ইউরোপ

গাড়ি চুরি করতে গিয়ে পুলিশকেই ফোন করল চোর

প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮

গাড়ি চুরি করতে গিয়ে পুলিশকেই ফোন করল চোর

  অনলাইন ডেস্ক

পার্ক করা গাড়িটিকে দেখে লোভ হয় গাড়ি চোরের। গাড়িটি চুরি করে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে ভেতরে ঢোকে সে। কিন্তু তারপরই ঘটে বিপত্তি। গাড়ির মধ্যেই তালাবদ্ধ হয়ে পড়ে সে। শত চেষ্টা করেও বের হতে না পেরে একসময় সাহায্য চেয়ে পুলিশকেই ফোন দেয় চোর।

সম্প্রতি মজার এই ঘটনাটি ঘটেছে নরওয়ের ট্রোনডেলগ শহরে। জানা যায়, ১৭ বছর বয়সী এক তরুণ গত সোমবার সকাল ৮ টার দিকে স্থানীয় পুলিশকে ফোন দেয়। তাদেরকে জানায় গাড়ির মধ্যে আটকা পড়েছে সে।পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। ট্রোনডেলগ পুলিশ টুইটারে এ ঘটনা জানিয়ে লিখেছে, ফোন করে তরুণটি জানায়, ডিলারের কাছ থেকে যে গাড়ি চুরি করতে এসেছিল সেই গাড়ির মধ্যেই আটকা পড়েছে সে।

পুলিশ টুইটারে আরও জানায়, ‘যে গাড়িটা চুরি করবে বলে চোর ভেতরে ঢুকেছিল সেই গাড়ির মধ্যে থেকেই সে আমাদের ফোন করে।এমনিতে তার নামে ছোটখোটো কিছু কেস আছে পুলিশের খাতায়। এ কারণে চোর আমাদের আগে থেকেই জানত। তাই সে ভেবেছিল সাহায্যের জন্য আমাদের ফোন করাই ঠিক হবে। যেমন বিপদে পড়ে আমরা বন্ধুকে ফোন করি অনেকটা সে রকম।’

ট্রোনডেলগ পুলিশের এক কর্মকর্তা ইবে কিমো বলেন, ‘আমরা যখন সেখানে পৌঁছাই তখন সে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। আমাদের ফোন করা দেখেই বুঝেছিলাম অসহায় বোধ করছে সে’।

আপাতত কিশোরটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে  তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। সূত্র : এনডিটিভি

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ব্রেক্সিটের সময় বাড়ল


আরও খবর

ইউরোপ
ব্রেক্সিটের সময় বাড়ল

প্রকাশ : ১৫ মার্চ ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া (ব্রেক্সিট) বিলম্বিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট।

ব্রেক্সিট নিয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের প্রস্তাব দুই দফায় প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার তৃতীয়টিতে সম্মতি দেন এমপিরা। ফলে ইইউ ত্যাগের জন্য খুব সম্ভবত আরও কিছুদিন সময় পাবে যুক্তরাজ্য।

ব্রেক্সিট বিলম্বিত করার প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ৪১২টি, বিপক্ষে ২০২টি। এখন ইইউর কাছে ব্রেক্সিটের জন্য আরও সময় চাইবেন তেরেসা। ইইউ এ আবেদনে সম্মত হলে পূর্বনির্ধারিত ২৯ মার্চ ব্রেক্সিট কার্যকর হচ্ছে না। ব্রিটেন তিন মাসের মতো সময় পেতে পারে। তবে এই প্রস্তাবও ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পাস হতে হবে।

এর আগে অবশ্য ব্রিটেন ইইউ ছাড়বে কি না তা নিয়ে আরেক দফা গণভোটের দাবি উঠেছে। পার্লামেন্টে এ নিয়ে আলোচনায় সম্মতি জানিয়েছেন স্পিকার। তবে বিরোধী দল লেবার পার্টি বলেছে, তারা এ ধরনের উদ্যোগে সমর্থন দেবে না। তেরেসা অবশ্য চাচ্ছেন ব্রেক্সিট নিয়ে তার প্রস্তাবে সায় দিক সংসদ। এ জন্য শেষ চেষ্টা চালাবেন তেরেসা মে। তৃতীয় দফায় পার্লামেন্টে নিজের ব্রেক্সিট প্রস্তাব উত্থাপন করবেন তিনি। আগামী ২০ মার্চ কিংবা তার আগেই এ প্রস্তাব তুলতে পারেন তিনি। খবর বিবিসি ও এএফপির।

এর আগে গত জানুয়ারিতে তার প্রথম দফার চুক্তির খসড়া ও গত মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফার সংশোধনী প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। পরদিন বুধবার রাতে 'নো ডিল'খ্যাত চুক্তিহীন ব্রেক্সিট পরিকল্পনাও হাউস অব কমন্সের ভোটে বাতিল হয়।

আগামী ২৯ মার্চ ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের আনুষ্ঠানিক ব্রেক্সিট ঘটার কথা। কীভাবে সেই বিচ্ছেদ ঘটবে তা নিয়ে ব্রিটিশ এমপিরা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারায় পুরো ব্রিটেনকে ঘিরে ধরেছে গভীর অনিশ্চয়তা।

২০১৬ সালের ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে এক গণভোটে ইইউর সঙ্গে দেশটির চার দশকের সম্পর্কচ্ছেদের রায় হয়। ভোটে হারের পর রক্ষণশীল দলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন পদত্যাগ করলে তেরেসা সেই দায়িত্ব নিয়ে ব্রেক্সিটের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক এ জোট থেকে কোন প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য আলাদা হবে এবং এরপর ইইউভুক্ত বাকি ২৭টি রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক কেমন হবে, সেই পথ বের করার জন্য সময় নেওয়া হয় ২১ মাস। আগামী ২৯ মার্চ সেই সময়সীমা উত্তীর্ণ হবে। দুই বছরে ইইউর সঙ্গে দীর্ঘ দর কষাকষির মাধ্যমে ব্রেক্সিট চুক্তির একটি খসড়া তৈরি করেছিলেন তেরেসা।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চুক্তি ছাড়া ইইউ থেকে বের হওয়ার প্রস্তাব নাকচ


আরও খবর

ইউরোপ

  অনলাইন ডেস্ক

ব্রেক্সিট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মের চুক্তি দ্বিতীয় দফায় প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর চুক্তি ছাড়াই (নো ডিল ব্রেক্সিট) যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসবে কি-না, সে প্রস্তাবও নাকচ করে দিয়েছেন ব্রিটিশ সংসদ সদস্যরা।

স্থানীয় সময় বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে ৩১২জন সংসদ সদস্য প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেন, আর ৩০৮ জন পক্ষে ভোট দিয়েছেন বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তবে এই ভোটের ফলাফল সরকারের জন্য বাধ্যতামূলক নয় এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে যাওয়ার বিষয়টি এখানে নাকচ করা হয়নি। কিন্তু বুধবারের এই ভোটাভুটির ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার জন্য আরো সময় নেয়া হবে কিনা, তা নিয়ে আরেকটি ভোটাভুটি হতে পারে।

বিবিসি বলছে, ওই প্রশ্নে বৃহস্পতিবার ভোটাভুটি হবে। সেখানে যদি প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন সংসদ সদস্যরা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাতে সম্মত হয়, তাহলে আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৯ মার্চের মধ্যে আর যুক্তরাজ্যকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়তে হবে না।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে গেলে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে বসবাসরত ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য ব্রিটেন একটি সুবিধাজনক চুক্তি করতে চাইছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও কোম্পানিগুলো কী ধরনের সুবিধা পাবে - সেটিও একটি বিষয়।

এর আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর একটি খসড়া চুক্তি করেছিলেন, যা ব্রিটিশ পার্লামেন্ট জানুয়ারি মাসের এক ভোটাভুটিতে বাতিল করে দিয়েছিল।

মঙ্গলবার আরেকটি ভোটাভুটিতে ব্রেক্সিটের জন্য তেরেসা মে'র খসড়া চুক্তিটি দ্বিতীয় বারের তো বাতিল করে দেয় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট।

প্রথমবার যে ব্যবধানে তার চুক্তিটি তখন প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, তার নজির ব্রিটিশ সংসদে নেই। তার নিজের রক্ষণশীল দলেরই ১১৮জন এমপি ওই চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।

তারপর গত কয়েক সপ্তাহ ইইউ নেতাদের সাথে নতুন দেন-দরবার করে কিছুটা পরিবর্তিত আকারে চুক্তিটি আবার সংসদে এনেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ব্র্রেক্সিট প্রশ্নে সংসদে আবার হারলেন তেরেসা


আরও খবর

ইউরোপ

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রশ্নে দ্বিতীয়বারের মতো পার্লামেন্টে সদস্যদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মো।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সংসদের সামনে পেশ করা ব্রেক্সিট নিয়ে তার প্রস্তাব ৩৯১-২৪২ ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয় বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

১৪৯ ভোটের বিশাল ব্যবধানে হেরে গেছে মে'র খসড়া চুক্তি। এর আগে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে তার প্রথম প্রয়াস চরম ব্যর্থ হয়েছিল। এর ফলে ব্রেক্সিট নিয়ে আরও অনিশ্চয়তা তৈরি হলো।

২৯ মার্চের আগে ব্রিটিশ এমপিরা সিদ্ধান্ত নেবেন কোনো চুক্তি ছাড়াই ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করবেন কি না। সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হলে তখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে ব্রেক্সিট পিছিয়ে দেওয়া হবে কি না।

বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর এখন উচিত সাধারণ নির্বাচন আহ্বান করা।

সংসদে ভোটাভুটির আগে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট জ্যাঁন ক্লদ জাঙ্কার বলেছিলেন, এ ভোটে ব্যর্থ হলে ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যের বের হওয়ার আর কোনো পথ থাকবে না।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছ থেকে ব্রেক্সিটের আইনি বাধ্যবাধকতার আশ্বাস আদায়ে সফল হন মে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে চূড়ান্ত ভোটের আগে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে ইইউর কাছ থেকে ব্রেক্সিটের আশ্বাস আদায়ে সক্ষম হন তিনি।

জ্যাঁন ক্লদ জাঙ্কার বলেছিলেন, মঙ্গলবার তেরেসা মে'র ব্রেক্সিট চুক্তির জন্য আইন প্রণেতারা তাদের চূড়ান্ত সুযোগ নিতে না পারলে যুক্তরাজ্য কখনও ইইউ ছেড়ে চলে যেতে পারবে না। ভোটে এই চুক্তি না উতরালে তৃতীয় কোনো সুযোগ নাও পাওয়া যেতে পারে।

সতর্ক করে জাঙ্কার আরও বলেন, কোনো তৃতীয় সুযোগ নেই। কালকের অর্থপূর্ণ ভোট যদি ব্যর্থ হয়, এই ব্যাখ্যাগুলোর পর আর কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হবে না, এই আশ্বাসের পর আর কোনো আশ্বাসও দেওয়া হবে না। হলে এই চুক্তিতেই হবে না হলে সামগ্রিকভাবে ব্রেক্সিটই হয়তো হবে না।

রক্ষণশীল (টোরি) দলে থাকা ব্রেক্সিটপন্থিরা দীর্ঘদিন ধরেই মে'র সঙ্গে ইইউর সমঝোতা নিয়ে তাদের আপত্তির কথা জানিয়ে আসছিলেন। মে ইউরোপের নেতাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন বলেও অভিযোগ তাদের।

আয়ারল্যান্ড সীমান্ত নিয়ে আইনি আশ্বাস আদায়ে মে সোমবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে স্ট্রাসবার্গে বৈঠক করেন। সেখানেই দু'পক্ষ এ বিষয়ে একমত হয়েছে বলে জানান মে। ইউরোপ থেকে বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ফের ভোট দেওয়ার হুমকি দেওয়া বিদ্রোহী সাংসদদের সন্তুষ্ট করার চেষ্টার অংশ হিসেবেই সোমবার তিনি এ আশ্বাস আদায় করে নিয়েছিলেন।

জানুয়ারির ভোটে মে'র পক্ষে ছিলেন ২০২ সাংসদ, বিপক্ষে ৪৩২। ২৩০ ভোটের এ ব্যবধান টপকাতে হলে ব্রেক্সিট নিয়ে এ চূড়ান্ত ভোটে মে'কে আরও অন্তত ১১৬ সাংসদের সমর্থন পেতে হবে।

নভেম্বরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে যে সমঝোতা হয়েছিল, সেখানে আইরিশ ব্যাকস্টপ নিয়ে ব্রিটিশ সাংসদদের যে আপত্তি তা নিরসনে যৌথ দলিল, যৌথ বিবৃতি ও একটি ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মে।

সংশ্লিষ্ট খবর