ঢালিউড

‘সাহায্যের হাত না পেতে জীবন চালাবেন কী করে?’

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

‘সাহায্যের হাত না পেতে জীবন চালাবেন কী করে?’

ডলি জহুর

  অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি  কৃতজ্ঞ। তিনি আসলেই দয়ার সাগর। তিনি শিল্পীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। যিনিই সাহায্যের আবেদন করেছেন দুহাত ভরে দিয়েছেন। একবার ভেবে দেখুন, তিনি যদি সদয় না হতেন, কী হতো? অকালে প্রাণ হারাতে হতো কত শিল্পীকে? শিল্পীরা সাহায্য নিচ্ছেন এটাকে ছোট করে দেখার কিছু নেই। হেয় না করে বরং তাঁদের সম্মান জানানো উচিত, পাশে দাঁড়ানো উচিত।’ কথাগুলো বলছিলেন ঢাকাই ছবির নায়ক নায়িকাদের মা হিসেবে অভিনয় করা জনপ্রিয় অভিনেত্রী  ডলি জহুর।

বর্তমানে অনেক শিল্পীই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অনুদান নিচ্ছেন।  বিষয়টি অনেকেই দেখছেন বাঁকা চোখে দেখছেন। সমালোচনা করছেন অনেকেই। তাদের উদ্দেশ্য করে ডলি জহুর বলেন, আমাদরে প্রতিবেশি দেশ ভারতের দিকে তাকান। কলকাতাতেই নজর দিন। শুধু সিনেমা নয়, কোন রকম পরিচিত মুখ হলেই শীতে তারা একাধিক শো পায়। লাখ লাখ টাকা আয় করে। অথচ আমরা কি কোনো শো পাই? আগে তাও যাত্রাপালা ছিল, দু-একজন অভিনয় করতেন। এখন তো তাও নেই। শেষ বয়সে সব কাজ করাও সম্ভব হয় না। তাহলে কী করবেন শিল্পীরা? সাহায্যের হাত না পেতে জীবন চালাবেন কী করে?’

ডলি জহুরের  শুরুটা থিয়েটারে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। পরবর্তীতে টেলিভিশন নাটক এবং সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছেন।তিনবার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ পেয়েছেন। একবার প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে এবং দুবার সহ-অভিনেত্রী হিসেবে।

এ প্রজন্মের শিল্পী-নির্মাতারা তাকে ভালোবেসে মা বলেই সম্বোধন করেন। তিনিও স্নেহ-ভালোবাসায় সবাইকে মায়ের আদর দিয়ে বুকে টেনে নেন। কিন্তু এখন তাকে অভিনয়ে দেখা যায়না। হজ করে আসার পর চলচ্চিত্র অভিনয় করছেন না তিনি। তবে মাঝে মাঝে নাটকে অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে। 


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

'ভাষা আন্দোলন নিয়ে সিনেমায় পূর্ণাঙ্গ কাজ হয়নি'


আরও খবর

ঢালিউড
'ভাষা আন্দোলন নিয়ে সিনেমায় পূর্ণাঙ্গ কাজ হয়নি'

প্রকাশ : ২১ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

তৌকীর আহমেদ। তারকা অভিনেতা ও নির্মাতা। সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে তার নতুন ছবি 'ফাগুন হাওয়ায়'-এর পোস্টার। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত এ ছবি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথায় হয় তার সঙ্গে-

চলচ্চিত্র নির্মাণে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনকে বেছে নেওয়ার কারণ কী?

বায়ান্নর একুশ ফেব্রুয়ারিতেই একাত্তরের সূচনা হয়েছিল। এ কারণেই আমাদের জাতীয় জীবনে একুশে ফেব্রুয়ারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বায়ান্নতেই আমরা বুঝে গিয়েছিলাম, পাকিস্তানিদের কাছে আমাদের ভবিষ্যৎ নেই। তাই স্বাধিকার নিয়ে আন্দোলনে নেমেছি। মায়ের মুখের ভাষা কেড়ে নিয়ে অন্য ভাষাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থই ছিল দাসত্বের শিকলে বেঁধে রাখা। তা মানতে পারিনি বলেই আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম। যার ধারাবাহিকতায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম। এই যে এত বড় ঘটনা- এটা কেন সিনেমায় উঠে আসবে না? এই প্রশ্নই বহুবার নিজেকে করেছি। এরপরই সিদ্ধান্ত নিয়েছি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলেনের পটভূমিতে সিনেমা নির্মাণ করার।

গত কয়েক দশকে বেশ কিছু ছবিতে ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক ঘটনা উঠে এসেছে...

এটা ঠিক যে, এর আগেও বেশ কিছু ছবিতে ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক ঘটনা স্থান পেয়েছে। কিন্তু সেটা ছবির গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ভাষা আন্দোলনের ঘটনাটি তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এটাও সত্যি যে, এখনও ভাষা আন্দোলন নিয়ে সিনেমায় পূর্ণাঙ্গ কাজ হয়নি। অনেক আগেই এটা হওয়া উচিত ছিল। কারণ আমাদের জাতিসত্তার মূলই হচ্ছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। 

তৌকীর আহমেদ

৫২র ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক ঘটনাকে 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবিতে কতটা তুলে ধরতে পেরেছেন বলে আপনি মনে করেন?

ভাষা আন্দোলনের পুরো ইতিহাসকে একটি ছবির ফ্রেমে বন্দি করা সম্ভব নয়। যে জন্য 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবিতে আমরা একটি মফস্বলের সেই সময়ের মানুষের ভাবনা, আন্দোলন, চেতনাকে রূপক অর্থে তুলে ধরেছি, যা ঢাকা শহরের সঙ্গে সম্পর্কিত। একটি ছবির মাধ্যমে যতটা স্পষ্ট করে ঐতিহাসিক এই ঘটনা তুলে ধরা যায়, সেটাই করে দেখানোর চেষ্টা করেছি। শুধু আমি নই, ছবির অভিনয়শিল্পী থেকে শুরু করে কলাকুশলীরা সবাই যার যার সেরা কাজটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। যে জন্য 'ফাগুন হাওয়ায়'-এর মতো ছবি নির্মাণ করতে পেরে আমি ভীষণ খুশি। 

ছবি মুক্তির তারিখ কি চূড়ান্ত হয়েছে?

হ্যাঁ,  আপাতত মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত।  আগামী বছর ৮ ফেব্রুয়ারি 'ফাগুন হাওয়ায়' মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভাষা দিবসের মাসেই আমরা ভাষা দিবসের ছবিটি মুক্তি দিতে চাই। 

মুক্তির আগে ও পরে বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবে ছবিটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা আছে?

আগের ছবিগুলোর মতো দেশের বাইরে বিভিন্ন উৎসবে যাওয়ার 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবিটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। বড় কথা হলো, আমরা যেসব উৎসবে অংশ নিই, সেখানে আমরা জাতীয় পতাকাই বহন করি। 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবির ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য। এ ছবি শুধু ইতিহাসকে জানাবে না, একই সঙ্গে বিনোদনও দেবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

‘সিনেমা করবো,ওয়েব সিরিজ নয়’


আরও খবর

ঢালিউড
‘সিনেমা করবো,ওয়েব সিরিজ নয়’

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৮

মাহিয়া মাহি

  অনিন্দ্য মামুন

হালে ঢাকাই চলচ্চিত্রে সেরা অভিনেত্রীর তালিকায় অন্যতম হলেন মাহিয়া মাহি। দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় তিনি। তবে জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও দীর্ঘদিন ধরে নতুন ছবিতে দেখা যাচ্ছে না তাকে। কেন দেখা যাচ্ছে না? এমন প্রশ্ন নিয়েই যোগাযোগ করা হয় মাহিয়া মাহির সঙ্গে। ওই প্রশ্নের উত্তরসহ সমকাল অনলাইনের সঙ্গে সমসাময়িক নানা বিষয় কথা হয় মাহিয়া মাহির 

মাহিয়া মাহি

কোন ছবির শুটিং করছেন?

এই মুহূর্তে কোন ছবির শুটিং করছি না। রাজশাহীতে গ্রামের বাড়িতে আছি। এখানে গ্রামের ফুরফুরে নির্মল আলো বাতাস নিচ্ছি। শহরে তো এমন আলো বাতাস পাইনা। দারুণ সময় কাটাচ্ছি। 

নিজের একটা ফ্যাশন হাউজ চালু করবেন বলেছিলেন; সেটার খবর কী?

তেমনটিই বলেছিলাম' কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। এখনও অনেক কাজ বাকী। তাই চালু করতে পারিনি। তবে সব কাজ শেষ করে আসছে নতুন বছরের জানুয়ারিতেই ভারা চালু করবে। এটা আমা্র স্বপ্নের একটা প্রজেক্ট। যখন ছবি করবো না, তখন এই ববস্যা নিয়েই ব্যস্ত থাকব। 

মাহিয়া মাহি

তাহলে ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়ী হওয়ার স্বপ্ন? নায়িকা হলেন কীভাবে?

নায়িকা হবো এমন স্বপ্ন কখনও দেখা হয়নি। এটা পরিকল্পনা করে হয়নি। তবে কিছু একটা করবো যাতে মানুষ আমাকে চেনে- এমন ইচ্ছা সবসময়ই ছিল। যখন শাবনুর আপুদের ছবি দেখতাম। তখন তাদের অভিনয় ভালো লাগতো। মুগ্ধ হতাম। নায়িকা হবো- এমন ইচ্ছা কখনও ছিল না। এটা হুট করেই হয়ে গেছে। 

তাহলে কী শুটিংয়ের ব্যস্ততা একেবারেই নেই এখন?

ছবি শুটিংয়ের ব্যস্ততা নেই, বিষয়টা এমন না। আগের যে ছবিগুলোতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি সেগুলোর শুটিং চলছে। তবে সম্প্রতি নতুন কোন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হইনি। এখন তো আমাদের চলচ্চিত্র ইন্ডাষ্ট্রিতে সিনেমা হচ্ছে না বললেই চলে। 

মাহিয়া মাহি

সিনেমা কম হচ্ছে বলে অনেকে ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন। আপনিও কী তাই করবেন? 

আমি চলচ্চিত্রেই অভিনয় করতে চাই, ওযেব সিরিজ নয়। এছাড়া আমার ব্যবসা তো থাকছেই। ছবির কাজ না থাকলে বিজনেসে সময় দেব।

আসিফ আকবরের বিপরীতে ‘ভিআইপি' নামে একটি ওয়েবে চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন বলে খবর বেরিয়েছে। সেটার কী খবর?

‘ভিআইপি’ তে অভিনয় করা নিয়ে ওই ছবির সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একবার কথা হয়েছে। পরে আর তাদের কেউ যোগযোগ করেননি। আর আমি তো জানি সেটা চলচ্চিত্র। ওয়েব সিরিজ সেটা তো জানিনা! ওয়েব সিরিজ হলে তো আমি অভিনয় করব না।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আমজাদ হোসেনের পাশে প্রধানমন্ত্রী


আরও খবর

ঢালিউড

আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক

অবস্থা ক্রমেই অবনতির দিকে যাচ্ছে কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনের। তবে হাল ছাড়ছেন না চিকিৎসকরা। বর্তমানে বরেণ্য এ নির্মাতা রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

সোমাবার বিকেল পর্যন্ত এ নির্মাতার  চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিবোর্ড থেকে কোন সুখবর পাওয়া যায়নি। অবস্থা অবনতির কথাই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। 

হাসপাতালে আমজাদ হোসেন

এ বিষয়ে আমজাদ হোসেনের ছেলে নির্মাতা সোহেল আরমান বলেন,‘বাবার অবস্থা ভালো নয়। বাবার কিডনি ঠিক মতো কাজ করছে না। আমরা বাবাকে বিদেশ নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখানকার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এখানেই উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে। তারা শেষ চেষ্টাটুকু করতে চাইছেন।’

এদিকে গণমাধ্যমের বরাতে আমজাদ হোসেনের অসুস্থতার খবর চোখে পড়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। পরে তিনি নিজ থেকে আমজাদ হোসেনের ছেলেদের ডেকে পাঠান। 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি তুলে ধরে সোহেল আরমান সমকাল অনলাইনকে বলেন, ‘সকালে ঘুম ভাঙে প্রধানমন্ত্রীর পিএস খোরশেদ ভাইয়ের ফোনে। তিনি আমাকে বললেন, প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সাথে দেখা করতে চান, আপনারা চলে আসেন। এরপর বিশেষ পাশে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বাবার চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন। যদি বিদেশে নিয়ে যাওয়া লাগে সেটাও তিনি ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।’

গত রোববার ব্রেইন স্ট্রোক করলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আমজাদ হোসেনকে। এখন সেই হাসপাতালেন ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর