অন্যান্য

চার শিল্পীকে ৯০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

চার শিল্পীকে ৯০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

চিকিৎসা ও অসহায়ত্ব দূর করতে চলচ্চিত্রের তিন গুণী অভিনয়শিল্পী ও একজন গানের শিল্পীকে মোট ৯০ লাখ টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুদান পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন অভিনেতা প্রবীর মিত্র, রেহানা জলি, নূতন ও কণ্ঠশিল্পী কুদ্দুস বয়াতি। 

বৃহস্পতিবার এই চার গুণী শিল্পীকে সকাল ১০ টার দিকে গণভবনে ডেকে ৯০ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চার শিল্পী উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে এই অনুদান গ্রহণ করেছেন।

 প্রবীণ অভিনেতা প্রবীর মিত্র ও অসুস্থ অভিনেত্রী রেহানা জলি পেয়েছেন ২৫ লাখ করে অন্যদিকে অভিনেত্রী নূতন ও শিল্পী কুদ্দুস বয়াতি ২০ লাখ টাকা করে পেয়েছেন। সকলকে উক্ত মূল্যের সমমান সঞ্চয়পত্র তুলে দেয়া হয়েছে। 

শিল্পী ঐক্য জোটের সভাপতি ও অভিনেতা ডি এ তায়েবের পরামর্শে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও নাট্য নির্মাতা জিএম সৈকতের তত্ত্বাবধানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন কুদ্দুস বয়াতি বাদে বাকি তিনশিল্পী। অনুদান গ্রহণের সময় শিল্পী ঐক্য জোটের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা জিএম সৈকত।

এ বিষয়ে ডিএ তায়েব বলেন, ‘আমাদের শিল্পী ঐক্যজোট সবসময় শিল্পীদের পাশে থাকেন। শোবিজের এইসব গুণী শিল্পীদের সহায়তার জন্য গত সপ্তাহে চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুদান চেয়ে আবেদন জমা দেওয়া হয়। একসপ্তাহের মধ্যেই এই আবেদনে সাড়া পেলেন তারা। সঞ্চয়পত্র হিসেবে প্রতিমাসে একটি করে কিস্তিতে টাকা পাবেন এই শিল্পীরা।’ 


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ফের পেছাল


আরও খবর

অন্যান্য

সালমান শাহ- ফাইল ছবি

  আদালত প্রতিবেদক

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ এপ্রিল পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।  সোমবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল; কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ নতুন দিন ধার্য করেন। 

২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর আদালত এ মামলা অধিকতর তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ১১/বি নিউ ইস্কাটন রোডের নিজ বাসা থেকে বাংলা সিনেমার স্টাইল আইকন সালমান শাহর (চৌধুরী মো. শাহরিয়ার ইমন) লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেন তার বাবা কমরউদ্দিন। যা পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয় হত্যা মামলায়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে আসে আত্মহত্যা করেছেন সালমান শাহ। এ নিয়ে রিভিশন করে সালমানের পরিবার। পরে তার মা নীলা চৌধুরী বাদী হিসেবে আসেন। তিনি আগের তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন। সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ১১ জনকে ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেন নীলা চৌধুরী। 

মামলার অপর আসামিরা হলেন- সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ, এফডিসির সহকারী নৃত্য পরিচালক নজরুল শেখ, ডেভিড, আশরাফুল হক ডন, রাবেয়া সুলতানা রুবি, মোস্তাক ওয়াইদ, আবুল হোসেন খান ও গৃহপরিচারিকা মনোয়ারা বেগম।

সে সময় ঘটনাটিকে আত্মহত্যা ধরে অপমৃত্যুর একটি মামলা হলেও তাতে আপত্তি জানায় তার পরিবার। তারপর বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর আদালত পিবিআইকে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। এর আগে র‌্যাবকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হলেও দায়রা জজ আদালতে তা আটকে যায়।

পরের
খবর

সৃজিতের সঙ্গে মিথিলার প্রেম?


আরও খবর

অন্যান্য

সৃজিত ও মিথিলা

  বিনোদন ডেস্ক

অভিনেত্রী রাফিয়া রশিদ মিথিলার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দেশি মিডিয়ায় কানা-ঘুষার শেষ নেই। গায়ক ও অভিনেতা তাহসানের সঙ্গে আলোচিত বিচ্ছেদের পর নিজেকে সিঙ্গেল দাবি করে আসছিলেন তিনি। কিন্তু অন্দরমহলে চর্চিত ছিল, তাহসানেরই বন্ধু জন কবিরের সঙ্গে প্রেম করছেন মিথিলা! পরে এমন গুঞ্জন উড়িয়ে দেন তারা দু’জনই। 

বাংলাভিশনে প্রচারিত 'আমার আমি' অনুষ্ঠানে মিথিলা ও জন কবির দু'জনই প্রকাশ্যে এমন গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়ে জানান, শুধুই ভালো বন্ধু তারা। সে গুঞ্জনের রেশ না কাঁটতেই নতুন গুঞ্জন রটলো। এবার শুধু বাংলাদেশে নয়, ভারতীয় মিডিয়া ফলাও করে প্রচার করছে সে গুঞ্জন। সেই গুঞ্জন হলো, কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুর্খাজির সঙ্গে প্রেম করছেন মিথিলা।

মিথিলার মামাতো ভাই গায়ক অর্ণবের একটি নতুন মিউজিক ভিডিও নির্মিত হচ্ছে ভারতে। সৃজিতের প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত সেই মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন মিথিলা। এটি পরিচালনা করছেন একলব্য চৌধুরী। 

ভারতীয় গনমাধ্যমের খবর, সৃজিত এবং মিথিলার সম্পর্ক শুধু শুটিং ফ্লোরেই আটকে নেই। কলকাতা যাওয়ার পর সৃজিতের সঙ্গে শুটিংয়ের বাইরেও সময় কাটাচ্ছেন মিথিলা।

এদিকে গত দু মাসে বেশ কয়েকবার চুপিসারে বাংলাদেশে এসেছিলেন সৃজিত। অনেকের ধারণ, মিথিলার সঙ্গে দেখা করতেই সৃজিত এমন গোপনীয়তার আশ্রয় নেন। যদিও এ বিষয়ে তারা সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য দেননি। তবে সৃজিত দু’জনের সম্পর্ককে শুধু বন্ধুত্ব বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।  

এর আগে সৃজিতের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসানের সম্পর্কের কথা জানায় ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম। দেশটির গণমাধ্যম আরও জানায়, আগামী বছরের শুরুতে মিথিলার সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়ার কথা ভাবছেন সৃজিত। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভাওয়াইয়া গানের রাজার বিদায়


আরও খবর

অন্যান্য

ভাওয়াইয়া গানের শিল্পী শফিউল আলম রাজা

  বিনোদন প্রতিবেদক

বাংলা ভাওয়াইয়া গানের শিল্পী শফিউল আলম রাজা চির বিদায় নিয়ে চলে গেলেন।  রবিবার দুপুরে রাজধানীর পল্লবী এলাকার নিজের ভাড়া বাসার দরজা ভেঙে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। সে সময় তার মরদেহ বিছানায় শোয়া অবস্থায় ছিল। পুলিশের ধারণা, হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে। 

সাংবাদিকতা দিয়ে যার যাত্রা শুরু করেন রাজা।  অপরাধ বিষয়ক রিপোর্টার হিসেবে বেশ পরিচিতি পান তিনি।  কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় জন্ম নেওয়া শফিউল আলম রাজা শ্রোতা-দর্শকের কাছে ‘ভাওয়াইয়া রাজা’, ‘ভাওয়াইয়া রাজকুমার’ ও ‘ভাওয়াইয়ার ফেরিওয়ালা’ নামেও পরিচিত।

ভাওয়াইয়া গানের এই শিল্পী কৈশরে পিতা মরহুম নাজমুল হক ও মাতা মরহুমা শামসুন্নাহার বেগমের উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণায় তার গান শেখা শুরু। সংগীতে প্রাতিষ্ঠানিক কোন শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তবে ভাওয়াইয়ার কিংবদন্তি-গীতিকার, সুরকার এবং শিল্পী নুরুল ইসলাম জাহিদের কাছে সংগীতের তাত্ত্বিক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেছেন রাজা। সফিউল আলম রাজা বাংলাদেশ বেতারের ‘বিশেষ’ ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘প্রথম’ শ্রেণীর শিল্পী ছিলেন। 

এছাড়াও তিনি দেশের সব ক’টি চ্যানেলে নিয়মিত সংগীত পরিবেশন করতেন। সংগীত পরিবেশন করেছেন বিদেশী বিভিন্ন মঞ্চ এবং মিডিয়াতেও (এরমধ্যে কলকাতার তারা মিউজিক এবং কলকাতা টিভি উল্লেখযোগ্য)। লোক সঙ্গীতের অন্যতম ধারা ভাওয়াইয়া গানের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে শিল্পী রাজা ২০০৮ সালে রাজধানীতে ‘ভাওয়াইয়া’ গানের দল প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও ২০১১ সালে রাজধানীতে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ভাওয়াইয়া স্কুল’। যে স্কুলে ভাওয়াইয়ার ওপর এক বছরের ফ্রি সার্টিফিকেট কোর্স করানো হয়।

কিংবদন্তি আব্বাসউদ্দিন-আলীম চৌধুরীর হাত ধরে ভাওয়াই গানের যে প্রসার ঘটেছিল তাদের পরবর্তী প্রজন্ম মোস্তফা জামান আব্বাসী ও ফেরদৌসী রহমানের পর শফিউল আলম রাজাই এই ধারার গানকে ছড়িয়ে গেছেন সবখানে। তার মতো করে লোকসংগীতের বিরাট ভাণ্ডার ভাওয়াইয়া গানকে আর কেউ এভাবে তুলে ধরতে পারেননি, লালনও করতে পারেননি।

শ্রোতা-দর্শকের কাছে ‘ভাওয়াইয়া রাজা’, ‘ভাওয়াইয়া রাজকুমার’ ও ‘ভাওয়াইয়ার ফেরিওয়ালা’ নামে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। শফিউল আলম রাজা ভাওয়াইয়া গানের দল ও ভাওয়াইয়া স্কুলের পরিচালক এবং কলতান সাংস্কৃতিক একাডেমির চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

পরিবার, সহকর্মী, ভক্ত-অনুরাগীদের শোকে ভাসিয়ে জীবনের ওপারে পাড়ি জমালেন গানের সেই প্রিয়মুখ শফিউল আলম রাজা।