খাবার

ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

  অনলাইন ডেস্ক

ক্রিয়েটিনিন এক ধরনের বর্জ্য যেটি মাংসপেশীর কোষ ভেঙে তৈরি হয়। যখন ক্রিয়েটিনিন উৎপন্ন হয় তখন রক্তের সঙ্গে তা মিশে যায়। পরে রক্ত যখন কিডনির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন কিডনি এই রক্ত ছেঁকে ক্রিয়েটিনিন প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। তাই রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নির্ণয় করলে বোঝা যায় কিডনি কতখানি কর্মক্ষম আছে।  ক্রিয়েটিনের মাত্রা নির্দিষ্ট লেভেলের উপরে হলেই বোঝা যায় তার কিডনি সমস্যা হয়েছে। রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার বেশ কিছু উপায় আছে। 

যেমন-

১. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ক্রিয়েটিনযুক্ত খাবার বেশি খান অন্যদের তুলনায় তাদের ক্রিয়েটিনিন বাড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদি আপনার খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমানে দুগ্ধজাত খাবার, গরু,মহিষের মাংস বেশি থাকে তাহলে আপনার ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।এ কারণে প্রোটিণ জাতীয় খাবার বেশি খাওয়ার পরিবর্তে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় শাকসবজি রাখুন। এটি আপনার ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।

২. অ্যাপল সিডার ভিনেগার ক্রিয়েটিনিনের লেভেল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এই ভিনেগারে থাকা অ্যাসিটিক এসিড কিডনিতে পাথর জমতে বাঁধা দেয়।ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে এক চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার যোগ করে পান করুন। যেকোন বেলায় খাবার পরে এটা খেতে পারেন। 

৩. চারুচিনি ক্রিয়েটিনিন লেভেল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। কারণ এটা প্রাকৃতিক ভাবে প্রসাবের পরিমাণ বাড়ায়। যেকোন ধরনের পানীয়র সঙ্গে প্রতিদিন আধা চামচ দারুচিনির গুড়া বা এক টুকরো দারুচিনি প্রতিদিন চিবিয়ে খেলে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 

৪. ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান।ফাইবার শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বেশি ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খান অন্যদের তুলনায় তাদের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫. শরীরে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা তখনই বেড়ে যায় যখন আপনার মাংসপেশী অবিরাম কাজ করতে থাকে। এ কারণে খুব বেশি পরিশ্রম করা ঠিক নয়। 

সূত্র : হেলদি বিল্ডার্জড


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ঠাণ্ডা না গরম-কোন কফি উপকারী?


আরও খবর

খাবার
ঠাণ্ডা না গরম-কোন কফি উপকারী?

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

কেউ ঠাণ্ডা কফি খেতে পছন্দ করেন কেউ বা গরম। নতুন এক গবেষণা বলছে, যেটাই পছন্দ করুন না কেন কফি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।

যুক্তরাষ্ট্রের টমাস জেফারসন ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা গেছে, গরম কফিতে ঠাণ্ডা কফির চেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। 

গবেষকরা বলছেন, যদি নিয়মিত পরিমিত হারে কফি পান করা যায় তাহলে এটা স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী হবে যেহেতু এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।

অনেকেই মনে করেন ঠাণ্ডা কফি খেলে অ্যাসিডিটির পরিমাণ কম হবে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, ঠাণ্ডা কিংবা গরম দুই ধরনের কফিতেই অ্যাসিডিটির পরিমাণ প্রায় সমান।

বরফ দেওয়া কফি মানেই কোল্ড বা ঠাণ্ডা কফি নয়। বরফ দেওয়া কফি পানি গরম করেই বানানো হয়। তারপর ঠাণ্ডা করে এতে বরফ দেওয়া হয়।অন্যদিকে কোল্ড কফি ঠাণ্ডা পানি দিয়ে তৈরি করা হয়। এটা তৈরি করতে বেশ সময়ও লাগে। 

গবেষকরা বলছেন, দুই ধরনের কফিতে অ্যাসিডিটির পরিমাণ সামান থাকলেও গরম কফিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি  থাকে।এ কারণে জনপ্রিয়তার বিচারে গরম কফির পাল্লাই ভারী হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পরীক্ষার আগে খেতে পারেন যেসব খাবার


আরও খবর

খাবার

  অনলাইন ডেস্ক

পরীক্ষা মানেই দুশ্চিন্তা, বড় ধরনের মানসিক চাপ। ভাল প্রস্তুতি থাকলেও পরীক্ষা এলে সব শিক্ষার্থীরাই বাড়তি চাপ অনুভব করে। 

পরীক্ষা নিয়ে ভীত বা আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই এমন উপদেশ বড়রা প্রায়ই দেন ছোটদের। তারপরও এটা নিয়ে কিছুটা ভয় থাকেই। পরীক্ষার সময় খুব বেশি দুশ্চিন্তা লাগলে ব্রেথিং অনুশীলন করতে পারেন । মন কিছুটা শান্ত করতে লম্বা করে শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছাড়তে পারন। তাহলে মনের চাপ কিছুটা কমবে। এছাড়া পরীক্ষার আগে মস্তিষ্কের শক্তি বাড়ায় এমন খাবার খেলেও পরীক্ষার হলে আরাম লাগবে। যেমন-

১. ফলের মধ্যে জাম মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে দারুন কার্যকরী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়। 

শুধু পরীক্ষার আগে নয় , নিয়মিত এই ফলটি খেলে মনে রাখার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, মস্তিষ্কের সক্ষমতা বাড়বে। 

২.যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ওমেগা থ্রি সমৃদ্ধ যেকোন খাবার মনোযোগ, মনে রাখার ক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এ ধরনের খাবারের মধ্যে বাদাম, সামুদ্রিক মাছ , অ্যাভোকাডো ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তাই পরীক্ষার হলে যাবার আগে এসব খাবার খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। 

৩. সবজির মধ্যে ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, মস্তিষ্কের জন্য উপকারী ফ্যাট থাকে। 

গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন কে সমৃদ্ধ খাবার মস্তিষ্কের উর্বরতা বাড়ায়। ব্রকলিতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান মস্তিষ্কের সুরক্ষা করে। এ কারণে পরীক্ষার আগে এই সবজিটি খেতে পারেন। 

৪. ডার্ক চকলেটের নানা ধরনের গুণ রয়েছে ।এতে থাকা ফ্ল্যাভনয়েড,ক্যাফেইন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের উর্বরতা বাড়ায়।সেই সঙ্গে মনও ভাল রাখে। দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে তাই ডার্ক চকলেট খেতে পারেন। 

৫. সাধারণত বেশি পরিশ্রমের আগে কার্বোহাইড্রেট পুর্ণ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু পরীক্ষার আগে এ ধরনের খাবার খাওয়া ঠিক নয। পরীক্ষার আগে পাউরুটি, পাস্তা কিংবা ভাত খেয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে এগুলো হয়তো মনে রাখার ক্ষমতা বাড়াবে কিন্তু তা বেশিক্ষন স্থায়ী হবে না। বরং ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেবে। বেশি কার্বোহইড্রেটডুক্ত খাবার খেয়ে গেলে পরীক্ষার হলে ঘুমও পেতে পারে। এর চেয়ে বরং ডিম, পরিজ, পনির, লো ফ্যাট দুধ খেতে পারেন।   সূত্র : ফুডইটসেফ


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

যেভাবে ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে ফুলকপি


আরও খবর

খাবার

  অনলাইন ডেস্ক

শীতকালীন সবজি ফুলকপি সবারই পছন্দের। রান্না, সিদ্ধ, ভাজি, ভাজা-সবরকম ভাবেই এটি খাওয়া যায়। পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধে এই সবজিতে খুবই কম পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। তবে এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি, কে, সি, ফলিক অ্যাসিড, খনিজ পদার্থ যেমন-ম্যাঙ্গানিজ ও পটাশিয়াম থাকে। পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ ফুলকপি ওজন কমাতেও বেশ কার্যকরী।এ কারণে যারা ওজন কমাতে চান খাদ্য তালিকায় ফুলকপি রাখতে পারেন। ফুলকপি কিভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে তা জেনে নেওয়া যাক-

আমেরিকান কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ১০০ গ্রাম ফুলকপিতে মাত্র ২৫ গ্রাম ক্যালরি থাকে। এ কারণে ফুলকপি দিয়ে তৈরি খাবার খেলে খুব বেশি ওজন বাড়বে না। 

প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপিতে ২ গ্রাম ফাইবার থাকে। এ কারণে এটি খেলে পেট ভরা অনুভূত হয়। বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফুলকপিতে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় –এই দুই ধরনের ফাইবার থাকে যা হজমশক্তি ঠিক রাখে। আর হজম পদ্ধতি ঠিক থাকলে ওজনও বাড়বে না।

প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপিতে ৯২ গ্রাম পানি থাকে। এ কারণে এটি শরীরের আর্দ্রতা বজায় রেখে ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। 

প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপিতে ৪৮ গ্রাম ভিটামিন সি থাকে। আর ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুন কার্যকরী। শরীর যখন রোগমুক্ত হয় তখন ওজন কমাতেও ভূমিকা রাখে। সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর