বিনোদন

হুমায়ূনের মুনা হয়ে উঠার গল্প বললেন সুবর্ণা

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০১৯ | আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৯

হুমায়ূনের মুনা হয়ে উঠার গল্প বললেন সুবর্ণা

কোথাও কেউ নেই নাটকের একটি দৃশ্যে সুবর্ণা মোস্তাফা ও আসাদুজ্জামান নূর

  বিনোদন প্রতিবেদক

সৃষ্টিশীল মানুষের কথায় :হুমায়ূন আহমেদ বেঁচে আছেন; বেঁচে থাকবেন তার সৃষ্টিকর্মের মধ্য দিয়ে। নন্দিত এই কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতার গল্প, উপন্যাস, নাটক ও চলচ্চিত্রের অসংখ্য চরিত্র মানুষের মনে আঁচড় কেটেছে। দশকের পর দশক সে চরিত্রগুলোর আবেদন ম্লান হয়নি। হুমায়ূন আহমেদের কোথাও কেউ নেই নাটকে মুনা চরিত্রে অভিনয় করেন সুবর্ণা মোস্তাফা। সেই মুনা হয়ে উঠার গল্প নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। 

মনে আছে, সেদিন বিটিভিতে একটা নাটকের শুটিং ছিল। শুটিংয়ের মধ্যেই একজন এসে জানিয়েছিলেন, আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য হুমায়ূন আহমেদ মেকাপ রুমে অপেক্ষা করছেন। তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। মেকাপ রুমে ঢুকতেই হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রশ্ন ছিল আপনি কি 'কোথাও কেউ নেই' পড়েছেন? বইটি আমি পড়েছি বলতেই তিনি জানতে চেয়েছিলেন আমি নাটকের মুনা চরিত্রে অভিনয় করব কি-না। এও বলেছিলেন, আমি যদি এই চরিত্রে অভিনয় করি, তাহলেই তিনি প্রযোজক বরকত উল্লাহকে নাটকের স্ট্ক্রিপ্ট দেবেন।

আর আমি যদি মুনা চরিত্রে অভিনয় না করি, তাহলে বরকত উল্লাহকে 'কোথাও কেউ নেই'-এর বদলে একটা ভূতের গল্প লিখে দেবেন। অবশ্য হুমায়ূন আহমেদকে  শেষ পর্যন্ত ভূতের গল্প লিখে দিতে হয়নি। কারণ আমি মুনা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। স্বীকার করতেই হবে, হুমায়ূন আহমেদের যে চরিত্রগুলোয় আমি অভিনয় করেছি, তার মধ্যে 'কোথাও কেউ নেই' নাটকের মুনা চরিত্রটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অভিনয়ের জন্য মুনা অসাধারণ এক চরিত্র। মনে আছে, এ নাটকের 'বাকের ভাই' নিয়ে চারিদিকে যখন তুমুল আলোচনা, তখন হুমায়ূন আহমেদের প্রশ্ন ছিল, বাকেরকে নিয়ে এত হৈচৈ কেন? ট্র্যাজেডি তো মুনার। মুনা সত্যিকার অর্থেই মাল্টিডাইমেনশনাল একটি চরিত্র। অনেক শিল্পী এ ধরনের একটি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রতীক্ষায় থাকেন। আমি ভাগ্যবান যে, আমাকে মুনা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রতীক্ষায় থাকতে হয়নি। 

    

মন্তব্য


অন্যান্য