বিনোদন

`আমরা কিন্তু বুড়ো হয়ে যাইনি'

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৯ | আপডেট : ১৬ মে ২০১৯

`আমরা কিন্তু বুড়ো হয়ে যাইনি'

ফিডব্যাক

  রাসেল আজাদ বিদ্যুৎ

পাশ্চাত্য ঘরানার সঙ্গীতে বাংলা গানের অভিনব পরিবেশনা আর ভিন্ন ধাঁচের অ্যালবাম আয়োজনের মধ্য দিয়ে আলাদা এক পরিচিতি গড়েছে ফিডব্যাক। অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা এই ব্যান্ড এরই মধ্যে পাড়ি দিয়েছে চার দশকের পথ। 

অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলেন সবাই, যখন বলা হলো চার দশক মানে, ১৪ হাজার ৬০০ দিনেরও বেশি সময়। ঘণ্টার হিসাবে ৩৫ লাখ ১৬০ এবং সেকেন্ডের হিসাবে ২১ কোটিরও বেশি সময় পার করেছে ফিডব্যাক। 'আসলেই তাই! চোখে-মুখে বিস্ময় নিয়ে জানতে চাইলেন ফিডব্যাকের লিড গিটারিস্ট ও কণ্ঠশিল্পী লাবু রহমান। দলের অন্য দুই কণ্ঠশিল্পী লুমিন ও রায়হান তখনও 'থ'। কি-বোর্ডিস্ট ও ব্যান্ড লিডার ফোয়াদ নাসের বাবুর চোখে-মুখে তখনও হাসি লেগে আছে। সবার অবাক চাহনি দেখে একটু মজা করেই বললেন, 'ব্যান্ডের বয়স যা-ই হোক, আমরা কিন্তু বুড়ো হয়ে যাইনি।' তার এ কথার সঙ্গে একমত হবেন ব্যান্ডের সব ভক্ত। এমন অনুমানের কারণ, ব্যান্ডের চার দশকপূর্তিতে আয়োজিত 'ফোর ডিকেডস অব ফিডব্যাক' কনসার্টে আগত ভক্তদের মন্তব্য। সেখানেই কয়েকজন ভক্তের মতামত থেকে স্পষ্ট, ফিডব্যাক সব সময় তারুণ্যের জয়গান করে গেছে, তরুণদের হৃদয়েই আলোড়ন তুলেছে সবচেয়ে বেশি। মনে-প্রাণে তারুণ্য ধরে রাখতে না পারলে কি এর সদস্যরা এমন সঙ্গীত সৃষ্টি করতে পারতেন না? ভক্তরা যখন এমন কথা বলেন, তখন বুঝে নিতে কষ্ট হয় না, কীভাবে চার দশকের বেশি সময় অনিন্দ্য সঙ্গীত সৃষ্টির মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছে ফিডব্যাক। 

ভক্তমাত্রই জানেন, তাদের প্রতিটি আয়োজন অন্যান্য ব্যান্ড থেকে কতটা আলাদা। কিছু সৃষ্টি ফিডব্যাকের মাধ্যমেই এদেশে শ্রোতার কাছে পৌঁছেছে। যেমন ১৯৯৫ সালে 'দেহঘড়ি'র মাধ্যমে এ দেশে একক গান প্রকাশের সূচনা করে ব্যান্ডটি। বাউলদের সঙ্গে 'বাউলিয়ানা' নামে প্রথম ফোক ফিউশন অ্যালবামের আয়োজকও ফিডব্যাক। সেই সঙ্গে এটি প্রথম ব্যান্ড, যারা গানের সিক্যুয়েল [মৌসুমী] তৈরি করেছে। ইন্সট্রুমেন্টাল [উল্লাস] থেকে অ্যালবামের নামকরণের প্রচলন করে তারা। ফিডব্যাক প্রথম ব্যান্ড, যাদের গান [মেলায় যাইরে] নিয়ে বিজ্ঞাপন নির্মিত হয়েছিল। সঙ্গীতে নতুন শব্দ সংযোজনাতেও পিছিয়ে থাকতে চায়নি এই ব্যান্ড। কম্পোজিশনের জন্য প্রথম সিকেয়েন্সার, ফ্রেন্ডার গিটার, রিদম মেশিন ব্যবহার করেছেন তারা। শুধু টেকনিক্যাল বিষয়ে নয়, ক্রিয়েটিভ কাজের বিষয়েও ফিডব্যাক সময়ের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করেছে।

এ কারণেই আমরা তাদের গানে পেয়েছি বিষয় বৈচিত্র্য। 'মেলায় যাইরে' গানে পেয়েছি উৎসবমুখর বাঙালির ঐতিহ্যকে। 'মাঝি', 'ফসলের গান'-এ দেখেছি প্রান্তিকজনের জীবন লড়াই। অন্যদিকে 'মৌসুমী', 'মৌসুমী-২', 'উদাসী এই মনে', 'ঝাউবনের পথ ধরে', 'এক ঝাঁক প্রজাপতি', 'চিঠি', 'গোধূলি', 'চোখ', 'আনন্দ', 'টেলিফোনে ফিসফিস', 'মনে হয়' 'হৃদয়ে হৃদয়ে' গানগুলোয় ভালোবাসার প্রকাশ ঘটেছে অন্যদের থেকে একটু আলাদাভাবে। 'পালকী-১' ছিল খ্যাতিমান সঙ্গীতস্রষ্টা হ্যাপী আখন্দ স্মরণে। আর এই সিক্যুয়েল গানের দ্বিতীয় পর্ব ছিল মানুষের চিরপ্রস্থান কথামালা। 'সামাজিক কোষ্ঠকাঠিন্য', 'উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি', 'নীলনক্সা' গানগুলোয় দেশের অন্যায়-অনাচার ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তুলে ধরা হয়েছে। অন্যদিকে গীতিকবিতা-১ [মনে পড়ে তোমায়], গীতিকবিতা-২-তে [ধন্যবাদ হে ভালোবাসা] আছে নিরীক্ষাধর্মী সঙ্গীতায়োজনের ছাপ। 'পথহারা পথিক' গানে পেয়েছি বন্ধু খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা। অন্যদিকে 'কাদামাটি', 'আমায় ক্ষমা কর মাগো'র মতো গানে এসেছে দেশমাতৃকার বন্দনা। আর 'এই দিন চিরদিন রবে' গানে আছে জীবন-বাস্তবতার এক চিত্র।অধ্যাত্মবাদের কথাও তারা বলেছেন চিরায়ত লোকগানের অভিনব সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে।

ফিউশনপ্রধান সঙ্গীতে ফিডব্যাক ছিল অন্যান্য ব্যান্ড থেকে এক ধাপ এগিয়ে। এমন সব আয়োজনের মধ্য দিয়ে কখন চার দশক পার হয়ে গেছে, এর সদস্যরা বুঝতেও পারেননি। লাবু রহমান বলেন, "এতটা সময় কোথা দিয়ে চলে গেল, সত্যি বুঝতে পারিনি। 'ফোর ডিকেডস অব ফিডব্যাক' কনসার্টের সময়েও ঘোরের মধ্যে ছিলাম। এটা যে চার দশকের পথ পরিক্রমা উপলক্ষে আয়োজিত- এটাও মনে ছিল না। যেন অনেক দিন পর পুরনো সব মিউজিশিয়ান বন্ধুর সঙ্গে শো করছি- এটাই মনে হয়েছিল।" লাবু রহমান বিস্ময় প্রকাশ করতেই পারেন। কিন্তু ফিডব্যাক ভক্তদের কাছে এটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। কারণ যারা প্রতিনিয়ত ভিন্নধর্মী আয়োজনে ডুবে ছিলেন, তাদের কাছে সময়ের হিসাব-নিকাশ না থাকারই কথা। কিন্তু কথা হলো, যে সৃষ্টি ফিডব্যাককে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে, তার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী ভাবনা ছিল এর সদস্যদের? জানতে চাইলে লাবু রহমান ও ফোয়াদ নাসের বাবু জানান, তারা বাস্তব আর কল্পনার মিশেলে কিছু বলার চেষ্টা করেছেন সব সময়। কিন্তু ভাষণ বা স্লোগানে নয়; সে কথা বলতে চেয়েছেন সাত সুরে বেঁধে। সঙ্গীত মূর্ছনায় যে কথাগুলো আন্দোলিত করবে শ্রোতাদের, তেমন কিছু গানের জন্ম দিতে চেয়েছেন; এখনও চান। কারণ সৃষ্টির নেশা এমনই। দিন-রাত একাকার হয়ে যায় নতুন কিছুর অনুসন্ধানে।

এ কারণে গান করতে করতে কখন যে দিন-মাস পেরিয়ে বছরের কোঠা চার দশক পূর্ণ করেছে, বুঝতেই পারেননি তারা। লাবু রহমানের কথায়, 'আমরা কেবল সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভিন্ন আঙ্গিকের গানের জন্ম দিতে চেয়েছি, যা হৃদয় স্পর্শ করার পাশাপাশি জীবন, সমাজ, সংসার, দেশকে নিয়ে ভাবাবে, কাঁদাবে, হাসাবে। আর রেখে যাবে কিছু প্রশ্ন।' 

লাবু রহমানের এ কথার সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করে ফোয়াদ নাসের বাবু আরও বলেন, "কোনোভাবেই আমরা চাইনি জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে গৎ বাঁধা কোনো আয়োজন করতে। ফিডব্যাক গানের ক্ষেত্রে একটি মান ধরে রাখতে পেরেছে বলেই হয়তো আমাদের এই মানসিকতা। আমরা কিন্তু বুঝতেও পরিনি, 'উল্লাস' নামের যে ইন্সট্রুমেন্টাল দিয়ে অ্যালবামের নামকরণ করেছি, সেটাই এদেশে প্রথম। একই রকম অজানা ছিল যে 'মৌসুমী' গানের আরেকটি পর্ব, যেটি হবে ব্যান্ডের গানের প্রথম সিক্যুয়েল। যা করেছি, সবকিছুর পেছনে ছিল ভিন্ন আঙ্গিকের কিছু করে দেখানো। সেই সঙ্গে শিল্পীসত্তাকেও খুশি রাখতে নানা ধরনের আয়োজন করেছি আমরা। জনপ্রিয়তা পাব, দেশজুড়ে সাড়া জাগাবে আমাদের গান- এমন কোনো বাসনা নিয়ে কাজ করিনি। কিছু কাজ করেছি বিষয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে। যে জন্য মৌসুমী ছাড়াও 'মাঝি', 'পালকী'র আলাদা পর্ব তৈরি করেছি আমরা। মজার বিষয় হলো, আমাদের 'গীতিকবিতা' নিয়ে করা দুটি গানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আরও দুটি গীতিকবিতা নিয়ে গান করেছে ঢাকা ব্যান্ড। চারটি গানেরই গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী মাকসুদুল হক। তিনি আমাদের দীর্ঘ সফরের সঙ্গী ছিলেন।

ব্যান্ডের চার দশকপূর্তি কনসার্টেও ফিডব্যাকের হয়ে পারফর্ম করেছেন। যে যাই হোক, আগের কথায় ফিরে যাই, একেকজন সহযোদ্ধা একেকভাবে নানা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে ব্যান্ডকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। মাকসুদ থাকাকালীন ফিডব্যাক নিরীক্ষাধর্মী কাজে সাহসী ভূমিকা রাখতে পেরেছে। মাকসুদ ছাড়াও বিভিন্ন সময় রোমেল, পিয়াস ও রেশাদ ছিলেন ব্যান্ডের প্রধান কণ্ঠশিল্পী। ড্রামার ও সহযোগী কণ্ঠশিল্পী ছিলেন পিয়ারু খান। আরও ছিলেন সেলিম হায়দার, সেকান্দার আহমেদ খোকা, বুলবুল, জন সার্টনের মতো নামি মিউজিশিয়ান। তারাও তাদের মেধা, শ্রম, অভিনব পরিকল্পনা আর পরিবেশনা দিয়ে ব্যান্ডের আয়োজনকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। যদিও তাদের কেউ ব্যক্তিগত কারণে কেউ আলাদা দল গঠনের কারণে ফিডব্যাক ত্যাগ করেছেন। তারপরও আমাদের পথচলা থেমে থাকেনি। এখনও আমরা আগের মতোই উদ্যমী; সৃষ্টির নেশায় বিভোর।" 

ফোয়াদ নাসের বাবুর এ কথায় স্পষ্ট- সঙ্গীত নেশায় বিভোর হয়েই তারা নানা আয়োজন করেছেন। এও স্পষ্ট যে বারবার লাইনআপ বদলে যাওয়ার পরও কোনোভাবে থেমে থাকেননি। তিনি আরও বলেন, "বেশ ক'বার লাইনআপ পরিবর্তনের কারণে আমরাও নতুন আয়োজন থেকে পিছিয়ে এসেছি। তারপরও আমাদের যাত্রা কখনও থেমে থাকেনি। হয়তো সবার কাজের অভিজ্ঞতা সমান নয়। তারপরও যার যার জায়গা থেকে ফিডব্যাকের নিজস্বতা ধরে রেখে ভিন্ন আঙ্গিকের কাজের চেষ্টা করে গেছেন। এখন ব্যান্ডের যে দুই কণ্ঠশিল্পী লুমিন ও রায়হান; তাদের কারও বয়স চল্লিশের কোঠা স্পর্শ করেনি। কিন্তু তাদের মাঝে তারুণ্য যেভাবে মিশে আছে, তার সঙ্গে অভিজ্ঞতা যোগ করলে আরও নতুন কিছু হবে, এটাই আমরা বিশ্বাস করি। আর সে বিশ্বাস থেকেই কিছুদিন আগে প্রকাশ করেছি 'এখন' নামের নতুন অ্যালবাম।

তারুণ্যের উন্মাদনা কিংবা নতুন কিছু করার নেশা, যা-ই বলুন; গান গাইব। তাতে তুলে ধরব ভিন্ন আঙ্গিকের পরিবেশনা- এমন চিন্তাধারা সব সময় আমাদের গতিশীল রাখতে সাহায্য করেছে।" ফোয়াদ নাসের বাবুর এ কথায় সহমত পোষণ করেন লুমিন, রায়হানসহ দলের বাকি দুই সদস্য টন্টি ও দানেশ। 

দশকের শেষ প্রান্তে কয়েকজন তরুণের হাত ধরে জন্ম; 'ফিডব্যাক টুয়েন্টিথ সেঞ্চুরি' যা কিছু দিন পর ফিডব্যাক নামে শ্রোতার সামনে দাঁড়িয়েছিল, সেই ব্যান্ড আজও পথ পাড়ি দিয়ে যাচ্ছে সমান তালে। জায়গা করে নিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যান্ডের কাতারে। যার পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধউত্তর বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ব্যান্ডগুলোর অন্যতম হয়ে উঠেছে ফিডব্যাক। পাশ্চাত্য ঘরানার সঙ্গীতে বাংলা গানের অভিনব পরিবেশনায় যুগ যুগ ধরে অগণিত শ্রোতার মনকে আন্দোলিত করে যাচ্ছে এই ব্যান্ড। নিজস্বতা ধরে রেখে ভিন্ন স্বাদের অ্যালবাম আয়োজন তাদের আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে। এত কিছুর পরও বিনিময়ে বেশি কিছু চাননি এর সদস্যরা। ফিডব্যাকের প্রতিটি সদস্যের চাওয়া শুধু গানে গানে শ্রোতাদের ভালোবাসা কুড়িয়ে নেওয়া। যারা ফিডব্যাককে আরও দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার প্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্যই আজীবন নিবেদিত থাকতে চান ব্যান্ডের প্রত্যেক সদস্য। তাদের এই চাওয়া অপূর্ণ থাকবে না- এমন মত ফিডব্যাকের অগণিত ভক্তের। 

বর্তমান লাইনআপ

- ফোয়াদ নাসের বাবু- কি-বোর্ড 

-লাবু রহমান- লিড গিটার ও কণ্ঠ

- লুমিন- কণ্ঠ ও রিদম গিটার

- রায়হান- কণ্ঠ 

- টন্টি- ড্রামস

- দানেশ- বেজ গিটার

অ্যালবাম

- ফিডব্যাক 

-সেলফ টাইটেল]

-উল্লাস

- মেলা

- জোয়ার

- বঙ্গাব্দ ১৪০০

-দেহঘড়ি [সিঙ্গেলস]

- বাউলিয়ানা

- আনন্দ

- এ শতব্দীর 

- ফিডব্যাক  [ভারতে প্রকাশিত]

- ও-টু 

-ফিডব্যাক ২০০২]

ফিডব্যাকের কিছু জনপ্রিয় গান- 

- মেলায় যাইরে 

- মৌসুমী

- মৌসুমী-২

- মাঝি

- এই দিন চিরদিন রবে

- এক ঝাঁক প্রজাপতি

- সে যেন চোখে বলে

- গোধূলি [প্রেম শুধু একা থাকা] 

- পালকী-১ [হ্যাপী আখন্দ স্মরণে] 

- পালকী-২ [এমনি করে সবাই যাবে]

- টেলিফোনে ফিসফিস

- মামা 

- গীতিকবিতা-১ [মনে পড়ে তোমায়]

- গীতিকবিতা-২ [ধন্যবাদ হে ভালোবাসা]

- বিদ্রোহী

- আমি যারে চাইরে

- কাদামাটি

- আবার মেলায়

- পথহারা পথিক

- করিমনা [লোকগান]

- জনমদুঃখী কপাল পোড়া [লোকগান]

- স্বদেশ [আমায় ক্ষমা করো মাগো]

- চিঠি

- দিন যায় দিন 

- ঝাউবনের পথ ধরে

- সামাজিক কোষ্ঠকাঠিন্য

- মনে হয় 

- উদাসী এই মনে

- উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি

- ভীরুমন

- দেহঘড়ি [লোকগান]

- দুঃখে হারাতে

মন্তব্য


অন্যান্য