খাবার

হজমশক্তি বাড়ায় খেজুরের গুড়

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

হজমশক্তি বাড়ায় খেজুরের গুড়

  অনলাইন ডেস্ক

শীতকাল মানেই পিঠাপুলির উৎসব। আর এ সময়ে পিঠা তৈরির অন্যতম উপকরণ হচ্ছে খেজুরের গুড়। এটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমন শরীর-স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুবই উপকারী। খেজুরের গুড় খেলে যে সব উপকারিতা পাওয়া যাবে-

১. প্রতিদিন অল্প পরিমাণে খেজুরের গুড় খেতে পারলে হজমশক্তি বাড়বে। সেই সঙ্গে গ্যাস এবং বদহজমের সমস্যা কমবে।

২. খেজুরের গুড় খেলে পেট ঠাণ্ডা থাকে। সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

৩. শীতকালে বা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে খেজুরের গুড়। কারণ গুড় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৪. শীত বা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় অনেকের হাঁপানির সমস্যা বা শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। প্রতিদিন অল্প পরিমাণে হলেও যদি খেজুরের গুড় খাওয়া যায় তাহলে এই সমস্যা থেকে কিছুটা মুক্তি মেলে।

৫. খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। তাই যারা রক্তশূন্যতায় ভূগছেন তারা নিয়মিত সামান্য পরিমাণে হলেও এই গুড় খেলে উপকার পাবেন। 

৬. খেজুরের গুড় লিভার ডিটক্স করতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই গুড় সামান্য পরিমাণে খেতে পারলে তা শরীর থেকে টক্সিন বের করে রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে। সূত্র : জি নিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ডিম খাওয়ার অভিনব প্রতিযোগিতা!


আরও খবর

খাবার
ডিম খাওয়ার অভিনব প্রতিযোগিতা!

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

এক মিনিটে কয়টা ডিম খেতে পারবেন আপনি? এই  প্রশ্ন নিয়েই অনলাইন ফুড রিভিউ প্রতিষ্ঠান ‘ফুডি’ আয়োজন করে এক মিনিটে ডিম খাওয়ার অভিনব প্রতিযোগিতা। আর এতে অংশ নেন দুই জনের মোট তিনটি গ্রুপ।

অভিনব এ প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা বেশ আনন্দ নিয়েই অংশ নেন। কেউ খান দুইটি ডিম কেউ আবার মিনিট শেষের আগেই খেয়ে ফেলেন চারটি করে ডিম।

খাবার খাওয়ার মাধ্যমে মানুষকে বিনোদিত  করতেই এমন অভিনব আয়োজন শুরু করেছে ফুডি। ভোজন রসিকদের আনন্দ দিতে প্রতি সপ্তাহে 'ফুডি উইথ ফুড চ্যালেঞ্জ' নামে  এ অভিনব প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাবে প্রতিষ্ঠানটি। বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের খাবার নিয়ে সাজানো হবে প্রতিটি পর্ব। শিগগিরই এই প্রতিযোগিতা নিয়ে  দেশের পথে প্রান্তরেও ছুটে যাবে ফুডি টিম। এমনটিই জানান ফুডি কর্তৃপক্ষ।

পরের
খবর

ঝাল লাগলে কী করবেন


আরও খবর

খাবার
ঝাল লাগলে কী করবেন

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

ঝাল খাবারে থাকা ক্যাপসাইসিনের কারণে মুখ লাল হয়ে যায়, কপাল ঘামে এবং পুরো মুখ আগুনের মতো জ্বলতে থাকে। গ্লাসের পর গ্লাস পানি খেয়েও অনেক সময় এই মুখ জ্বলা ভাব দূর হয় না। 

মুখজ্বলা ভাব দূর করতে তাৎক্ষণিক কিছু খাবার খেতে পারেন। ঠাণ্ডা কিছু খেলেও মুখ জ্বলা ভাব কমে যায়। ঝাল খেয়ে মুখ জ্বলা দূর করতে যেসব খাবার খেতে পারেন-

১. দুধ খেলে মুখের ঝাল যত তাড়াতাড়ি দূর হবে অন্য কোন খাবারে তা হবে না। দুধে থাকা প্রোটিন মুখ জ্বলা দূর করতে সাহায্য করে।

২. মুখ জ্বলা ভাব দূর করতে চকলেটও বেশ কার্যকরী। 

৩. চকলেট ও দুধ ছাড়া মুখের ঝাল ভাব দূর করতে সাহায্য করে দুগ্ধজাতীয় বিভিন্ন খাবার। 

৪. খুব ঝাল লাগলে পিনাট বাটারও খেতে পারেন। এটাও মুখ জ্বলা সারাতে ভূমিকা রাখে।

৫. হালকা ঝাল অনুভূত হলে ছোট এক টুকরা পাউরুটি খেতে পারেন।

৬. ঝাল দূর করতে এক চামচ চিনি খেতে পারেন। 

৭. চিনি খেতে না চাইলে ঝাল কমাতে এক চামচ মধু খেতে পারেন। সূত্র : হেলদি বিল্ডার্জড

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কাশির সিরাপের চেয়ে চকলেট ভালো!


আরও খবর

খাবার
কাশির সিরাপের চেয়ে চকলেট ভালো!

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

কাশি খুবই বিরক্তিকর এবং অস্বস্তিকর একটি সমস্যা। সাধারণত কাশি হলে তা নিরাময়ের জন্য অনেকেই কাশির সিরাপ সেবন করেন। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, কাশি সারাতে সিরাপের চেয়েও বেশি কার্যকরী চকলেট। গবেষকরা কাশি হলে সিরাপ গ্রহণের চেয়ে এক টুকরা ডেইরি মিল্ক চকলেট বা ডার্ক চকলেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। 

গবেষক দলের একজন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হালের হৃদরোগ ও শ্বাসযন্ত্র বিভাগের প্রধান এবং ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য স্টাডি অব কফের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অধ্যাপক আলিয়ান মরিস বলেন, সর্দি-কাশির যেসব ওষুধ বাজারে পাওয়া যায়, তার মধ্যে কিছু ওষুধের অন্যতম বিশেষ উপাদান হল কোকোয়া। যে ওষুধে কোকোয়া রয়েছে, সেগুলো খেলে ঠাণ্ডা কাশি থেকে তাড়াতাড়ি রেহাই পাওয়া যায়। আর চকলেট তৈরি হয় কোকোয়া উপাদান দিয়েই।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের বিজ্ঞানীরাও বলেন, ‘সর্দি-কাশির ওষুধে কোডিনও ব্যবহার করা হয়। যাতে মাথা ধরা, কাশি এবং কফের সমস্যা দূর হয়। কিন্তু তার চেয়ে দ্রুত গতিতে কাজ দেয় কোকোয়া’।

গবেষণার জন্য গবেষকদল ১৬৩ জন অংশগ্রহণকারীর উপর পরীক্ষা চালান। এতে দেখা যায়, যেসব কাশির রোগী চকলেটমিশ্রিত ওষুধ খেয়েছেন, কাশির সিরাপ সেবন করা রোগীদের চেয়ে তাদের অবস্থা দুইদিনে বেশ উন্নত হয়েছে। 

অবশ্য এটাই প্রথমবার নয়, এর আগেও গবেষকরা চকলেট খেলে কাশি কমতে পারে এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

অধ্যাপক আলিয়ান মরিস বলছেন, চকলেটে থাকা আঠালো উপাদান গলার স্নায়ুতন্ত্রের উপর একটি আবরণ তৈরি করে, ফলে কাশি কম অনুভূত হয়। মধু এবং লেবু যেভাবে কাশি উপশমে কাজ করে, চকলেটও একইভাবে কাজ করে বলে জানান তিনি। 

গবেষকরা বলছেন, কোকোয়ার মধ্যে থিওব্রমিন নামের বিশেষ ধরনের অ্যালকালয়েড থাকে, যা কাশির মাধ্যমে বারবার কফ ফেলার শারীরিক প্রয়োজন কমিয়ে দেয়। 

অধ্যাপক আলিয়ান মরিস বলেন, কিছু সময়ের জন্য কাশি কমাতে এক টুকরা চকলেট মুখে দিয়ে চুষতে পারেন। তবে হালকা গরম দুধ বা এরকম গরম কিছুর সঙ্গে চকোলেট মিশিয়ে খেলে সেটা গলা বেয়ে দ্রুত নেমে যাবে। এতে তাড়াতাড়ি উপকার পাওয়া যাবে। সূত্র: মিরর

সংশ্লিষ্ট খবর