অর্থনীতি

সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কার পেল ১২ ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠান

প্রকাশ : ১২ মে ২০১৮

সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কার পেল ১২ ব্যক্তি ও দুই প্রতিষ্ঠান

বছরের সেরা সৃজনশীল ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা বিভাগে বিজয়ী হয়েছে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রুহুল মতিনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয় -সমকাল

   সমকাল প্রতিবেদক

বিভিন্ন ক্ষুদ্র উদ্যোগের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখায় ১২ উদ্যোক্তা ও দুই প্রতিষ্ঠান সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কার পেয়েছে। শনিবার রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

এতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সিটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুরস্কারের ভারপ্রাপ্ত উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারপারসন রোকেয়া আফজাল রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিটি ব্যাংক এনএ বাংলাদেশের কান্ট্রি অফিসার এন. রাজাশেকারান (শেখর), সাজেদা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদা ফিজ্জা কবির, ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ফোরামের নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুল আউয়ালসহ বিশিষ্টজনেরা।

সিটি ফাউন্ডেশন ১৩তম বারের মতো এ পুরস্কার প্রদান করে।

চারটি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের প্রত্যেককে ক্রেস্ট ও অর্থ মূল্য তুলে দেন অতিথিরা। উদ্যোক্তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিভাগে বিজয়ীকে পুরস্কার হিসাবে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেওয়া হয়। বাকি তিন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা প্রত্যেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা করে পেয়েছেন। এছাড়া প্রত্যেক কাটাগরিতে প্রথম রানার-আপ দেড় লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় রানার-আপ পেয়েছেন এক লাখ টাকা করে।

বছরের সেরা সৃজনশীল ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা বিভাগে বিজয়ী হয়েছে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ও বছরের সেরা ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা হয়েছে মমতা। সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রুহুল মতিনের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এবার শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের নিশ্চিন্তপুরের মাসুমা খানম। প্রথম রানার-আপ হয়েছেন পাবনার আটঘরিয়ার মো. সিরাজুল ইসলাম ও দ্বিতীয় রানার-আপ মো. সলিম উদ্দিন। শ্রেষ্ঠ নারী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হয়েছেন ফরিদপুরের টেপাখোলার খালেদা আক্তার, প্রথম রানার-আপ হয়েছেন বগুড়ার শিবগঞ্জের মিলি খাতুন ও দ্বিতীয় রানার-আপ হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের জাকিয়া আফরিন মুক্তা। শ্রেষ্ঠ তরুণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হয়েছেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার মো. শাহিনুর রহমান। প্রথম রানার-আপ হয়েছেন মেহেরপুরের মুজিবনগরের সাহিদা খাতুন ও দ্বিতীয় রানার-আপ ঢাকার উম্মে শায়লা রুমকী।

শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্র কৃষি উদ্যোক্তা হয়েছেন সাতক্ষীরার কলারোয়ার মো. সাইফুল্লাহ গাজী। প্রথম রানার-আপ হয়েছেন কুষ্টিয়া সদরের বিউটি বেগম ও দ্বিতীয় রানার-আপ রাঙ্গামাটির তবলছড়ির শ্যামল বসু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বন ও পরিবেশমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সব চেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে ক্ষুদ্র শ্রেণির ব্যক্তিরা। যদিও তারা নানাভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের মানবকল্যাণমুখী সংগঠন সিটি ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সিটি ব্যাংক এনএ ছাড়াও সাজেদা ফাউন্ডেশন ও ক্রেডিট অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ফোরাম (সিডিএফ) উদ্যোগে সহায়তা করে। বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে অবদান রাখছে তার স্বীকৃতি প্রদানের পাশাপাশি ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপনের উদ্যোগকে উৎসাহিত করা এ পুরস্কারের প্রধান লক্ষ্য।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

দারাজ-হাইটেক ফার্নিচারের মধ্যে চুক্তি সই


আরও খবর

অর্থনীতি

  অনলাইন ডেস্ক

দেশের সেরা অনলাইন মার্কেট প্লেস, দারাজ বাংলাদেশ (daraz.com.bd) এর সঙ্গে চুক্তি সই করেছে হাই-টেক ফার্নিচার। হাই-টেক ফার্নিচার একটি সুপ্রতিষ্ঠিত ফার্নিচার কোম্পানি।

বিগত প্রায় ১০ বছর যাবত প্রতিষ্ঠানটি সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছে। রাজধানী ছাড়াও চট্টগ্রাম, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ শহরেরেই হাই- টেক ফার্নিচারের মোট ১৩ টি নিজস্ব শো রুম রয়েছে।

হাই-টেক ফার্নিচারের সঙ্গে চুক্তির ফলে এর মানসম্পন্ন, সুদৃশ্য ও রুচিশীল ফার্নিচারগুলো এখন দারাজে পাওয়া যাবে। 

ফার্নিচারের পক্ষ থেকে এসময় উপস্থিত ছিলেন মাহমুদবিনআমিন, পরিচালক; এহসান জিয়া , মহাব্যবস্থাপক  সামিউল বাসির, হেড অব সেলস, আহমেদ হোসাইন , প্রশাসন এবং রাকিবুল হক ব্রান্ডিং।

দারাজ বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন জুবাইর হোসেন, হেড অফ হোম অ্যান্ড লিভিং ক্যাটাগোরি; সাইমুন সানজিদ চৌধুরি, হেড অফ একুইজিশন এবং আয়েশা আতিফ, এক্সিকিউটিভ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ইউরোপে বাংলাদেশি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ টার্গেট


আরও খবর

অর্থনীতি

  অনলাইন ডেস্ক

দেশের বাজারে  ঈশর্ণীয় সাফল্যের পর এবার ওয়ালটনের লক্ষ্য বিশ্ববাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করা। এ লক্ষে ইতোমধ্যেই এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা অঞ্চলের ২০টিরও বেশি দেশে পণ্য রপ্তানি করছে ওয়ালটন। এবার টার্গেট ইউরোপে বাংলাদেশি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ। 

লক্ষ্য অর্জনে নেয়া হয়েছে ব্যাপক পরিকল্পনা। জার্মানি ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে স্থাপন করা হয়েছে ওয়ালটনের অফিস। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বাণিজ্য মেলায় অংশ নিচ্ছে ওয়ালটন। প্রথমবারের মতো ইউরোপের বাজার টার্গেট করে জার্মানির চিলভেন্টা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নিল ওয়ালটন। 

গত ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর জার্মানির নূরেমবার্গ এক্সিবিশন সেন্টারে চিলভেন্টা ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় রেফ্রিজারেটর, কম্প্রেসর, এসি অ্যান্ড ভেন্টিলেশন এবং হিট পাম্পস উৎপাদনকারী বিশ্বের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শিত হয়। 

২০০৮ সালে প্রথম চিলভেন্টা ফেয়ার হয়। প্রতি দুই বছর পর পর আন্তর্জাতিক এই মেলা বসে। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ মেলায় অংশ নিয়েছিল বিশ্বের ৯৮১টি প্রতিষ্ঠান। চিলভেন্টার ইতিহাসে এবারই প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে অংশ নিয়েছে ওয়ালটন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ৬৩ শতাংশই ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে আসেন। বাকি ইউরোপ থেকে আসেন ১৭ শতাংশ। এছাড়া, ১৫ শতাংশ আসেন অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া এবং আফ্রিকা থেকে। আমেরিকা থেকে আসেন ৬ শতাংশ। মেলায় অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৯৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান নতুন ব্যবসায়িক ক্ষেত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়।

ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ জানায়, চিলভেন্টা ফেয়ারের ৭ নাম্বার হলে ছিলো ওয়ালটনের স্টল। যেখানে প্রদর্শিত হয় বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, কম্প্রেসর, এয়ার কন্ডিশনারসহ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সলিউশনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। 

এর মধ্যে রয়েছে রেফ্রিজারেটরের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ, ফিন টাইপ ইভাপোরেটর, ওয়্যার টাইপ ইভাপোরেটর, ফিল্টার ড্রায়ার, অ্যাকুমিলেটর, এমএস টিউব, ডোর সুইচ, এলইডি লাইট, পাওয়ার কর্ড, প্যাকেজিং আইটেম, কম্প্রেসরের কাস্টিং কমপোনেন্টস, এসির পিসিবি বোর্ড, ব্লোয়ার, ফ্যান ব্লেড, রিমোর্ট এবং স্ক্রু ইত্যাদি। 

চিলভেন্টা ফেয়ারে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা ওয়ালটন স্টল পরিদর্শন করেন। উদ্বোধনী দিনে ওয়ালটন স্টলে আসেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ এবং কমার্শিয়াল কাউন্সিলর ড. সৈয়দ মাসুম আহমেদ চৌধুরী। তারা উচ্চমানের প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে ওয়ালটনের সাহসী উদ্যেগের প্রশংসা করেন। তারা ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের ওয়ালটনকে স্বাগত জানান।

ওয়ালটন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগের প্রধান (উন্নত দেশ) আবদুর রউফ জানান, ইউরোপের বাজারে রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনারের যন্ত্রাংশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কারণ ইউরোপের বেশিরভাগ কোম্পানি নিজেরা কোনো যন্ত্রাংশ তৈরি করে না; বিভিন্ন দেশ থেকে যন্ত্রাংশ কিনে সংযোজন করে। যার ফলে ইউরোপে রেফ্রিজারেটর এবং এসির যন্ত্রাংশের বড় বাজার উন্মুক্ত রয়েছে। আর এই বাজার ধরতেই চিলভেন্টা ফেয়ারে অংশ নেয় ওয়ালটন। 

তিনি আরও জানান, ওয়ালটন এখন বিভিন্ন পণ্যের কাঁচামাল এবং কেমিক্যাল তৈরি করছে। গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটনের রয়েছে নিজস্ব কম্প্রেসর কারখানা। সেখানে তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের বিদ্যুত সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব কম্প্রেসর। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কম্প্রেসরের কাস্টিং পার্টস এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশ তৈরির যন্ত্রাংশ রপ্তানি করছে ওয়ালটন। 

ওয়ালটন রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার এবং কম্প্রেসরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আম্বিয়া জানান, ওয়ালটনের তৈরি কম্প্রেসরের যন্ত্রাংশ শতভাগ ইউরোপীয়ান স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী তৈরি। কারখানায় ইউরোপীয়ান প্রযুক্তি ও মেশিনারিজ ব্যবহৃত হচ্ছে। যার ফলে ইউরোপে ওয়ালটনের তৈরি কম্প্রেসর এবং এর যন্ত্রাংশের ব্যাপক সম্ভাবনাময় বাজার রয়েছে। ওই বাজার টার্গেট করে ব্যাপক বিপণন পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। জার্মানির স্টুটগার্ট শহরে স্থাপন করা হয়েছে ওয়ালটনের নিজস্ব অফিস। যেখানে বাংলাদেশ থেকে তরুণ মেধাবী প্রকৌশলী এবং বিপণন কর্মীসহ ইউরোপীয় নাগরিকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। 

এছাড়াও, আন্তর্জাতিক বিপণন নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে যুক্তরাজ্য, চীন এবং থাইল্যান্ডেও অফিস স্থাপন করেছে বাংলাদেশি এই প্রতিষ্ঠান।

ওয়ালটনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম বলেন, ইলেকট্রনিক্স পণ্য ও যন্ত্রাংশে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ একটি স্বপ্ন ছিল। ওয়ালটন সেই স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে বাংলাদেশে তৈরি ওয়ালটন পণ্য ও এর যন্ত্রাংশ। যার ফলে ব্র্যান্ডিং হচ্ছে বাংলাদেশের। আসছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। 

এখন টার্গেট আমেরিকা, ইউরোপের মতো উন্নত বিশ্বে বাংলাদেশে তৈরি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ। চিলভেন্টা ফেয়ারে ওয়ালটনের অংশগ্রহণ এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। তার মতে, বাংলাদেশ হতে যাচ্ছে বিশ্বের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের হাব বা কেন্দ্র। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

পরের
খবর

দারাজের '১১.১১' ক্যাম্পেইনে ৮৩% পর্যন্ত ছাড়


আরও খবর

অর্থনীতি

  অনলাইন ডেস্ক

ই-কমার্স কোম্পানি দারাজ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করতে যাচ্ছে '১১.১১' ক্যাম্পেইন, যার আওতায় গ্রাহকরা পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৮৩ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট বা ছাড় পাবেন। 

২০০৯ সালে আলিবাবা '১১.১১' ক্যাম্পেইন প্রথম চালু করে। এক দশক পরে এই ক্যাম্পেইন বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।

এই ইভেন্টের বিশেষ আকর্ষণ হল- ১১ টাকায় ডিল, মিস্ট্রি বক্স, ডাবল টাকা ভাউচার, ফ্ল্যাশ সেল, ব্র্যান্ড ভাউচার, ব্যাংক ডিসকাউন্ট এবং আরো অনেক কিছু।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠেয় এই ক্যাম্পেইন উপলক্ষে দারাজ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন, ‘দারাজ অ্যাপ আপনার জন্য কি নিয়ে এসেছে তা একবার বুঝে গেলে আপনি পরিষ্কারভাবে অনুভব করতে পারবেন- ১১.১১ এর আগের এবং পরের দারাজের মধ্যকার আকাশ-পাতাল পার্থক্য। এবারের ক্যাম্পেইনটি বাংলাদেশের ই-কমার্স ইতিহাসে একটি অভিনব দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। ১১.১১ ক্যাম্পেইনটি শুধুমাত্র ডিল এবং ছাড়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি আমাদের সমগ্র ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের মধ্যে আনবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় পার্সোনালাইজেশন, বিনোদন, আকর্ষণীয় ডিল, সুরক্ষিত পেমেন্ট সমাধান এবং ৪ লাখেরও বেশি একটি পণ্যভাণ্ডার।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর