ফ্যাশন

এবার ‘গারারা’য় মেতেছে তরুণীরা

প্রকাশ : ১৯ মে ২০১৯ | আপডেট : ১৯ মে ২০১৯

এবার ‘গারারা’য় মেতেছে তরুণীরা

  অনিন্দ্য মামুন

কিরণমালা, পাখি, বাজিরাও মাস্তানি ও বজরঙ্গি ভাইজা নামের পোশাকের পর গত বছর ঈদের আলোচিত পোশাকের নাম ছিলো সারারা। ঈদের কেনাকাটায় তরুণীদের চাহিদার  শীর্ষে ছিলো এই সারারা। দেশের কোনো কোনো অঞ্চলে তো এই পোশাক কিনে না দেয়ায় তরুণীর আত্মহত্যার খবরও পাওয়া গেছে! 

ঈদুল ফিতরের বাকী আর অর্ধমাস। প্রতি বছর এ সময়টাতে কেনাকাটার ধুম পড়ে যায়। যদিও ঈদের কেনাকাটা শুরু হয়েছে শবে বরাতের পর থেকেই। তবে এই সময়ে শপিংমলগুলোতে থাকে মানুষেরর উপচেপড়া ভিড়। কেবল নতুন জামা কেনার জন্যই এ ভিড়। ক্রেতাদের ভিড় সামলাতে শপিংমলগুলোও মধ্যরাত পর্যন্ত খোলা রাখা হয় কেবল ঈদের আগের এই সময়েই। ব্যতিক্রম হচ্ছে না এ বছরও। 

তবে ব্যতিক্রম হচ্ছে শুধু পোশাকে। গত বছর যেখানে তরুণীদের চাহিদায ছিলো ‘সারারা’। এ বছর আর সারারা নেই। সেখানে স্থান পেয়েছে ভারতীয় পোশাক ‘গারারা’ নতুন নামের পোশাক। রাজধানীর বড় ও ছোট শপিংমলগুলোতে ক্রেতাচাহিদা মাথায় রেখে সব দোকানেই ‘গারারা’ দোকানে তুলছেন ব্যবসায়ীরা।

ডিজাইনে আভিজাত্য জড়ানো গারারাতে। এটি মোগল আমলের পোশাক। ওই সময়ে রাজপরিবারের মেয়েরা এমন পোশাক পরতেন। সময়ের বিবর্তনে মোগল আমলের সেই ‘গারারা’ই এবার যোগ হয়েছে আধুনিক ফ্যাশনে।

গারারা পোশাকটির কামিজের দৈর্ঘ্য হাঁটু পর্যন্ত। সালোয়ারও থাকে। এই সালোয়ারটিও বেশ নান্দনিক। যা খানিকটা লম্বা এবং হাঁটুর কাছে এসে কুচি দেয়া। সেই কুচি পরে বেশি ঘের হয়ে নেমে গেছে নিচের অংশ। ডিজাইনে রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। কোনো কোনো গারারায় পুরোটাতেই পাথর বসানো। যা ছড়ায় বাড়তি আভিজাত্য। রংয়েও রয়েছে ভিন্নতা। সাধারণত সিল্ক, জর্জেট, কটন ও নেট কাপড়ের তৈরি এই গারারা।

রাজধানী বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে সরিজমিনে দেখা যায়, এই গারারার বেচা-বিক্রি। ব্যবসায়ীরা জানালেন, সর্বনিম্ব সাত হাজার থেকে লাখ টাকা মূল্যের গারারা তুলেছেন তারা। ‘গারারা’ ছাড়াও গাউন, বাবরি গাউন, কোটি সিস্টেম গাউনসহ নানান ধরনের পোশাকও বিক্রি হচ্ছে বলে জানান বসুন্ধরা সিটি শপিংমলের সুমন খান নামের একজন ব্যবসায়ী। 

রাজধানীর গাউছিয়া, নিউমার্কেট, চাঁদনি চকেও দেখা যায় গারারার চাহিদা। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন  এ বছর গারারাতেই মেতে থাকবেন তরুণীরা।

মন্তব্য


অন্যান্য