ইউরোপ

ফ্রান্সে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

ফ্রান্সে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ৩

  অনলাইন ডেস্ক

ফ্রান্সে একজন বন্দুকধারীর গুলিতে কমপক্ষে তিনজন মারা গেছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ১২ জন। এদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর। 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফ্রান্সের পূর্বাঞ্চলীয় শহর স্ট্রাসবুর্গের ক্রিস্টমাস মার্কেটের কাছে এ ঘটনা ঘটে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার কাস্টনার গণমাধ্যমকে বলেন, হামলাকারী পালিয়ে গেছে। সেই হামলাকারী আমাদের নিরাপত্তাবাহিনীর দু'বার গোলাগুলিতে জড়িয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ক্রিস্টমাস মার্কেটগুলো এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।  

ফ্রান্সের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এ ঘটনায় অনুসন্ধান শুরু করেছে। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

অনাস্থা ভোটে টিকে গেল তেরেসা মের সরকার


আরও খবর

ইউরোপ

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে- বিবিসি

  অনলাইন ডেস্ক

পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে টিকে গেছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের সরকার।

বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন সরকারের ওপর যে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন বুধবার রাতে তার ওপর ভোট হয়। এতে প্রস্তাবের বিপক্ষে পড়ে ৩২৫ ভোট, পক্ষে পড়ে ৩০৬ ভোট। অর্থাৎ ১৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে এ যাত্রায় টিকে গেল তেরেসা মের সরকার।

বিদ্রোহী টোরি পার্টির এমপিরা এবং ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির (ডিইউপি) যারা ২৪ ঘণ্টা আগে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের ব্রেক্সিট পরিকল্পনাকে রেকর্ড ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করায় ভূমিকা রেখেছিলেন, তারাই বুধবার অনাস্থা ভোটে তেরেসা মেকে ডাউনিং স্ট্রিটে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন।

মঙ্গলবার রাতে ব্রিটিশ এমপিরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে দেশটির বেরিয়ে আসার ব্রেক্সিট চুক্তিকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করার পর তেরেসা মেকে এই অনাস্থা প্রস্তাবের মুখে পড়তে হয়।

তেরেসা মে তার ব্রেক্সিট পরিকল্পনা পাসের উদ্যোগ নিয়ে আধুনিক ব্রিটেনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরাজয় বরণ করার পর বিরোধী লেবার পার্টির নেতা করবিন সরকারের ওপর অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। পাশাপাশি সাধারণ নির্বাচনও দাবি করেন তিনি।

হাউস অব কমন্সে মের উত্থাপিত ব্রেক্সিট প্রস্তাবের বিপক্ষে ৪৩২ ভোট ও পক্ষে ২০২ ভোট পড়ে। এর মাধ্যমে গত বছরের শেষ দিকে ব্রাসেলসে ইইউর বিশেষ শীর্ষ বৈঠকে করা ব্রেক্সিট চুক্তিটিকে এমপিরা তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।

ভোটের পরপরই ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জ্যাঁ ক্লঁদ জাঙ্কার ব্রেক্সিটের বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব ব্রিটেনের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় প্রায় শেষ হয়ে গেছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এই ভোটে শোচনীয় পরাজয়ের পর মে তার সুর নরম করেন। তিনি আগামী সোমবার নতুন পরিকল্পনার আগেই একটি গ্রহণযোগ্য বেক্সিট চুক্তিতে উপনীত হতে সব দলের সাথে আলোচনা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বুধবার রাতে অনাস্থা ভোটে জয়ী হওযার পর প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বলেন, পার্লামেন্টে এমপিরা সমর্থন দেবে এমন একটি ব্রেক্সিট প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করতে  তিনি অন্য পার্টির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির চার দশকের সম্পর্কোচ্ছেদের রায় হয়। ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় আগামী ২৯ মার্চ। মঙ্গলবার রাতে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তেরেসা তিন দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাব উত্থাপনের সুযোগ পাবেন। সেই প্রস্তাবও যদি প্রত্যাখ্যাত হয়, তবে চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হবে যুক্তরাজ্যকে।

অবশ্য ব্রেক্সিট থেকে ফিরে আসার পথও খোলা রয়েছে যুক্তরাজ্যের সামনে, যার জন্য এমনকি ইইউর অন্য দেশগুলোর অনুমোদনেরও প্রয়োজন হবে না।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

অনাস্থা ভোটের মুখে তেরেসা মে


আরও খবর

ইউরোপ
অনাস্থা ভোটের মুখে তেরেসা মে

প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০১৯

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে— এএফপি

  অনলাইন ডেস্ক

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বুধবার রাতে অনাস্থা ভোটের সম্মুখীন হচ্ছেন। দেশটির এমপিরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসার ব্রেক্সিট চুক্তিকে বিপুল ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করার পর তাকে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে আধুনিক ব্রিটেনের ইতিহাসে মের সরকারকে সবচেয়ে বড় পরাজয় বরণ করতে হয়েছে।

হাউস অব কমন্সে মের উত্থাপিত ব্রেক্সিট প্রস্তাবের বিপক্ষে ৪৩২ ভোট ও পক্ষে মাত্র ২০২ ভোট পড়ে। এর মাধ্যমে গত বছরের শেষ দিকে ব্রাসেলসে ইইউর বিশেষ শীর্ষ বৈঠকে করা ব্রেক্সিট চুক্তিটিকে এমপিরা তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেন।

ভোটের পরপরই ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জ্যাঁ ক্লঁদ জাঙ্কার ব্রেক্সিটের বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব ব্রিটেনের অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানান। সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় প্রায় শেষ হয়ে গেছে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

ব্রিটেনের সঙ্গে স্থল সীমান্ত থাকা একমাত্র দেশ আয়ারল্যান্ড বলেছে, তারা এখন একটি 'এলোমেলো ব্রেক্সিটের' জন্য প্রস্তুতি জোরদার করবে।

এই ভোটে শোচনীয় পরাজয়ের পর মে তার সুর নরম করেন। তিনি আগামী সোমবার নতুন পরিকল্পনার আগেই একটি গ্রহণযোগ্য বেক্সিট চুক্তিতে উপনীত হতে সব দলের সাথে আলোচনা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলাদেশ সময় বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আনাস্থা ভোট হবে। ভোটে তিনি জয়লাভ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন সাধারণ নির্বাচন চান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নিজের কনজারভেটিভ দলের এমপি ও তার মিত্র নর্দান আয়ারল্যান্ডের ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টি (ডিইউপি), যারা ব্রেক্সিট চুক্তির বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা কোনোভাবেই লেবার দলের সরকার চায় না।

ভোটে পরাজয়ের পর ব্রিটিশ পত্রিকাগুলো বিভিন্ন ভাষায় মের অবস্থান তুলে ধরেছে। সর্বাধিক বিক্রিত ট্যাবলয়েড সান বলেছে, মে ‘পিষ্ট’ হয়ে গেছেন। ডেইলি মেইল জানায়, ‘মে’র ক্ষমতা সুতোয় ঝুলে আছে।’ টাইমস তাকে ‘বোধশুন্য প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ব্রেক্সিটের সমর্থক বোরিস জনসন বলেন, এই ভোট মেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তার চুক্তিটির ব্যাপারে পুনরায় আলোচনার জন্য ‘ব্যাপক ক্ষমতা দিয়েছে’।

ডিইউপি নেতা এরলেনে ফস্টার ব্রেক্সিট চুক্তির ‘মৌলিক পরিবর্তনের’ আহ্বান জানিয়েছেন। এই নারী নেত্রী বলেন, ‘আমরা আরো ভালো চুক্তি নিশ্চিতের জন্য একটি পরিকল্পনা করতে সরকারকে সুযোগ দেব।’

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির চার দশকের সম্পর্কোচ্ছেদের রায় হয়। ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় আগামী ২৯ মার্চ। মঙ্গলবার রাতে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তেরেসা তিন দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাব উত্থাপনের সুযোগ পাবেন। সেই প্রস্তাবও যদি প্রত্যাখ্যাত হয়, তবে চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হবে যুক্তরাজ্যকে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যান


আরও খবর

ইউরোপ

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার (ব্রেক্সিট) চুক্তি অনুমোদন প্রশ্নে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে হেরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে।

মঙ্গলবার রাতে পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষ হাউস অব কমন্সে তেরেসার উপস্থাপিত প্রস্তাব ৪৩২-২০২ ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়ে যায় বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এই প্রথম দেশটির কোনও ক্ষমতাসীন সরকার পার্লামেন্টে এত বড় পরাজয়ের মুখোমুখি হলো। ইইউর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি পাস হওয়ার প্রশ্নে ২৩০ ভোটের ব্যবধানে তেরেসার এ হারের ফলে নতুন সংকট তৈরির যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল তা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় সেটিই এখন সময়ের অপেক্ষা।

বিবিসি বলছে, ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় ২৯ মার্চ। পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তেরেসা তিন দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাব উত্থাপনের সুযোগ পাবেন। সেই প্রস্তাবও যদি প্রত্যাখ্যাত হয়, তবে চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হবে যুক্তরাজ্যকে।

২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির চার দশকের সম্পর্কোচ্ছেদের রায় হয়।

পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ভোটাভুটিতে অবশ্য আগে থেকেই তেরেসার পরাজয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। লেবার পার্টি, অন্যান্য বিরোধী দলের এমপিসহ মের নিজ দল কনজারভেটিভ পার্টির অনেক এমপি তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে চুক্তির বিপক্ষে ভোট দেন।

মঙ্গলবারের এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর। তবে আইন প্রণেতাদের তুমুল বিরোধিতার মুখে ভোটাভুটিতে হেরে যাওয়ার আশঙ্কায় শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মে।

লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন এখন সরকারের ওপর একটি অনাস্থা প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন, যা দেশটিতে একটি সাধারণ নির্বাচনে গড়াতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবের বিষয়ে বুধবার তিনি বিতর্কে অংশ নিতে পারেন।

করবিন বলেন, এই সরকারের পরিষ্কার অদক্ষতার ব্যাপারে কমন্স সদস্যদের মতামত জানানোর সুযোগ করে দেবে এই আস্থা ভোট।

তবে ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নিস্ট পার্টির একটি সূত্র জানিয়েছে, আস্থা ভোটের ক্ষেত্রে তারা তেরেসাকে সমর্থন করবেন।

সংসদ সদস্যরা যদি অনাস্থা ভোট সমর্থন করেন, তাহলে সরকার বা অন্য কেউ যে পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবেন, তাদের পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে আরেকটি আস্থা ভোটে বিজয়ী হতে হবে। সেটি না হলে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ব্রেক্সিট ইস্যুতে ভোটাভুটিতে ১১৮জন এমপি বিরোধী দলের সঙ্গে মের চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। সাধারণ ক্ষেত্রে এ ধরনের সরকারি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ওপর বিশাল পরাজয়ের পর আশা করা হয় যে, প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করবেন।

পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেও ভোটের পর তেরেসা অবশ্য আভাস দিয়েছেন, তিনি সরকার পরিচালনা অব্যাহত রাখবেন। তিনি বলেন, হাউজ তাদের মতামত দিয়েছে এবং সরকার সেটি শুনবে। সব দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ব্রেক্সিটের বিষয়ে করণীয় ঠিক করার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

ভোটের ফলাফলে হতাশা প্রকাশ করে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা যত দ্রুত সম্ভব ব্রেক্সিট প্রসঙ্গে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়টি পরিষ্কার করে।

সংশ্লিষ্ট খবর