বিনোদন

'বয়সে ছোট ছেলেদের প্রেমে অবশ্যই পড়া যায়'

প্রকাশ : ১৫ মে ২০১৮ | আপডেট : ১৫ মে ২০১৮

'বয়সে ছোট ছেলেদের প্রেমে অবশ্যই পড়া যায়'

  অনলাইন ডেস্ক

অসম বয়সের প্রেমের বিষয়ে টালিউড অভিনেত্রী মোনালিসা বলেছেন, কাউকে ভালো লাগলে বয়স কোনো বিষয়ই নয়।  এক্ষেত্রে বয়সে ছোট ছেলেদের প্রেমে অবশ্যই পড়া যায়। সম্প্রতি কলকাতার অনলাইন পোর্টাল এবেলায় দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। 

মোনালিসা বলেন, সব কিছু বাদ দিয়ে, ভাললাগার অনুভূতিটাই প্রধান। দেবর-ভাবীর সম্পর্ক নিয়ে অনেক বাঙালির মধ্যেই বেশ উন্মাদনা কাজ করে। এ ধরনের সম্পর্কে যৌনতা বিষয়টা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। তবে শুধু শরীর দিয়ে কোনো সম্পর্ক টিঁকতে পারে না। আত্মিক ও মানসিক যোগাযোগটা থাকতেই হয়। আমি সম্পর্কের সেই যোগাযোগে বিশ্বাস করি। শুধু বয়সে বড় বা বয়সে ছোট ছেলের কথা বলছি না, যে কোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য।

বয়সে ছোট ছেলেদের সঙ্গে প্রেম করাটা খুব দারুণ ব্যাপার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত জীবনে আমার তেমন কোনো অভিজ্ঞতা নেই, কিন্তু অভিনেত্রী হিসেবে রয়েছে।

পরকীয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আবেদনময়ী এই অভিনেত্রী বলেন, পরকীয়া বিষয়ে একেকজন মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি একেক রকম। বেশিরভাগই অবশ্য পরকীয়াকে সমর্থন করেন না। তবে এই ধরনের সম্পর্ক হঠাৎ করে তৈরি হতে পারে। সবটাই নির্ভর করছে একটা বিবাহিত সম্পর্ক কতোটা সুখের, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষগুলো কতটা সুখী তার ওপরে। আমি ঠিক এই বিষয়টা নিয়ে কোনোদিন কিছু ভাবিনি। 

নিজের বিবাহিত জীবনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার কাছে আমার স্বামী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দু’জন দু’জনের ওপর খুব নির্ভর করি। ওকে ছাড়া অন্য কোনো মানুষের কথা ভাবতেই পারি না। তবে আবারও বলব, একেকজন মানুষের ভাবনা একেক রকম। এটা নিয়ে কারো দিকে আঙুল তোলার কোনো অধিকার আমার নেই। আমার ব্যক্তিগত মত হলো, পরকীয়া সম্পর্ককে প্রশ্রয় দেওয়া ঠিক নয়। সঙ্গীর সম্পর্কে অনুভূতিটা যেমনই হোক না কেন, সেটা না লুকিয়ে, খোলাখুলি কথা বলাই ভালো। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কলম্বো উৎসবে বাংলাদেশের ৬ ছবি


আরও খবর

বিনোদন

গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘স্বপ্নজাল’ ছবিতে অভিনয় করেন পরীমনি ও ইয়াশ

  বিনোদন প্রতিবেদক

শ্রীলংকার কলম্বোতে ২৯ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী 'বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৯'। বাংলাদেশ হাইকমিশনারের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হচ্ছে এ উৎসব।

এবারের আয়োজনে মোট ৬টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। ছবিগুলো হচ্ছে, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের 'স্বপ্নজাল' [পরীমনি ও ইয়াশ রোহান], কামরুল হাসান লেলিনের 'ঘ্রাণ' [তৌকীর আহমেদ, সাবেরী আলম, ফজলুর রহমান বাবু], বিজন আহমেদের 'মাটির প্রজার দেশে' [রোকেয়া প্রাচী, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, চিন্ময়ী গুপ্ত], অনম বিশ্বাসের 'দেবী' [জয়া আহসান, চঞ্চল চৌধুরী, শবনম ফারিয়া, ইরেশ যাকের], তানভীর মোকাম্মেলের প্রামাণ্যচিত্র 'সীমান্তরেখা' এবং নূর ইমরানের 'কমলা রকেট' [তৌকীর আহমেদ, মোশাররফ করিম, জয়রাজ, সামিয়া]। 

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, উৎসবে অংশ নেওয়া চলচ্চিত্রগুলো কলম্বোর ন্যাশনাল ফিল্ম করপোরশন হলে প্রদর্শিত হবে। উৎসব শেষ হবে ৩১ মার্চ।


পরের
খবর

ভিকি-হারলিনের 'ভাঙনের' নেপথ্যে কে?


আরও খবর

বিনোদন

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ভিকি কৌশল বলিউডে এখন চর্চিত নাম। তার অভিনীত সিনেমা 'উরি: দ্য সার্জিক্যাল স্ট্রাইক' ছবি বক্স অফিসে সুপার হিট হওয়ার পর বলিউডের নায়িকা মহলে বেশ জনপ্রিয় তিনি। আজকাল  ভিকি কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও হামেশায় আলোচনায় আসেন।

জি-নিউজ জানায়, চ্যাট শো  'কফি উইথ করণ'-এ এসে সম্প্রতি টেলি অভিনেত্রী হারলিন শেঠির সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নেন ভিকি। 

ওই শো'য়ে করণের প্রশ্নের জবাবে ভিকি বলেন, ‘কমন ফ্রেন্ডের মাধ্যমে দু’জনের জানাশোনা হয়েছে। এই সম্পর্ক ২০১৮ থেকে শুরু হয়েছে। এটা নিয়ে এখনও সেভাবে কথা বলার সময় আসেনি। আমরা সবে একে অপরকে জানার চেষ্টা করছি মাত্র। তবে সম্পর্কের শুরু থেকেই আমাদের একে অপরের প্রতি একটা অনুভূতি ছিল।’

ভূমি পেডনেকর

জানা গেছে, নবাগত পরিচালক ভানু প্রতাপ সিংয়ের একটি হরর ছবিতে অভিনয় করছেন ভিকি। সেখানে কেমিও চরিত্রে দেখা যাবে ভূমি পেডনেকারকে। সেই ছবির শ্যুটিংয়ের সময় থেকেই নাকি বন্ধুত্ব বেড়েছে ভূমি ও ভিকির।  এরপর থেকেই নাকি ভিকির সঙ্গে দূড়ত্ব বেড়েছে  হারলিনের।  আর এর নেপথ্যে রয়েছে বলিউড অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর।

এমনকি এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে  হারলিন তার  ইনস্টাগ্রাম থেকে ভিকিকে আনফলো করে দিয়েছেন। এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছিল ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে ভিকি কৌশলের ঘনিষ্ঠতার কথা।

তবে এ বিষয়ে  'সঞ্জুর' প্রশংসিত অভিনেতা ভিকি কৌশলের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 


পরের
খবর

‘যৌথ প্রযোজনার ছবির সংখ্যা বাড়ানো উচিৎ’


আরও খবর

বিনোদন
‘যৌথ প্রযোজনার ছবির সংখ্যা বাড়ানো উচিৎ’

ওপার বাংলার চলচ্চিত্র তারকাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, তারা এদেশের ছবিতে কাজ করতে আগ্রহী।

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০১৯

চিত্রনায়ক ফেরদৌস

  বিনোদন প্রতিবেদক

দেশি ছবি আমদানী সহজ ও দেশে ভালো ছবি নির্মাণের দাবীতে আগামী ১২ এপ্রিল থেকে দেশের সব প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি।তাদের এমন ঘোষণার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন ঢাকাই ছবির প্রযোজক, পরিচালক ও নায়ক-নায়িকারা। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্য কথা বলেছেন  চিত্রনায়ক ফারুক, জায়েদ খান,পরিচালক গুলজারসহ অনেকেই। 

এবার বিষয়টি নিয়ে কথা বললেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। তিনি বলেন, সবাই জানি মাথা ব্যাথা হলে মাথা কেটে ফেলা কিন্তু সমাধান না। তারা হল বন্ধ করে দিয়ে সমস্যা মেটাতে চাইছেন।এভাবে সমস্যা আরও বাড়বে বৈ কমবে না। মাথা কেটে ফেলার মত সিদ্ধান্ত এটি। তবে হল বন্ধ হয়ে যাক আপত্তি নেই। দেশের প্রতিটি জেলায় সিনেপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা হোক।   

ফেরদৌস বলেন, দর্শক এখন সিনেপ্লেক্সের দিকে ঝুঁকছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দর্শক চাহিদা মেটাতে হবে। সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রতিটি জেলায় সিনেপ্লেক্স চালু করতে হবে। সারা বছর চলচ্চিত্রের রমরমা অবস্থা থাকে না। প্রতিটি ছবি ব্যবসাসফল হয় না। হলিউড, বলিউড, টালিউড থেকে শুরু করে সারাবিশ্বের চলচ্চিত্র শিল্পে এমন চিত্রই দেখা যায়। সব জায়গাতেই বছরে হাতে গোনা কয়েকটি ছবিই জয়জয়কার দেখাতে পারে। দর্শক সংখ্যা বাড়ানোর পেছনে সিনেমা হলের পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হলের পরিবেশ ঠিক না করে হলিউড কিংবা বলিউডের নামি-দামি অভিনয়শিল্পীর ছবি চালালেও দর্শক হলমুখী হবে না।

ফেরদৌস আরও বলেন, সিনেমা হলের পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি ভালো মানের ছবির সংখ্যা বাড়াতে হবে। অতীতের দিকে তাকালেই দেখা যায় কলকাতার অনেক সুপারস্টারের আমাদের দেশে রিলিজ হয়েছে। কিন্তু সেগুলো ফ্লপের তালিকায়। অন্যদিকে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় একাধিক ছবি দারুণ ব্যবসা করেছে আমাদের দেশে।আবার লোকসানও হয়েছে। একটা কথা হলো ছবিতে দুই দেশের তারকা উপস্থিতি থাকে বলে দর্শক আগ্রহ বেশি থাকে। আমি মনে করি, যৌথ প্রযোজনার ছবির সংখ্যা বাড়ানো উচিৎ। ওপার বাংলার চলচ্চিত্র তারকাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, তারা এদেশের ছবিতে কাজ করতে আগ্রহী।

ছবির প্রচারণায় জোর দেওয়ার কথা জানিয়ে ফেরদৌস বলেন, শুধু ছবি বানালেই হবে না। ছবিটি সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। প্রচারণায় গুরুত্ব না দিলে ছবির সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। অনেক ভালো কাজও প্রচারের অভাবে দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে না। ভিন্নধর্মী নানা প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালাতে হবে। প্রচারণার কোন বিকল্প নেই। 

সংশ্লিষ্ট খবর