অন্যান্য

৪১ শতাংশ বিক্রয় প্রবৃদ্ধি অর্জন মার্সেলের

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

৪১ শতাংশ বিক্রয় প্রবৃদ্ধি অর্জন মার্সেলের

  অনলাইন ডেস্ক

২০১৮ সালে দেশের বাজারে পণ্য বিক্রিতে ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে মার্সেল। আগামি বছর ৮২ শতাংশ বা দ্বিগুণ প্রবৃদ্ধির টার্গেট নেওয়া হয়েছে। দেশের অন্যতম শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্র্যান্ড মার্সেলের নতুন পরিবেশকদের নিয়ে দিনব্যাপী সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম। 

সোমবার রাজধানীর মার্সেল করপোরেট অফিসে ‘মিট দ্য নিউ ডিস্ট্রিবিউটরস ২০১৮’ শীর্ষক দিনব্যাপী ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সারা দেশের বিভিন্ন জোন থেকে মার্সেলের দেড় শতাধিক নতুন ডিস্ট্রিবিউটর বা পরিবেশক অংশ নেন। সম্মেলনে নতুন ডিস্ট্রিবিউটরদের ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনের আধুনিক কলাকৌশল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এর আগে সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মার্সেলের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম নুরুল আলম রেজভী, পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম, এস এম মঞ্জুরুল আলম, জাকিয়া সুলতানা, তাহমিনা আফরোজ তান্না এবং রাইসা সিগমা হিমা। 

এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মার্সেলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, এমদাদুল হক সরকার, নজরুল ইসলাম সরকার, এসএম জাহিদ হাসান, হুমায়ূন কবীর, মোহাম্মদ রায়হান, উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব) চৌধুরী হাসান সোহরাওয়ার্দী, হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান মো. মোজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মার্সেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চিত্রনায়ক আমিন খান।

অনুষ্ঠানে ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম নুরুল আলম রেজভী বলেন, ২০০৮ সালে মার্সেল তার যাত্রা শুরু করে। খুব দ্রুত ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজারে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান করে নিয়েছে, যা দেশ-বিদেশের যে কোনো ব্র্যান্ডের কাছেই অনুকরণীয়। এক সময় আমাদের দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার ছিল আমদানি নির্ভর। আজ ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে বিদেশেও। সেদিন আর খুব বেশি দূরে নেই যেদিন বিদেশি কোনো ব্র্যান্ড বাংলাদেশের পণ্যের কাছে দাঁড়াতে পারবে না। বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের রাজধানী। আর তাতে নেতৃত্ব দেবে মার্সেল।

নতুন পরিবেশকদের মার্সেল পরিবারে স্বাগত জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, মার্সেলই বাংলাদেশের সেরা ফ্রিজ, টিভি, এসিসহ বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স তৈরি করছে। যার ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মার্সেল পণ্যের চাহিদা। বিশেষ করে মার্সেল ব্র্যান্ডের ফ্রিজ সব ধরনের ক্রেতার মন জয় করেছে।  

তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালে আমাদের লক্ষ্য ছিল বিক্রয় প্রবৃদ্ধি এবং ডিস্ট্রিবিউটর বাড়ানো। আমরা আমাদের লক্ষ্য ছাড়িয়ে যেতে পেরেছি। এ বছর জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১৮৯ জন নতুন ডিস্ট্রিবিউটর মার্সেলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আমাদের টার্গেট ২০১৯ সালে দেশের বাজারে ৩ লাখ ৬০ হাজার ফ্রিজ বিক্রি করা।

মার্সেলের সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান মো. মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ক্রেতাদের বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানে তারা শতভাগ আন্তরিক। দ্রুত ও সর্বোত্তম সেবা দিতে সারা দেশব্যাপী মার্সেলের রয়েছে ৭১টি সার্ভিস পয়েন্ট এবং ৫টি মিনি সার্ভিস পয়েন্ট। 

সম্মেলনে মার্সেলের নতুন ডিস্ট্রিবিউটররা ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায় তাদের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সবশেষে ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

জমকালো অনুষ্ঠানে দারাজের অনলাইন মেলা ‘ইলেভেন ইলেভেন’ উদ্বোধন


আরও খবর

অন্যান্য

  অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন মেলা ‘ইলেভেন ইলেভেন’ উদ্বোধন উপলক্ষে দারাজ আয়োজন করে জাঁকজমকপূর্ণ গালা নাইট। শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে এই গালা নাইট অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি দেশের ৫টি টিভি চ্যানেল- এটিএন বাংলা, আরটিভি, আনন্দ টিভি, বাংলা টিভি ও নাগরিক টিভিতে সম্প্রচার হয় এবং এটির প্রোডাকশনে ছিল এনটিভি। এছাড়াও দারাজ অ্যাপ, দারাজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে লাইভ সম্প্রচারিত হয় ৪ ঘন্টার এই অনুষ্ঠান।

ইলেভেন ইলেভন (দারাজ ১১.১১ সেল) উপলক্ষে আয়োজিত গালা নাইটকে আরও উৎসবমুখর করে তুলতে আয়োজন করা হয়েছিল ট্রন ড্যান্স, ফ্যাশন শো এবং কনসার্ট, যেখানে পারফর্ম করেছেন দেশের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী জেমস ও কণা এবং দর্শক মাতানো ব্যান্ড নেমেসিস ও চিরকুট।

অনুষ্ঠান একাধিক কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়, যাতে অংশগ্রহণ করে দর্শকরা জিতে নেয় টেলিভিশন, স্মার্টফোনসহ আরও নানা উপহার। এই কুইজগুলোতে অংশগ্রহণ করার নিয়ম হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিউআর কোডকে; যা দারাজ অ্যাপের মাধ্যমে স্ক্যান করার পরেই দর্শক এতে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

ইভেন্টটির মুভিং পার্টনার ‘পাঠাও’, H2O পার্টনার ‘প্রাণ’, ফুটওয়্যার পার্টনার ‘অ্যাপেক্স’ এবং সফট ড্রিংকস পার্টনার হিসেবে ছিল ‘অরেঞ্জি’।

এছাড়া ইলেভেন ইলেভেন ক্যাম্পেইনের পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে আছে বিকাশ, সিটি ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, এন সি সি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ইউসিবি।

গালা নাইট উপলক্ষে দারাজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন- ‘বাংলাদেশের মানুষকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেল ডে উপহার দিতে পেরে আমরা গর্বিত এবং তা স্মরণীয় করে রাখতেই আমাদের এই গালা নাইটের আয়োজন। 

এই ক্যাম্পেইনে ৮৩ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পাওয়া যাবে নানা পণ্য। সকলকে আমন্ত্রণ জানাই, ১১ নভেম্বর এক দিনের এই অনলাইন উৎসবে অংশ নিয়ে লুফে নিন বিশাল ছাড়ে আপনার পছন্দের পণ্য। এখনই কার্টে পণ্য তুলে রাখুন, যাতে ১১ নভেম্বর শুরু হওয়া মাত্র চেক আউট করতে পারেন ডিসকাউন্টেড পণ্যগুলো। হ্যাপি শপিং!’  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নকিয়া ফোন বুকিং দিয়ে হেলিকপ্টারে ভ্রমণ


আরও খবর

অন্যান্য

  অনলাইন ডেস্ক

হেলিকপ্টারে ভ্রমণের সুযোগ পেলেন এইচএমডি গ্লোবাল ও সিএমপিএল নকিয়া ৬.১ প্লাস প্রি-বুকিং দেওয়া ৫ গ্রাহক।

এইচএমডি গ্লোবাল, হোম অব নকিয়া ফোন গত মাসের প্রথম সপ্তাহে তাদের ফ্লাগশিপ ডিভাইস নিতে যারা অগ্রিম বুকিং দিয়েছিলেন তাদের মধ্য থেকে ৫ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করে। 

তারা হলেন এসএম মোজাহিদ, মো: মিরাজ, শেখ সাদমান সাকিব, মো: জাকির হোসেন ও মো: সায়েদুর রহমান। ঢাকার অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে নরসিংদীতে যান তারা। আনন্দায়ক ভ্রমণ শেষে তারা আবার ঢাকা ফিরে আসেন।    

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে ফ্লাগশিপ নকিয়া ৬.১ প্লাস বাংলাদেশের বাজারে আনা হয়। 

পরের
খবর

সহজে ব্যবসার সূচকে এক ধাপ অগ্রগতি


আরও খবর

অন্যান্য
সহজে ব্যবসার সূচকে এক ধাপ অগ্রগতি

বিশ্বব্যাংকের 'ডুয়িং বিজনেস' রিপোর্টে বাংলাদেশ

প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  জাকির হোসেন

কোনো দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়ম-কানুন ও তার বাস্তবায়ন কতটুকু সহজ বা কঠিন তার ওপর বিশ্বব্যাংকের তৈরি সূচকে বাংলাদেশের এক ধাপ উন্নতি হয়েছে। তবে কোনো কোনো মানদণ্ডে বিশেষ করে ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে বাংলাদেশের অবস্থানের অবনতি হয়েছে। মূলত বিদ্যুৎ সংযোগের মানদণ্ডে উন্নতি হওয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান এক ধাপ এগিয়েছে। ডুয়িং বিজনেস-২০১৯ নামে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন গতকাল বুধবার ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১৭৬তম। ১০০ স্কোরকে সর্বোত্তম ধরে এবার বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়িয়েছে ৪১ দশমিক ৯৭, যা আগের বছরে ছিল ৪১ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৭৭তম। গত বছর এক ধাপ পিছিয়ে যায় বাংলাদেশ। তার আগের বছর দুই ধাপ এগিয়ে ছিল। গুণগত মান বিবেচনায় কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ মোটামুটি একই জায়গায় ঘুরপাক খাচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে পিছিয়ে আছে। ভারতের ২৩ ধাপ অগ্রগতি হয়েছে। দেশটির অবস্থান ১০০ থেকে এবার ৭৭ হয়েছে। আফগানিস্তান ১৬ ধাপ উন্নতি করে ১৬৭তম অবস্থানে গিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে গেছে। ভারতে ৬টি ক্ষেত্রে সংস্কার হয়েছে। আফগানিস্তানে হয়েছে ৫টি ক্ষেত্রে। বাংলাদেশে কোনো ক্ষেত্রে সংস্কার হয়নি বলে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১০টি নির্দেশক বা মানদণ্ডের মধ্যে ৬টির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান পিছিয়েছে। এগুলো হচ্ছে- ব্যবসা শুরু করা,  নির্মাণ কাজের অনুমোদন, ঋণপ্রাপ্তি, ক্ষুদ্র শেয়ারধারী বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা, দেউলিয়াত্ব ঠেকানো ও সীমান্ত বাণিজ্য। অন্যদিকে বিদ্যুৎ সংযোগ, সম্পত্তি নিবন্ধন ও কর প্রদান মানদণ্ডে উন্নতি হয়েছে। ব্যবসায়িক চুক্তি কার্যকর বিষয়ে একই অবস্থান আছে। চলতি বছরের ১ মে পর্যন্ত ডাটা বা উপাত্ত ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করার তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির স্কোর ১০০ এর মধ্যে ৮৬ দশমিক ৫৯। নিউজিল্যান্ডের পরে প্রথম ৫টি দেশের মধ্যে রয়েছে সিঙ্গাপুর, ডেনমার্ক, হংকং ও দক্ষিণ কোরিয়া। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলংকার অবস্থান ১০০তম, ভুটান ৮১তম, নেপাল ১১০তম, মালদ্বীপ ১৩৯তম এবং পাকিস্তানের অবস্থান ১৩৬তম।

মতামত জানতে চাইলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম সমকালকে বলেন, বাংলাদেশের সামান্য উন্নতি হয়েছে। অন্যান্য দেশ বেশি উন্নতি করায় অবস্থানে মাত্র এক ধাপ এগিয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি মানদণ্ডে উন্নতির জন্য কোনো মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কী দায়িত্ব তা বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবায়ন পর্যায়ে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। এবারের অবস্থান থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আগামী ৫ বছর নাগাদ বাংলাদেশের অবস্থান ১০০-এর মধ্যে আসবে বলে তিনি আশাবাদী। কেননা বিনিয়োগকারীদের জন্য ওয়ানস্টপ সার্ভিস আইন পাস হয়েছে। এই সেবা খুব শিগগিরই চালু হবে।

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ মাশরুর রিয়াজ সমকালকে বলেন, গুণগতভাবে বাংলাদেশের অবস্থানের উন্নতি হয়নি। এর কারণ, যেসব সংস্কার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, তার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন হয়নি। অবস্থানের দৃশ্যমান উন্নতির জন্য ওয়ানস্টপ সার্ভিস আইন দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। বিডার সঙ্গে সংশ্নিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সমন্বয় বাড়াতে হবে। এখানে ঘাটতি আছে বলে মনে হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর্যায়ে আছে। ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ করতে বড় সংস্কারে না গেলে বাংলাদেশের এ অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে।

কোন মানদণ্ডে কী অবস্থা :ব্যবসা শুরু করার মানদণ্ডে গত বছর অবস্থান ছিল ১৩১তম। এবার পিছিয়ে ১৩৮তম হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে কোনো ব্যবসা শুরু করতে ৯টি প্রক্রিয়া রয়েছে, যা অনেক বেশি। নিউজিল্যান্ডে মাত্র একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। ব্যবসা শুরু করতে সময়ে লাগে ১৯ দশমিক ৫ দিন। অনেক দেশে এক্ষেত্রে মাত্র ১ দিনের মধ্যে অনুমোদন পাওয়া যায়। নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে অবস্থান গত বছরের ১৮৫তম থেকে কিছুটা উন্নতি হয়ে ১৭৯তম হয়েছে। আগে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে সময় লাগত ৪০৪ দিন। এখন তা কমে ১৫০ দিন হয়েছে। সম্পত্তি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে অবস্থান ১৮৫তম থেকে পিছিয়ে ১৮৩তম স্থানে বাংলাদেশ। তবে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে এখনও আগের মতো ৮টি প্রক্রিয়া রয়েছে। নিবন্ধনে সময় লাগে ২৭০ দিন। ব্যবসায়িক চুক্তি কার্যকরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে রয়েছে। এক্ষেত্রে ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৯তম। ক্ষুদ্র শেয়ারহোল্ডার বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষায় ৭৬তম থেকে পিছিয়ে ৮তম স্থান এবং দেউলিয়াত্ব পরিস্থিতি সামলানোর ক্ষেত্রে ১৫২ থেকে পিছিয়ে ১৫৩তম অবস্থানে গেছে বাংলাদেশ। কর পরিশোধ মানদণ্ডে ১৫২ থেকে এগিয়ে ১৫১তম এবং ঋণপ্রাপ্তির মানদণ্ডে ১৫৯ থেকে ১৬১তম অবস্থানে নেমেছে বাংলাদেশ।