অর্থনীতি

মোটরসাইকেল ইঞ্জিন অয়েল নিয়ে এলো হেভোলিন

প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০১৮

মোটরসাইকেল ইঞ্জিন অয়েল নিয়ে এলো হেভোলিন

  অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বখ্যাত শেভরন লুব্রিকেন্টস এশিয়াজুড়ে মোটরসাইকেল ইঞ্জিন অয়েলের এক নতুন প্রযুক্তি বাজারজাত শুরু করেছে। ইতিমধ্যে এর স্থানীয় বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান নভানা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড, শেভরন Caltex-Havoline এর এই পণ্য বিপণণ শুরু করেছে। শেভরন এর এই নতুন প্রযুক্তি মোটরসাইকেলের কর্মক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করবে, যার মূল উদ্দেশ্যই হল শহরে বাইকিং আরও সাচ্ছন্দময় করা।

Caltex-Havoline  শহুরে এলাকায় দুই চাকা বিশিষ্ট গাড়ির ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের কথা চিন্তা করে বাইকারদের ড্রাইভিং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য এর ফরমুল্যাশন আপগ্রেড করেছে। ইঞ্জিন নির্মাতা এবং রাইডার্স উভয়ের চাহিদা অনুযায়ী এই নতুন প্রযুক্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই বিশেষায়িত ফর্মুলা বাংলাদেশের বৃহত্তম ও দ্রুত বর্ধমান মোটরসাইকেল মার্কেটে ব্যবহারকারীদের উপকৃত করবে, যা এখন প্রায় ২.৫ মিলিয়ন ইউনিটে দাঁড়িয়েছে।

গত কয়েক বছরে গ্রামীণ এলাকা থেকে শহুরে সড়কে দুই চাকার যানবাহন ব্যবহার বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে যার ফলে শহরের ব্যাস্ত ট্র্যাফিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্যও উন্নত পারফরম্যান্স-এর ইঞ্জিন অয়েলের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে।  এটি সাধারণ সত্য যে পরিষ্কার ইঞ্জিন আরও দক্ষতার সাথে চালিত হয়। এর ফলে সামগ্রিক কর্মক্ষমতা এবং জ্বালানি দক্ষতা বাড়ে। নতুন Caltex-Havoline-এর মোটরসাইকেল অয়েল গুলি ৪ টি C.O.R.E. টেকনোলজি  এবং উন্নত এডিটিভ এর সমন্বয়ে  প্রস্তুতকৃত। এর বিশেষত্ব হলো মোটরসাইকেল প্রস্তুতকারক- এর নির্দেশিত চাহিদা পুরণ। আর এজন্য Havoline- এর ফর্মুলাতে ব্যবহার করা হয়েছে উপযুক্ত ও উচ্চমানের বেস অয়েল এবং অত্যাধুনিক অ্যাডিটিভ প্যাকেজ। নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি আর ইঞ্জিন সুরক্ষার জন্য যেটি অপরিহার্য।

Havoline-এর C.O.R.E. Technology চারটি বিশেষ সুবিধা প্রদান করে:

 ১। পরিচ্ছন্নতা এবং ক্ষয় থেকে সুরক্ষা - আরও কার্যকর এবং উন্নত পার্ফর্মেন্স-এর ইঞ্জিনের জন্য।

২। অক্সিডেশন স্থিতিশীলতা – লুব্রিকেন্ট- এর ডিগ্রেডেশন এর বিরুদ্ধে তাপ সুরক্ষা প্রদান করা।

৩।  ইঞ্জিনের তাপজনিত ক্ষতি হ্রাস করে – ইঞ্জিন- এর সার্বক্ষনিক  সুরক্ষার জন্য উচ্চতর অয়েল স্ট্যাবিলিটি প্রদান করে এবং

 ৪। এক্সেলেশন বৃদ্ধি করে -  অত্যাধিক লোড কন্ডিশনেও ক্লাচ গ্রিপ ঠিক রাখে।

জুমটেক বুস্টার দ্বারা তৈরি নতুন  Caltex-Havoline 4T মোটরসাইকেল অয়েল এক্সেলারেশন বৃদ্ধির আগের ফর্মুলার তুলনায় ১৩% এর অধিক কর্মহ্মমতা নিশ্চিত করবে। জুমটেক, ইঞ্জিন এর ট্রান্সমিশনকে স্মুথ এবং আরও শক্তিশালি করবে, থ্রটল-এর  সামান্য মুভমেন্টেই তাতক্ষনিক এক্সেলারেশন দিবে। যা ট্রাফিক সিগনালে দাঁড়িয়ে থাকা রাইডারদের জন্য অপরিহার্য।

Caltex-Havoline 4T, এয়ার অথবা লিকুইড কোল্ড ফোর-স্ট্রোক মোটরসাইকেল ইঞ্জিন, মোটরসাইকেল উইথ ব্যাক-টর্ক লিমিটার্স, এগজস্ট ক্যাটালাইটিক কনভার্টার এবং ওইসব মোটরসাইকেল যেগুলিতে সংযুক্ত ইঞ্জিন - ট্রান্সমিশন থাকে  এবং যেগুলিতে আলাদা গিয়ারবক্স থাকে সেখানেও ব্যবহার করা যাবে।

বাংলাদেশে, Caltex-Havoline Super 4T 10W30, 20W40 এবং 20W50 ভিস্কসিটি গ্রেডে পাওয়া যাচ্ছে যাতে গ্রাহকরা OEM প্রস্তাবিত সঠিক ভিস্কসিটি গ্রেড ব্যবহার করতে পারে। এর বাইরেও সব গুলি গ্রেড এ জাপানী ইঞ্জিন প্রস্তুতকারক- এর সর্বোচ্চ পার্ফর্মেন্স JASO MA2 এবং আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট- এর SL সনদ প্রাপ্ত।

Caltex-Havoline Super 4T নতুনভাবে বাজারজাতকরণ এবং সচেতনতা সৃষ্টির জন্য - "রাইড স্ট্রং" প্রচারাভিযান শুরু করেছে যা  শেভরন এর আঞ্চলিক  অপারেশন হাব গুলিতেও একসাথে চলছে।

“Caltex-Havoline Super 4T এর এই নতুন  উদ্ভাবন ব্যাবহারকারিদের কথা চিন্তা করেই  তৈরি, যা শেভরন- এর বিশেষত্ত এবং এটা আমাদেরকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। উচ্চতর প্রযুক্তির এই ইঞ্জিন অয়েল উন্নত কর্মক্ষমতার মাধ্যমে বাংলাদেশি রাইডারদের একটি মসৃণ এবং উদ্বেগমুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করবে। 

আমরা ক্রমাগত উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবন-এর দিকে নজর দিচ্ছি  এবং আমাদের গ্রাহকদের কাছে আপগ্রেডেড এবং আরও উন্নত ফর্মুলেশন আনতে থাকব,” বললেন জনাব ফয়সল এ চৌধুরী- কান্ট্রি ডিরেক্টর, নাভানা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (বাংলাদেশে শেভরন লুব্রিকেন্টস-এর অনুমোদিত পরিবেশক)। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কোথায় যাচ্ছে এত টাকা


আরও খবর

অর্থনীতি
কোথায় যাচ্ছে এত টাকা

নির্বাচনের আগে আমদানির আড়ালে অর্থ পাচার বাড়ছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  আবু কাওসার ও ওবায়দুল্লাহ রনি

শিল্প স্থাপনে ব্যবহূত মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারিজ) আমদানি বেড়েছে ব্যাপকভাবে। বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধিও ভালো। এই পরিসংখ্যানের হিসাবে দেশে বিনিয়োগে চাঙ্গা ভাব বিরাজ করার কথা। বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। নতুন শিল্প স্থাপন নেই বললেই চলে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের চিত্র অনেকটা হতাশাজনক। আবার আমদানি ব্যয়ও বাড়ছে। শিল্প স্থাপনের নামে কোটি কোটি ডলারের এলসি খোলা হলেও বিনিয়োগ সে অনুযায়ী হচ্ছে না। অর্থনৈতিক বিশ্নেষকদের প্রশ্ন- তাহলে এত টাকা যাচ্ছে কোথায়!


অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, সাধারণত নির্বাচনের বছরে নানা শঙ্কা ও ভয়ের কারণে দেশ থেকে অর্থ পাচার বাড়ে। অধিকাংশ দেশেই কমবেশি এ প্রবণতা দেখা যায়। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটা বেশি। তাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি যে হারে বেড়েছে, সে তুলনায় বিনিয়োগ হয়নি। জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এ অবস্থায় নিরাপত্তার অভাবে সম্পদশালী ব্যক্তিদের অনেকে অর্থ বিদেশে পাঠিয়ে দিতে পারেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক বিভিন্ন পরিদর্শনেও অর্থ পাচারের নানা তথ্য উঠে এসেছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সম্প্রতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেশ থেকে টাকা পাচারের কথা উল্লেখ করেন। বর্তমানে অর্থ পাচার সংক্রান্ত ৩২টি ঘটনার অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সূত্র বলছে, রফতানি না করেও এর বিপরীতে শত শত কোটি টাকা নগদ সহায়তা নেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। আবার আমদানির নামে এলসি খুলে বিল পরিশোধ করলেও অনেক ক্ষেত্রে পণ্য দেশে আসছে না। কর ফাঁকির মাধ্যমেও টাকা পাচার হচ্ছে। উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, নির্বাচনের আগে এ প্রবণতা বাড়ছে। এভাবে নানা উপায়ে দেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে। যদিও সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায়ের কেউ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির (জিএফআই) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থ পাচার বেড়েছে। অর্থ পাচারের দিক থেকে শীর্ষ ১০০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৪০তম। এনবিআর সূত্র বলেছে, উচ্চ করহারের কারণে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি-রফতানির আড়ালে বিপুল অর্থ পাচার হয়।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব উভয়ই কমেছে। আলোচ্য সময়ে দেশি বিনিয়োগ নিবন্ধন হয়েছে প্রায় ৯৭ হাজার কোটি টাকার, যা আগের অর্থবছরের একই সময় ছিল প্রায় এক লাখ কোটি টাকা। অপরদিকে একই অর্থবছরের ফেব্র্রুয়ারি পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ নিবন্ধন হয়েছে ৯৩০ কোটি ডলারের। অথচ গত অর্থবছরের এই সময়ে ছিল দেড় হাজার কোটি ডলার।

সম্প্রতি বাংলাদেশে আশানুরূপ বিনিয়োগ না হলেও মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি থেমে নেই। আসলে পণ্য আমদানি হচ্ছে, নাকি আমদানির আড়ালে দেশ থেকে অর্থ পাচার হচ্ছে- এ নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তদারকি ব্যবস্থা দুর্বল থাকায় এটা বন্ধ হচ্ছে না। প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে মোট ৫ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার মূল্যের আমদানি হয়। এর মধ্যে শুধু মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি দেখানো হয়েছে এক হাজার ৪৫৬ ডলার। অর্থাৎ এক লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা, যা মোট আমদানির ২৫ শতাংশ। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেশি। যেখানে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ২৫ শতাংশের বেশি। সামগ্রিক আমদানির তুলনায় মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ বলে মনে করেন সংশ্নিষ্টরা।

চলতি অর্থবছরেও একই প্রবণতা অব্যাহত আছে। গত জুলাই-আগস্টে আমদানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অথচ মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বেড়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। এ সময়ে ২৪৯ কোটি ডলারের মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি দেখানো হয়েছে, যা মোট আমদানির ২৬ শতাংশের বেশি। এদিকে বিপুল পরিমাণের আমদানি দায় মেটাতে গিয়ে চাপে পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ কমে নেমে এসেছে ৩২ বিলিয়নে, যা গত বছর ৩৩ বিলিয়নের ওপরে ছিল।

ব্যাংকাররা জানান, মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বাড়লে সাধারণত শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ ব্যাপক বাড়ে। কিন্তু তেমনটি দেখা যাচ্ছে না। গত মার্চ পর্যন্ত শিল্প খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৩ শতাংশের কম। অথচ সামগ্রিকভাবে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ১৮ শতাংশ। ঋণ প্রবৃদ্ধির এ অসামঞ্জস্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ প্রসঙ্গে বেসরকারি খাতের একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সমকালকে বলেন, মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বৃদ্ধির মানে নতুন কারখানা স্থাপন বা কারখানা সম্প্রসারণ। আর এ রকম হলে ব্যাংক খাতে ঋণ চাহিদা ব্যাপক বেড়ে যায়। তবে তেমনটি দেখা যাচ্ছে না। মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির নামে দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়ে যাওয়ায় এমনটি হচ্ছে বলে তার ধারণা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের আগস্ট পর্যন্ত বেসরকারি খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ১০ হাজার ১৬৬ কোটি টাকা। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৫ শতাংশ বেশি। অবশ্য গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ঋণ প্রবৃদ্ধি ১৯ দশমিক ০৬ শতাংশে উঠেছিল। তবে ঋণের নামে অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে- এ রকম অভিযোগ ওঠার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেয়। গত বছরের জানুয়ারিতে এক নির্দেশনার মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর ঋণ-আমানত অনুপাত কমিয়ে দেওয়া হয়।

যোগাযোগ করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ সমকালকে বলেন, মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি যেভাবে বেড়েছে সে হারে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান হচ্ছে না। এই প্রবণতার অর্থই হচ্ছে মূলধনী যন্ত্রপাতির আড়ালে দেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে। বিষয়টি সরকারের সংশ্নিষ্ট সংস্থার তদন্ত করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। সাবেক এই গভর্নর মনে করেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ থাকলে এত টাকা পাচার হতো না। তার মতে, নির্বাচন এলেই টাকা পাচার হয়। এ জন্য রাজনৈতিক সংস্কৃৃতির উন্নয়ন প্রয়োজন।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক কর্মকর্তা ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ক্ষমতা পরিবর্তনের সময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এটা অনেককে অর্থ পাচারে প্ররোচিত করে। তিনি আরও বলেন, আমদানি পর্যায়ে পাচারকৃত অর্থের বড় একটি অংশ যায় মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির আড়ালে। কারণ এসব পণ্য আমদানিতে নূ্যনতম শুল্ক্কহার থাকে। ফলে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে শুল্ক্ক ফাঁকির মাধ্যমে টাকা পাচার করা সহজ।

আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং অবকাঠামো খাতের মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের কারণে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কিছু বাড়তে পারে। কিন্তু অস্বাভাবিকভাবে বাড়লে তা অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের বিষয়টি যৌথভাবে তদন্ত করা উচিত বলে মনে করেন তিনি। শিল্প খাতে ঋণ বিতরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে ঋণ বৃদ্ধির বিষয়টি সন্দেহজনক। ঋণের টাকা নির্বাচনের কাজে ব্যবহারের আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, সম্প্রতি মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির বেশি প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। এখানে বেশি মূল্য দেখানো হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে।

এনবিআর সূত্র বলছে, সাধারণত শূন্য শুল্ক্ক বা যেসব পণ্যের শুল্ক্কের হার কম থাকে, সেসব পণ্য আমদানিতে মিথ্যা ঘোষণা বেশি হয়। বর্তমানে শিল্পে ব্যবহূত ক্যাপিটাল মেশিনারিজ বা মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি শুল্ক্ক ১ শতাংশ। এনবিআরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, শিল্প স্থাপনের নামে যে পরিমাণ মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি হয়, বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায় না।

জানা যায়, টাকা পাচার বন্ধে আইনের সংস্কার হলেও তা কমেনি, বরং বেড়েছে। দেশ থেকে টাকা পাচার বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও দুদকের তিনটি আইন থাকলেও টাকা পাচার অব্যাহত রয়েছে। মূলত এই তিনটি সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় এসব আইনের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইনটি ২০১২ সালে আরও শক্তিশালী করা হয়। এতে টাকা পাচার সংক্রান্ত যে কোনো ঘটনা তদন্তের যুগপৎ ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ব্যাংক, এনবিআর ও দুদক প্রতিনিধিদের পাশাপাশি পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়। কিন্তু সুফল মিলছে না।

পরের
খবর

'ক্যালেন্ডার গার্লস' প্রতিযোগিতার আবেদন ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত


আরও খবর

অর্থনীতি

  অনলাইন ডেস্ক

এই প্রজন্মের সম্ভাবনাময়ী তরুণীরা সর্বদা নিজেদেরকে প্রমাণ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। তাদের সুপ্ত প্রতিভাগুলো বিকশিত করার লক্ষ্যে এসিআই স্যান্ডালসোপ 'ক্যালেন্ডার গার্লস ২০১৯' নামে দেশব্যাপী একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে।

আগ্রহী প্রতিযোগীরা প্রাথমিকভাবে তাদের সেরা ছবিগুলো এসিআই স্যান্ডাল সোপ-এর ফেসবুক এবং ইন্সটাগ্রাম পেইজে জমা দিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে বিভিন্ন গ্রুমিং সেশন এর মাধ্যমে ছয়জন বিজয়ী ঘোষণা করা হবে; যারা সুযোগ পাবে এসিআই স্যান্ডাল সোপ-এর এক্সক্লুসিভ ক্যালেন্ডার-এ নিজেদের মডেল হিসেবে উপস্থাপন করতে।

অংশগ্রহণের শেষ তারিখ ১৮ নভেম্বর এবং বয়স সীমা ১৮-২৬ বছর। প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন ফেসবুক পেজ facebook.com/acisandalsoap/এবং ইন্সটাগ্রাম পেজ instagram.com/acisandalsoap/। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পরের
খবর

ঋণখেলাপি হয়েও ব্যাংক পরিচালক


আরও খবর

অর্থনীতি
ঋণখেলাপি হয়েও ব্যাংক পরিচালক

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ওবায়দুল্লাহ রনি

ঢাকা ব্যাংকের পরিচালক এমএনএইচ বুলু ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মিরপুর রোড শাখার একজন ঋণখেলাপি। ইউনিয়ন ব্যাংকের পরিচালক শাহেদুল হক খেলাপি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের গুলশান শাখার। আইন অনুযায়ী, ঋণখেলাপি কোনো ব্যক্তি ব্যাংকের পরিচালক থাকতে পারেন না। তবে তথ্য গোপন করে এ দু'জনই পরিচালক পদে বহাল আছেন। আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে ঋণখেলাপি পরিচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়ম থাকলেও এক্ষেত্রে তা করা হয়নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বিষয়টি ধরা পড়ার পর প্রশ্নের মুখে পড়েছে বিআরপিডি। শুধু এ দু'জন নন, ঋণখেলাপি আরও অনেকের ব্যাংকের পরিচালক পদে বহাল থাকার ঘটনা রয়েছে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, ব্যাংকের পরিচালকদের স্বার্থসংশ্নিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া ছাড়াও কোনো কোনো পরিচালকের বেনামি ঋণ থাকার তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। যোগসাজশের মাধ্যমে একে অন্যের ব্যাংক থেকে তুলনামূলক কম সুদে এবং সক্ষমতার তুলনায় বেশি ঋণ নেওয়ার ঘটনাও রয়েছে। ব্যাংকের এমডি বা কর্মকর্তারা বিষয়টি জানলেও ঋণ আদায়ে অনেক ক্ষেত্রে ভয় পান। ফলে এসব ঋণের একটি অংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালকদের নামে এক লাখ ৪৭ হাজার ৫২৯ কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ চার হাজার কোটি টাকা।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালক পদে থাকা এসএ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন আলমকে গ্রেফতারের পর ঋণখেলাপি হয়েও পরিচালক পদে থাকার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গত ১৭ অক্টোবর গুলশানের একটি কফি হাউস থেকে শাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। একাধিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার মালিকানাধীন বিভিন্ন কোম্পানির ৩ হাজার ৬২২ কোটি টাকার ঋণের বেশিরভাগই এখন খেলাপি। শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানায় প্রতারণা, জালিয়াতি ও ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত ১২০টি মামলা রয়েছে। কয়েক মাস আগে জাতীয় সংসদে প্রকাশিত শীর্ষ ঋণখেলাপির তালিকায়ও তার নাম ছিল। এ রকম আরও অনেকে খেলাপি হয়েও ব্যাংকের পরিচালক পদে বহাল আছেন।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি ব্যাংকের পরিচালক থাকতে পারেন না। তবে উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে অনেকেই পরিচালক পদে বহাল রয়েছেন। আবার অনেক পরিচালক আদালতের নির্দেশে খেলাপি ঋণ নিয়মিত দেখানোর সুযোগ পাচ্ছেন। তবে ইউসিবিএলের মিরপুর শাখায় এমএনএইচ বুলুর ৫৮ কোটি টাকা এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের গুলশান শাখায় শাহেদুল হকের ৬১ কোটি ৫ লাখ টাকার খেলাপি ঋণের তথ্য এসবের বাইরে ছিল। সংশ্নিষ্ট ব্যাংক এ তথ্য গোপন করে তাদের পরিচালক থাকার সুযোগ করে দিয়েছে। যদিও ইউসিবিএলের মিরপুর রোড ছাড়াও প্রিন্সিপাল, গুলশান, বসুন্ধরা, তেজগাঁও, পান্থপথ ও বনানী শাখায় বুলুর মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অন্তত ৩৫০ কোটি টাকার ঋণখেলাপি রয়েছে। তবে এসব খেলাপি ঋণের বিপরীতে আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নেওয়া থাকলেও মিরপুর রোড শাখার ক্ষেত্রে তা ছিল না। এমএনএইচ বুলু বিএনএস গ্রুপের কর্ণধার। ১০৯ কোটি টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং প্রায় ২৫ কোটি টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত ৭ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

সূত্র জানায়, বুলু ও শাহেদুল হকের বিষয়ে গত ২ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগ থেকে বিআরপিডিতে একটি চিঠি দেওয়া হয়। বিআরপিডির মহাব্যবস্থাপক বরাবর লেখা চিঠিতে বলা হয়, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে ওই দুই ব্যক্তি ঋণখেলাপি হওয়ার পরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বুলুর তথ্য গোপনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগের ২০১৭ সালের ডিসেম্বর-ভিত্তিক পরিদর্শন প্রতিবেদনে ধরা পড়ে। আর শাহেদুল হকের খেলাপির তথ্য উঠে এসেছে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর-ভিত্তিক পরিদর্শন প্রতিবেদনে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় এখন ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের বক্তব্য চাওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে এমএনএইচ বুলু সমকালকে বলেন, নানান ঝামেলার কারণে সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। এজন্য কয়েক মাস ঢাকা ব্যাংকের পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। ঢাকা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠিয়েছে। ২০১৭ সালে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মিরপুর রোড শাখার ঘটনা উল্লেখ করলে তিনি বলেন, তখন পরিচালক ছিলাম। তবে এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ ছিল। যদিও ঢাকা ব্যাংকের ওয়েবসাইটে এখনও পরিচালক হিসেবে এমএনএইচ বুলুর নাম রয়েছে।

ঋণখেলাপির দায়ে সম্প্রতি নতুন প্রজন্মের সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের দুই পরিচালককে অনাপত্তি দেয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এদের মধ্যে এগ্রোভিটা গ্রুপের কর্ণধার এম মোয়াজ্জেম হোসেন সম্প্রতি আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে পরিচালক পদে বহাল হয়েছেন। আর রতনপুর গ্রুপের কর্ণধার মাকসুদুর রহমান পরিচালক পদ ফিরে পেতে নানা উপায়ে চেষ্টা করছেন। মাকসুদুর রহমান সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া শাহাবুদ্দিন আলমের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। সাউথ বাংলা ব্যাংক থেকে ২৫ কোটি টাকার বেনামি ঋণ নিয়ে আর ফেরত না দেওয়ায় পরিচালক পদ হারিয়েছেন তিনি। এর বাইরে বিভিন্ন ব্যাংকে তার বিপুল অঙ্কের ঋণ রয়েছে। ২০১৫ সালে তিন ব্যাংকে তিনি ৮১২ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠন করেন। এসব ঋণের বড় অংশই এখন খেলাপি। এ ছাড়া ব্যাংকটির আরেক পরিচালক সান মুন গ্রুপের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়ে পরিচালক পদে বহাল আছেন। এ রকম আরও অনেক পরিচালক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার বিরুদ্ধে স্থগিতাদেশ নিয়ে বহাল আছেন। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সংশ্নিষ্ট ব্যাংক থেকে এসব ক্ষেত্রে পাল্টা আইনি ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, যে কোনো শাখায় ঋণখেলাপি হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ দু'জনের ক্ষেত্রে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি সংশ্নিষ্ট বিভাগের জবাব পাওয়ার পর বোঝা যাবে। তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপিরা বড় আইনজীবীর মাধ্যমে পদক্ষেপ নেন। আরেকজন আইনজীবীর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়াটা অনেক ব্যয়বহুল। যে কারণে স্থগিতাদেশের পর সবসময় আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না।

জানতে চাইলে ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবির চেয়ারম্যান ও বেসরকারি এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার সমকালকে বলেন, ঋণখেলাপি হলে আইন অনুযায়ী এমনিতেই পরিচালক পদ চলে যায়। এখন খেলাপি হয়েও কেউ যদি আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নেন, এক্ষেত্রে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা ছাড়া ব্যাংকের কিছু করার থাকে না।