অর্থনীতি

পছন্দসই ইলিশ মিলছে বাজারে

প্রকাশ : ২৯ আগষ্ট ২০১৯ | আপডেট : ২৯ আগষ্ট ২০১৯

পছন্দসই ইলিশ মিলছে বাজারে

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

রাজধানীর বাজারে এখন ইলিশের ছড়াছড়ি। সরবরাহ অনেক বেড়েছে। এ মৌসুমে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। এজন্য বাজারে পছন্দসই ইলিশও পাওয়া যাচ্ছে। ছোট-বড় ইলিশে বাজার এখন ভরপুর। দামও তুলনামূলক কম। বেচাকেনাও বেশ জমজমাট। শুধু ইলিশ নয়, বাজারে মুরগি ও ডিমের বেড়ে যাওয়া দামও কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ব্রয়লার মুরগির দাম ১৫ টাকা কমেছে। আর ডিমের ডজনও ১০ টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে। তবে চিনি, পেঁয়াজ, রসুন ও আদা চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাজারে ৫০০ গ্রামের ওজনের ছোট ইলিশ প্রতিটি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হয়। কমবেশি ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতিটি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ প্রতিটি এক হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এক কেজি ২০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজির ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ২০০ থেকে দেড় হাজার টাকায়। এক সপ্তাহ আগেও এই ইলিশ কিনতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দাম গুনতে হয়েছে।

কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা মো. সবুজ বলেন, এখন ইলিশ মাছ বেশি আসছে। এ কারণে দাম কমছে। ইলিশের দাম তুলনামূলক কম থাকায় অন্য মাছের দামও কমতে শুরু করেছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ইলিশের দাম কমেছে। এখন প্রতি কেজি ছোট ইলিশ সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে, যা আগে সর্বোচ্চ দেড় হাজার টাকা কেজি ছিল। এখন তা কমে এক হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

মিরপুরের পীরেরবাগ কাঁচাবাজারে বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১১০ টাকায় বিক্রি হয়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২৫ টাকা। কারওয়ান বাজারসহ অন্যান্য বাজারেও একই হারে দাম কমেছে। ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি ডিমের দামও কমেছে। এখন প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম ১১০ টাকা থেকে কমে ১০০ টাকা হয়েছে। আর ডিমের হালি ৩৪ থেকে ৩৫ টাকা। আগের সপ্তাহে ছিল ৩৮ টাকা।

পীরেরবাগ বাজারের বিক্রেতা জহিরুল আলম বলেন, বাজারে মাছের সরবাহ বেড়ে যাওয়ায় মুরগি ও ডিমের চাহিদা কমেছে। এ কারণে দাম কমতে শুরু করেছে। ঈদের দুই সপ্তাহ আগে ডিম ও মুরগির দাম চড়া ছিল। এর পরে দাম কমে যায়। ঈদের পরের সপ্তাহে আবার দাম বাড়লেও এখন তা কমে গেছে।

এ ছাড়া বাজারে চিনির কেজি ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। গত সপ্তাহে বেড়ে যাওয়া দামেই বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। দেশি পেঁয়াজ বড় আকারের ৬০ টাকা ও ছোট ৫৫ টাকা কেজি। আর ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। ঈদের আগ থেকেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে আদা ও রসুন। এখন বাজারে প্রতি কেজি চীনা আদা ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। আর ইন্দোনেশিয়ার আদা ২০০ টাকা কেজি। দেশি রসুন ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। অন্যান্য পণ্যের দাম তেমন পরিবর্তন হয়নি।

মন্তব্য


অন্যান্য