শিক্ষা

নির্বাচনের ৬ মাস

ডাকসু অনেকটাই অকার্যকর

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডাকসু অনেকটাই অকার্যকর

:: ফাইল ছবি

  সাব্বির নেওয়াজ ও ইমাদ উদ্দিন মারুফ

দীর্ঘ ২৮ বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় চলতি বছরের ১১ মার্চ। আজ এ নির্বাচনের ছয় মাস পূর্তি হচ্ছে। বহুল প্রত্যাশিত এ নির্বাচনের পর ডাকসু নিয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রীসহ সংশ্নিষ্ট সবার মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা জন্ম নেয়। কিন্তু সেই সব প্রত্যাশা পূরণের ধারেকাছেও নেই ডাকসু। একসময় দেশের 'সেকেন্ড পার্লামেন্ট' হিসেবে প্রচারিত সেই ডাকসু অনেকটাই নিষ্প্রাণ, নিশ্চল।

সংশ্নিষ্টরা জানান, শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে মানসিক দূরত্ব প্রকট। ভিপি ও জিএসের মধ্যে কেউই তা রাখঢাকের চেষ্টাও করেন না। এক বছর মেয়াদের ছয় মাস পার করেও নিজেদের অভিষেক অনুষ্ঠানই এখনও করতে পারেনি এই সংসদ। বিজয়ী নেতাদের ইশতেহার পূরণের কোনো চেষ্টাই লক্ষ্য করা যায় না। সমস্যার আধিক্য, ডাকসু নেতৃবৃন্দের নিষ্ফ্ক্রিয়তা, সদিচ্ছা ও অর্থায়নের অভাব এবং সমন্বয়হীনতাই এসবের মূল কারণ বলে জানা যায়।

ডাকসুতে নির্বাচিত ছাত্রলীগ ও কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের দুই প্যানেলেরই নির্বাচনী ইশতেহার ছিল- বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট নিরসন, গণরুম-গেস্টরুম  প্রথা উচ্ছেদ, অছাত্র-বহিরাগত বিতাড়ন, সান্ধ্যকালীন বাণিজ্যিক কোর্স বন্ধ, গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, পরিবহন সমস্যার সমাধান, ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধি, সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল, ক্যাম্পাসে বাইরের যান চলাচল বন্ধসহ নির্বাচনী ইশতেহারের বড় অঙ্গীকারগুলোর বিষয়ে এখনও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ডাকসুতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছাত্রলীগের সঙ্গে কোটাবিরোধী আন্দোলনের দ্বন্দ্ব নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে ডাকসুর কার্যক্রমে। ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের সঙ্গে জিএস গোলাম রাব্বানীর মানসিক দূরত্বও অনেক বেশি। শীর্ষ নেতৃত্বের এই দূরত্ব ও দ্বন্দ্বের কারণে ডাকসুর কার্যক্রম এক প্রকার স্থবির। কোনো কিছুতেই তারা দু'জন একমত হতে পারছেন না।

সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ছয় মাস পার হলেও নির্বাচিত নেতারা প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার অনুযায়ী কোনো প্রার্থীই দৃশ্যমান কোনো কাজ করেননি। বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হলেও সম্মিলিতভাবে ডাকসুর বড় ধরনের কোনো কার্যক্রম নেই। তবে ধারাবাহিকভাবে সব সমস্যারই সমাধান হবে বলে ডাকসু নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশ্বস্ত করছেন।

কয়েকটি বিভাগ ও হলে ফি কমানো, সেন্ট্রাল লাইব্রেরি ও সুইমিংপুলের সময় কিছুটা বাড়ানো আর কিছু অনুষ্ঠান বাদে ডাকসু তেমন কোনো কাজই করেনি বলে অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন শামিম। তিনি বলেন, ডাকসুর ইশতেহার কার্যত শুধু কাগজ-কলমেই। এর বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না।

যদিও ডাকসু নেতারা বলছেন, আবাসন, গবেষণায় বরাদ্দ, খাবারের মানসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসনের সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে তাদের আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা রয়েছে।

ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম খান বলেন, 'নির্বাচনে প্রার্থীরা যে পরিমাণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার অনেকাংশই পূরণে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। ২৮ বছরে সমস্যার পাহাড় জমেছিল। আর নির্বাচিত হওয়ার পর ডাকসু নেতাদের অনেকেই নিষ্ফ্ক্রিয় হয়ে গেছেন। এদিকে সদিচ্ছা ও অর্থায়নের অভাবেও বাস্তবায়নযোগ্য অনেক ইশতেহার পূরণ হচ্ছে না। যার দরুন গত ছয় মাসে ডাকসু নেতারা কোনো সাফল্যই দেখাতে পারেননি। তবে প্রতিশ্রুতিতে ছিল না, এমন ইতিবাচক কাজও তারা করেছেন। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভালো কাজ হয়েছে। '

ডাকসু যা করেছে :ডাকসুর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের নেওয়া দৃশ্যমান উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে- কয়েকটি বিভাগের উন্নয়ন ফি কমানো, হলের ফি কমানো, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলার আয়োজন, সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ, ছাত্রী হলসহ বিভিন্ন রুটে পরিবহন বৃদ্ধি, লাইব্রেরি খোলার সময়সীমা দুই ঘণ্টা বাড়ানো। যদিও এটুকুতেই সন্তুষ্ট নন শিক্ষার্থীরা। আর এসব কাজও বিচ্ছিন্নভাবে ডাকসুর কিছু সদস্য করেছেন। সম্মিলিতভাবে ডাকসুর কোনো পদক্ষেপ এখনও হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।

ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর এসব অভিযোগ স্বীকার করে নিয়ে সমকালকে বলেন, 'ডাকসুর পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সংশ্নিষ্ট বিষয় তথা নজরুল, রবীন্দ্রনাথসহ বিজ্ঞানের নানা বিষয় নিয়ে সেমিনার এবং বেশকিছু সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে। তবে মোটা দাগে শিক্ষার্থীদের যে মৌলিক চাহিদা রয়েছে, সেটা নিয়ে এখন পর্যন্ত আমরা কিছুই করতে পারিনি। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের যে প্রধান সমস্যা আবাসিক সংকট নিরসন করা এবং হল থেকে অছাত্র-বহিরাগত বিতাড়ন করে বৈধ শিক্ষার্থীদের সিট দেওয়ার বিষয়টি কার্যকর হয়নি। এক্ষেত্রে প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং ছাত্রলীগের প্রতিবন্ধকতার কারণে এসব সম্ভব হয়নি।' তিনি বলেন, 'শিক্ষার্থীরা যদি স্বতঃস্ম্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসে, তবে ডাকসুকে কার্যকর করা সম্ভব।'

নুর আরও বলেন, গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধির ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে এটা আরও বাড়ানো হবে। তবে পরিবহন সংকটের বিষয়ে এখনও দৃশ্যমান কিছু করা যায়নি। ক্যাম্পাসে বহিরাগত যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়েও প্রশাসন সম্মত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটা পয়েন্টে সিকিউরিটি বসানোর কথা বলেছেন তারা।

ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী ব্যর্থতার বিষয়ে একমত নন। তিনি সমকালকে বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ছয় মাসে কমপক্ষে ৬০ থেকে ৭০টি প্রোগ্রাম সফলভাবে করেছি। সীমাবদ্ধতার কারণে আমাদের প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছি না।

তিনি আরও বলেন, যখনই শিক্ষার্থীরা কোনো প্রয়োজন নিয়ে আমাদের কাছে এসেছে, তাৎক্ষণিকভাবেই সেগুলোর ব্যাপারে ব্যবস্থা নিয়েছি। আমাদের মূল যে সমস্যা, আবাসিক সংকট, এর জন্য আমাদের আরও হল লাগবে। রাতারাতি তো আর হল করা সম্ভব নয়। এ ব্যাপারেও আমরা আলোচনা করেছি। ক্যান্টিনের খাবারের মান বৃদ্ধির জন্য এরই মধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। পরিবহন সমস্যার সমাধানে ডিইউ চক্কর 'জো-বাইক'-এর উদ্বোধন খুব শিগগির করা হবে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা ছিল, সেখানে আমি নিজে উদ্যোগ নিয়ে এবং সার্বক্ষণিক তদারক করে পরিচ্ছন্নতার কাজ করছি। আরও যদি কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে আমাদের নজরে আনলে উদ্যোগ নিতে চাই, আমাদের সেই সদিচ্ছা আছে।

হয়নি অভিষেক : ১১ মার্চ নির্বাচনের পর ২৩ মার্চ ও ৩০ মে দুটি সভা হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ডাকসুর অভ্যন্তরীণ কোনো সভা হয়নি। ২৩ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণ ও প্রথম সভার গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাঁকজমকপূর্ণ অভিষেক অনুষ্ঠান আয়োজন করার কথা থাকলেও সেটি বাস্তবায়ন করতে পারেননি ডাকসু নেতারা। বাজেটে অভিষেক অনুষ্ঠানের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান অতিথি করে অভিষেক অনুষ্ঠানটি করতে চাই। এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ। প্রধানমন্ত্রী সময় দিলেই অনুষ্ঠানটি হবে।

প্রধান বাধা ছাত্রলীগ-কোটা সংস্কার প্যানেলের দ্বন্দ্ব :ডাকসুর মোট ২৫টি পদের মধ্যে ছাত্রলীগ প্যানেল থেকে জিএস পদে গোলাম রাব্বানী, এজিএস পদে সাদ্দাম হোসাইনসহ ২৩ জন নির্বাচিত হন। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্যানেল থেকে ভিপি পদে নুরুল হক নুর এবং সমাজসেবা সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন আখতার হোসেন। এ ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের ২৩ জন ডাকসুর ব্যানারে একটি কর্মসূচি পালন করলে ভিপি ও সমাজসেবা সম্পাদক সেখানে থাকেন না। আবার ভিপি ও সমাজসেবা সম্পাদক কোনো কর্মসূচি নিলে ছাত্রলীগ এতে থাকে না; বরং বাধা প্রদান করে।

দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়াশীল অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গেও ডাকসুর কোনো যোগাযোগ বা আলাপ-আলোচনা নেই। ছাত্রলীগ তাদের মতো করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে ডাকসুর নামে।

এ বিষয়ে ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ছাত্রলীগের বাধার কারণে আমরা প্রোগ্রাম করতে পারিনি। সমাজসেবা সম্পাদকের উদ্যোগে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম ছাত্রলীগের বাধার কারণে পণ্ড হয়ে যায়। এদিকে জিএস গোলাম রাব্বানী বলেন, ভিপি নুর বিপথগামী হয়ে গেছেন। তিনি চিন্তা করেন, কীভাবে ব্যক্তিগত লাভ করা যায়। আর আমি ভাবি, কীভাবে দেশের উন্নয়ন করা যায়।

নেতাদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা : সংশ্নিষ্টরা বলছেন, ডাকসু নির্বাচনের প্রথম ছয় মাসে ছাত্রনেতারা জনপ্রিয়তা অর্জনের চেষ্টা করেছেন। ছাত্রদের কথা শোনার চেষ্টা করছেন। প্রতিপক্ষের প্রতি হামলার ঘটনাও এখন কম। কারণ, নিপীড়ন করা হলে নিপীড়িত ব্যক্তি ও তার দলের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। তাই চলমান ডাকসু ছাত্র রাজনীতির ধারাকে এখন কৌশলী করেছে বলে মনে করেন তারা।

হল সংসদও ধুঁকছে : ছয় মাস পার হলেও এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হল সংসদের বার্ষিক বাজেট হয়নি। বাজেট কবে পাস হবে, সে বিষয়ে হল সংসদ নেতারা কিছুই জানেন না। তবে বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ হল সংসদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বাজেট না হওয়ায় আপাতত বিভিন্ন কার্যক্রমের খরচ হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান নেতৃবৃন্দ।

এদিকে বিভিন্ন হল সংসদের ভিপি-জিএসের বিরুদ্ধে হলের ক্যান্টিনে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ব্যাপারে প্রমাণসহ লিখিত অভিযোগ পেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

উপাচার্যের বক্তব্য : ডাকসুর বিষয়ে মোটেও হতাশ নন ডাকসুর সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি সমকালকে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের শুরুর দিকে ডাকসু একটু অগোছালো ছিল। তবে পরে কাজে গতি এসেছে। প্রশ্নোত্তরে তিনি বলেন, এতটা হতাশাজনক নয়, যেভাবে একে চিত্রায়িত করা হয়ে থাকে। বিষয়টিকে খুবই নেতিবাচক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়- এটা খুবই দুঃখজনক। বরং এটাকে ইতিবাচক উপায়ে দেখার সুযোগ রয়েছে। কেননা, দীর্ঘদিন পর ডাকসুর সঙ্গে অল্প সময়ে অভ্যস্ত হওয়াটা বেশ কঠিন। এর মধ্যেও যে সেটি এগিয়ে যাচ্ছে, তা সত্যিই আশাব্যঞ্জক। পরে সমন্বিতভাবে আরও ভালো ভালো কার্যক্রম পরিচালনা করতে ডাকসু সক্ষম হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষামূলক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক, ক্রীড়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। মূলত এগুলোই ডাকসুর মূল কাজ। এর সঙ্গে হল সংসদগুলোও কাজ করছে।

মূল সমস্যাগুলোর ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, এগুলো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। এগুলোর জন্য আমাদের পরিকল্পিত উপায়ে এগোতে হবে। আর আবাসিক সমস্যাটা কোনোক্রমেই ঘোষণা দিয়ে রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। এর জন্য আমাদের ভবন তৈরি করতে হবে, সেগুলো প্রক্রিয়াধীন। আবাসন ছাড়া অন্যান্য জায়গায়ও সমস্যা রয়েছে। লাইব্রেরি, গবেষণা, পরিবহনসহ আরও নানা জায়গায় সমস্যা আছে। এসবের জন্য নিয়ম-নীতি ও পদ্ধতি অনুসরণ করে এগোতে হবে। এরই মধ্যে সেসব বিষয়ে অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্তব্য


অন্যান্য