বিনোদন

'খাঁচা' মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

'খাঁচা' মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার

   সমকাল প্রতিবেদক

সরকারি অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘খাঁচা’ মুক্তি পাচ্ছে শুক্রবার। 

রাজধানী ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সসহ দেশের ৬টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে ব্রিটিশ শাসনামলের গল্প নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রটি। 

কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের কাহিনী অবলম্বনে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন আজাদ আবুল কালাম ও আকরাম খান। 

হাসান আজিজুল হকের গল্প নিয়ে নির্মিত এটিই প্রথম ছবি। ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে নির্মিত ছবিটি পরিচালনা করেছেন আকরাম খান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চ্যানেল আই ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানানো হয়।এতে চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ রাজত্বের অবসানে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে ধর্মের ভিত্তিতে জন্ম হয় দুটি রাষ্ট্রের। এসময়কার দেশান্তরের মধ্যে দিয়ে মুক্তির আকাঙ্খা আর কঠিন বাস্তবতার গরাদ ভাঙ্গতে না পারার অসহায়ত্বের গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘খাঁচা’।

পরিচালক আকরাম জানান, এ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, চাঁদনী, আজাদ আবুল কালাম, আরমান পারভেজ মুরাদ, কায়েস চৌধুরী, মাহবুবা রেজানুর, সাদিকা রহমান রাইসা, মামুনুর রশীদ প্রমুখ।

তিনি বলেন, ছবিটির চিত্রগ্রহণে ছিলেন তানভীর খন্দকার, সম্পাদনায় সামির আহমেদ ও সঙ্গীত পরিচালনায় বিনোদ রায়। ছবিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ডি. এল. রায়ের গান ব্যবহার করা হয়েছে এবং এসব গানে কন্ঠ দিয়েছেন শিল্পী সাগরিকা জামালী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ, আবুল কালাম আজাদ (পাভেল)প্রমুখ। 


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শুটিংয়ে আহত ক্যাটরিনা


আরও খবর

বিনোদন
শুটিংয়ে আহত ক্যাটরিনা

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ক্যাটরিনা কাইফ- ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ অভিনীত 'ভারত' ছবির শুটিং শেষের দিকে। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু ছবির একটি অ্যাকশন দৃশ্যের শুট করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন 'বিউটি কুইন'। 

জি-নিউজ জানায়, আলী আব্বাস জাফরের 'ভারত' ছবিতে ক্যাটরিনার নায়ক হিসেবে আছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। ছবিটির কাজ প্রায়ই শেষ। বাকি ছিল শুধু একটি গানের শুটিং। ওই শুটিংয়ে ক্যাটরিনা গোড়ালিতে চোট পাওয়ায় আপাতত বন্ধ রয়েছে গানটির কাজ। 

ক্যাট একটি অ্যাকশন সিকোয়েন্সের শুটিংয়ে চোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গোড়ালিতে গুরুতর চোট পেয়েছেন ক্যাটরিনা। চোটের কারণে ঠিকমতো হাঁটতেও পারছেন না তিনি। এজন্য বেশ কিছুদিন তাকে বিশ্রামে থাকতে হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভাষার আর্তনাদে সজল-রুহী


আরও খবর

বিনোদন
ভাষার আর্তনাদে সজল-রুহী

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সজল ও রুহী

  বিনোদন প্রতিবেদক

রাহা ইংরেজি বাংলা মিশিয়ে বাংলিশে কথা বলতেই বেশি ভালোবাসে। এই সময়ের ডিজুস টাইপের ছেলেমেয়েদের একটা সার্কেলও আছে তার। রাহার দু:সম্পর্কের আত্মীয়র ছেলে আবির আসে আমেরিকা থেকে তাদেরই বাসায়।

যে ছেলে আমেরিকার মতো দেশে থেকেও নিজের দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতিকে এতো ভালোবাসে, অথচ দেশে থেকেও এখনকার ছেলেমেয়েরা যেনো আল্টামডার্ন হওয়ার প্রতিযোগিতায় ব্যতিব্যস্ত। তাই তো আবিরের সাথে রাহা ও তার বন্ধুবান্ধবের একটা দ্বন্দ্ব লেগে যায়। একটা পর্যায়ে রাহা বন্ধুদের সহায়তা চায় এই বিদেশী ছেলেটাকে শিক্ষা দেয়ার জন্য। ঘটনা মোড় নিতে থাকে ভিন্ন দিকে। তাই তো আবির দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে যাওয়ার আগে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে যায় সে। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। কারন এই ভাষা শহীদদের মধ্যে যে আবিরের দাদাও আছেন।

নাটকের অন্যান্য  অভিনয় শিল্পীরা

যে ভাষার জন্য একদিন এদেশের সন্তানেরা জীবন দিয়েছিল, সেই ভাষার অবস্থা দেখে, সেই ভাষার আর্তনাদে আবিরের সত্যিই কষ্ট লাগে। শেষমেষ আবির রাহাদের বাসায় একটি চিঠি লিখে যায়। কি থাকে সেই চিঠিতে?  দর্শকরা নাটকটি দেখলেই জানতে পারবেন সেটা। 

ফ্যাক্টর থ্রি সলিউশনস নিবেদিত ও ত্রিধারা মিডিয়া প্রযোজিত নাটকটিতে আবির চরিত্রে সজল ও রাহা চরিত্রে নুসরাত জান্নাত রুহী অভিনয় করেন।

এতে অভিনয় প্রসঙ্গে সজল বলেন,‘এই সময়ের পুত পুত প্রেমের বাইরে গিয়ে একেবারেই ভিন্ন টাইপের একটা গল্পের নাটক ‘ভাষার আর্তনাদ’। এই নাটকে আমার চরিত্রটির মধ্যে একটা শিক্ষামূলক বিষয় আছে। একেবারেই সময় উপযোগী একটা নাটক। যা দেখলে দর্শক আমাদের বাংলা ভাষার প্রতি অন্যরকম ভালোবাসা অনুভব করবেন।’ 

রুহী বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারে এই প্রথম আমি এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি। এখনকার কিছু প্রজন্ম আছে যারা বাংলা ভাষাটাকে ইংরেজি আর বাংলায় মিশিয়ে ‘বাংলিশ’ ভাষায় কথা বলে। যা অবশ্যই ভাষা শহীদদের রক্তে অর্জিত এই বাংলা ভাষার জন্য মান হানিকর। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এমন একটি শিক্ষামূলক নাটকে কাজ করতে পেরে বেশ ভালো লাগছে।’ 

সৈয়দ ইকবালের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন স্বাধীন ফুয়াদ। সম্প্রতি জাতীয় শহীদ মিনার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ফুলার রোডসহ উত্তরা বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির চিত্রায়ণ করা হয়। এতে বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন নিশাত খুশবু, শিরিন আলম, পীরজাদা শহিদুল হারুন, আশরাফুল আলম সোহাগ, অনিক, তুরিন, সুমন, তুষার প্রমুখ। 

২১শে ফেবরুয়ারিতে রাত ৯ টায় নাগরিক টিভিতে প্রচার হবে নাটকটি।         

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ঢাকায় ‘হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন’


আরও খবর

বিনোদন
ঢাকায় ‘হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন’

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

‘হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন’ ছবির একটি দৃশ্য

  অনলাইন ডেস্ক

হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন যারা দেখেছেন তারা টুথলেসকে ভালোবেসে ফেলেননি, এমন খুব কমই পাওয়া যাবে। শুধু কি টুথলেস? হিকাপ, অস্ট্রিড পুরো সিরিজটিই যেন হলিউডের দর্শকদের জন্য অন্যরকম ভালোবাসার নাম। ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিলো হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন টু। বিশ্বব্যাপী দারুণ সাফল্য পাওয়া ছবিটির রেশ এখনো অনেকের মনে লেগে আছে নিশ্চয়ই। ২০১০ সালেই ড্রিমওয়ার্কস থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিলো, হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন তিন পর্বের একটি সিরিজ হবে। সেই থেকে পরবর্তী ছবির জন্য দর্শকদের অপেক্ষা শুরু। হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন টু অপেক্ষার তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দেয়। এবার অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। ২২ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে যাচ্ছে হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন: দ্য হিডেন ওয়ার্ল্ড। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে ছবিটি। 

বরাবরের মতো ড্রিমওয়ার্কস আর ইউনিভার্সাল পিকচার্স নিয়ে আসছে ক্রেসিডা কাওয়েলের বইয়ের ওপরে নির্মিত অ্যানিমেশন ছবিটি। গত ৩ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ায় মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। ১২৯ মিলিয়ন ডলার খরচ করে নির্মিত ছবিটি মুক্তির আগেই আয় করে নিয়েছে ৪১ মিলিয়ন ডলার। সমালোচকদের মতে, আগের দুটি ছবির ধারা বজায় রাখতে সফল হয়েছে হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন: দ্য হিডেন ওয়ার্ল্ড। শুধু তাই নয়, শেষ অংশে এসে দর্শকদের আবেগতাড়িতও করেছে চলচ্চিত্রটি। সাফল্যের দিক থেকে আগের ছবিকে ছাড়িয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা নির্মাতাদের। 

এবারের ছবির গল্প এগিয়ে যাবে হাউ টু ট্রেইন ইওর ড্রাগন টু-এর পর থেকে। হিকাপ আগের মতোই নিজের সঙ্গী ড্রাগন রাইডারদের নিয়ে দুস্থ ও অসহায় ড্রাগনদের বাঁচিয়ে তোলার কাজ করে যাচ্ছে। ড্রাগন আর মানুষ বন্ধু হিসেবে একে অন্যের সঙ্গে থাকবে এমনটাই চিন্তা তার। কিন্তু এতে করে হিতে বিপরীত হলো। ধীরে ধীরে হিকাপের আবাসস্থলে থাকা কঠিন হয়ে পড়ল। এমন সংকটের মধ্যে হিকাপের মাথায় খেলা করল তার বাবা স্টয়িকের কথা। বাবা বলেছিল ড্রাগনদের জন্য একটা গোপন পৃথিবী খুঁজে বের করতে, যেখানে তারা নিজেদের মতো করে জীবনযাপন করবে। বাবার কথার সূত্র ধরে শুরু হয়ে গেল হিকাপের সেই গুপ্ত দুনিয়া খোঁজার অভিযান। সঙ্গী হলো বরাবরের মতো টুথলেস। কিন্তু এমন কোনো জায়গার খোঁজ কি হিকাপ পাবে?

সংশ্লিষ্ট খবর