ঢাকা

অবশেষে উত্তরবঙ্গগামী যান চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশ : ১১ আগষ্ট ২০১৯ | আপডেট : ১১ আগষ্ট ২০১৯

অবশেষে উত্তরবঙ্গগামী যান চলাচল স্বাভাবিক

ফাইল ছবি

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বেশ কয়েক ঘণ্টা পর ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঈদযাত্রার যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

শনিবার মধ্যরাত থেকে এই মহাসড়কে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচল শুরু হয় ধীরগতিতে; যানজটে পড়ে সব ধরনের যানবাহন। রোববার বিকেল পর্যন্ত এই অবস্থা অব্যাহত থাকার পর ৫টার দিকে যানজট কেটে গেলে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হয়।

টাঙ্গাইলের ট্রাফিক পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম সমকালকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে বিকেল থেকে। কোথাও কোনও গাড়ি আটকে নেই।

এর আগে যানজটে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ পোহাতে হয় সাধারণ যাত্রীদের। যানজটে আটকা থেকে এক পর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিলও করেন তারা। রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নাটিয়াপাড়া থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পুর্ব প্রান্ত পর্যন্ত অন্তত ১৫ থেকে ২০টি পয়েন্টে মহাসড়কের ওপর টায়ার জালিয়ে বিক্ষোভ করা হয়।

শনিবার রাতে মহাসড়কের রসুলপুর এলাকায় যাত্রীরা বিক্ষুব্দ হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়লে মোতালেব নামের এক পুলিশ সদস্য আহত হন।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি মোশারফ হোসেন জানান, বৃষ্টিপাত ও এলেঙ্গায় দুই লেনের সড়কের অবস্থা খারাপ হওয়ায় এখানে গাড়ির গতি কমে আসে। অপরদিকে যানবাহনের বাড়তি চাপ এবং চালকদের প্রতিযোগিতা ও খেয়াল খুশিমত গাড়ি চালানোর কারণে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দিনভর থেমে গাড়ি চলাচল করেছে। শনিবার ভোর থেকে আরো খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হয়। চন্দ্রা থেকে কালিয়াকৈর, দেউহাটা, মির্জাপুর, কাদিমধল্লা, নাটিয়াপাড়া, করটিয়া টাঙ্গাইল শহর বাইপাস, রাবনা বাইপাস, রসুলপুর ও বঙ্গবন্ধুসেতুর পুর্বপ্রান্ত পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে হাজার গাড়ি আটকে ছিল। তবে রোববার বিকেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ট্রাফিক পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, সেতুর পশ্চিমপ্রান্তে গাড়ি টানতে না পারায় আমাদের এখানে যানবাহন আটকে ছিল। সিরাজগঞ্জের দিকে গাড়ি টানতে না পারায় শনিবার ভোর থেকে প্রায় ৮ থেকে ৯ বার টোলপ্লাজা বন্ধ রাখে সেতু কর্তৃপক্ষ।

তিনি জানান, সেতুর পূর্ব প্রান্তেও ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ১২টার পর থেকে ধীর গতিতে যানবাহন চলে। বিকেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

মন্তব্য


অন্যান্য