শিক্ষা

'প্রিন্সিপাল গোল্ড মেডেল এওয়ার্ড' পেল চমেকের ৬ শিক্ষার্থী

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

'প্রিন্সিপাল গোল্ড মেডেল এওয়ার্ড' পেল চমেকের ৬ শিক্ষার্থী

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত আথিতিবৃন্দরা- সমকাল

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস ও বিডিএস প্রফেশনাল পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করা ৫৬ জন কৃতি শিক্ষার্তীকে  বৃহস্পতিবার পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 

এদের মধ্যে সব পরীক্ষায় মেধা তালিকাতে থাকা ৬ জনকে দেওয়া হয়েছে 'প্রিন্সিপাল'স গোল্ড মেডেল এওয়ার্ড'। ফাইনাল পার্ট পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করায় আরেক শিক্ষার্থী পেয়েছে এক লাখ টাকার স্কলারসীপ। একই দিন ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত ছাত্র-ছাত্রীদেরও বরণ করে উদ্বোধনী ক্লাশ নেওয়া হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. ইসমাইল খান।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) শাহ আলম বীর উত্তম অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এমবিবিএস ৬১তম ব্যাচ ও বিডিএস ৩০তম ব্যাচের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহসেন উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন নিউরোসার্জারী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. রবিউল করিম। 

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ইতিহাস ঐতিহ্য এবং কলেজের প্রসপেক্টাস ও কারিকুলাম মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শন করেন ইউরোলজী বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. মনোয়ার উল হক। 

এবারে তিনটি প্রফেশনাল পরীক্ষায় এমবিবিএসের ৩২ জন ও বিডিএসের ২৪ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এছাড়া,  এ বছর এমবিবিএস কোর্সে নতুন ২২০ জন এবং বিডিএস কোর্সে ৬০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষকদের সমন্বয় বদলির নির্দেশ


আরও খবর

শিক্ষা

  সমকাল প্রতিবেদক

পুরনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়াশোনার মান নতুন সরকারি হওয়া বিদ্যালয়গুলোর চেয়ে ভালো। এমন ধারণা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। নতুন সরকারি হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আগের বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। সে সময় নানাভাবে প্রভাব ও তদবিরের জোরে অনেক অযোগ্য শিক্ষকও অনায়াসে চাকরি পেয়েছেন।

নতুন সরকারি হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান বাড়াতে তাই নতুন উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন করে সরকারি হওয়া বিদ্যালয় ও আগে থেকেই সরকারি প্রাথমিকের শিক্ষকদের মধ্যে পারস্পরিক বা সমন্বয় বদলি করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

২০১৩ সালে জাতীয়করণ হওয়া ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এত দিন অন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি হতে পারতেন না। এর ফলে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান 'কাঙ্ক্ষিত মাত্রায়' নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না জানিয়ে গত বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন ও পুরনো বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয়ে সমন্বয় বদলি করে আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তা মন্ত্রণালয়কে জানাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে একযোগে ৩৬ হাজার ১৬৫টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে ২৬ হাজার ১৯৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করে দেন। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশে বলা হয়েছে, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত ও একীভূত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে, নতুন জাতীয়করণ হওয়া বিদ্যালয়গুলোতে শুধু আত্তীকরণকৃত শিক্ষকদের দ্বারা পাঠদান কার্যক্রম চলায় সেসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিটি বিদ্যালয়ে মানসম্মত ও একীভূত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পুরনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নতুন জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা জরুরি বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ডাকসুর ভোট অনুষদে চান ৯১ ভাগ শিক্ষার্থী


আরও খবর

শিক্ষা

ছাত্র ফেডারেশনের গণস্বাক্ষর কর্মসূচি

ডাকসুর ভোট অনুষদে চান ৯১ ভাগ শিক্ষার্থী

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১ ভাগেরও বেশি শিক্ষার্থী চান ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে হলের পরিবর্তে অনুষদে ভোট গ্রহণ করা হোক। ছাত্র ফেডারেশনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা পরিচালিত এক গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে এ চিত্র উঠে এসেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে 'হলে নয়, অনুষদে ভোটকেন্দ্র চাই' শিরোনামে পরিচালিত এ কর্মসূচির ফল প্রকাশ করা হয় বুধবার। দুপুর ১টার দিকে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ নিয়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

সাত কার্যদিবস ধরে পরিচালিত গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলের ৩ হাজার ১৪৫ জন শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষরকারীরা তাদের স্বাক্ষরের মাধ্যমে অনুষদে হ্যাঁ (অনুষদে ভোট চাই) এবং অনুষদে না (হলে ভোট চাই) মতামত প্রদান করেন। এতে ২ হাজার ৮৮১ জন শিক্ষার্থী অনুষদে ভোটকেন্দ্র চান আর ১৫৯ জন শিক্ষার্থী হলে ভোটকেন্দ্র চান। অনাবাসিক ১০৫ শিক্ষার্থী কোনো মন্তব্য করেননি।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিক রেজা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি উম্মে হাবিবা বেনজির, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক ইশতিয়াক, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসীর আবদুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক ইমরান হোসেন এবং ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক সৈকত আরিফ।

কার্যকর সহাবস্থান চায় ছাত্রদল: কার্যকর সহাবস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ডাকসু নির্বাচন করার দাবি জানিয়েছে ছাত্রদল। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ দাবি জানানো হয়।

তাদের অভিযোগ, প্রশাসন যেভাবে নির্বাচন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তাতে কার্যকর ডাকসু হবে না, বরং সেটি ছাত্রলীগের একটি শাখায় পরিণত হবে। এ সময় সেখানে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমবার মধুর ক্যান্টিনে ইশা ছাত্র আন্দোলন: ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বুধবার বেলা ১২টার দিকে প্রথমবারের মতো মধুর ক্যান্টিনে আসেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের (ইশা) নেতাকর্মীরা। সেখানে তারা প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রাজনীতিতে থাকলেও এর আগে কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে মধুর ক্যান্টিনে যাননি সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হাসিবুল ইসলাম বলেন, ডাকসুতে পূর্ণ প্যানেলে নির্বাচন করবে ইশা।

মনোনয়নপত্র বিতরণ অব্যাহত: ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিতরণের দ্বিতীয় দিনে বুধবারও প্রার্থীরা বিনামূল্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এদিন ডাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৫৫টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন প্রার্থীরা। এ কার্যক্রম চলবে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ডাকসুর তফসিল অনুযায়ী ১১ মার্চ ভোট গ্রহণ হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে ইবির ৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার


আরও খবর

শিক্ষা

  ইবি প্রতিনিধি

র‌্যাগিংয়ের অভিযোগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এসএম আব্দুল লতিফ এ তথ্য জানান।

গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে সমাজকল্যাণ বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের পাঁচ শিক্ষার্থী একই বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের তিন ছাত্রীকে র‌্যাগ দেন। তাদেরকে পরপর দুইদিন র‌্যাগ দেন তারা। রোববার তাদের মধ্যে এক ছাত্রীর মুখে সিগারেটের ধোঁয়া দেন মেহেদী। এর পর সোমবার তাদেরকে আবার প্রধান ফটকের সামনে আটকিয়ে অশালীন ভাষা ব্যবহার ও অঙ্গভঙ্গি করেন। 

এতে অতিষ্ঠ হয়ে বিভাগের সভাপতি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শাহিনুর রহমান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন তারা। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার বিভাগীয় কমিটির সুপারিশক্রমে তাদের সাময়িক বহিস্কার করে প্রশাসন। 

বহিষ্কৃত পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন- মেহেদী হাসান, মেহেদী হাসান রোমান, সুমাইয়া খাতুন, আহমেদ যুবায়ের সিদ্দিকী ও মুহিদ হাসান।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সদস্যরা হলেন- সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নাসিম বানু (আহ্বায়ক), ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন এবং ইলেকট্রনিপ অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। 

বিভাগের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শাহিনুর রহমান ৫ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের সত্যতা স্বীকার করেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর