ইউরোপ

মা হচ্ছেন মেগান

প্রকাশ : ১৫ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০১৮

মা হচ্ছেন মেগান

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

শিগগিরই সন্তানের মুখ দেখতে চলেছে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল দম্পতি। বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় প্রথম আনুষ্ঠানিক রাজকীয় সফরে  তারা এখন অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন। এমন সময় সুসংবাদ পেলেন এই দম্পতি।

কেনসিংটন প্যালেস এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সোমবার সিএনএনের এক খবরে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৯ সালের বসন্তে তারা তাদের প্রথম সন্তানের মুখ দেখতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জন্মের পর হ্যারি ও মেগান দম্পতির শিশু রাজসিংহাসনের সপ্তম উত্তরাধিকারী হবে।

রানি এলিজাবেথ ও রাজপরিবারের অন্য জ্যেষ্ঠ সদস্যদের গত শুক্রবারই এই খুশির খবরটি জানানো হয়। এদিন তারা উইন্ডসরে আরেক রাজবিয়েতে অংশ নিতে জড়ো হয়েছিলেন। এই বিয়েতে মেগান-হ্যারি দম্পতিও অংশ নেন। এখান থেকেই এ গুঞ্জন রটে, মেগান মা হতে যাচ্ছেন।

১৬ দিনের সফরের অংশ হিসেবে মেগান-হ্যারি দম্পতি অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে পৌঁছালে এই গুঞ্জন আরও জোরদার হয়। এই সফরে তারা অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও ফিজি, টোঙ্গা ও নিউজিল্যান্ড সফরে যাবেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মানুষের চেয়ে বই বেশি যে শহরে


আরও খবর

ইউরোপ
মানুষের চেয়ে বই বেশি যে শহরে

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

ব্যস্ত জীবনের ভিড়ে মানুষ অনেকসময় নিরিবিলি কোনও জায়গায় পালাতে চায়। নরওয়ের মান্ডাল শহর এমনই একটি নিরিবিলি জায়গা যেখানে সময় কাটাতে বিরক্ত লাগবে না কারও। বিশেষ করে যারা বই পড়তে ভালবাসেন তাদের জন্য এটা আদর্শ একটি স্থান। খুব বেশি মানুষের ভিড় নেই এখানে। সাজানো গোছানো ছিমছাম একটি শহরটি । এটি নরওয়ের বই শহর নামে পরিচিত।

নরওয়ের এই ছোট্ট শহরটিতে বাসিন্দা আছে মাত্র ২৮০ জন। কিন্তু এখানকার বাসিন্দাদের জন্য শহরটির নানা প্রান্তে প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রায় ১৫ হাজার বই সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন বুক শেলফে। আর বইয়ের দোকানের পাশে প্রাকৃতিক পরিবেশে বসবার জায়গা, স্থানীয় ক্যাফে, আর্ট গ্যালারি এবং স্যুভিনিয়র দোকানগুলোও আছে। ডিজিটাল যুগে বইয়ের অস্তিত্ব ধীরে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে –এই বিশ্বাস থেকে এখানকার বুক শেলফগুলোতে বই সংগ্রহে রাখা হয়।নরওয়েজিয়ান বুক শহর বলে পরিচিত মান্ডালের বইয়ের শপগুলোতে ১৯৯৫ সাল থেকে বই সংগ্রহ চলছে। 

এখানে বইয়ের পরিমাণ এত বেড়েছে যে গোটা শহরের বই এক করলে তার দৈর্ঘ্য আড়াই কিলোমিটারেরও বেশি হবে।

গোটা বিশ্ব থেকে বইপ্রেমীরা এই শহরে ঘুরতে আসেন। তবে উন্মুক্ত বইয়ের শপগুলো শুধুমাত্র গরমের সময় অর্থাৎ মধ্য মে থেকে জুন পর্যন্ত খোলা থাকে পর্যটকদের জন্য। এই সময় বইয়ের মেলাও হয়। সূত্র: দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট,বিজনেস ইসাইডার

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আরও সতর্ক ফ্রান্স


আরও খবর

ইউরোপ
আরও সতর্ক ফ্রান্স

প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০১৮

সতর্ক প্যারিসের রাজপথও- বিবিসি

  অনলাইন ডেস্ক

সরকারবিরোধী 'ইয়েলো ভেস্ট' আন্দোলনের মধ্যে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়াতে আরও বেশি সতর্ক হয়েছে ফ্রান্স।

এর অংশ হিসেবে দেশটির রাজপথে প্রায় ৯০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছ বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছ।

আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে শুধু রাজধানী প্যারিসেই টহলে নেমেছেন আট হাজার কর্মকর্তা; সঙ্গে রয়েছে ১২টি সাঁজোয়াযানও।

গত দুই সপ্তাহ ধরে জ্বালানির ওপর কর বাড়ানোর প্রতিবাদের ওই আন্দোলনের ফলে সহিংসতার আশাঙ্কায় শনিবার আইফেল টাওয়ার বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড ফিলিপ বলেছেন, দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সহিসংতার আশাঙ্কায় দোকানপাটও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। সঙ্গে কিছু জাদুঘরও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

আসন্ন পহেলা জানুয়ারি থেকে দেশটিতে জ্বালানির ওপর বর্ধিত কর কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। গত ১৭ নভেম্বর এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্যাসোলিন ও ডিজেলের দাম বাড়ার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়।

এক পর্যায়ে আরও কিছু দাবিও ওঠে আন্দোলন থেকে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে রুপ নেয় এটি। হাজার হাজার মানুষ গ্রামাঞ্চল থেকে গাড়িতে করে রাজধানীতে এসে বিক্ষোভে যোগ দেন।

হলুদ রঙের নিরাপত্তা জ্যাকেট (জিলে জোন) পরে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামার কারণে গণমাধ্যমে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ নামে পরিচিতি পায় এই আন্দোলন।

টানা দুই সপ্তাহ দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পর মঙ্গলবার জ্বালানির ওপর বর্ধিত কর প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় ফ্রান্সের সরকার। তবে আন্দোলন এখনও থামেনি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

দাঙ্গার 'ঝাঁকুনি' আইফেল টাওয়ারেও


আরও খবর

ইউরোপ

  অনলাইন ডেস্ক

ফ্রান্সে সরকারবিরোধী 'ইয়েলো ভেস্ট' আন্দোলনের ঝাঁকুনি লেগেছে প্যারিসের আইফেল টাওয়ারেও!

জ্বালানির ওপর কর বাড়ানোর প্রতিবাদের ওই আন্দোলনের ফলে সহিংসতার আশাঙ্কায় শনিবার আইফেল টাওয়ার বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড ফিলিপ বলেছেন, দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ৮৯ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাজধানীতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সহিসংতার আশাঙ্কায় দোকানপাটও বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। সঙ্গে কিছু জাদুঘরও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

আসন্ন পহেলা জানুয়ারি থেকে দেশটিতে জ্বালানির ওপর বর্ধিত কর কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। গত ১৭ নভেম্বর এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্যাসোলিন ও ডিজেলের দাম বাড়ার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়।

এক পর্যায়ে আরও কিছু দাবিও ওঠে আন্দোলন থেকে। সরকারবিরোধী আন্দোলনে রুপ নেয় এটি। হাজার হাজার মানুষ গ্রামাঞ্চল থেকে গাড়িতে করে রাজধানীতে এসে বিক্ষোভে যোগ দেন।

হলুদ রঙের নিরাপত্তা জ্যাকেট (জিলে জোন) পরে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামার কারণে গণমাধ্যমে ‘ইয়েলো ভেস্ট’ নামে পরিচিতি পায় এই আন্দোলন।

টানা দুই সপ্তাহ দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পর মঙ্গলবার জ্বালানির ওপর বর্ধিত কর প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্সের সরকার।

সংশ্লিষ্ট খবর