ঢালিউড

‘বছরে চার থেকে পাঁচটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করব’

প্রকাশ : ১০ জুন ২০১৯ | আপডেট : ১০ জুন ২০১৯

‘বছরে চার থেকে পাঁচটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করব’

শাকিব খান

  সমকাল প্রতিবেদক

শাকিব খান। চিত্রনায়ক। এবারের ঈদে সারাদেশে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত দুটি চলচ্চিত্র। এই দুই ছবি ও চলচ্চিত্রাঙ্গনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি-


ঈদ কেমন কাটল?
একটা সময় ঈদ করতাম বাবার সঙ্গে। এখন আমি নিজে বাবা হয়েছি। ফলে এখনকার ঈদের আনন্দগুলো অন্যরকম। এবারের ঈদ শুরু হয়েছে বৃষ্টি দিয়ে। প্রতি বছর ঈদগাহ মাঠে নামাজ পড়ি। কিন্তু এবার বৃষ্টির কারণে মসজিদে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। নামাজ শেষে ঢাকার বেশ কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছি। বরাবরের মতো ভক্তরা এবারও আমাকে নিরাশ করেনি। বৃষ্টি আর বিশ্বকাপ ক্রিকেটের মধ্যেও তারা দল বেঁধে সিনেমা হলে গিয়েছে। ভক্তদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। ঈদের দিন সন্ধ্যার পর বাসায় ছিলাম। আত্মীয়-পরিজন ও বন্ধুরা এসেছিল। তাদের সঙ্গে সুন্দর সময় পার করেছি।


ঈদে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলো দেখেছেন?
অবশ্যই দেখেছি। আজ নতুন নয়। আজ থেকে ২০ বছর আগে যখন আমার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছে, সেই থেকে ঈদের দিন ছবি দেখা আমার নেশায় পরিণত হয়েছে। আগে বেশিরভাগ সময় গোপনে সিনেমা হলে যেতাম। কিন্তু এবার প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। ভক্তদের সঙ্গে ঈদের খুশি বিনিময় করেছি। ভক্তদের এই ভালোবাসাকে সম্মান করেই ভালো ভালো সিনেমায় কাজ করে যাচ্ছি। 


চলচ্চিত্রের এই দুঃসময়ে 'পাসওয়ার্ড' ছবিটি প্রযোজনার ঝুঁকি নিলেন...
চলচ্চিত্রের স্বার্থে আমি সবসময় ঝুঁকি নিয়েছি। এবারই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে 'হিরো দ্য সুপারস্টার' যখন করেছি তখনও ইন্ডাস্ট্রির এমন খারাপ অবস্থা ছিল। তখন চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে ট্রান্সফর্ম হচ্ছিল। ওই সময়ে তেমন বাজেটও ছিল না। তখনই মনে হয় এগিয়ে আসা দরকার। আর আমি বিশ্বাস করি, একটা ভালো কাজ সবসময় সফল হয়। যারা 'ফিল্ম লাভার' তারা ভালো কাজটি লুফে নেয়।


প্রযোজনায় নিয়মিত হওয়ার পরিকল্পনা আছে?
হ্যাঁ। এখন থেকে প্রতি বছর আমি চার থেকে পাঁচটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করব। ফলে আমাদের দেশের প্রতিটি বড় উৎসবে এসকে ফিল্মস থেকে ছবি মুক্তি পাবে।


'নোলক' ছবিটি নিয়ে সেভাবে প্রচারণায় আপনাকে দেখা গেল না কেন? 
'নোলক' ছবির কাজের সময় থেকেই প্রযোজক আর নির্মাতার দ্বন্দ্ব চলছিল, যা আমার কাছে খুব ভালো লাগেনি। তবে এটা বলতে পারি 'নোলক' ছবিটি কখনোই পাসওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়।


দিন দিন দেশের সিনেমা হলের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী?
আমাদের দেশে পেশাদার প্রযোজকের অভাব। এখন ছবি হিট থাকলেও অনেকেই ছবি প্রযোজনা করতে এগিয়ে আসেন না। কারণ তাদের মনে হয়, সিনেমা নির্মাণ অনেক ঝামেলা আর হয়রানির বিষয়। এসব কারণেই ভালো ছবি নির্মাণ হচ্ছে না। ফলে হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এখন আমাদের চলচ্চিত্রের সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।


মন্তব্য


অন্যান্য