ফুটবল

সেরা গোলরক্ষক ব্রাজিলের অ্যালিসন

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

সেরা গোলরক্ষক ব্রাজিলের অ্যালিসন

ছবি: গোল

  অনলাইন ডেস্ক

রোমার হয়ে গেল মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে দারুণ পারফর্ম করেন ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। এরপর দল বদলের বাজারে রেকর্ড গড়ে ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলে আছেন তিনি। সেখানেও শুরুর একাদশে জার্গেন ক্লপের ভরসার নাম অ্যালিসন। বিশ্বকাপে ব্রাজিল বেশি দূর যেতে না পারলেও চেনা ছন্দে ছিলেন ২৬ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। চলতি মৌসুমেও ফর্মে আছেন তিনি। আর এ কারণে ২০১৮ সালে 'গোল ৫০' এর সেরা গোলরক্ষক হয়েছেন তিনি।

'গোল ৫০' হলো ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদ মাধ্যম গোলের দেওয়া বার্ষিক এক পুরস্কার। যার জন্য এক বছর বা ১২ মাসের হিসেবে বিশ্বসেরা ৫০ ফুটবলারকে নির্বাচিত করে থাকে। এতে ভোট দেন বিশ্বজুড়ে গোলের ৪২টি সংস্করণের প্রধান বার্তা সম্পাদক ও প্রতিনিধিরা। এরপর গেল বছরের পারফর্মের ভিত্তিতে এবং বার্তা সম্পাদক ও প্রতিনিধিদের ভোটের প্রেক্ষিতে বিচারকগণ বিচার করেন। বিশ্বসেরা ফুটবলার হিসেবে এরপর নাম ঘোষিত হয় কোন ফুটবলারের।

দল বদলের বাজারে ৫৬ মিলিয়ন পাউন্ডে লিভারপুলে যাওয়া অ্যালিসন গেল এক বছর ধরে দারুণ ধারাবাহিক। তার দারুণ পারফর্মে গেল বছর চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল খেলে রোমা। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ঘরের মাঠে বার্সাকে দ্বিতীয় লেগে আটকে রাখেন তিনি। এছাড়া ঘরের মাঠে সেমিফাইনালে লিভারপুলের কাছে ৪-২ ব্যবধানে হারে রোমা। এছাড়া নিজেদের মাঠে ইউরোপের প্রতিযোগিতায় কোন গোল খাননি অ্যালিসন।

সিরি আ'তেও তিনি ছিলেন দারুণ ধারাবাহিক। গেল সিরি আ' মৌসুমে তিনি ১৭ ম্যাচে কোন গোল খাননি। আর তাতেই লিগে তৃতীয় অবস্থানে থেকে শেষ করে তারা। ইতালি থেকে সরাসরি চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার সুযোগ পায় তারা। তার দারুণ এই পারফরম্যান্সের কারণে তিনি বিশ্বসেরা গোলরক্ষক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

অ্যাথলেটিকোর পিছু ছাড়ছেন না রোনালদো


আরও খবর

ফুটবল

  অনলাইন ডেস্ক

চ্যাম্পিয়নস লিগে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বড় বাধা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। রিয়ালের জার্সিতে সিমিওনের দলকে বারবার হতাশ করেছেন তিনি। ২০১৪ ও ২০১৬'র চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে গ্রিজম্যানদের স্বপ্ন ভেঙেছেন সিআরসেভেন। পর্তুগিজ যুবরাজ লস ব্লাঙ্কোসদের জার্সি ছেড়েছেন। তবে রোজি ব্লাঙ্কোসদের পিছু ছাড়েননি। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে অ্যাথলেটিকোর বিপক্ষে মাদ্রিদে বুধবার রাত দুইটার ম্যাচে জুভদের হয়ে নামবেন তিনি।

২০১৪ সালের ফাইনালে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল সিমিওনের দল। যোগ করা সময়ে হেডে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান রামোস। আর অতিরিক্ত সময়ে বেল, মার্সেলো ও রোনারদোর গোলে ৪-১ ব্যবধানে হারে অ্যাথলেটিকো। দু'বছর বাদে আবার ফাইনালে মুখোমুখি দু'দল। নির্ধারিত সময়ে ১-১  গোলে সমতায় থাকা ম্যাচটি টাইব্রেকারে হারে সিমিওনের শিষ্যরা।

২০১৭ সালের সেমিফাইনালে রোজি ব্লাঙ্কোসদের পুড়িয়ে ছারখার করে দেন সিআরসেভেন। বার্নাব্যুতে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। অ্যাথলেটিকোর বিপক্ষে রিয়ালের জার্সি গায়ে ২২ গোল করেছেন রোনালদো। দলের জার্সি বদল হলেও অ্যাথলেটিকোর জাল খুব চেনা রোনালদোর। এবার জুভেন্তাসের জার্সিতেও আলো ছড়ানোর অপেক্ষা তার।

এর আগে রোনালদোর জুভেন্টাসের জার্সিতে স্পেনে ফেরাটা অবশ্য ভালো হয়নি। সেপ্টেম্বরে চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেন তিনি। ম্যাচটি ওল্ড লেডিরা ২-০ গোলে জেতে। ইউরোপের শীর্ষ প্রতিযোগিতায় রেকর্ড ১২১ গোল রোনালদোর নামের পাশে। প্রায় দুই যুগ শিরোপা খরায় থাকা জুভেন্টাস রোনালদোকে কিনেছে অধরা ওই চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে।

তবে ম্যাচটি আবার অ্যাথলেটিকোর মাঠে। ঘরের মাঠে সিমিওনের দল সবসময় ভয়ঙ্কর। চ্যাম্পিয়নস লিগের আসরেই ২০১৪ সালের গ্রুপ পর্বে অ্যাথলেটিকোর মাঠে হেরেছিল জুভরা। ফিরতি লেগটি হয়েছিল গোলশূন্য ড্র। তবে অ্যাথলেটিকোকে ভয় পাচ্ছেন না জুভেন্টাস কোচ মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রি, 'অ্যাথলেটিকো আমরা ভয় পাই না।' ডিয়াগো সিমিওনে দেখছেন অন্যভাবে, 'এটা অনেকটা ফাইনালের মতোই। আমরা ভুল করতে চাই না।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বায়ার্ন জ্বলেনি তাও জেতেনি অলরেডসরা


আরও খবর

ফুটবল

  অনলাইন ডেস্ক

গতির ফুটবলের জন্য আলাদা নাম আছে জার্মানির। দেশটির ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ জার্মান ফুটবলেরই রেপ্লিকা। লিভারপুলও কম যায় না। ইংলিশ লিগের গতিময় ফুটবল দেখা যায় অলরেডসদের পা থেকে। আক্রমণই যাদের খেলার মূলমন্ত্র। লিভারপুলের কোচ আবার জার্মানির জার্গেন ক্লপ। অ্যানফিল্ডে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় দু’দলের ম্যাচটা তাই আগুনে লড়াই ছিল।

আক্রমণ প্রতি আক্রমণে অবশ্য জমাট ম্যাচ ছিল। কিন্তু গোল শূন্য সমতায় নির্লিপ্ত শেষ হয়েছে ম্যাচটি। তাতে অবশ্য গেলবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলা লিভারপুল একটু ধাক্কাই খেলো। কারণ দারুণ ফুটবল খেলে। মুহুরমুহ আক্রমণ করেও জয় বঞ্চিত তারা। দ্বিতীয় লেগে বায়ার্নের মাঠে খেলতে হবে। সেখানে হারলে আসর থেকে নিতে হবে বিদায়।

ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখ গোলের লক্ষ্যে একটি শটও নিতে পারেনি। তার বড় কৃতিত্ব ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার ফ্যাবিনহোর। দলের সেরা ডিফেন্ডার ভ্যান ডাইকের অভাব তিনি দারুণ পুষিয়ে দিয়েছেন। বায়ার্ন স্ট্রাইকার লেভানডভস্কিকে একাই আটকে রাখেন তিনি। অলরেডসরা এ ম্যাচে দুটি শট নেয় গোলের লক্ষ্যে। তবে গোলের বাইরে জার্মান ক্লাবটি সাতটি শট নেয়। লিভারপুল নেয় দশটি শট।

চলতি মৌসুমে দারুণ ছন্দে আছে লিভারপুল। লিগ টেবিলে শীর্ষে আছে। দলের কাছে তাই সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। সেভাবেই শুরু করেন সালাহ-সাদিও মানেরা। কিন্তু সবাই গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। ফিরমিনো, সালাহ, মানে কে সুযোগ হাতছাড়া করেননি! দারুণ সব বল নিয়ে বক্সে ঢুকে সুযোগ হাতছাড়া করেন তারা। এবার তাই বায়ার্নের মাঠে ১৩ মার্চের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে পরীক্ষা দিতে প্রস্তুত হতে হবে ক্লপের দলের। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

লিঁওতে বন্দী লিও মেসিরা


আরও খবর

ফুটবল
লিঁওতে বন্দী লিও মেসিরা

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ছবি: গার্ডিয়ান

  অনলাইন ডেস্ক

বার্সেলোনাকে ঘরের মাঠে লিঁও বন্দী করে রাখল। অবশ্য বার্সা ফ্রান্স ক্লাব লিঁওকে জয় বঞ্চিত রাখল কিনা সে প্রশ্নও উঠতে পারে। কারণ তরুণ এক দল নিয়ে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সার বিপক্ষে দারুণ ফুটবল খেলেছে তারা। কাতালানরা ম্যাচের ছড়ি হাতে রেখেছিল। কিন্তু সুবিধা করতে পারেনি। চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম নকআউট পর্বের ম্যাচেই পা হড়কালো তারা। কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে ঘরের মাঠে লিঁওর বিপক্ষে দ্বিতীয় লেগে এখন ভরসা তাদের।

বার্সেলোনার হয়ে মেসি অবশ্য ভালো খেলেছেন। কিন্তু সেটা যদি বার্সার অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে তুলনা করা হয় তবে মেসি ভালো খেলেছেন। কিন্তু মেসির মানের সঙ্গে তুলনা করা হলে সেরাটা দিতে পারেননি আর্জেন্টিনা তারকা। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ কিছু আক্রমণ করে বার্সা। তা থেকে গোল না পাওয়ায় কপালের দোষ দিতে পারে তারা। আবার বার্সা গোলরক্ষক মার্ক টের স্টেগান যে সেভ দুটি করেছেন তার জন্যও হাফ ছেড়ে বাঁচতে পারে বার্সা।

তবে নিছক পরিসংখ্যানের হিসেবে এগিয়ে বার্সেলোনা। গোলের লক্ষ্যে তারা পাঁচটি শট নিয়েছে। লক্ষ্য ভ্রষ্ট শট নিয়েছে ১২টি। পায়ে ৭৩ ভাগ বল রেখেছে। অন্যদিকে ৩৭ ভাগ বল পায়ে নিয়ে গোলের লক্ষ্যে দুটি এবং বাইরে দুটি শট নিয়েছে স্বাগতিক লিঁও। তবে ফ্রান্সের খেলার ধরণই এমন। প্রতি আক্রমণ তোলা। লিঁও তা ক’বার দেখিয়েছে।

এই সমতায় বার্সার চিন্তা কিছুটা বাড়ছে। কারণ সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের চারটিতে সমতায় দেখেছে তারা। সামনে আবার বেশ কিছু বড় পরীক্ষা। লিগে খেলতে হবে সেভিয়ার বিপক্ষে। কোপা দেল রে’র সেমিফাইনালে রিয়ালের মাঠে খেলতে যেতে হবে। ক’দিন বাদে আবার বার্নাব্যুতে আসতে হবে লিগ ম্যাচ খেলতে। বার্সা নিশ্চয় মেসির ফর্মে ফেরার দিকে চেয়ে থাকবে।

সংশ্লিষ্ট খবর