অন্যান্য

ফোক ফেস্টের রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৮

ফোক ফেস্টের রেজিস্ট্রেশন করবেন যেভাবে

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

বিগত বছরের মতো এবারও আয়োজিত হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় লোকঙ্গীতের উৎসব 'আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত উৎসব-২০১৮'। ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে ১৫ থেকে ১৭ নভেম্বর, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে এ আয়োজন। যাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সেরা লোকসঙ্গীতের শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করবেন।  

এ উপলক্ষে আজ  রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলে  একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উৎসবের আয়োজক প্রতিষ্ঠান সান ফাউন্ডেশন ও সান কমিউনিকেশনস এর চেয়ারম্যান অঞ্জন চৌধুরী, বেঙ্গল ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান আবুল খায়ের, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার মাহমুদ হোসেন এবং সংসদ সদস্য ও ফোক সম্রাজ্ঞী শিল্পী মমতাজ বেগম।

যেভাবে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে:

প্রতিবারের মত এবারও দর্শকরা বিনামূল্যে শুধু অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সরাসরি উপভোগ করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে ৬ নভেম্বর থেকে। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে, চলবে ৫ দিন পর্যন্ত। উৎসবস্থলের প্রবেশপথে প্রতিদিন প্রিন্টকৃত এন্ট্রি পাসটি দেখিয়ে প্রবেশ করতে হবে। এছাড়াও ‘ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোকফেস্ট’ নামের ফেসবুকে পেজেও আয়োজনটির সকল তথ্য পাওয়া যাবে।

আজ বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয়েছে রেজিস্ট্রশন। চলবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে শুরু হবে রেজিস্ট্রেশন। প্রতিদিন  সীমিত সংখ্যক রেজিস্ট্রেশন করার সুযোগ পাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

রেজিস্ট্রেশন এর জন্য যা প্রয়োজন:

১) পাসপোর্ট সাইজ ছবির স্ক্যান কপি ( ২৫৬ থাকতে হবে ছবির সাইজ)  ২) ন্যাশনাল আইডি/ড্রাইভিং লাইসেন্স/পাসেপোর্ট- এর স্ক্যান কপি রেজিস্ট্রেশন করতে ভিজিট করতে হবে এই www.dhakainternationalfolkfest.com সাইটে। এছাড়াও রেজিস্ট্রেশনজনিত যেকোনো সমস্যায় মেইল করে info@shohoz.com ও  16374 নম্বরে কল করে পাওয়া যাবে সমাধান। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মধ্যরাতে প্রেমিকের বাড়িতে ভাঙচুর, সাংবাদিক শুনেই ফোন বন্ধ


আরও খবর

অন্যান্য

জেসিয়া ইসলাম

  অনলাইন প্রতিবেদক

ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে প্রেম করছেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭ বিজয়ী জেসিয়া। বছর খানেক আগে একটি রেডিওর লাইভ অনুষ্ঠানে তারা দু'জনই সেকথা নিশ্চিত করেন। ফেসবুকে নানা সময়ে তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়।

এবার নতুন এক বিতর্কের জন্মদিলেন জেসিয়া।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি ভিডিও। সে ভিডিওতে দেখা যায়, জেসিয়া ইসলাম মাঝরাতে সালমান মুক্তাদিরের বাড়িতে যান। বাসার গেটে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের দরজা খুলতে বলেন। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা দরজা না খুললে রাগে দরজায় আঘাত করা শুরু করেন জেসিয়া। এক পর্যায়ে নিচে নেমে আসেন সালমানের মা। তাকে দরজা খুলতে বলা হলে তিনিও সেটি খোলেন নি। এরপর ইট দিয়ে বাসার সামনে ভাঙচুর শুরু করেন জেসিয়া।  

মধ্যরাতে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে এমন কাণ্ডের বিষয়টি জানতে সমকাল অনলাইনের পক্ষ থেকে ফোন দেওয়া হয় জেসিয়াকে। সাংবাদিক পরিচয় জানার পরই নিজের ফোন বন্ধ করে দেন তিনি। এরপর সালমান মুক্তাদিরকে ফোন দিলে তার ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।  

জেসিয়া ইসলাম ২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ সুন্দরী প্রতিযোগিতার বিজয়ীর মুকুট অর্জন করেন। এরপরই আলোচনায় চলে আসে তার নাম।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মন্ত্রীকে ঘিরে এক ঝাঁক তারকা


আরও খবর

অন্যান্য
মন্ত্রীকে ঘিরে এক ঝাঁক তারকা

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে এক ঝাঁক তারকা

  অনলাইন ডেস্ক

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার সঙ্গে  শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করতে আসেন শোবিজ জগতের এক ঝাঁক তারকা অভিনয়শিল্পী।  বনানীর নতুন বিআরটিএ ভবনে আসেন তারা। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি শহিদুল আলম সাচ্চু, অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা, আহসান হাবিব নাসিম, আজমেরী হক বাঁধন, দীপা খন্দকার, মীর সাব্বির, শমী কায়সার, আফসানা মিমি, সুইটি, মাহফুজ আহমেদ, বন্যা মির্জা, শাহরিয়ার নাজিম জয়, শামীমা তুষ্টিসহ অনেকেই। 

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে করমর্দন করছেন অভিনেত্রী শমী কায়সার 

মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম বলেন, ‘জনাব ওবায়দুল কাদের দ্বিতীয়বারের মতো তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এ জন্য আমরা তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলাম’

‘১৯৯৬ সালে তিনি সংস্কৃতি ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। সে কারণে তার সঙ্গে আমাদের একটা ভালো সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমান সময়ে শিল্পীরা অনেক ধরনের সমস্যায় আছে সেসব বিষয়ে তাকে আমরা অবহিত করেছি। আমরা এরআগে তথ্যমন্ত্রীকে অভিনয়শিল্পী সংঘের কিছু দাবি দিয়েছিলাম। সেই দাবিগুলো আমরা তুলে ধরেছি। তিনি আমাদের দাবিগুলো পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন।’ যোগ করে বলেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক। 



পরের
খবর

নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে সেলিম আল দীন প্রয়াণ দিবস


আরও খবর

অন্যান্য

সেলিম আল দীন

  অনলাইন ডেস্ক

আজ নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের একাদশ প্রয়াণ দিবস। এ উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা থিয়েটার দুই দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। আজ সকাল ১০টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের আয়োজনে স্মরণ শোভাযাত্রা ও সেলিম আল দীনের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। পরে দুপুর ১২টায় 'বারীণ ঘোষ-এর ক্যামেরায় সেলিম আল দীন' শিরোনামে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

দুপুর সাড়ে ১২টায় নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে 'সেলিম আল দীন ও এই যে আমি : অন্তর্গত আলোক' শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। ওই আয়োজনে আলোচক হিসেবে রয়েছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ড. আফসার আহমেদ এবং অধ্যাপক ড. রশীদ হারুন। বিভাগের থিয়েটার ল্যাবে দয়ালচাঁদ ঘোষের রচনায় ও ইউসুফ হাসান অর্কের নির্দেশনায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মঞ্চস্থ হবে নাটক 'চন্দ্রাবতী'। নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের আয়োজনে উৎসবের দ্বিতীয় দিন সকাল ১১টায় প্রদর্শিত হবে সঙযাত্রা। সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে থাকছে ইসলাম উদ্দিন পালাকারের পরিবেশনায় বিশেষ পালাগান। 

আজ সেলিম আল দীনের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ঢাকা থিয়েটারের স্মরণ উৎসব আয়োজন অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে আগামী ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টায় শিল্পকলা একাডেমিতে সেলিম আল দীনের রচনায় এবং ঢাকা থিয়েটারের প্রযোজনায় 'পুত্র' নাটকটি প্রদর্শিত হবে। পরদিন সেলিম আল দীনের লেখা 'শকুন্তলা'র ওপর একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টায় 'পুত্র' নাটকটির চতুর্থ মঞ্চায়ন হবে। সেলিম আল দীন স্মরণে নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, 'বাঙালির নব নাট্যনন্দন ভাবনার উদ্যোক্তা, বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার এবং ঢাকা থিয়েটারের স্বপ্নদ্রষ্টা সেলিম আল দীন। বাঙালিদের জাতীয় নাট্য আঙ্গিক নির্মাণের কাজ এবং নৃ-গোষ্ঠী শিল্পরীতিসমূহ অনুধাবনের ও ব্যবহারের কাজ সেলিম আল দীন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রায় সম্পন্ন করেছেন। অকালপ্রয়াত এই শিল্পপ্রতিভা আমরণ শিল্প ও মানব কল্যাণে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছেন। রবীন্দ্র-উত্তর বাংলা নাটকের বিষয়, ভাষা ও আঙ্গিকে সেলিম আল দীন সবচেয়ে প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব। সত্তরের দশকের প্রথমার্ধে আবির্ভাবলগ্নেই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বাংলা নাটকের পরিচিত ও গতানুগতিক পথে হাঁটবেন না তিনি। তাই সূচনার সেলিম থেকে পরিণত সেলিম অনেক পরিবর্তিত, দশকে দশকে তিনি আবিস্কার করেছেন নাটকের নতুন নতুন পথ, কাঠামো ও চরিত্রসকল।' 

নাট্যাচার্যের প্রয়াণবার্ষিকী স্মরণে নাট্য সংগঠন স্বপ্নদল 'ঐতিহ্যের ধারায় রবীন্দ্রনাথ-সেলিম আল দীন, গ্রহণশেষে বাঙলা নাট্যের আসে নতুন দিন' স্লোগানে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করেছে ছয় দিনব্যাপী 'নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব-২০১৯'। গত ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া উৎসবে আজ ও আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে 'রবীন্দ্রনাথ-সেলিম আল দীনের নাট্যদর্শন ও বাঙলা নাট্যরীতি' শীর্ষক বিশেষ নাট্যকর্মশালা। এ ছাড়া আজ স্মরণ-শোভাযাত্রা ও নাট্যাচার্যের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পাশাপাশি সন্ধ্যা ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে থাকছে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের রচনায় এবং স্বপ্নদলের প্রযোজনায় নাটক 'হরগজ'। এর নির্দেশনা দিয়েছেন জাহিদ রিপন।