শিক্ষা

রাবির ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০১৯ | আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৯

রাবির ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

  রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ওই বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ও অবৈধ হবে না- এ সংক্রান্ত এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ রুল জারি করেন। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে ও নিয়োগের ওপর ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের তিন শিক্ষকের রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারক শেখ হাসান আরিফ ও রাজিক-আল-জালিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন- আইনজীবী আ ফ ম হাকিম। বিবাদী পক্ষে ছিলেন- ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মুখলেছুর রহমান, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শুচিরা হোসাইন ও সামিরা তারান্নুম রাবেয়া। রিট আবেদনকারী শিক্ষকরা হলেন- অধ্যাপক জিন্নাত আরা বেগম, অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম এবং সহকারী অধ্যাপক সোলাইমান চৌধুরী।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানউদ্দিনের সময় ২০১৬ সালের শেষের দিকে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৭টি শূণ্য পদের বিপরীতে সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের নীতিমালায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সিজিপিএ ৩ দশমিক ৫০ থাকা আবশ্যক করা হয়। এরপর ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারি প্ল্যানিং কমিটির চার সদস্য নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট আবেদন করেন। ওই সময়ের রিট আবেদনকারীরা হলেন- ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক শেখ ম. নূরউল্লাহ, অধ্যাপক জাফর সাদিক, অধ্যাপক অহিদুল ইসলাম ও অধ্যাপক জাহাঙ্গীর কবির। আদালত রিট আবেদনের শুনানি শেষে নিয়োগের বৈধতা দেন।

পরবর্তীতে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান নিয়োগের যোগ্যতা শিথিল করে স্নাতক পর্যায়ে সিজিপিএ ৩ দশমিক ২৫ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৩ দশমিক ৫০ করেন। পুরনো বিজ্ঞপ্তি থাকা সত্বেও নতুন নীতিমালা অনুযায়ী গত বছরের ৬ ডিসেম্বর বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

নতুন নীতিমালায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি দফতরের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি এবং বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির তিন শিক্ষককে। 

এ বিষয়ে রিট আবেদনকারী সহকারী অধ্যাপক সোলাইমান চৌধুরী বলেন, আগের রিটে হাইকোর্ট শিক্ষক নিয়োগে বৈধতা দিয়েছেন। তাহলে ওই বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কেন দেওয়া হয়েছে? নিয়োগ হলে পুরনো নীতিমালায় হওয়া উচিত।


মন্তব্য


অন্যান্য