অর্থনীতি

জাতীয় রফতানি ট্রফি পাচ্ছে ৫৬ প্রতিষ্ঠান

প্রকাশ : ২৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০১৮

জাতীয় রফতানি ট্রফি পাচ্ছে ৫৬ প্রতিষ্ঠান

  সমকাল প্রতিবেদক

রফতানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় ট্রফি পাচ্ছে ৫৬ প্রতিষ্ঠান। স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ শ্রেনীতে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের সেরা রফতানিকারক হিসেবে এ মর্যাদা পাচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠান। খাতওয়ারি পরিমাণে বেশি রফতানি করেছেন এমন রফতানিকারকরা এ সম্মাননা পাচ্ছেন। পরিবেশসম্মত উৎপাদনসহ আরও বেশ কিছু সূচককেও সেরা নির্বাচনের ভিত্তি ধরা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ট্রফি তুলে দেবেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।

জানতে চাইলে ইপিবির নীতিবিভাগের উপ-পরিচালক অনুপ কান্তি সমকালকে জানান, এ বছর স্বর্ণপদক পাচ্ছে ২৫ রফতানিকরক প্রতিষ্ঠান। রোপ্যপদক পাচ্ছে ১৭ এবং ব্রোঞ্জপদক পাচ্ছে ১৪ প্রতিষ্ঠান। 

তিনি জানান, স্বর্ণপদকে এক ভরি স্বর্ণ, রৌপ্যপদকে এক ভরি রুপা ও ব্রোঞ্জপদকে সমপরিমাণ ব্রোঞ্জ রয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ এসব পদকের সঙ্গে সনদও দেওয়া হবে।

রফতানি বাণিজ্যে উৎসাহ দেওয়া এবং সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন খাতে রফতানি পদক দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে রফতানি আয়, আয়ের প্রবৃদ্ধি, নতুন পণ্য সংযোজন,নতুন বাজার ও পরিবেশসম্মত উৎপাদন পরিবেশকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। বাণিজ্য সচিবের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি এসব সূচক বিশ্লেষণের মাধ্যমে জাতীয় রফতানি ট্রফির জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচিত করে। ইপিবি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), এফবিসিসিআইসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী চেম্বারের প্রতিনিধিরা কমিটিতে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পদকের জন্য প্রধান ২৫ পণ্যের রফতানি আয় ও প্রক্রিয়া বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকের ওভেন এবং নিট, সব ধরনের সুতা, বস্ত্র, হোম টেপ, হিমায়িত খাদ্য, কাঁচা পাট, পাটজাত পণ্য, চামড়া, চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, চা, কৃষিজ পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ পণ্য, ফুল, হস্তশিল্প, মেলামাইন, প্লাস্টিকজাত পণ্য, সিরামিকস, হালকা প্রকৌশল পণ্য, ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য এবং ওষুধ।

স্বর্ণপদক: এবার পরিমাণে সবচেয়ে বেশি রফতানি আয়ের বিবেচনায় সেরা রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের ট্রফি পাচ্ছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের। স্বর্ণপদকদের জন্য মনোনিত প্রতিষ্ঠানের তালিকাতেও আলাদা করে রয়েছে এ প্রতিষ্ঠানের নাম। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- হা-মীম গ্রুপের রিফাত গার্মেন্টস, স্কয়ার গ্রুপের স্কয়ার ফ্যাশনস ও স্কয়ার টেক্সটাইলস, এনভয় টেক্সটাইলস, নোমান টেরিটাওয়েল, সিমার্ক বিডি, উত্তরা পাট সংস্থা, আকিজ জুট মিলস, পিকার্ড বাংলাদেশ, বে-ফুটওয়্যার, মনসুর জেনারেল ট্রেডিং, প্রমি এগ্রো ফুড, রাজধানী এন্ট্রারপ্রাইজ, কারুপণ্য রংপুর, বঙ্গ প্লাস্টিক, শাইন পুকুর সিরামিকস, ইউনিগ্লোরি সাইকেল ইন্ডাস্ট্রিজ, মেরিন সেফটি সিস্টেম, স্কয়ার ফার্মা, সার্ভিস ইঞ্জিন, ইউনিভার্সেল জিন্স, আরএম ইন্টারলাইনিংস ও মন ট্রিমস।

রৌপ্যপদক: রৌপ্য পদক পাচ্ছে অনন্ত গার্মেন্টস, ফোর এইচ ফ্যাশনস, জোবায়ের স্পিনিং, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলস, জালালাবাদ ফ্রোজেন ফুডস, জনতা জুট মিলস, আর এম এম লেদার, এফবি ফুটওয়্যার, হেরিটেজ এন্টারপ্রাইজ, স্কয়ার ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ, ক্লাসিক্যাল হ্যান্ড মেইড বিডি, বেঙ্গল প্লাস্টিক, বিএসআরএম স্টিলস, ইনসেপ্টা ফার্মা, গ্রাফিক পিপল, প্যাসিফিক জিনস ও ইউনিগ্লোরি পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং।

ব্রোঞ্জপদক: হা-মীম গ্রুপের দ্যাটস ইট স্পোর্টস ওয়্যার, জিএমএস কম্পোজিট, জাবের স্পিনিং মিলস, নোমান টেক্সটাইলস, কুলিয়ার চর সি ফুডস, রহমান জুট স্পিনার্স, লেদারেপ ফুটওয়্যার, আকিজ ফুটওয়্যার, সবজিআনা, কোর দি জুট ওয়ার্কস, ডিউরেবল প্লাস্টিকস, বেপিমকো ফার্মা, জিন্স ২০০০ ও ডিবি টেপ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সদরপুরে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ১২০তম শাখা উদ্বোধন


আরও খবর

অর্থনীতি

সোমবার ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১২০তম শাখা উদ্বোধন করেন ব্যাংকটির পরিচালক এ.কে. আজাদ। ছবি: সমকাল

  ফরিদপুর অফিস

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১২০তম শাখার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরে ব্যাংকটির পরিচালক এ.কে. আজাদ ফিতা কেটে ওই শাখা ও এটিএম বুথের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি এ.কে. আজাদ বলেন, অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো দেশের সার্বিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে। 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের যুব সমাজের বেকারত্ব ঘোঁচাতে ব্যাংকগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন। সদরপুরের নদী ভাঙন-কবলিত অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এই শাখাটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন এ.কে. আজাদ।

ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এম শহীদুল ইসলাম বলেন, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক সমাজের সর্বস্তরের জনগণের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধ পরিকর।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এম শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া, কর কমিশনার বোরহান উদ্দিন, শিল্পপতি সোয়েব চৌধুরী, সদরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান প্রমুখ। 

উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সাধারণ সেবা বিভাগের প্রধান মাহবুবুর রশীদসহ সদরপুর, চরভদ্রাসন ও ফরিদপুর শাখার ব্যাবস্থাপকেরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শামসুদ্দোহা শিমু।

পরের
খবর

বেস্ট ব্র্যান্ডের স্বীকৃতি পেল 'স্পীড'


আরও খবর

অর্থনীতি

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ২০১৮-এর অনুষ্ঠানে দেশসেরা ব্র্যান্ড স্পীড কার্বোনেটেড সফট্‌ ড্রিংকস (অল্টারনেটিভ) ক্যাটাগরিতে দেশের বেস্ট ব্র্যান্ড নির্বাচিত হয়েছে। 

শনিবার রাজধানী ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ এর পক্ষে  অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন চীফ মার্কেটিং অফিসার ড: হিন্দোল রায়, এজিএম (মার্কেটিং) মাইদুল ইসলাম এবং অ্যাসিস্টেন্ট ব্র্যান্ড ম্যানেজার মুনতাসির মামুন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 

পরের
খবর

দুগ্ধ ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক দেবে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা


আরও খবর

অর্থনীতি

  সমকাল প্রতিবেদক

বাংলাদেশের দুগ্ধ ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ৫০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। স্থানীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ চার হাজার ২০০ কোটি টাকা। ডিম, মাংস এবং দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এ ঋণ ব্যবহার করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংক জানায়, দুগ্ধ ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষি খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়বে। একই সঙ্গে ২০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি পারিবারিক খামারির বাজার সুবিধা তৈরি হবে। এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বলেন, এ ধরণের উদ্যোগ বাংলাদেশের বার্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া গ্রামের নারী এবং যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বাংলাদেশের মোট কর্মস্থানের ১৪ শতাংশ নিয়োজিত রয়েছে প্রাণিসম্পদ খাতে। যদিও গ্রামের ৭০ শতাংশ পরিবার গাবাদিপশু পালন করে। বর্তমানে কৃষি শ্রমশক্তির ৬৮ শতাংশ নারী মূলত প্রাণিসম্পদ ও পোল্ট্রি খাতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দুগ্ধ ও প্রাণিসম্পদ প্রকল্পের মিশন প্রধান মানিইভেল সিনে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এ খাতের উৎপাদন ঝুঁকির মধ্যে আছে। ঝুঁকি কমাতে পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি বীমা সুবিধা চালু করা গেলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিরা উপকৃত হবে। এছাড়াও প্রকল্পটির মাধ্যমে খামারের উৎপাদন বাড়ানোও সম্পদ হবে। এ প্রকল্পে দেওয়া বিশ্বব্যাংকের এ ঋণ ৫ বছরের রেয়াতকালে ৩০ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর