অন্যান্য

বিনামূল্যে ছবি দেখতে পাবে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯

বিনামূল্যে ছবি দেখতে পাবে শিক্ষার্থীরা

  অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে 'ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব'। ‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’- শ্লোগান সামনে রেখে শুরু হচ্ছে এ উৎসব। রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসব চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। উৎসবকালীন সময়ে পরিচয়পত্র দেখিয়ে মূল কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে ছবি দেখতে পারবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ। 

তবে যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমা হলে ব্লকবাস্টার কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত মূল্যে ছবি দেখতে হবে বলেও আজ দুপুরে ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। 

সংসবাদ সম্মেলেন উপস্থিত ছিলেন  উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামাল, উৎসব কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য ম হামিদ, উৎসবের অন্যতম জুরি ইলিয়াস কাঞ্চনসহ অনেকেই। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ উৎসবের উদ্বোধন করবেন। তখন তথ্য সচিব আবদুল মালেক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। সভাপতিত্ব করবেন উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম । 

উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে থাকছে তুরস্ক ও-জর্ডানের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত চলচ্চিত্রটি ছবি ‘‌দ্যা গেস্ট’। এটি পরিচালনা করেছেন রস্কের নির্মাতা আন্দাজ হাজানেদারগলু। বিকেল ৫টায় দেখানো হবে ছবিটি। 

এ ছাড়াও একইদনে আরও প প্রর্দশীত হবে 'দেব ভূমী', 'দ্য কেন্টারস', ট্যাঙ্গো হ্যাজেনডারেগ্নু', 'আল রাহা', 'পিহুজলি', 'প্যাসেজ অব লাইফ', 'ফ্রম ইউএফএ', 'উইথ লাইফ', আইসোলেশান', ইউএনসাইড', 'দ্য ভার্জিন', 'হিউম্যান অব নেচার', 'এন্টার দস আগুয়াস', 'পজ' এবং 'ক্রসিং দ্য বর্ডার'।

৯ দিনব্যাপী এ উৎসব জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তন ও বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তন, অঁলিয়স ফ্রঁসেস মিলনায়তন, শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ও যমুনা ব্লকবাস্টার সিনেমাস-এ ছবিগুলো প্রদর্শিত হবে। প্রদর্শনীর সময় প্রতিদিন সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বিকাল ৩টা। 

সংবাদ সম্মেলনে উৎসব পরিচালক জানান, বরাবরের মতোই এবারের উৎসবেও এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগ, রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগ, বাংলাদেশ প্যানারোমা, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, চিলড্রেনস ফিল্ম, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম এবং উইমেন্স ফিল্ম সেকশনে ৭২টি দেশের দুই শত ১৮টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে । উৎসবের ২১৮টির মধ্যে পূর্ণদৈর্ঘ্য (৭০ মিনিটের বেশি) চলচ্চিত্রের সংখ্যা ১২২টি, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্রের সংখ্যা ৯৬টি।

উৎসবের মূল কেন্দ্র জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে চলবে শিশুতোষ চলচ্চিত্র। এ ক্ষেত্রে শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও আসতে পারবেন বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।  এ ছাড়া, সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বিকেল ৩টার প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে দেখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। এর বাইরে, সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য টিকিটমূল্য ৫০ টাকা। কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে সকাল ১০টা থেকে শিশুতোষ চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। যেখানে অভিভাবকরাও শিশুদের সঙ্গে এই চলচ্চিত্রগুলো বিনা মূল্যে উপভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া, সকাল ১০টা, দুপুর ১টা ও বিকেল ৩টার প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা বিনা মূল্যে দেখতে পারবেন। জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে সব প্রদর্শনী সবাই বিনা মূল্যে উপভোগ করতে পারবেন।  আগে আসলে দেখবেন ভিত্তিতে আসন বণ্টন করা হবে বিনামূল্যে ছবি দেখার আসন। পাশাপাশি অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তনেও প্রদর্শনীগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়। 


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ফের পেছাল


আরও খবর

অন্যান্য

সালমান শাহ- ফাইল ছবি

  আদালত প্রতিবেদক

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ এপ্রিল পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।  সোমবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল; কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ নতুন দিন ধার্য করেন। 

২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর আদালত এ মামলা অধিকতর তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ১১/বি নিউ ইস্কাটন রোডের নিজ বাসা থেকে বাংলা সিনেমার স্টাইল আইকন সালমান শাহর (চৌধুরী মো. শাহরিয়ার ইমন) লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেন তার বাবা কমরউদ্দিন। যা পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয় হত্যা মামলায়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে আসে আত্মহত্যা করেছেন সালমান শাহ। এ নিয়ে রিভিশন করে সালমানের পরিবার। পরে তার মা নীলা চৌধুরী বাদী হিসেবে আসেন। তিনি আগের তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন। সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জনকে ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন নীলা চৌধুরী। 

মামলার অপর আসামিরা হলেন- সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ, এফডিসির সহকারী নৃত্য পরিচালক নজরুল শেখ, ডেভিড, আশরাফুল হক ডন, রাবেয়া সুলতানা রুবি, মোস্তাক ওয়াইদ, আবুল হোসেন খান ও গৃহপরিচারিকা মনোয়ারা বেগম।

সে সময় ঘটনাটিকে আত্মহত্যা ধরে অপমৃত্যুর একটি মামলা হলেও তাতে আপত্তি জানায় তার পরিবার। তারপর বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর আদালত পিবিআইকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। এর আগে র‌্যাবকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হলেও দায়রা জজ আদালতে তা আটকে যায়।

পরের
খবর

সৃজিতের সঙ্গে মিথিলার প্রেম?


আরও খবর

অন্যান্য

সৃজিত ও মিথিলা

  বিনোদন ডেস্ক

অভিনেত্রী রাফিয়া রশিদ মিথিলার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দেশি মিডিয়ায় কানা-ঘুষার শেষ নেই। গায়ক ও অভিনেতা তাহসানের সঙ্গে আলোচিত বিচ্ছেদের পর নিজেকে সিঙ্গেল দাবি করে আসছিলেন তিনি। কিন্তু অন্দরমহলে চর্চিত ছিল, তাহসানেরই বন্ধু জন কবিরের সঙ্গে প্রেম করছেন মিথিলা! পরে এমন গুঞ্জন উড়িয়ে দেন তারা দু’জনই। 

বাংলাভিশনে প্রচারিত 'আমার আমি' অনুষ্ঠানে মিথিলা ও জন কবির দু'জনই প্রকাশ্যে এমন গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়ে জানান, শুধুই ভালো বন্ধু তারা। সে গুঞ্জনের রেশ না কাঁটতেই নতুন গুঞ্জন রটলো। এবার শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতীয় মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করছে সে গুঞ্জন। সেই গুঞ্জন হলো, কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুর্খাজির সঙ্গে প্রেম করছেন মিথিলা।

মিথিলার মামাতো ভাই গায়ক অর্ণবের একটি নতুন মিউজিক ভিডিও নির্মিত হচ্ছে ভারতে। সৃজিতের প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত সেই মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন মিথিলা। এটি পরিচালনা করছেন একলব্য চৌধুরী। 

ভারতীয় গনমাধ্যমের খবর, সৃজিত এবং মিথিলার সম্পর্ক শুধু শুটিং ফ্লোরেই আটকে নেই। কলকাতা যাওয়ার পর সৃজিতের সঙ্গে শুটিংয়ের বাইরেও সময় কাটাচ্ছেন মিথিলা।

এদিকে গত দু মাসে বেশ কয়েকবার চুপিসারে বাংলাদেশে এসেছিলেন সৃজিত। অনেকের ধারণ, মিথিলার সঙ্গে দেখা করতেই সৃজিত এমন গোপনীয়তার আশ্রয় নেন। যদিও এ বিষয়ে তারা সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য দেননি। তবে সৃজিত দু’জনের সম্পর্ককে শুধু বন্ধুত্ব বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।  

এর আগে সৃজিতের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসানের সম্পর্কের কথা জানায় ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম। দেশটির গণমাধ্যম আরও জানায়, আগামী বছরের শুরুতে মিথিলার সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়ার কথা ভাবছেন সৃজিত। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভাওয়াইয়া গানের রাজার বিদায়


আরও খবর

অন্যান্য

ভাওয়াইয়া গানের শিল্পী শফিউল আলম রাজা

  বিনোদন প্রতিবেদক

বাংলা ভাওয়াইয়া গানের শিল্পী শফিউল আলম রাজা চির বিদায় নিয়ে চলে গেলেন।  রবিবার দুপুরে রাজধানীর পল্লবী এলাকার নিজের ভাড়া বাসার দরজা ভেঙে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। সে সময় তার মরদেহ বিছানায় শোয়া অবস্থায় ছিল। পুলিশের ধারণা, হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে। 

সাংবাদিকতা দিয়ে যার যাত্রা শুরু করেন রাজা।  অপরাধ বিষয়ক রিপোর্টার হিসেবে বেশ পরিচিতি পান তিনি।  কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় জন্ম নেওয়া শফিউল আলম রাজা শ্রোতা-দর্শকের কাছে ‘ভাওয়াইয়া রাজা’, ‘ভাওয়াইয়া রাজকুমার’ ও ‘ভাওয়াইয়ার ফেরিওয়ালা’ নামেও পরিচিত।

ভাওয়াইয়া গানের এই শিল্পী কৈশরে পিতা মরহুম নাজমুল হক ও মাতা মরহুমা শামসুন্নাহার বেগমের উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণায় তার গান শেখা শুরু। সংগীতে প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তবে ভাওয়াইয়ার কিংবদন্তি-গীতিকার, সুরকার এবং শিল্পী নুরুল ইসলাম জাহিদের কাছে সংগীতের তাত্ত্বিক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেছেন রাজা। সফিউল আলম রাজা বাংলাদেশ বেতারের ‘বিশেষ’ ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘প্রথম’ শ্রেণীর শিল্পী ছিলেন। 

এছাড়াও তিনি দেশের সব ক’টি চ্যানেলে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করতেন। সংগীত পরিবেশন করেছেন বিদেশী বিভিন্ন মঞ্চ এবং মিডিয়াতেও (এরমধ্যে কলকাতার তারা মিউজিক এবং কলকাতা টিভি উল্লেখযোগ্য)। লোক সঙ্গীতের অন্যতম ধারা ভাওয়াইয়া গানের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে শিল্পী রাজা ২০০৮ সালে রাজধানীতে ‘ভাওয়াইয়া’ গানের দল প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও ২০১১ সালে রাজধানীতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ভাওয়াইয়া স্কুল’। যে স্কুলে ভাওয়াইয়ার ওপর এক বছরের ফ্রি সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়।

কিংবদন্তি আব্বাসউদ্দিন-আলীম চৌধুরীর হাত ধরে ভাওয়াই গানের যে প্রসার ঘটেছিল তাদের পরবর্তী প্রজন্ম মোস্তফা জামান আব্বাসী ও ফেরদৌসী রহমানের পর শফিউল আলম রাজাই এই ধারার গানকে ছড়িয়ে গেছেন সবখানে। তার মতো করে লোকসংগীতের বিরাট ভাণ্ডার ভাওয়াইয়া গানকে আর কেউ এভাবে তুলে ধরতে পারেননি, লালনও করতে পারেননি।

শ্রোতা-দর্শকের কাছে ‘ভাওয়াইয়া রাজা’, ‘ভাওয়াইয়া রাজকুমার’ ও ‘ভাওয়াইয়ার ফেরিওয়ালা’ নামে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। শফিউল আলম রাজা ভাওয়াইয়া গানের দল ও ভাওয়াইয়া স্কুলের পরিচালক এবং কলতান সাংস্কৃতিক একাডেমির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পরিবার, সহকর্মী, ভক্ত-অনুরাগীদের শোকে ভাসিয়ে জীবনের ওপারে পাড়ি জমালেন গানের সেই প্রিয়মুখ শফিউল আলম রাজা।