শিক্ষা

বন্ধ ঘোষণার পরও উত্তাল পাবিপ্রবি

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৮

বন্ধ ঘোষণার পরও উত্তাল পাবিপ্রবি

ফাইল ছবি

  পাবনা অফিস

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার পরও উত্তাল রয়েছে ক্যাম্পাস। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল ছেড়েছেন।  মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি হল ছেড়ে যান আবাসিক ছাত্রছাত্রীরা।

এদিকে, ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় রিজেন্ট বোর্ডের জরুরি সভায় ১০ ছাত্রকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য চিহ্নিত করা হয় এবং তাদের বহিস্কারের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দিয়ে নোটিশ জারি করে কর্তৃপক্ষ। 

নোটিশে বলা হয়, ৬ নভেম্বর থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। তবে আগামী ১৬ নভেম্বর ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষসহ পরবর্তী সব ব্যাচকে পূর্ববর্তী ব্যাচগুলোর অর্ডিন্যান্সের আওতাভুক্ত করা, হলের ডাইনিংয়ের উন্নয়নের জন্য ভর্তুকি প্রদান, অধিকাংশ শ্রেণিকক্ষের বিদ্যমান চেয়ার সংকট দূর করা, পরিবহন সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস দ্রুত ওয়াইফাই ইন্টারনেটের আওতাভুক্ত করা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে তারা আন্দোলন করে আসছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। 

এর জের ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সোমবার দুপুরে ক্লাস বর্জন করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন। এদিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১০ ছাত্রের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার দাবি করেন সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

হাল্ট প্রাইজে অংশ নিতে চীন যাচ্ছে নোবিপ্রবি টিম


আরও খবর

শিক্ষা

ছবি: সমকাল

  নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

আন্তর্জাতিক হাল্ট প্রাইজে অংশ নিতে চীন যাচ্ছে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অর্থনীতি বিভাগের টিম 'রোড ওয়াডেন'। আগামীকাল বুধবার দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চীনের সাংহাইয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করার কথা রয়েছে তাদের। টিম 'রোড ওয়াডেন'-এর সদস্যরা হলেন- ১০ম ব্যাচের আদন মুহতামিম খান, ১১তম ব্যাচের সালমান রহমান সোহাগ, ওমর ফারুক তালুকদার ও জেবিনা আফরোজ জেরিন। 

সেখানে তারা সাংহাইয়ের হোটেল 'হাই ইন' এ অবস্থান করবেন এবং হাল্ট প্রাইজের রিজিওনাল (এশিয়া মহাদেশ) পর্বে অংশ নেবেন। রিজিওনাল পর্বে বিজয়ী হলে চার সদস্যের এ টিম যাবে যুক্তরাজ্য। সেখানে বিজয়ী হলে এ তরুণ উদ্যেক্তারা গ্লোবাল রাউন্ডে অংশ নিতে যাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন, সেখানে বিজয়ী হলে তারা পাবেন ওয়ান বিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় আট কোটি টাকা)।

নোবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড.এম অহিদুজ্জামান টিম 'রোড ওয়াডেন'কে দুই লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন। তিনি এ টিমের প্রতি শুভকামনা জানিয়েছেন। নোবিপ্রবির এ টিম সফলতা অর্জনের মাধ্যমে দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য।

উল্লেখ্য, হাল্ট প্রাইজ জাতিসংঘ ক্লিনটন ইনিসিয়েটিভস এবং হাল্ট ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস স্কুল-এর যৌথ আয়োজন। এটি বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে আয়োজিত সবচেয়ে বড় উদ্যোক্তা প্রতিযোগিতা, যেখানে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে নোবিপ্রবি। গত ৫ জানুয়ারি নোবিপ্রবি হাল্ট প্রাইজের ফাইনালে বিজয়ী হয়ে চীন যাওয়ার গৌরব অর্জন করেন নোবিপ্রবি অর্থনীতি বিভাগের টিম 'রোড ওয়াডেন'।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ডাকসুর প্রথম কার্যনির্বাহী সভা ২৩ মার্চ


আরও খবর

শিক্ষা

  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে প্রথম কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ মার্চ শনিবার সকাল ১১টায়। ওই সভা থেকেই ডাকসু ও হল সংসদের কমিটিগুলো দায়িত্ব গ্রহণ করবে। 

সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে অনুষ্ঠিত প্রভোস্ট কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

তিনি সমকালকে বলেন, আগামী ২৩ মার্চ সকাল ১১টায় ডাকসু ও সব হল সংসদের প্রথম কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ তারিখের সভার মধ্যদিয়ে তারা দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। ওই সভা থেকেই পরবর্তী ৩৬৫ দিন গণনা করা হবে। উপাচার্য এর মধ্যেই ডাকসুর একজন কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ দেবেন। এরপর হল সংসদগুলোতে হলের হাউজ টিউটরদের মধ্য থেকে একজন কোষাধ্যক্ষ নিয়োগের মাধ্যমে ডাকসু ও হল সংসদের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হবে। 

সন্ধ্যায় সাড়ে সাতটায় প্রভোস্ট কমিটির সভা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। সভায় বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন। রাত নয়টার দিকে সভা শেষ হয়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ঢাবিতে আন্দোলনকারী পাঁচ প্যানেলের কর্মসূচি স্থগিত


আরও খবর

শিক্ষা

সোমবার উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ঘণ্টা অবস্থানের পর কর্মসূচি স্থগিত করে ডাকসু নির্বাচন বর্জনকারী পাঁচ প্যানেলের নেতারা -সমকাল

  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে পুনরায় নির্বাচনের দাবিতে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ঘণ্টা অবস্থানের পর কর্মসূচি স্থগিত করেছে নির্বাচন বর্জন করা পাঁচটি প্যানেল। পরবর্তী কর্মসূচি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে বলে প্যানেলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন। সোমবার বিকাল ৫টায় আন্দোলনরত পাঁচ প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকদের পক্ষ থেকে এ ঘোষণা দেন ডাকসু নির্বাচনে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের জিএস প্রার্থী রাশেদ খান এবং স্বতন্ত্রী শিক্ষার্থী প্যানেলের ভিপি প্রার্থী অরণি সেমন্তি খান।

রাশেদ খান বলেন, আমরা পাঁচ ঘন্টা ধরে এখানে বসে আছি। আমরা ক্ষুব্ধ এবং হতাশ। বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বা প্রক্টর কেউ আমাদের সঙ্গে কথা বলতে আসেনি। তারা নৈতিকভাবে এমন দুর্বল হয়ে গেছেন যে, শিক্ষার্থীদের সামনে আসার সৎসাহসটা পর্যন্ত তাদের নেই। এটা খুবই লজ্জাজনক। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসম্মান যা ছিল সব নষ্ট হয়ে গেছে এ নির্লজ্জ প্রশাসনের কারণে।

অরণি সেমন্তি খান বলেন, আমরা খুবই হতাশ। আমাদের শিক্ষক যারা আছেন অভিভাবক হিসেবে তাদের আমাদের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু এটা আমাদের জন্য লজ্জার যে, তারা আসেননি। তাদের এত ভয় কিসের? এত লুকানোর কী আছে? কারণ আমাদের সামনে আসার সৎ সাহস তাদের নেই।

পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে রাশেদ খান বলেন, আমাদের যে পাঁচটি প্যানেল রয়েছে- সবার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের গলায় সমস্যা হওয়ায় কথা বলতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন সহকারী প্রক্টর আবদুর রহিম। পাঁচ প্যানেলের নেতাদের তাদের দাবিগুলো লিখিত আকারে উপাচার্য বরাবর পেশ করতে বলেন তিনি।

এর আগে পাঁচ দফা দাবিতে দুপুর ১২টার দিকে পাঁচ প্যানেলের নেতারা রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হন। সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন তারা। এরপর উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন।

তাদের পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো- ১. অবিলম্বে নির্বাচন বাতিল, ২. পুনঃতফসিল ঘোষণা, ৩. ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে উপাচার্যের পদত্যাগ, ৪. নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে জড়িত সব শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদত্যাগ ৫. শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা সব মামলা প্রত্যাহার।

আন্দোলনকারীরা উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে বসে বিভিন্ন স্লোগান ও বিদ্রোহী সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান। তবে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল থেকে নবনির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুর ও বামজোটের ভিপি প্রার্থী লিটন নন্দীকে সেখানে দেখা যায়নি। নুরের বোন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে থাকায় তিনি আসতে পারেননি বলে জানা যায়। 

ক্লাস-পরীক্ষা স্বাভাবিক: পাঁচ দফা দাবিতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিল পাঁচ প্যানেলের প্রার্থীরা। তবে সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ক্লাস-পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলছে। ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থীদের আনাগোনাও স্বাভাবিক।

সব বিভাগেই ক্লাস স্বাভাবিকভাবেই হচ্ছে জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ক্লাস না হওয়ার কোনো কারণ নেই।

উপাচার্যের সঙ্গে অনশনকারীদের বৈঠক: এদিকে ডাকসু নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজু ভাস্কর্যে অনশন করা শিক্ষার্থীরা। সোমবার সকাল ১১টার দিকে পুনঃনির্বাচনের দাবিতে অনশন করা শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম, রাফিয়া তামান্না, শোয়েব মাহমুদ অনন্ত, তাওহিদ তানজিম ও মইন উদ্দিন উপাচার্যের কাছে ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরেন। এ সময় উপাচার্য বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠক শেষে শোয়েব মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে ভোট কারচুপি, ভোট প্রদানে বাধা ও প্রার্থীদের ওপর হামলার বিষয়গুলো উপাচার্যকে জানানো হয়েছে। প্রমাণ হিসেবে বিভিন্ন হলে ভোটের অনিয়ম, ভোটারদের লিখিত অভিযোগ ও হামলার ভিডিও ফুটেজ দেওয়া হয়েছে। উপাচার্য স্যার জানিয়েছে, নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ১৩ মার্চ যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তাদের কাছে এই ডকুমেন্টগুলো সরবরাহ করা হবে।

তবে এই বৈঠক নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন বলে জানান আরেক অনশনকারী মঈন উদ্দিন। তিনি বলেন, যেহেতু আমাদের উত্থাপিত অনিয়মগুলো নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে উপাচার্য জানিয়েছেন, তাই আমরা কিছুদিন অপেক্ষা করব। দ্রুত তদন্তের ফল প্রকাশ না করলে আমরা চলমান আন্দোলনে যোগ দেব।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজু ভাস্কর্যের সামনে উপাচার্য, চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের অপসারণ, পুনঃনির্বাচন ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছিলেন চার শিক্ষার্থী। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেন আরো তিনজন। এর মধ্যে ছয়জন ডাকসু ও হল সংসদে বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থী ছিলেন। অনশনের চতুর্থ দিনের মাথায় শুক্রবার রাতে প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মাকসুদ কামালসহ ডাকসুর ভিপি, জিএস ও এজিএস গিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দিয়ে তাদের অনশন ভাঙান।


সংশ্লিষ্ট খবর