অর্থনীতি

‘১৯ এ ২০’: নতুন মাইলফলক অর্জনের টার্গেট ওয়ালটনের

প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০১৯

‘১৯ এ ২০’: নতুন মাইলফলক অর্জনের টার্গেট ওয়ালটনের

  অনলাইন ডেস্ক

চলতি বছর বাংলাদেশের ফ্রিজ বাজারে নতুন মাইলফলক অর্জনের টার্গেট নিয়েছে ওয়ালটন। নিয়েছে বিশেষ বিপণন কর্মসূচি। ওয়ালটন যার নাম দিয়েছে ‘১৯ এ ২০’। অর্থাৎ ২০১৯ সালে ২০ লাখ বা ২ মিলিয়ন ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট নিয়েছে বাংলাদেশী ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন।

সূত্রমতে, বাংলাদেশের বাজারে সিংহভাগ ফ্রিজ বিক্রি করে ওয়ালটন। গত বছর তারা ফ্রিজ বিক্রি করেছিলো প্রায় ১৫ লাখ। চলতি দশকে স্থানীয় বাজারে ওয়ালটনের মার্কেট শেয়ার প্রায় ৭৫ শতাংশ। ওয়ালটনরে প্রতিদ্বন্দ্বী এখন ওয়ালটনই। প্রতি বছরই তারা নিজেদেরকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। আর ২০১৯ সালে ২০ লাখ ফ্রিজ বিক্রির নতুন মাইলফলক অর্জনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতিও নিয়েছে। নিজস্ব কারখানায় তৈরি করবে বিশ্বের সবচেয়ে দামী বা গোøাবাল মডেলের ফ্রিজ। ওয়ালটনের এসব ফ্রিজ হবে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব ও সৃজনশীল ডিজাইনের। অন্যান্য গ্লোবাল ব্র্যান্ডের ফ্রিজের চেয়ে উন্নতমানের হলেও, দাম হবে অনেক সাশ্রয়ী।

দেশের বাজারে টার্গেট পূরণের জন্য নেয়া হয়েছে বিশেষ কর্মূসূচি। ইতোমধ্যে, কারখানার উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণন বিভাগ পর্যন্ত সর্বত্র যুগপোযোগি ও আধুনিক কর্ম-পরিকল্পনা নিয়েছে ওয়ালটন। উৎপাদন প্রক্রিয়া, গবেষণা ও উন্নয়ন (আরএনডি), মান নিয়ন্ত্রণ বা কোয়ালিটি কন্ট্রোলসহ (কিউসি) বিভিন্ন বিভাগের স্থাপন করা হয়েছে বিশ্বের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মেশিনারিজ ও যন্ত্রপাতি। গ্রাহকদের হাতে সৃজনশীল ডিজাইনের গ্লোবাল মডেলের পণ্য তুলে দিতে ইলেকট্রনিক্স খাতের দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।

ওয়ালটনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম জানান, ২০১৯ সাল হবে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশের বাজারে এক বিশাল মাইলফলক অর্জনের বছর। শুরু হবে বিশ্ব বাজারে সেরা ব্র্যান্ড হওয়ার যাত্রা। এ লক্ষে রোডম্যাপ তৈরি হয়ে গেছে। গ্রাহকদের জন্য সাশ্রয়ী দামে বিশ্বের লেটেস্ট প্রযুক্তির গ্লোবাল মডেলের নতুন ফ্রিজ বাজারে আনবে ওয়ালটন।

ওয়ালটন বিপণন বিভাগের প্রধান এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. এমদাদুল হক সরকার বলেন, প্রতিবছরই ফ্রিজ বিক্রিতে ৩০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে ওয়ালটন। চলতি বছরকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে ২০ লাখ ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট ধরা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যবহার করা হবে পাঁচ ধরনের বিপণন চেইন। প্লাজা, পরিবেশক, কর্পোরেট, অনলাইন এবং আন্তর্জাতিক বিপণন। এই চ্যানেলগুলোকে করা হচ্ছে আরো আধুনিক ও কার্যকরী। প্রায় দেড়শ বা তারও বেশি মডেলের ফ্রস্ট ও নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ উৎপাদন ও বাজারজাত করবে ওয়ালটন। যুক্ত হবে নতুন বৈচিত্র্যময় মডেলের ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির ফ্রস্ট ও নন-ফ্রস্ট ফ্রিজ। সেইসঙ্গে ক্রেতা আকর্ষণের জন্য ডিজিটাল ক্যাম্পেইনও শুরু হবে।

জানা গেছে, দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটন পণ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এবার ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত বিশ্বের বাজারে রপ্তানির বৃহৎ পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিজনেস ইউনিটকে আরো শক্তিশালী করতে নিয়োগ দিচ্ছে বিশ্ব ইলেকট্রনিক্স বাজারের বিপণন বিশেষজ্ঞদের।

ওয়ালটন সূত্রমতে, আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিজনেস কনফারেন্স ও পণ্য প্রদর্শীতে নিয়মিত অংশ নিচ্ছে ওয়ালটন। চীনের ক্যান্টন ফেয়ার, নাইজেরিয়ার লাগোস ফেয়ার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইলেকট্রনিক্স ফেয়ারসহ অতি সম্প্রতি জার্মানির চিলভেন্টা প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে তারা। কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স এবং হোম অ্যাপ্লায়ান্সের বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মেলা বার্লিনে ‘আইএফএ ফেয়ার’ ও লাস ভেগাসে ‘সিইএস ফেয়ার’ এ অংশ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারি সংস্থা নাসদাত ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মান নিশ্চিত হয়ে ওয়ালটন প্রতিটি ফ্রিজ বাজারে ছাড়ছে। ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার, ন্যানো হেলথ কেয়ার ও এন্টি ফাংগাল ডোর গ্যাসকেট প্রযুক্তি ব্যবহার করছে ওয়ালটন। দেয়া হচ্ছে এক বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। কম্প্রেসারে রয়েছে দশ বছর পর্যন্ত গ্যারান্টি। এছাড়া সর্বোচ্চ ৩৬ মাসের সহজ কিস্তি সুবিধা এবং স্থানীয় আবহাওয়া উপযোগী করে দেশেই তৈরি হয় বলে গ্রাহকপ্রিয়তার শীর্ষে ওয়ালটন ফ্রিজ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত


আরও খবর

অর্থনীতি

  অনলাইন ডেস্ক

গত ১৩ ও ১৪ জানুয়ারী গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফে অনুষ্ঠিত হয়েছে  বেস্ট ইলেকট্রনিক্সের বার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বেস্ট ইলেক্ট্রনিক্সের  চেয়ারপার্সন শারমিন মমতাজ। 

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আসাদুজ্জামান,পরিচালক সেলস সৈয়দ আশহাব জামান, পরিচালক মার্কেটিং সৈয়দ তাহমিদ জামান এবং সকল শোরুমের ব্যাবস্থাপক সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। 

উক্ত সম্মেলনে ২০১৯ সালকে ঘোষণা করা হয়েছে সবুজ বছর হিসেবে। দেশের উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়বিদ্যুৎ ব্যবহারেও সাশ্রয়ী হতে হবে।

এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দেশব্যাপী বিস্তৃত ১১৮টি শোরুম এবং ২০০এরও বেশি ডিলার পয়েন্টেবিশ্ব নন্দিত, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সব ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য নিয়ে এসেছে বেস্টইলেক্ট্রনিক্স।

এ সম্মেলনের ঘোষণা অনুযায়ী বেস্ট ইলেকট্রনিক্স ২০১৯ সালের মধ্যে ১৫০টি নিজস্ব শোরুম এবং ৫০০ডিলারপয়েন্ট স্থাপনকরার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পরের
খবর

৬ গ্রেডে মজুরি বাড়ল পোশাক শ্রমিকদের


আরও খবর

অর্থনীতি

ফাইল ছবি

   সমকাল প্রতিবেদক

পোশাক শ্রমিকদের নূ্যনতম মজুরি বেড়েছে ছয় গ্রেডে। প্রথম থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বেসিক বা মূল মজুরিও বাড়ানো হয়েছে বিভিন্ন হারে। সপ্তম গ্রেডে মজুরি বোর্ড ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। মজুরি পর্যালোচনায় গঠিত কমিটির তৃতীয় বৈঠকে রোববার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সচিবালয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংশোধিত মজুরি কাঠামো গত ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর ধরা হবে। আগামী মাসের মজুরির সঙ্গে বকেয়া হিসেবে বাড়তি অর্থ পাবেন শ্রমিকরা।

কমিটির বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এক ব্রিফিংয়ে বিভিন্ন গ্রেডের মজুরি পরিবর্তনের তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রথম গ্রেডের একজন কর্মী এখন থেকে সব মিলিয়ে ন্যূনতম মোট ১৮ হাজার ২৫৭ টাকা বেতন পাবেন। মজুরি বোর্ডের ঘোষণায় যা ছিল ১৭ হাজার ৫১০ টাকা। ২০১৩ সালের কাঠামো অনুযায়ী গত ৫ বছর ধরে এই গ্রেডের নূ্যনতম মজুরি ছিল ১৩ হাজার টাকা। দ্বিতীয় গ্রেডের ন্যূতম মজুরি এখন ১৫ হাজার ৪১৬ টাকা, যা মজুরি বোর্ড নির্ধারণ করেছিল ১৪ হাজার ৬৩০ টাকা। গত ৫ বছর ধরে এই গ্রেডের মজুরি ছিল ১০ হাজার ৯০০ টাকা।

পর্যালোচনায় তৃতীয় গ্রেডের ন্যূনতম মোট মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজার ৮৪৫ টাকা। মজুরি বোর্ডের ঘোষণায় ছিল ৯ হাজার ৫৯০ টাকা। গত ৫ বছর ধরে এ গ্রেডের মজুরি ছিল ৬ হাজার ৮০৫ টাকা। একইভাবে চতুর্থ গ্রেডের মোট মজুরি ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৩৪৭ টাকা। মজুরি বোর্ডের ঘোষণায় ছিল ৯ হাজার ২৪৫ টাকা। গত ৫ বছর ধরে ছিল ৬ হাজার ৪২০ টাকা। পঞ্চম গ্রেডে ন্যূনতম মজুরি ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৮৭৫ টাকা। মজুরি বোর্ডের ঘোষণায় ছিল ৮ হাজার ৮৫৫ টাকা। গত ৫ বছর ধরে ছিল ৬ হাজার ৪২ টাকা। ষষ্ঠ গ্রেডে নূ্যনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ৪২০ টাকা। মজুরি বোর্ডের ঘোষণায় ছিল ৮ হাজার ৪০৫ টাকা। গত ৫ বছর ধরে ছিল ৫ হাজার ৬৭৮ টাকা। পর্যালোচনায় সপ্তম অর্থাৎ সবচেয়ে নিচের গ্রেডে মজুরি বোর্ড ঘোষিত ৮ হাজার টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

তৈরি পোশাক শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কার্যকর হবে গত ডিসেম্বর থেকে। জানুয়ারিতে নতুন কাঠামোয় মজুরি পাওয়ার পর রাজধানী এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু কারখানার শ্রমিকদের অসন্তোষ, সড়ক অবরোধ ও শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার মালিকপক্ষের ৫ জন, শ্রমিকপক্ষের সমসংখ্যক সদস্য এবং শ্রম ও বাণিজ্য সচিবসহ মোট ২০ সদস্য নিয়ে মজুরি পর্যালোচনায় ত্রিপক্ষীয় কমিটি গঠন করে সরকার। গোয়েন্দা সংস্থা এসবি, এনএসআই, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও শিল্প পুলিশের প্রতিনিধি রয়েছেন কমিটিতে। রোববারের বৈঠকে কমিটির প্রায় সব সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, চলমান সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন গ্রেডের মজুরি সমন্বয়ে গত শনিবার রাতে নির্দেশ দেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী, শ্রম সচিব এবং বিজিএমইএ নেতাদের গণভবনে ডাকেন। সেখানে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন তিনি। আলোচনা শেষে গ্রেডভিত্তিক সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেন তিনি।

শ্রম অসন্তোষের পেছনে শ্রমিকদের অন্যতম আপত্তি ছিল ৩, ৪ ও ৫ নম্বর গ্রেডের বেসিক নিয়ে। বেসিক বাড়লে বোনাস, ওভারটাইমসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ে। শ্রমিকদের দাবি, নতুন মজুরি কাঠামোয় বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা যে হারে বেড়েছে; বেসিক সে হারে বাড়েনি।

রোববারের বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, পর্যালোচনায় ছয় গ্রেডের বেসিকই বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম গ্রেডের বেসিক নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার ৯৩৮ টাকা। মজুরি বোর্ডের ঘোষণায় যা ছিল ১০ হাজার ৪৪০ টাকা। একইভাবে দ্বিতীয় গ্রেডের ৮ হাজার ২২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯ হাজার ৪৪ টাকা করা হয়েছে। তৃতীয় গ্রেডে ৫ হাজার ১৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৩৩০ টাকা করা হয়েছে। চতুর্থ গ্রেডে বেসিক ৪ হাজার ৮৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ হাজার ৯৩০ টাকা হয়েছে। পঞ্চম গ্রেডে ৪ হাজার ৬৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৫০৫ টাকা ও ষষ্ঠ গ্রেডে ৪ হাজার ৩৭০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ হাজার ৩৮০ টাকা হয়েছে। সপ্তম গ্রেডের বেসিক মজুরি বোর্ড নির্ধারিত ৪ হাজার ১০০ টাকা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মার্সেল পণ্য কিনে লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার সুযোগ


আরও খবর

অর্থনীতি

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, মো. এমদাদুল হক সরকার, এসএম জাহিদ হাসান ও মোহাম্মদ রায়হান, হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফুল আম্বিয়া

  অনলাইন ডেস্ক

নতুন বছর ও বাণিজ্য মেলা উপলক্ষে দেশব্যাপী আবারও ডিজিটাল ক্যাম্পেইন শুরু করেছে মার্সেল। এবার চলছে সিজন-ফোর। এর আওতায় মার্সেল পণ্য কিনে রেজিস্ট্রেশন করলেই ক্রেতারা পেতে পারেন লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। পেতে পারেন মোটরসাইকেল, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ, ফ্রিজ, এলইডি টিভিসহ হাজার হাজার পণ্য একেবারে বিনামূল্যে। বাণিজ্য মেলার পুরো মাস জুড়ে সারাদেশে মিলবে এই সুবিধা। 

শনিবার রাজধানীতে মার্সেল করপোরেট অফিসের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত 'ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৪' এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, মো. এমদাদুল হক সরকার, এসএম জাহিদ হাসান ও মোহাম্মদ রায়হান, হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরিফুল আম্বিয়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে তারা জানান, অনলাইন নেটওয়ার্কের আওতায় এনে বিক্রয়োত্তর সেবাকে আরও সহজ করতে কাস্টমার ডাটাবেজ তৈরি করছে মার্সেল। এই প্রক্রিয়ায় ক্রেতা অংশগ্রহণ উদ্বুদ্ধ করতে গত বছর দেশব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের তিনটি সিজন চালানো হয়েছে। সে সময় গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ক্রেতারা পণ্য কিনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন বছর ও ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০১৯ উপলক্ষ্যে সারা দেশে ক্যাম্পেইনের সিজন-ফোর শুরু করলো মার্সেল।

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় বাণিজ্য মেলায় মার্সেল প্যাভিলিয়নসহ দেশের যে কোনো পরিবেশক শোরুম থেকে ফ্রিজ, টিভি ও  এসি কিনে মোবাইল ফোনে এসএসএম এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করলেই ক্রেতারা পাবেন ৩০০ টাকা থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। এছাড়াও পেতে পারেন মোটরসাইকেল, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ, ফ্রিজ, এলইডি টিভিসহ অসংখ্য পণ্য ফ্রি। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর