ঢাকা

শরীয়তপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশ : ২৩ জুন ২০১৯

শরীয়তপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ইমরান হোসেন সরদার

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় এক যুবলীগ নেতা কে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের সরদারকান্দি গ্রামের এ ঘটনায় নিহতের নাম ইমরান হোসেন সরদার (৩৫)।

শনিবার রাত ৮টার দিকে ইমরানকে কুপিয়ে জখম করা হয়। চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত ১টার দিকে  মৃত্যু হয়।

ইমরান নশাসন ইউনিয়ন যুবলী গের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি সমরকান্দি গ্রামের ফজল সরদারের ছেলে। নশাসন ইউনিয়ন পদের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদারের ব্যক্তিগত গাচালক ছিলেন ইমরান।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাবেক চেয়ারম্যানের বাড়িতে প্রাইভেটকার রেখে অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন ইমরান। পথে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের নশাসন মাঝিকান্দি বড় কবরস্থানের কাছে এলে দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা থামিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে চলে যায়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। ঢাকায় নেওয়ার পথে মাওয়া এলাকায় ফেরিতে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।

রোববার সকালে ইমরানের লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স স্থানীয় ডগরি বাজারে পৌঁছালে নেতাকর্মী ও স্বজনরা ভিড় করেন। তার মা রানী বেগম অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। বিলাপ করতে করতে তিনি বলছিলেন, 'ওর বাবা নেই। আমিই ছিলাম সব। ইমরানের স্ত্রী নেই। ছোট একটি মেয়ে আছে। এই শিশুকে কী জবাব দেব? তাকে নিয়ে কোথায় যাব!'

নশাসন ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়ালীউর রেজা মামুন বলেন, ইমরান আমার সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিল। তার হত্যাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ইমরান খুব নম্র ও বিশ্বস্ত ছিল। এ কারণে আমার ব্যক্তিগত গাড়ির চালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলাম। যারাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, আমি তাদের বিচার চাই।

নড়িয়া থানার ওসি মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ঘটনার পর থেকে হত্যাকারীদের গ্রেফতারে পুঅভিযান চালাচ্ছে। প্রকৃত হত্যাকারী দের আইনের আওতায় আনা হবে। ইমরানের মর দহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠা নো হয়েছে।


মন্তব্য


অন্যান্য