বিনোদন

‘নায়িকা প্রয়োজন হয় নায়কের প্রেমিকা হিসেবে দেখানোর জন্য’

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

‘নায়িকা প্রয়োজন হয় নায়কের প্রেমিকা হিসেবে দেখানোর জন্য’

তমা মির্জা

  অনলাইন ডেস্ক

'সিনেমার নায়িকা হলে একধরনের পরিচিত পাওয়া যায়, কিন্তু নায়িকা হয়ে দীর্ঘপথ পাড়ি দেওয়া সহজ নয়। সময়ের পালাবদলের সঙ্গে পর্দার নায়ক-নায়িকা বদলে যায়। জায়গা দখল করে নেয় নতুনরা। এটাই রীতি। এ জন্য শুরুতে নায়িকা হওয়ার বাসনা থাকলেও এখন চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে বেঁচে থাকতে অভিনয় করে যাচ্ছি। নায়িকা নয়, যে চরিত্রে অভিনয় করব, সেটা গুরুত্বপূর্ণ কি-না সেটিই এখন যাচাই করি।' বললেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত অভিনেত্রী তমা মির্জা। যিনি এরই মধ্যে 'নদীজন', 'গ্রাস', 'চল পালাই', 'মন বোঝেনা'সহ আরও বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করে দর্শকের মনোযোগ কেড়েছেন। তবে একটি ছবিই তার অভিনয় লক্ষ্য বদলে দিয়েছে। যে কারণে তিনি এখন নায়িকার চেয়ে অভিনীত ছবির চরিত্রকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তমা নিজেই স্বীকার করলেন সে কথা।

তমা মির্জা

অকপটে বলে দিলেন, 'শুধু নায়িকা হয়ে বেঁচে থাকা সত্যিই কঠিন। জনপ্রিয়তা পেলেও নির্দিষ্ট একটি সময়ে নিজের কোনো অবস্থান থাকে না। দেশীয় ছবির ক্ষেত্রে এটা বেশি চোখে পড়ে। কারণ এদেশের ছবির বেশির ভাগ গল্প নায়ককেন্দ্রিক। নায়ক এবং তার পরিবার, প্রিয়জন কিংবা তার কোনো একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাহিনী নানা দিকে মোড় নেয়। নায়িকাকে প্রয়োজন হয়, তার প্রেমিকা হিসেবে দেখানোর জন্য। রোমান্টিক গল্পের ছবিতে নায়িকারা কিছুটা গুরুত্ব পান। কিন্তু সেখানেও ঘুরেফিরে নায়কই প্রধান হয়ে ওঠেন। তাই অভিনয়ের ভালো বা মন্দ তুলে ধরার সুযোগও থাকে কম।

কিন্তু আমি তো সিনেমার পর্দা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাই না। অভিনয়ের মধ্য দিয়েই দর্শকের মনে অনেকদিন বেঁচে থাকতে চাই। এ জন্য যে চরিত্র দর্শক অনেকদিন মনে রাখবেন, এমন কিছু চরিত্রের অভিনয় দিয়ে দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে চাই।' তমা মির্জার এ কথায় বোঝা গেল, অভিনয় দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়ার চেয়ে দর্শকের মনে স্থায়ী আসন করে নেওয়াই তার লক্ষ্য। 'নদীজন' ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার কারণেই কি তার চিন্তাধারা বদলে গেছে? এই প্রশ্ন করতেই তমা বলেন, 'এটা ভাবলে ভুল হবে না। এ কথা ঠিক যে, 'নদীজন' বা 'গ্রাস'-এর আগে যেসব ছবিতে অভিনয় করেছি, সেগুলো আমাকে দর্শকের সামনে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

তমা মির্জা

কিন্তু অভিনয়ের তৃষ্ণা মেটাতে পারেনি। ভালো কিছু কাজের জন্য সবসময়ই তৃষ্ণা ছিল আমার। এই তৃষ্ণা অনেকের চেয়ে বেশি বলেই আমার মনে হয়। যখন কাউকে নিজের অভিনয় দেখার কথা বলব, তখন কিন্তু 'গ্রাস' বা 'নদীজন' ছবির কথাই চলে আসবে। অন্যান্য ছবির কথা হয়তো সেভাবে বলব না। জানি অন্য ছবিগুলো কারও না কারও ভালো লেগেছে। কিন্তু সেখানে দর্শক আমার অভিনয় দেখার কতটা সুযোগ পেয়েছেন- সেটাও ভাবার বিষয়। নিজেকে ভেঙে নানা চরিত্রের মধ্য দিয়ে যদি পর্দায় তুলে ধরতেই না পারি, তাহলে অভিনয়ের বড় অঙ্গনে পথচলার কোনো মানে নেই। তাই আগামী দিনগুলোয় চাইব, ভালো কিছু ছবিতে কাজ করতে। আর দায়বদ্ধতার কথা যেটা জানতে চাইলেন, সেটাও কিছুটা আছে।

কারণ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার পর কিছুটা হলেও আত্মবিশ্বাসী হয়েছি। চেষ্টায় ভালো কিছু করা সম্ভব- এটা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি। আবার এটাও সত্যি যে, 'নদীজন' ছবির ছায়া চরিত্রে আমার জায়গায় যদি অন্য কেউ অভিনয় করতেন, তাহলেও এই চরিত্র দর্শকের মনে দাগ কাটত। কারণ একটিই- চরিত্রকে কীভাবে ভেতর থেকে বের করে আনতে হয় তা পরিচালক শাহনেওয়াজ কাকলী ভালোভাবেই জানেন। তাই ছায়া চরিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার কৃতিত্বটা তারই প্রাপ্য।' তমার ইচ্ছার কথা জানা হলো। এখন প্রশ্ন হলো, তিনি যেভাবে নিজেকে পর্দায় তুলে ধরতে চান, সেভাবে তুলে ধরার কতটা সুযোগ আছে? এর জবাবে তমা বলেন, 'গত কয়েক বছরে বেশ কিছু ভালো ছবি তৈরি হয়েছে।

তমা মির্জা

আশার কথা হলো, এই সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। যদিও ভালো ছবিগুলো অনেক শিল্পীর মাঝে ভাগাভাগি হয়ে যাচ্ছে। তাই তৃষ্ণা অনেকটাই থেকে যাচ্ছে। তার পরও খুশি- 'কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র', ভিন্ন ধাঁচের সিনেমা এবং 'গহিনের গান'-এর মতো নতুন ধারার মিউজিক্যাল মুভিতে কাজের সুযোগ পাওয়ায়। সুমন রেজার 'ঝুম' নামের আরেকটি ভিন্ন ধরনের ছবিতে কাজের সুযোগ হয়েছে। এটাই আমাকে আরও ভালো কিছু করার প্রেরণা জোগাচ্ছে। আমার ছবির সংখ্যা কম, কিন্তু সংখ্যার চেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে, সেটা হলো কাজের মান। এ ছবিগুলোয় অভিনয় করে অনেক কিছু জানা এবং শেখার সুযোগও পাচ্ছি। পরিণত শিল্পী হওয়ার জন্য এটাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আর শেষ কথা এটাই যে, ভালো কাজের মধ্য দিয়েই আমি দর্শকের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই।" 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

৬০ হলে মুক্তি পাচ্ছে 'অন্ধকার জগত’


আরও খবর

বিনোদন

মাহিয়া মাহি ও ডিএ তায়েব

  বিনোদন প্রতিবেদক

ঢাকাসহ দেশের বড় বড় ৬০ সিনেমা হলে শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মুক্তি পাচ্ছে 'অন্ধকার জগত' ছবিটি। এ ছবির নায়ক ডিএ তায়েব এ খবর জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শুধুমাত্র দেশের বড় বড় হলগুলোতে মুক্তি দেয়া হচ্ছে 'অন্ধকার জগত'। ডিএ তায়েব জানান, যেসব হলে ছবি দেওয়া হচ্ছে সবখানেই হাই রেন্টালে দেওয়া হচ্ছে।

'অন্ধকার জগত' ছবি পরিচালক বদিউল আলম খোকন। এর আগে তিনি শাকিব খানকে নিয়ে 'হিরো দ্য সুপারস্টার', 'প্রিয়া আমার প্রিয়া', 'নিষ্পাপ মুন্না', 'মাই নেম ইজ খান', 'ডন নম্বর ওয়ান', 'রাজা বাবু'সহ ২০ টির বেশি সুপারহিট ছবি নির্মাণ করেছেন।

অনেকদিন পর গুণী এই নির্মাতার ছবি পেতে যাচ্ছেন দর্শকরা। নির্মাতা খোকন বলেন, 'আমার সর্বোচ্চ মেধা দিয়ে অন্ধকার জগত ছবি বানিয়েছি। দর্শক হতাশ হবে না এটি দেখি। 'অন্ধকার জগত' হবে পয়সা উসুলের ছবি।' 

‘অন্ধকার জগত’ ছবির একটি দৃশ্য

পরীমনির সঙ্গে 'সোনাবন্ধু'র ছবি করেছিলেন ডিএ তায়েব। এবার আরেক জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহিকে নিয়ে 'অন্ধকার জগত' দিয়ে রুপালী পর্দায় আসছেন চিত্রনায়ক ডিএ তায়েব। এ ছবি নিয়ে তার প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। বললেন, পুরোপুরি আধুনিক গল্প ও নির্মাণের ছবি 'অন্ধকার জগত'। সন্ত্রাসজগতের গল্প নিয়ে ছবির কাহিনি। এর মধ্যে মানবতার গল্পও আছে। 

ডিএ তায়েব বলেন, 'প্রেম, বিরহ, পারিবারিক টানাপড়েন, অ্যাকশন সবকিছুই শৈল্পিকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে অন্ধকার জগতে।ছবিটি নিয়ে প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের আগ্রহ আছে। চাইলে ৮০ সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি দিতে পারতাম। আপাতত ৬০টিতে দিচ্ছি। দেশের অন্যান্য হলে যেসব ছবি চলছে সেগুলোতে যেন ক্ষতি না হয় সেজন্য হল সংখ্যা ৬০-টির বেশি দেইনি।' 

এদিকে, গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি এফডিসির একটি ফ্লোরে 'অন্ধকার জগত' ছবির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান, পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার দেওয়ান লালন আহমেদ, চিত্রনায়ক শাকিব, ডিএ তায়েবসহ অনেকেই। প্রিমিয়ারে ছবিটি দেখে সবাই প্রশংসা করেন। নায়ক শাকিব খান নিজেও এ ছবির জন্য শুভকামনা জানান এবং হলে গিয়ে দেখার আহ্বান জানান।   

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্স, বলাকা, বিজিবি, মধুমিতা, আনন্দ, সনি, জোনাকিসহ রংপুরের শাপলা, বরিশালের অভিরুচি, সিলেটের নন্দিতা, যশোরের মনিহার, ময়মনসিংহের ছায়াবানি মতো দেশের বড় বড় ৬০ সিনেমা হলে চলবে ‘অন্ধকার জগত’। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন মিশা সওদাগর, আনোয়ারা, আলেকজান্ডার বো, মৌমিতা মৌ প্রমুখ। ছবিটি প্রযোজনা করেছে এসজি প্রডাকশন

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মাকে ছাড়া কোথাও না


আরও খবর

বিনোদন
মাকে ছাড়া কোথাও না

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সারা আলী খান- ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

বলিউডে পা রেখেই একের পর এক চমক দেখিয়েই চলেছেন সাইফ আলী খান-অমৃতা সিংয়ের কন্যা সারা আলী খান। সম্প্রতি গুজব রটে  মুম্বাইয়ের বুকে নতুন ফ্ল্যাট কিনেছেন 'সিম্বা' খ্যাত এই অভিনেত্রী। শোনা যায়, মা অমৃতা সিংকে ছেড়ে সারা তার এই নতুন বাসায় থাকতে শুরু করেছেন।

তবে এসবই  গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সারা আলী খান।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, সম্প্রতি সারা নিজের জন্য কেনা ফ্ল্যাটের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই ফ্ল্যাটের ছবিও শেয়ার করেন। ছবিটি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, 'একটি নতুন শুরু।' সারার এই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়।

এ ঘটনার পর বিষয়টি এত দ্রুত সবাই ভিন্নভাবে নিবে তা কখনই আশা করেন নি সারা। অবশেষে ভক্তদের সেই জল্পনার অবসান ঘটালেন সারা।

এক সাক্ষাৎকারে এ প্রসঙ্গে সারা বলেন, ''আমি আমার মাকে ছেড়ে কোথাও যায়নি।ওসবই গুজব। সুতরাং মাকে ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।'

মায়ের সঙ্গে সারা 

গত বছর ডিসেম্বরে সারার পরপর দুটি ছবি 'কেদারনাথ' ও 'সিম্বা' মুক্তি পায়। আর এই দুটি ছবি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পেয়েছে। দর্শক সারার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধদের পাশে বাপ্পি চৌধুরী


আরও খবর

বিনোদন

হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধদের পাশে চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী

  অনলাইন প্রতিবেদক

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৭০ জনের প্রাণহানি হয়েছে। মৃত্যুর পথযাত্রায় রয়েছে অনেকেই। ঢাকা মেডিকেলে চলছে আহত অনেকের চিকিৎসা। এ ঘটনায় শহীদ দিবসের এই দিনে দেশব্যাপী চলছে শোকের মাতম। শোকে ঘরে থাকতে পারলেন না ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় নায়ক বাপ্পি চৌধুরী। ফেসবুকে আহত ও নিহত পরিবারের পক্ষে শোক প্রকাশ করেই থেমে থাকেননি। স্বশরীরে অগ্নিদগ্ধ মানুষকের দেখতে হাসপাতালে ছুটে গিয়েছেন এ নায়ক। কথা বলেছেন তাদের সঙ্গে। তাদের বয়ানে শুনেছেন দুর্ঘটনার ভয়াবহতা। 

হাসপাতালে অগ্নিদগ্ধদের পাশে চিত্রনায়ক বাপ্পি চৌধুরী

সকালে নিজের ফেসবুকে পেজে স্টাটাস দিয়ে বাপ্পি চৌধুরী জানান, রাতে জিম থেকে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। গাড়ি নিজেই ড্রাইভ করায় অন্য দিকে মনোযোগ দিতে পারেনি। বাসায় গিয়েই টিভি চ্যানেলে দেখেন চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের চিত্র। এরপর আর রাতে  ঘুমাতে পারেনি তিনি। তাই  দুুপুর দেড়টার দিকে ছুটে গিয়েছেন হাসপাতালে।

সমকাল অনলাইনকে বাপ্পি চৌধুরী বলেন, মৃত্যু অবধারিত আমাদের জীবনে। কিন্তু সে মুত্যু কেন আগুনে পুড়ে হবে। টিভিতে আগুনে পুড়ার দৃশ্য দেখে ঠিক থাকতে পারিনি। সকালে তাই ছুটে যাই অগ্নিদগ্ধ আহত মানুষগুলোকে দেখতে। তাদের সঙ্গে কথা বলি। আমি আমার সাধ্যমত তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসবো।

হাসপাতালে আহত মানুষদের দেখে আসার পর ঢাকাই ছবির সুলতানখ্যাত এ নায়ক আরও বলেন, তাদের যে ক্ষতি হয়েছে সেটা পুরণ করা তো সম্ভব নয়। রাষ্ট্র তাদের জন্য যা করার করবে। পাশাপাশি আমাদেরও ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে আসা উচিত। আমরা  যদি এগিয়ে আসি তাহলে তাদের ক্ষতি কিছুটা হলেও পূরণ হবে। তবে আপাতত যারা আহত আছেন তাদের যথাযথ চিকিৎসার প্রয়োজন। আমি হাসপাতালে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন সাধ্যমত চেষ্টা করছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট খবর