ফুটবল

আফ্রিকান ব্যালন ডি'অর সালাহর

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯

আফ্রিকান ব্যালন ডি'অর সালাহর

আফ্রিকান সেরার পুরস্কার হাতে সালাহ।

  অনলাইন ডেস্ক

ক্লাব সতীর্থ তারা। সাদিও মানে এবং মোহামেদ সালাহ প্রতিদ্বন্দ্বীও হন মাঝে-সাজে। সে জাতীয় দলের হয়ে যখন খেলেন। কিন্তু এবার পুরস্কারের মঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তারা। তবে মানেকে হারিয়ে দিয়েছেন সালাহ। জিতেছেন আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার। এ নিয়ে দু'বার আফ্রিকার ব্যালন ডি'অর খ্যাত এই খেতাব ঝুলিতে পুরলেন লিভারপুলের মিসরীয় তারকা।

মঙ্গলবার সেনেগালের রাজধানী ডাকারে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো আয়োজনটি। কাফ প্রেসিডেন্ট আহমেদ এবং বিভিন্ন দেশের ফুটবল কর্তারা উপস্থিত ছিলেন সেখানে। গত বছরও মানেকে হারিয়ে বর্ষসেরা হয়েছিলেন সালাহ। দ্বিতীয় সেরা হওয়ার পথে সাদিও মানে পান ৪৪০ পয়েন্ট। তৃতীয় হওয়া পিয়েরে অবামায়েং পান ১৯৭ পয়েন্ট। আর ৫৬৭ পয়েন্ট নিয়ে সেরা হন অল রেডস তারকা সালাহ।

সেরা হওয়া নিয়ে সালাহ বলেন, 'শৈশবের স্বপ্ন আমার বর্ষসেরা হওয়া। যেটা এখন সত্যি। এনিয়ে দু'বার বর্ষসেরা হলাম, সত্যিই ভালো লাগছে।' লিভারপুলও সালাহকে অভিনন্দন জানিয়েছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন ফুটবল মহলও সালাহর এই অর্জনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। ওদিকে আফ্রিকার বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড় হয়েছেন মরক্কোর আশরাফ হাকিমি। বর্ষসেরা দলে আছেন মানে, সালাহ, রিয়াদ মাহরেজের মতো তারকারা। কোচের পুরস্কার জিতেছেন মরক্কোর হার্ভে রেনার্ড। নারীদের সেরা ফুটবলার হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এলিস।

গেল বছর দেশের ও ক্লাবের হয়ে আলো ছড়িয়েছেন সালাহ। ২০১৭-১৮ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের হয়ে ৩২ গোল সঙ্গে ১১ সহায়তা দিয়েছেন। চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তুলেছেন দলকে। করেন ১৩ ম্যাচে ১০ গোল। আর সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫২ ম্যাচে ৪৪ গোল ছিল তার নামের পাশে। চলতি মৌসুমেও ছন্দে আছেন সালাহ। এখন পর্যন্ত ক্লাবের হয়ে ২৯ ম্যাচে ১৬ গোল করে ফেলেছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

তিন-চারটি প্রস্তাব নাকচ মরিনহোর!


আরও খবর

ফুটবল

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

মরিনহো চাকরি হারা প্রায় আড়াই মাস। তবে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের মৌসুমে তিনি আবার কোচিংয়ে ফিরতে চান। আর সেজন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। পর্তুগিজ কোচ মরিনহো এরই মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ও পর্তুগাল জাতীয় দলের দায়িত্ব নিচ্ছেন বলে গুঞ্জন বের হয়। কিন্তু কোনটা সত্যি হয়নি। তবে মরিনহো জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যে তিন-চারটি ক্লাবের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন।

বেন স্পোর্টসকে ৫৬ বছর বয়সী মরিনহো বলেন, 'আসল কথা হলো আামি আগামী মৌসুমের শুরুতে কোচিংয়ে ফিরতে চাই। নতুন ক্লাবের হয়ে। আমি ভালোমতোই জানি, আমি কি চাই না। আর সে কারণে আমি এরইমধ্যে তিন-চারটি ক্লাবের প্রস্তাবকে না করে দিয়েছি।'

মরিনহো কোন জাতীয় দলের কোচিংয়ে নামছেন না বলেও জানিয়েছেন। কারণ তিনি ক্লাবের ব্যস্ত সূচির মধ্যে ব্যস্ত থাকতে চান, 'আমি জানি, আমি কি চাই। নামধরে কোন ক্লাবের দায়িত্ব নিতে চাই বলবো না। তবে যেখানে কাজের বৈচিত্র থাকবে। কাজ করায় নতুন চ্যালেঞ্জ আছে সেখানে দায়িত্ব নিতে চাই। সেজন্যই অপেক্ষা করছি।'

তিনি বলেন, 'জাতীয় দলের কোচিং করানো খুবই আলাদা কাজ। আমি নিত্য দিনকার ফুটবল চাই, অনেক ম্যাচ চাই, অনেক প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে চাই। যখন আপনি সপ্তাহে ছয়টি সংবাদ সম্মেলন, তিনটি করে ম্যাচ, ম্যাচের আগে-পরে বিশ্লেষণে নামবেন তখন নিজেকে নিয়ে ভাববার সময় থাকবে না আপনার।'

মরিনহো চাকরিহীন আছেন বলে তিনি ছুটি কাটাচ্ছেন এমন নয় বলেও উল্লেখ করেছেন। তিনি ছুটি কাটালে তার মানে দাঁড়াবে ফুটবল মরিনহো বিরক্ত। বরং এই কাজহীন সময়টায় তিনি আগামী মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান মরিনহো। নতুন কোথাও আবার মরিনহো জয়ের মিশনে নামবেন সেটাই এখন দেখার বিষয়। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভারতের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ মেয়েদের


আরও খবর

ফুটবল

ছবি: বিএফএফ

  অনলাইন ডেস্ক

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশীপে বরাবরই শক্তিশালী দল ভারত। কিন্তু তাদের বিপক্ষে জিততে মরিয়া ছিল মনিকারা। সর্বোচ্চটা দিয়েই খেলার কথা জানায় বাংলাদেশ নারী ফুটবলের দলের সদ্যসরা। কিন্তু হিমালয়ের দেশে সাবিনারা পেরে উঠলো না সাবিত্রাদের সঙ্গে। ভারতের কাছে সেমিফাইনালে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধান হেরে সাফের আসর থেকে বিদায় নিয়েছে মেয়েরা।

বুধবার নেপালের বিরাটনগরের রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ভারতের মেয়েদের কাছে পাত্তাই পায়নি আঁখি-মনিকারা। শুরু থেকেই আক্রমণ করে খেলতে থাকে ভারতের মেয়েরা। প্রথমার্ধেই ম্যাচ নিয়ে নেয় নিজেদের কব্জায়। বাংলাদেশের জালে দেয় তিনগোল। দ্বিতীয়ার্ধেও বাংলাদেশের মেয়েরা ম্যাচে ফিরতে পারেনি। উল্টো ম্যাচের শেষ সময়ে গোল খেয়ে বড় ব্যবধানে হারে মেয়েরা।

এর আগের ম্যাচে নেপাল হারিয়েছে শ্রীলংকাকে। ঘরের মাঠে তারা প্রথম সেমিফাইনালে জিতে উঠে গেছে শিরোপা মঞ্চে। ভারত দ্বিতীয় সেমিতে বাংলাদেশকে হারিয়ে তাদের প্রতিপক্ষ হলো।

এরআগে ২০১৬ সালে ভারতের শিলিগুড়িতে সাফের ফাইনালে উঠে মেয়েরা। ওই ম্যাচেও ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে হারে বাংলাদেশের মেয়েরা। ওই আসরেই গ্রুপ পর্বে ভারতের সঙ্গে ড্র করে বাংলাদেশ। দু'দলের দশ দেখায় বাংলাদেশের মেয়েদের সেরা সাফল্য ওই একটি ড্র।এ নিয়ে অন্য নয় ম্যাচে (বুধবারের ম্যাচ) ৪৩ গোল হজম করল মেয়েরা।

ভারত অবশ্য সাফে অপ্রতিরোধ্য। তারা এ পর্যন্ত ২১ ম্যাচ খেলে ২০টিতে জয় পেয়েছে। পা হড়কানোর ম্যাচটা বাংলাদেশের বিপক্ষে। সাফ চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে আগামী ২২ মার্চ ভারত-নেপাল মুখোমুখি হবে।  

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বার্সার অর্থ ফেলে রিয়ালে ভিনিসিয়াস


আরও খবর

ফুটবল

ছবি: গোল

  অনলাইন ডেস্ক

রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ তারকা ভিনিসিয়াস জুনিয়র বার্সার থেকে রিয়ালের ভবিষ্যত পরিকল্পনা ভালো বলে মনে করছেন। তাই তিনি বার্সার দেওয়া বড় অর্থের প্রস্তাব ফেলে রিয়াল মাদ্রিদকে বেছে নিয়েছেন। তাকে সিদ্ধান্ত নিতে অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা সহায়তা করেছেন বলে জানান তিনি।

ভিনিসিয়াস বলেন, 'আমার বাবা আমাকে বলেননি যে, রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা আমার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। আমরা বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদ দুই ক্লাবই ঘুরতে গিয়েছিলাম। আমার দুই ক্লাবই ভালো লেগেছিল।'

কোন ক্লাবে যাবেন এই চিন্তায় তখন ভিনিসিয়াসের ঘুম হারাম। রিয়াল মাদ্রিদে খেলা ব্রাজিল তারকা মার্সেলো এবং কাসেমিরো তখন ভিনিকে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেন, 'বার্সেলোনা আমাকে বেশি অর্থ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা সেরা পরিকল্পনা নিয়ে এগোনো দলকে বেছে নিতে চেয়েছিলাম। কাসেমিরো এবং মার্সেলো আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেন।'

রিয়াল মাদ্রিদের সদ্য সাবেক কোচ সোলারির অধীনে প্রথম একাদশে খেলার সুযোগ পান ভিনিসিয়াস। কিন্তু সোলারি এখন রিয়ালের অতীত। ওদিকে ভিনিসিয়াস আছেন ইনজুরিতে। জিদানের দলে খেলতে তাই অপেক্ষা করতে হচ্ছে ব্রাজিল তরুণকে। তবে জিনাদের মন জয়ের আশা করতেই পারেন ভিনিসিয়াস। ২০১৭ সালে যখন ফ্লেমিঙ্গো থেকে রিয়ালের ভিনি নাম লেখান তখন ব্লাঙ্কোসদের কোচ ছিলেন জিদান।

দুই কোচ নিয়ে ভিনিসিয়াস বলেন, 'কাসেমিরো আমাকে বলেছিল, যখন জিদান কথা বলেন তিনি ঘাবড়ে যান। জিদান ফুটবলের লিজেন্ড। ক্যারিয়ারে তিনি সবকিছুই জিতেছেন। তিনি আমাকে বলেছেন ইনজুরির সময়ে শান্ত থাকতে। যাতে ইনজুরি কাটিয়ে আমি আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরতে পারি।' 

সংশ্লিষ্ট খবর