয়। কারাবাও কাপে পরপর দুই ম্যাচে সাত গোল করারও রেকর্ড গড়েছে ম্যানসিটি। রোদারহ্যাম ইউনাইটেডের বিপক্ষে এফএ কাপের ম্যাচে ৭-০ গোল জেতে সিটি। এর আগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পরপর দুই ম্যাচে সাতের বেশি গোল করে লিডস ইউনাইটেড। সেটা ১৯৬৭ সালের কথা।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

দুই সপ্তাহ মাঠের বাইরে সুয়ারেজ


আরও খবর

ফুটবল

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে তাদের মাঠে গিয়ে ৪-১ গোলের দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বার্সেলোন। দলের হয়ে হ্যাটট্রিক করেন লিওনেল মেসি। এছাড়া দারুণ এক গোল করেন উরুগুয়ে স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। কিন্তু বেটিসের বিপক্ষে ম্যাচেই ইনজুরিতে পড়েন সুয়ারেজ। ওই ইনজুরি তাকে দু' সপ্তাহ মাঠের বাইরে ঠেলে দিয়েছে।

লুইস সুয়ারেজ গোড়ালির ইনজুরিতে পড়েছেন। সোমবার তার মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পেয়েছে বার্সেলোনা। তা থেকে সুয়ারেজ প্রায় দু' সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। বেটিসের বিপক্ষে ম্যাচের পরে বার্সার পরবর্তী ম্যাচ ৩০ মার্চ। কিন্তু এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বিরতি আছে খেলোয়াড়দের।

সুয়ারেজ তাই জাতীয় দল থেকে ছিটকে গেলেন। তার দল চায়না কাপের সেমিফাইনালে আছে। শুক্রবার উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে উরুগুয়ে। ওই ম্যাচে জিতলে ফাইনাল। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে থাইল্যান্ড নয়তো চীন। হারলেও থাইল্যান্ড-চীনের মধ্যে পরাজিত দলের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে তারা।

লিগে সুয়ারেজ মৌসুমের শুরুতে দারুণ ফুটবল উপহার দেন। মেসিহীন বার্সাকে প্রথম এল ক্লাসিকোতে তিনি হ্যাটট্রিক করে বড় জয় এনে দেন। মধ্যে গোল পাচ্ছিলেন না সুয়ারেজ। পরে আবার ফিরেছেন ফর্মে। চলতি মৌসুমে দলের হয়ে মেসির (৩৯) পরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ গোল করেছেন উরুগুয়ে স্ট্রাইকার।  

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

রোনালদোর শাস্তির সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার


আরও খবর

ফুটবল

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

পরপর তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে জুভেন্টাসে আসেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সিরি আ' লিগে অল্প সময়েই মানিয়ে নেন তিনি। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে জুভেন্টাসের হয়ে তার প্রথম ম্যাচেই লাল কার্ড দেখেন। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে চ্যাম্পিয়নস লিগের পরের ম্যাচে নিষিদ্ধ ছিলেন তিনি।

সেই ফাঁড়া কাটিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগে অ্যাথলেটিকোর বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করেন সিআরসেভেন। শেষ গোলটি করে বাজে অঙ্গভঙ্গি করে উদযাপন করেন সাবেক রিয়াল তারকা। ওই উদযাপনের কারণে আবার এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হতে পারেন জুভেন্টাস তারকা। আর তা হলে শেষ আটের ম্যাচে আয়াক্সের বিপক্ষে তাদের মাঠে খেলা হবে না পর্তুগিজ যুবরাজের।

উয়েফা তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'উয়েফার নিয়ম-নীতি বিষয়ক পরিদর্শক তার ব্যাপারে তদন্ত করেছেন। উয়েফার ৫৫ ধারা অনুযায়ী, মাঠে বাজে অঙ্গভঙ্গি করার দরুণ শাস্তির পথ খোলা আছে। নিয়ম অনুযায়ী, রোনালদো আর্টিকেল ১১ (২) (বি) ও (ডি) ধারা ভেঙেছেন।' এই ধারায় তার কি শাস্তি হতে পারে তা উয়েফার আগামী বৃহস্পতিবারের সভায় ঠিক করা হবে।

এর আগে জুভেন্টাসের বিপক্ষে ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে জয় পায় অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। ওই জয়ে অশোভন অঙ্গভঙ্গি করে উদযাপন করেন অ্যাথলেটিকো কোচ সিমিওনে। রোনালদো তারই শোধ নিয়েছেন উদযাপনে সামান্য পরিবর্তন এনে। ওই উদযাপনের কারণে সিমিওনে ১৭ হাজার পাউন্ড জরিমানা গোনেন। এছাড়া ডাগআউট থেকে এক ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয় তাকে। রোনালদোরও তাই শাস্তি পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পিএসজির এলিয়েন দু'জন, নেই নেইমারের নাম


আরও খবর

ফুটবল

ছবি: গোল

  অনলাইন ডেস্ক

ফ্রান্স লিগ ওয়ানে দুর্দান্ত গতিতে ছুটছে পিএসজি। পয়েন্ট টেবিলে রাজত্ব তাদের। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা দলের চেয়ে তারা এরই মধ্যে ২০ পয়েন্ট এগিয়ে গেছে। তৃতীয়-চতুর্থ দলের কথা বাদই দিলাম। সর্বশেষ ম্যাচেও পিএসজি দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে। মার্সেইকে উড়িয়ে দিয়েছে ৩-১ গোলে। ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে এবং ডি মারিয়াকে মার্সেই কোচ এলিয়েন আখ্যা দেন।

ম্যাচের প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এমবাপ্পের গোল এগিয়ে যায় পিএসজি। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটেই গোল করে মার্সেই। ফেরে সমতায়। কিন্তু পিএসজির মাঠে সমতায় ফেরার সুখস্মৃতি বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা। ম্যাচের ৫৫ এবং ৬৬ মিনিটে ডি মারিয়া গোল করে দলকে বড় জয় এনে দেন। 

এ নিয়ে মার্সেই কোচ রুডি গার্সিয়া বলেন, '৪৫ মিনিট তাদের বিপক্ষে দারুণ খেলেও আমরা গোলমুখ খুলতে পারেনি। সমতায় ফেরার পরে অবশ্য আমরা আর বেশি সুযোগ পায়নি। এরপর দলে যখন এমবাপ্পে এবং ডি মারিয়ার মতো দু'জন এলিয়েন থাকবে। তারা ম্যাচ জয়ের পথটা সহজ করে দেবে।'

চলতি মৌসুমে পিএসজি দলে নিয়মিত মুখ আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড ডি মারিয়া। নেইমার ইনজুরিতে থাকায় শুরুর একাদশে খেলছেন তিনি। চলতি মৌসুমে নেইমারের সঙ্গেও ডি মারিয়াকে দারুণ সমন্বয় করেন পিএসজি কোচ টাখেল। ডি মারিয়া ক্লাবের হয়ে ভালো করায় লিওনেল মেসির সঙ্গে জাতীয় দলেও ফিরেছেন।

নেইমার পিএসজি দলে থাকলে হয়তো নেইমার-এমবাপ্পেকেই এলিয়েন বলতেন মার্সেই কোচ। তবে তার অনুপস্থিতিতে পিএসজিকে ভালোই এগিয়ে নিচ্ছেন ডি মারিয়া। এলিয়েন খেতাব তারই প্রাপ্তি। যদিও চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে জয়ের পরও ঘরের মাঠে ম্যানইউকে আটকাতে পারেননি ডি মারিয়া-এমবাপ্পেরা। হেরে নিয়েছে বিদায়।

সংশ্লিষ্ট খবর