অর্থনীতি

শেয়ার বাজারে আসছে ওয়ালটন

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০১৮

শেয়ার বাজারে আসছে ওয়ালটন

  অনলাইন ডেস্ক

শেয়ার বাজারে আসছে বাংলাদেশী ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটনের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। 

এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হল, প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের দ্রুততর অগ্রগতিতে দেশবাসীকে সম্পৃক্ত করা; জনগণকে ওয়ালটনের উন্নয়নে অংশীদার করা। 

মাল্টি ন্যাশনাল ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আরো ব্যাপকভাবে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে শেয়ার বাজারে প্রবেশ করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। 

প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন (অথরাইজড ক্যাপিটাল) দেখানো হচ্ছে ৬০০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন (পেইড আপ ক্যাপিটাল) ৩০০ কোটি টাকা। শেয়ার বাজারে কোনো প্রাইভেট প্লেসমেন্ট দিচ্ছে না ওয়ালটন। বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও)-এর মাধ্যমে বাজারে শেয়ার উন্মুক্ত করা হবে। 

পূঁজিবাজারে ওয়ালটনের ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে আছে ট্রিপল এ ফাইনান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। আর রেজিস্টার টু ইস্যু প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। 

শেয়ার বাজার থেকে কত টাকা সংগ্রহ করা হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়ালটনের অ্যাডিশনাল অপারেটিভ ডিরেক্টর মোঃ ইয়াকুব আলী এফসিএ বলেন, ক্যাপিটাল এখানে মূখ্য নয়। বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জন্য একটা নজির। গ্রাহকপ্রিয়তায় ওয়ালটন এখন দেশের এক নম্বর ব্র্যান্ড। ওয়ালটনের এই উন্নয়নে সাধারন জনগণকে সম্পৃক্ত করাই প্রধান উদ্দেশ্য। 

তিনি বলেন, বিশ্বমানের রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার ও এসি উৎপাদনে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড দেশ-বিদেশে সমাদৃত। গত বছর ওয়ালটন চালু করে দেশের প্রথম ও একমাত্র কম্প্রেসর উৎপাদন কারখানা। এর ফলে এশিয়ায় অষ্টম এবং সারা বিশ্বে ১৫তম কম্প্রেসর উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয় বাংলাদেশ। 

ওয়ালটনের তৈরি 'মেইড ইন বাংলাদেশ' ট্যাগযুক্ত কম্প্রেসর, এর যন্ত্রাংশ, রেফ্রিজারেটর, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। বিশ্ববাজার টার্গেট করে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজাইনের ফ্রিজ এবং এসির উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। 

ওয়ালটনের আন্তর্জাতিক ব্যবসা ইউনিটের প্রধান এডওয়ার্ড কিম জানান, 'মেইড ইন বাংলাদেশ' খ্যাত প্রযুক্তিপণ্য ও খুচরা যন্ত্রাংশ রপ্তানির মাধ্যমে ২০২৮ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের টার্গেট নিয়েছে ওয়ালটন। তিনি অবশ্য নির্দিষ্ট সময়ের আগেই টার্গেট পূরণের ব্যাপারে আশাবাদি। 

তিনি আরও বলেন, গুগল, এ্যাপল বা মাইক্রোসফটের মতো আন্তর্জাতিক পথ নকশা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে ওয়ালটন। 

ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এবং সিএফও আবুল বাশার হাওলাদার বলেন, ওয়ালটন করপোরেট গভর্নেন্স কোড-২০১৮ সম্পূর্ণরূপে অনুসরণ করে। অর্জিত লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ (প্রফিট শেয়ারিং) কর্মীদের মাঝে বণ্টন করা হয়। উৎপাদন ব্যবস্থায় গ্রিন টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। যে কারণে এ বছর ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছে। 

আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনে পেয়েছে এইচএসবিসি এক্সপোর্ট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড। ওয়ালটন চাইছে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে জনগণের অংশীদারিত্ব বাড়াতে। যে কারণে বাজারে প্রাথমিক শেয়ার (আইপিও) ছাড়ছে ওয়ালটন।

জানা গেছে, ওয়ালটনের লক্ষ্য রয়েছে ভবিষ্যতে সিঙ্গাপুর, হংকং, বেইজিং, সাংহাইসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেয়ার মার্কেটে তালিকাভুক্ত হওয়ার। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সদরপুরে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ১২০তম শাখা উদ্বোধন


আরও খবর

অর্থনীতি

সোমবার ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১২০তম শাখা উদ্বোধন করেন ব্যাংকটির পরিচালক এ.কে. আজাদ। ছবি: সমকাল

  ফরিদপুর অফিস

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ১২০তম শাখার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরে ব্যাংকটির পরিচালক এ.কে. আজাদ ফিতা কেটে ওই শাখা ও এটিএম বুথের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি এ.কে. আজাদ বলেন, অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো দেশের সার্বিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে। 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের যুব সমাজের বেকারত্ব ঘোঁচাতে ব্যাংকগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন। সদরপুরের নদী ভাঙন-কবলিত অবহেলিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এই শাখাটি বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন এ.কে. আজাদ।

ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এম শহীদুল ইসলাম বলেন, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক সমাজের সর্বস্তরের জনগণের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধ পরিকর।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী এম শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া, কর কমিশনার বোরহান উদ্দিন, শিল্পপতি সোয়েব চৌধুরী, সদরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান প্রমুখ। 

উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সাধারণ সেবা বিভাগের প্রধান মাহবুবুর রশীদসহ সদরপুর, চরভদ্রাসন ও ফরিদপুর শাখার ব্যাবস্থাপকেরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শামসুদ্দোহা শিমু।

পরের
খবর

বেস্ট ব্র্যান্ডের স্বীকৃতি পেল 'স্পীড'


আরও খবর

অর্থনীতি

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড ২০১৮-এর অনুষ্ঠানে দেশসেরা ব্র্যান্ড স্পীড কার্বোনেটেড সফট্‌ ড্রিংকস (অল্টারনেটিভ) ক্যাটাগরিতে দেশের বেস্ট ব্র্যান্ড নির্বাচিত হয়েছে। 

শনিবার রাজধানী ঢাকার লা মেরিডিয়ান হোটেলে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ এর পক্ষে  অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন চীফ মার্কেটিং অফিসার ড: হিন্দোল রায়, এজিএম (মার্কেটিং) মাইদুল ইসলাম এবং অ্যাসিস্টেন্ট ব্র্যান্ড ম্যানেজার মুনতাসির মামুন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 

পরের
খবর

দুগ্ধ ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক দেবে ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা


আরও খবর

অর্থনীতি

  সমকাল প্রতিবেদক

বাংলাদেশের দুগ্ধ ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ৫০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। স্থানীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ চার হাজার ২০০ কোটি টাকা। ডিম, মাংস এবং দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশের পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এ ঋণ ব্যবহার করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংক জানায়, দুগ্ধ ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষি খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়বে। একই সঙ্গে ২০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি পারিবারিক খামারির বাজার সুবিধা তৈরি হবে। এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বলেন, এ ধরণের উদ্যোগ বাংলাদেশের বার্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া গ্রামের নারী এবং যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

বাংলাদেশের মোট কর্মস্থানের ১৪ শতাংশ নিয়োজিত রয়েছে প্রাণিসম্পদ খাতে। যদিও গ্রামের ৭০ শতাংশ পরিবার গাবাদিপশু পালন করে। বর্তমানে কৃষি শ্রমশক্তির ৬৮ শতাংশ নারী মূলত প্রাণিসম্পদ ও পোল্ট্রি খাতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দুগ্ধ ও প্রাণিসম্পদ প্রকল্পের মিশন প্রধান মানিইভেল সিনে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এ খাতের উৎপাদন ঝুঁকির মধ্যে আছে। ঝুঁকি কমাতে পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি বীমা সুবিধা চালু করা গেলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারিরা উপকৃত হবে। এছাড়াও প্রকল্পটির মাধ্যমে খামারের উৎপাদন বাড়ানোও সম্পদ হবে। এ প্রকল্পে দেওয়া বিশ্বব্যাংকের এ ঋণ ৫ বছরের রেয়াতকালে ৩০ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর