বিনোদন

ঢাকার সাহিত্য উৎসবে আসছেন চলচ্চিত্রের তিন তারকা

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

ঢাকার সাহিত্য উৎসবে আসছেন চলচ্চিত্রের তিন তারকা

টিলডা সুইনটন, মনীষা কৈরালা ও নন্দিতা দাস

  অনলাইন ডেস্ক

আগামীকাল বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসব। এবারের উৎসবে হাজির হচ্ছেন বিশ্ব চলচ্চিত্রের তিন জনপ্রিয় তারকা। এর মধ্যে রয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা, বাঙালি বংশোদ্ভূত ও বলিউডের অভিনেত্রী ও পরিচালক নন্দিতা দাস এবং ব্রিটিশ অভিনেত্রী টিলডা সুইনটন। 

উৎসবে বক্তব্য দিবেন তারা। সাহিত্য আর চলচ্চিত্রের মধ্যেকার যোগসূত্রের কথা জানাবেন নিজ নিজ বক্তব্যে। সেই সঙ্গে তাদের তাদের জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথাও জানাবেন। 

উৎসব শুরু হবে আগামীকাল। পরের দিন শুক্রবার বক্তব্য দিবে বলিউডের ক্যান্সােরের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হওয়া অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা। শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টায় ‘ব্রেকিং ব্যাড’ অধিবেশনে কথা  ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ফেরার গল্প বলবেন তিনি। বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনের এ অধিবেশনে তার সঙ্গে আরও থাকবেন বলিউড অভিনেত্রী ও পরিচালক নন্দিতা দাস এবং অন্যতম উৎসব পরিচালক সাদাফ সাজ।

অন্যদিকে উৎসবের প্রথম দিন বিকেল সোয়া চারটায় একই মিলনায়তনে থাকবে নন্দিতা দাস পরিচালিত ছবি ‘মান্টো’র প্রদর্শনী। এরপর এ ছবি নিয়ে ‘ডিরেক্টরস কাট’ অধিবেশনে কথা বলবেন নন্দিতা। ‘বিফোর দ্য রেইন’ ও ‘ফায়ার’-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সবার নজরে এসেছিলেন এই অভিনেত্রী। পরে নিজেই চলচ্চিত্র পরিচালনা শুরু করেন। এ বছর সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তি পায় তার পরিচালনায় ‘মান্টো’ ছবিটি।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন বেলা ২টায় একই মিলনায়তনে অস্কার, বাফটা ও গোল্ডেন গ্লোবজয়ী অভিনেত্রী টিলডা সুইনটনের অধিবেশন ‘রিডিং’।  ঢাকা আন্তর্জাতিক সাহিত্য উৎসবে এবারই কিন্তু প্রথম নন তিনি। এসেছিলেন গতবারের উৎসবেও।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

রুনা লায়লাকে চমকে দিলেন বাপ্পী লাহিড়ী


আরও খবর

বিনোদন

জন্মদিনে রুনা লায়লাকে চমকে দিলেন বাপ্পি লাহিড়ী

  অনলাইন ডেস্ক

রুনা লায়লা। উপমহাদেশের বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী তিনি। অগণিত কালজয়ী গানের এ গায়িকার গত ১৭ নভেম্বর ছিলে জন্মদিন। দিনটিতে বড় কোন আয়োজন রাখেন নি এ তারকা।  তবে এ দিন চমকে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটালেন ভারতের কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী।

এ দিন রুনা লায়লাকে কলকাতার গ্র্যান্ড ওবেরয় হোটেলে সরাসরি গিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন বাপ্পী লাহিড়ী। জন্মদিনের সকালে হোটেলে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে  উপস্থিত বাপ্পি। ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে কেক কাটেন। এসময় রুনা লায়লার সঙ্গে তার স্বামী আলমগীরও উপস্থিত ছিলেন। বাপ্পী লাহিড়ীর হঠাৎ উপস্থিতিতে ভীষণ উচ্ছ্বসিত হন রুনা লায়লা। তার জন্মদিনের আনন্দকে এবার যেন আরো বাড়িয়েই দিলেন বাপ্পী লাহিড়ী।

রুনা লায়লার জন্মদিনে স্ত্রীকে নিয়ে হাজির বাপ্পি লাহিড়ী

রুনা লায়লা বলেন, ‘বাপ্পী লাহিড়ীর সঙ্গে আমার পরিচয় অনেক আগে থেকেই। তারসঙ্গে সম্পর্কটা আমার পারিবারিক। জন্মদিনের রেশ কাটতে না কাটতেই বাপ্পী লাহিড়ীর এমন উপস্থিতি জন্মদিনের আনন্দ আরো অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকটা সময় আমরা একসঙ্গে গল্প করেছি, আড্ডা দিয়েছি।’

গত ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় রুনা লায়লা কলকাতা যান। সেখানে তিনি তার এক আত্মীয়র বিয়েতে যোগ দেবার পাশাপাশি জন্মদিন উদযাপন করছেন। সোমবার রুনা লায়লা ঢাকায় ফিরবেন।

এদিকে জি বাংলার সারেগামা অনুষ্ঠানে গত শনিবার রাতের পর্বে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অঙ্কিতা ও রাহুলের গানে মুগ্ধ হন। শুধু তাই নয় অঙ্কিতাকে দিয়ে বাপ্পী লাহিড়ী গান গাওয়ানোরও প্রতিশ্রুতি করেন।

জন্মদিন দুই বন্ধুর বিশেষ আড্ডা

বাপ্পী লাহিড়ী বলেন, ‘অঙ্কিতা কলকাতার শাকিরা। তার গান আমাকে এতোটাই মুগ্ধ করেছে যে আমি তাকে নিয়ে গান করার পুরো পরিকল্পনা করে ফেলেছি। বাকিটা সময়ের ব্যাপার। আশা করি শিগগিরই শ্রোতা দর্শকরা কোন সুখবর পাবেন।’

বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গে রুনা লায়লার সম্পর্ক সেই আশির দশক থেকে। সেই সময় প্রকাশিত অ্যালবাম ‘সুপার রুনা’র সূত্র ধরেই তাদের পরিচয়। পরে হয় বন্ধুত্ব। যা এখন পারিবারিক সম্পর্ক হিসেবেই দাঁড়িয়েছে। রুনা লায়লার মেয়ের সঙ্গে  বাপ্পি লাহিড়ীর মেয়েরও দারুণ বন্ধুত্ব।

১৯৬৫ সালের জুন মাসে উর্দু ছবি ‘জুগনু’তে গান গেয়েছিলেন রুনা লায়লা।ক্যারিয়ারে প্রায় দশ হাজারের মতো গানের গায়িকা তিনি। ছয়বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। পেয়েছেন স্বাধীনতা পদকও। বাংলা, হিন্দি, উর্দু, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, গুজরাটি, পশতু, বেলুচি, আরবি, পারসিয়ান, মালয়, নেপালি, জাপানি, ইতালিয়ান, স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ ও ইংরেজি সব ভাষাতেই গান গেয়েছেন রুনা লায়রা। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আমজাদ হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক


আরও খবর

বিনোদন

আমজাদ হোসেন

  অনলাইন ডেস্ক

ব্রেট স্ট্রেকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান পরিচালক আমজাদ হোসেন। তার অবস্থা এখন আসঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে এখন চিকিৎসা চলছে তার। 

এ বিষয়ে সমকাল অনলাইন প্রতিনিধির কাছে তার স্ত্রী সুইরায়া আক্তার  জানান, ‘ডাক্তার বলেছেন কিছু টেস্ট চলছে উনার। চার ঘন্টার বেশি অচেতন থাকলে একটি ইনজেকশন দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে তিনি কতোক্ষণ ধরে অচেতন হয়ে আছেন তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি ডাক্তারা। এ মুহূর্তে এরচেয়ে বেশি কিছু বলতে পারছি না।’

হাসপাতালে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বাবার অবস্থার কথা জানাচ্ছেন ছেলে সোহেল আরমান

আমজাদ হোসেনের ছেরে নির্মাতা ও অভিনেতা  সোহেল আরমান বলেন, ‘ সকারে ঘুম থেকে উঠেই খেয়াল করি , আব্বা হাত-পা নাড়তে পারছিলেন না। তখনই আব্বাকে নিয়ে হাসপাতালে যাই। ডাক্তার কিছু পরীক্ষা শেষে জানালেন, আব্বা ব্রেন স্ট্রোক করেছেন। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।’

এ বছরের শুরুতে অসুস্থ হয়ে থাইল্যান্ডের সুকুমভিত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। ক্ষুদ্রান্ত্রে দু’টি সফল অস্ত্রোপচার শেষে সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন আমজাদ হোসেন। এবার হঠাৎ করেই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন কিংবদন্তি এই চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।

৭৬ বছর বয়সী এই চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব বহুমুখী প্রতিভাধর একজন মানুষ। চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, গল্পকার, অভিনেতা, গীতিকার ও সাহিত্যিক হিসেবে সফলতা পেয়েছেন।

 তার নির্মিত কালজয়ী ছবির মধ্যে রয়েছে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘ভাত দে’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’।

পরের
খবর

শান্তিপুরীতে তাদের জন্য অশান্তি


আরও খবর

বিনোদন

‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’ নাটকের অভিনেত্রীরা

  অনলাইন ডেস্ক

বাড়ির নাম শান্তিপুরী। গৃহকর্তা হক সাহেব। গৃহকর্ত্রী আয়েশা হক। বিত্ত-বৈভবের কমতি নাই। পঞ্চাশ বছরের দাম্পত্য জীবন। ছেলে-মেয়েরা সব প্রবাসী। আছেন দুই টোনা-টুনী। কিন্তু সংসার জীবনের এতগুলো বছর পার করে এসে সম্প্রতি তাদের সম্পর্ক সাপে-নেউলে। প্রতিটি ব্যাপারেই একে অপরের প্রতিপক্ষ। বাড়ির অন্য লোকেরা কাহিল তাদের দুজনের বিবাদ মেটাতে। 

ভাড়াটিয়া যারা ছিল তারাও একসময় স্বামী-স্ত্রীর এই কুরুক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়েছে। অতঃপর নিজের দল ভারী করতে হক সাহেব তার বাড়ির একটা অংশ কিছু ব্যাচেলর ছেলের কাছে ভাড়া দিয়েছেন। একদম তার মনের মত ছেলেগুলো। সে যা বলে তাই শোনে।এদের নিয়ে হক সাহেবের বেশ ভালোই দিন কাটছে। 

কিন্তু আয়েশাও ছেড়ে দেয়ার মানুষ নন। তিনিও মনে মনে পরিকল্পনা  করতে থাকেন কি করে এর একটা বদলা নেওয়া যায়। অতঃপর আয়েশাও বাড়ির একটা অংশ কিছু ব্যাচেলর মেয়ের কাছে ভাড়া দেন। তুখোড় সব মেয়ে। আয়েশা যেমন চেয়েছিলেন ঠিক তেমনি আয়েশা আদর করে নাম দিয়েছেন ‘বাঘের বাচ্চা সব’।

দুই দলের জন্যই শান্তিপুরী পরিণত হয় অশান্তিপুরীতে। এমন গল্প নিয়েই ধারাবাহিক নাটক ‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’। মুক্তনীলের রচনায় ও তুহিন বড়ুয়ার প্রযোজনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন সকাল আহমেদ।  

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন,রহমত আলী, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, শবনম ফারিয়া, অর্ষা, তানজিকা আমিন, কাজল সূবর্ণ, আফরান নিশো, আরমান পারভেজ মুরাদ, ইউসুফ রাসেল, অধরা, রেহেনা রাখি, হিমে হাফিজ, তুষার খান. কায়েস চৌধুরী, এস এম মোহসীন, খলিলুর রহমান কাদেরী, সাইকা আহমেদ, অনুভব মাহবুব প্রমুখ।

সপ্তাহের প্রতি মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটকটি। 

সংশ্লিষ্ট খবর