অন্যান্য

প্রাইজবন্ডে প্রথম পুরস্কার জিতল ০৪২০২২৪ নম্বর

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৮

প্রাইজবন্ডে প্রথম পুরস্কার জিতল ০৪২০২২৪ নম্বর

ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রাইজবন্ডের ১০০ টাকা মূল্যমানের ৯৩তম 'ড্র' অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ঢাকা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন ও আইসিটি) মো. সেলিম রেজার সভাপতিত্বে কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে ড্র পরিচালিত হয়। 

এবারে প্রথম পুরস্কার জিতেছে প্রত্যেক সিরিজের ০৪২০২২৪ নম্বর এবং দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছে ০০৭৫৩৭৪ নম্বর। একক সাধারণ পদ্ধতি তথা প্রত্যেক সিরিজের একই নম্বরে প্রাইজবন্ডের ড্র পরিচালত হয়। এবারে ৫৩টি সিরিজের ৪৬টি সাধারণ সংখ্যার মোট দুই হাজার ৪৩৮টি নম্বর পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছে।

একশ' টাকা মূল্যমানের ড্রয়ে এবারে তৃতীয় পুরস্কার জিতেছে- ০৩২৮৬৪২ ও ০৬৮৫৭৫৫, চতুর্থ পুরস্কার বিজয়ী নম্বর ০৫২৪২৩৯ ও ০৫৮৩১১০ নম্বর। 

এছাড়া পঞ্চম পুরস্কার বিজয়ী প্রতিটি সিরিজের ৪০টি নম্বর হলো- ০০০৭৫৯১, ০২৯০৭৭৮, ০৪৮০৫৩৪, ০৬৭১৭৬১, ০৮৩৮০৫৭, ০০৩৯৮৯০, ০৩০৮৭৩২, ০৪৮৮০৯৮, ০৬৮৫৮৪৭, ০৮৯১৪৬২, ০০৭২৪২৭, ০৩৯৩০৭৫, ০৫২৬১৮৪, ০৬৯৩৩৭৮, ০৯১৩৫৯২, ০০৭৫৬৮৯, ০৪২২০৩৬, ০৫৩২২৮৯, ০৭৪১১৯৩, ০৯২৬২৪৪, ০১১২২৫৪, ০৪৩০০২১, ০৫৭২৯৯৯, ০৭৬৮১২৮, ০৯৩৪৮৪০, ০১১৮৩৫৪, ০৪৫২৫৫০, ০৬৫০৩৪০, ০৭৭৮৪০৫, ০৯৫২১৭৮, ০২১৫৫২৫, ০৪৫৬৭৩১, ০৬৫৩২৩৯, ০৭৯৪৩৬০, ০৯৮২১৬৫, ০২৬৬৩৬৭, ০৪৬৭৮৮৮, ০৬৫৩৯৮০, ০৮১৫৯৮৪ ও ০৯৮৮৭৭৯।

প্রথম পুরস্কার বিজয়ী প্রত্যেককে ৬ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ীদের ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা করে দেয় সরকার। পর্যায়ক্রমে তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী প্রত্যেকে পান এক লাখ টাকা, চতুর্থ পুরস্কার বিজয়ী ৫০ হাজার এবং পঞ্চম পুরস্কার বিজয়ীরা ১০ হাজার টাকা করে। 

প্রাইজবন্ডের প্রথম পুরস্কারের জন্য ঘোষিত সংখ্যার প্রতিটি সিরিজের সেই সংখ্যার বন্ড প্রথম পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত হয়। একইভাবে অন্য পুরস্কারগুলোও দেওয়া হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, প্রতি তিন মাস অন্তর মাসের শেষ কর্মদিবসে প্রাইজবন্ডের ড্র হয়ে থাকে। আর ১৯৯৯ সালের জুলাই থেকে প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থের ওপর ২০ শতাংশ হারে উৎসে আয়কর কাটার বিধান রয়েছে।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

জমকালো অনুষ্ঠানে দারাজের অনলাইন মেলা ‘ইলেভেন ইলেভেন’ উদ্বোধন


আরও খবর

অন্যান্য

  অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন মেলা ‘ইলেভেন ইলেভেন’ উদ্বোধন উপলক্ষে দারাজ আয়োজন করে জাঁকজমকপূর্ণ গালা নাইট। শনিবার রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে এই গালা নাইট অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি দেশের ৫টি টিভি চ্যানেল- এটিএন বাংলা, আরটিভি, আনন্দ টিভি, বাংলা টিভি ও নাগরিক টিভিতে সম্প্রচার হয় এবং এটির প্রোডাকশনে ছিল এনটিভি। এছাড়াও দারাজ অ্যাপ, দারাজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে লাইভ সম্প্রচারিত হয় ৪ ঘন্টার এই অনুষ্ঠান।

ইলেভেন ইলেভন (দারাজ ১১.১১ সেল) উপলক্ষে আয়োজিত গালা নাইটকে আরও উৎসবমুখর করে তুলতে আয়োজন করা হয়েছিল ট্রন ড্যান্স, ফ্যাশন শো এবং কনসার্ট, যেখানে পারফর্ম করেছেন দেশের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী জেমস ও কণা এবং দর্শক মাতানো ব্যান্ড নেমেসিস ও চিরকুট।

অনুষ্ঠান একাধিক কুইজ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়, যাতে অংশগ্রহণ করে দর্শকরা জিতে নেয় টেলিভিশন, স্মার্টফোনসহ আরও নানা উপহার। এই কুইজগুলোতে অংশগ্রহণ করার নিয়ম হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিউআর কোডকে; যা দারাজ অ্যাপের মাধ্যমে স্ক্যান করার পরেই দর্শক এতে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

ইভেন্টটির মুভিং পার্টনার ‘পাঠাও’, H2O পার্টনার ‘প্রাণ’, ফুটওয়্যার পার্টনার ‘অ্যাপেক্স’ এবং সফট ড্রিংকস পার্টনার হিসেবে ছিল ‘অরেঞ্জি’।

এছাড়া ইলেভেন ইলেভেন ক্যাম্পেইনের পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে আছে বিকাশ, সিটি ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক, এন সি সি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং ইউসিবি।

গালা নাইট উপলক্ষে দারাজ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন- ‘বাংলাদেশের মানুষকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সেল ডে উপহার দিতে পেরে আমরা গর্বিত এবং তা স্মরণীয় করে রাখতেই আমাদের এই গালা নাইটের আয়োজন। 

এই ক্যাম্পেইনে ৮৩ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পাওয়া যাবে নানা পণ্য। সকলকে আমন্ত্রণ জানাই, ১১ নভেম্বর এক দিনের এই অনলাইন উৎসবে অংশ নিয়ে লুফে নিন বিশাল ছাড়ে আপনার পছন্দের পণ্য। এখনই কার্টে পণ্য তুলে রাখুন, যাতে ১১ নভেম্বর শুরু হওয়া মাত্র চেক আউট করতে পারেন ডিসকাউন্টেড পণ্যগুলো। হ্যাপি শপিং!’  সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

৪১ শতাংশ বিক্রয় প্রবৃদ্ধি অর্জন মার্সেলের


আরও খবর

অন্যান্য

  অনলাইন ডেস্ক

২০১৮ সালে দেশের বাজারে পণ্য বিক্রিতে ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে মার্সেল। আগামি বছর ৮২ শতাংশ বা দ্বিগুণ প্রবৃদ্ধির টার্গেট নেওয়া হয়েছে। দেশের অন্যতম শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্র্যান্ড মার্সেলের নতুন পরিবেশকদের নিয়ে দিনব্যাপী সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম। 

সোমবার রাজধানীর মার্সেল করপোরেট অফিসে ‘মিট দ্য নিউ ডিস্ট্রিবিউটরস ২০১৮’ শীর্ষক দিনব্যাপী ওই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সারা দেশের বিভিন্ন জোন থেকে মার্সেলের দেড় শতাধিক নতুন ডিস্ট্রিবিউটর বা পরিবেশক অংশ নেন। সম্মেলনে নতুন ডিস্ট্রিবিউটরদের ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিপণনের আধুনিক কলাকৌশল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এর আগে সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন মার্সেলের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম নুরুল আলম রেজভী, পরিচালক এস এম আশরাফুল আলম, এস এম মঞ্জুরুল আলম, জাকিয়া সুলতানা, তাহমিনা আফরোজ তান্না এবং রাইসা সিগমা হিমা। 

এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মার্সেলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা, এমদাদুল হক সরকার, নজরুল ইসলাম সরকার, এসএম জাহিদ হাসান, হুমায়ূন কবীর, মোহাম্মদ রায়হান, উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব) চৌধুরী হাসান সোহরাওয়ার্দী, হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান মো. মোজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মার্সেলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চিত্রনায়ক আমিন খান।

অনুষ্ঠানে ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম নুরুল আলম রেজভী বলেন, ২০০৮ সালে মার্সেল তার যাত্রা শুরু করে। খুব দ্রুত ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজারে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান করে নিয়েছে, যা দেশ-বিদেশের যে কোনো ব্র্যান্ডের কাছেই অনুকরণীয়। এক সময় আমাদের দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বাজার ছিল আমদানি নির্ভর। আজ ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদনে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে বিদেশেও। সেদিন আর খুব বেশি দূরে নেই যেদিন বিদেশি কোনো ব্র্যান্ড বাংলাদেশের পণ্যের কাছে দাঁড়াতে পারবে না। বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের রাজধানী। আর তাতে নেতৃত্ব দেবে মার্সেল।

নতুন পরিবেশকদের মার্সেল পরিবারে স্বাগত জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটির হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, মার্সেলই বাংলাদেশের সেরা ফ্রিজ, টিভি, এসিসহ বিভিন্ন হোম অ্যাপ্লায়েন্স তৈরি করছে। যার ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মার্সেল পণ্যের চাহিদা। বিশেষ করে মার্সেল ব্র্যান্ডের ফ্রিজ সব ধরনের ক্রেতার মন জয় করেছে।  

তিনি আরো বলেন, ২০১৮ সালে আমাদের লক্ষ্য ছিল বিক্রয় প্রবৃদ্ধি এবং ডিস্ট্রিবিউটর বাড়ানো। আমরা আমাদের লক্ষ্য ছাড়িয়ে যেতে পেরেছি। এ বছর জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ১৮৯ জন নতুন ডিস্ট্রিবিউটর মার্সেলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আমাদের টার্গেট ২০১৯ সালে দেশের বাজারে ৩ লাখ ৬০ হাজার ফ্রিজ বিক্রি করা।

মার্সেলের সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান মো. মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ক্রেতাদের বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানে তারা শতভাগ আন্তরিক। দ্রুত ও সর্বোত্তম সেবা দিতে সারা দেশব্যাপী মার্সেলের রয়েছে ৭১টি সার্ভিস পয়েন্ট এবং ৫টি মিনি সার্ভিস পয়েন্ট। 

সম্মেলনে মার্সেলের নতুন ডিস্ট্রিবিউটররা ইলেকট্রনিক্স পণ্য ব্যবসায় তাদের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। সবশেষে ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নকিয়া ফোন বুকিং দিয়ে হেলিকপ্টারে ভ্রমণ


আরও খবর

অন্যান্য

  অনলাইন ডেস্ক

হেলিকপ্টারে ভ্রমণের সুযোগ পেলেন এইচএমডি গ্লোবাল ও সিএমপিএল নকিয়া ৬.১ প্লাস প্রি-বুকিং দেওয়া ৫ গ্রাহক।

এইচএমডি গ্লোবাল, হোম অব নকিয়া ফোন গত মাসের প্রথম সপ্তাহে তাদের ফ্লাগশিপ ডিভাইস নিতে যারা অগ্রিম বুকিং দিয়েছিলেন তাদের মধ্য থেকে ৫ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করে। 

তারা হলেন এসএম মোজাহিদ, মো: মিরাজ, শেখ সাদমান সাকিব, মো: জাকির হোসেন ও মো: সায়েদুর রহমান। ঢাকার অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে নরসিংদীতে যান তারা। আনন্দায়ক ভ্রমণ শেষে তারা আবার ঢাকা ফিরে আসেন।    

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে ফ্লাগশিপ নকিয়া ৬.১ প্লাস বাংলাদেশের বাজারে আনা হয়।