ঢালিউড

চলচ্চিত্রের জন্য আমি পুরোপুরি প্রস্তুত: মিথিলা

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

চলচ্চিত্রের জন্য আমি পুরোপুরি প্রস্তুত: মিথিলা

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত মিথিলা

  অনলাইন ডেস্ক

রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। মডেল ও অভিনেত্রী। গতকাল ধ্রুব মিউজিক স্টেশন থেকে প্রকাশ হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'মুখোমুখি'। এতে তার সহশিল্পী কলকাতার গৌরব চক্রবর্তী। কথা হলো তার সঙ্গে-

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'মুখোমুখি' নিয়ে বলুন? 

এটি একটি প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। পুরো গল্পের মধ্যে দারুণ একটা চমক আছে, যা দর্শকের কাছে খারাপ লাগবে না। এই স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিটির দৃশ্যধারণ হয়েছে কলকাতায়। তবে গল্পে কিন্তু আমাকে বাংলাদেশি মেয়ে হিসেবেই দেখানো হয়েছে। এতে আমার সহশিল্পী ছিলেন কলকাতার অভিনেতা গৌরব। তাকে সহশিল্পী হিসেবে পেয়ে বেশ ভালো লেগেছে। দারুণ অভিনয় করেন তিনি। আমার এই স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিটি পরিচালনা করেছেন কলকাতার পরিচালক পার্থ সেন। 

মিথিলা

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের কাজে আগ্রহী হলেন কেন?

যে যা-ই বলুন না কেন, স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবিতে অভিনয় আমার ভালো লাগে। কারণ এতে অল্প সময়ে একটা গল্প বলতে হয়। তাই অভিনয়, উপস্থাপন সবকিছুই ভালো হতে হয়। আমার কাছে এও মনে হয়, একটি নাটক নির্মাণ করতে পরিচালককে কত পরিশ্রম আর কত টাকা খরচ করতে হয়। সেদিক থেকে চিন্তা করলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই বেশি বেশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র করা যায়। এতে ছোট্ট একটা গল্প থাকে, যা দেখে দর্শকরাও মজা পান। আর এখন মানুষের এত সময় নেই। ফলে স্বল্পদৈর্ঘ্যই তারা পছন্দ করেন।

শুনলাম এর কাজের জন্য জীবনের প্রথমবার কলকাতায় গিয়েছেন?

ঠিকই শুনেছেন। আমার কাছে এই স্বল্পদৈর্ঘ্যে অভিনয়টা স্মরণীয় হয়ে থাকবে এ কারণেই যে, এর শুটিং করতেই এবার প্রথমবারের মতো কলকাতায় গিয়েছি। ফলে বেশ কয়েকদিন সেখানে থাকতে হয়েছে। সেখানকার নিউমার্কেটে আমাদের দেশের অনেকের সঙ্গেই দেখা হয়েছে। পাশাপাশি অনেক বাংলাদেশির সঙ্গে সেলফিও তুলেছি। কাজটি খুব উপভোগ করেছি। আশা করি, দর্শকদের ভালো লাগবে। 

মিথিলা

সম্প্রতি নতুন একটি বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করলেন ...

হ্যাঁ, সৈয়দ আপন আহসানের পরিচালনায় আইএফআইসি ব্যাংকের নতুন সেবা 'আমার অ্যাকাউন্ট'-এর বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেছি। কোক স্টুডিওতে এর দৃশ্যধারণ হয়েছে। শুটিংয়ের পুরোটা সময় আপন ভাইয়ের স্ত্রী অভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার সঙ্গে ছিলেন। যে কারণে গল্পে গল্পে দারুণ একটা সময় পার করেছি। পাশাপাশি এবারই প্রথম আপন ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করলাম। তিনি বেশ গুছিয়ে কাজ করেন। পুরো ইউনিটের আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ হয়েছি।

আমাদের দেশের আগের বিজ্ঞাপন ও এখনকার বিজ্ঞাপনের মধ্যে পার্থক্য দেখেন? 

আমার মনে হয়, এখন কিন্তু আমাদের দেশে অনেক ভালো বিজ্ঞাপন হচ্ছে। আসলে বিজ্ঞাপনের প্রধান কাজই তো পণ্যকে ভোক্তার কাছে তুলে ধরা। সে জায়গা থেকে আগের চেয়ে গল্প বলা ও ভিজ্যুয়ালি উপস্থাপনের ধরনে বেশ পরিবর্তন এসেছে। আর ভালো বিজ্ঞাপন কিন্তু আগেও নির্মিত হতো। তবে যখন থেকে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, অমিতাভ রেজার মতো মেধাবী নির্মাতারা গল্পকেন্দ্রিক বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ শুরু করলেন, মূলত তখন থেকেই বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনে ভিজ্যুয়ালিতে বেশ ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।

চলচ্চিত্রে অভিনয় নিয়ে বলুন?

চলচ্চিত্রে কাজের জন্য আমি মানসিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত। ভালো গল্প, গুণী পরিচালক এবং অন্যান্য কিছু ব্যাটে-বলে মিলে যায়, তাহলে হয়তো শিগগিরই চলচ্চিত্রে অভিনয় করব।

মন্তব্য


অন্যান্য