ফ্যাশন

এখনো বেচাকেনা জমে ওঠেনি পুলিশ প্লাজা শপিং মলে

প্রকাশ : ২২ মে ২০১৯ | আপডেট : ২২ মে ২০১৯

এখনো বেচাকেনা জমে ওঠেনি পুলিশ প্লাজা শপিং মলে

ক্রেতার অভাবে অনেক বিক্রেতাই অলস সময় কাটাচ্ছেন ছবি: সমকাল

  সমকাল প্রতিবেক

রমজানের মাসের ১৫ দিন পার হলেও এখনো ঈদের বেচাকেনা জমে ওঠেনি রাজধানীর হাতিরঝিল সংলগ্ন (গুলশান) পুলিশ প্লাজা কনকর্ড শপিংমলে। ক্রেতার অভাবে অনেক বিক্রেতাই অলস সময় কাটাচ্ছেন।  

বুধবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীর অন্যান্য শপিং মলে ক্রেতাদের ভিড়ে সরগরম থাকলেও পুলিশ প্লাজা শপিং মলে ক্রেতাদের সেরকম সমাগম নেই। তবে খুব শিগিগরই এখানকার বিকিকিনি জমে উঠবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা।

এ নিয়ে ফ্যাশন হাউস লা রিভের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘কর্মদিবস হওয়ায় আজ মার্কেটে সেরকম ভিড় নেই। তবে রোজা শুরুর প্রথম থেকেই সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষ্যনীয়। আশা করছি আগামী সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এই ভিড় আরও বাড়বে’। 

অনেক বিক্রেতা জানান, ঈদ বাজার হিসেবে অন্যান্য শপিং মলে কর্মদিবসে ভিড় থাকলেও এই মার্কেটে ক্রেতাদের সেরকম ভিড় থাকে না। এর কারণ হিসেবে তারা কয়েকটি অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা বলেন, ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এই শপিং মলটি নিয়ে সেরকম প্রচারণা নেই। এখানে দোকান ভাড়া, ভ্যাটও অনেক বেশি। এছাড়া বড় বড় শপিং মলের তুলনায় এই শপিং মলে তুলনামুলকভাবে জায়গা কম হওয়ায় ক্রেতাদের আগ্রহ কম।

পোশাক হাউস জান্নাত এক্সপ্রেসের এক বিক্রেতা জানান, ১০ রোজার পর থেকেই মার্কেটে ক্রেতার সমাগম বাড়বে বলে তারা আশা করছিলেন। কিন্তু এখনও সেভাবে ক্রেতাদের সাড়া মেলেনি। 

পোশাকের দোকানে ক্রেতাদের কিছুটা আনাগোনা থাকলেও এই শপিং মলের জুতার দোকানগুলো এখনও ফাঁকা।এ প্রসঙ্গে ইউএস বাংলা গ্রুপের ভাইব্রান্ট ফুটওয়্যারের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এখনও সবাই পোশাক কিনতেই ব্যস্ত। এ কারণে জুতার দোকানে ভিড় কম’। তার মতে, অন্যান্য শপিং মলের মতো এখানেও যদি জুতা, পোশাক, কসমেটিক্স, ইলেকট্রনিক্স পণ্য যদি আলাদা আলাদা ফ্লোরে নির্দিষ্ট থাকতো তাহলে ক্রেতাদের যেমন সুবিধা হতো তেমনি ব্যবসাও ভাল হতো।

পুলিশ প্লাজা শপিং মলে জিনিসপত্রের চড়া দাম নিয়ে অভিযোগ রয়েছে অনেক ক্রেতার। যদিও এমন অভিযোগ মানতে রাজী নন এখানকার বেশিরভাগ দোকানীরা। এ প্রসঙ্গে ফ্যাশন হাউস ষ্টাইলসেলের এক বিক্রয়কর্মী বলেন, ‘ দেশীয় ব্রান্ড হিসেবে আমরা অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে পোশাক বিক্রি করছি’। তিনি আরও বলেন , ‘বেশিরভাগ ক্রেতাই এখন ব্রান্ডের জিনিস কিনতে চান। এ কারণে এই শপিং মলে যেসব ব্রান্ডের শোরুম আছে তাদের ব্যবসা তুলনামুলকভাবে ভালই চলছে’। তার মতে, এই শপিং মলে সব ধরণের ক্রেতাদের আনাগোনা নেই। মূলত উচ্চবিত্ত উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারাই এখানে আসেন। এ কারণে এখানে তুলনামুলকভাবে ভিড় কম থাকে। তিনি বলেন, ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে শপিং মলটির প্রচার-প্রচারণা আরও বাড়ানো উচিত।  

মন্তব্য


অন্যান্য