ঢাকা

ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি নিলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

ভর্তিতে অতিরিক্ত ফি নিলে কঠোর ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

ফাইল ছবি

  চাঁদপুর প্রতিনিধি

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, স্কুলগুলোতে ছাত্রছাত্রী ভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়টি নিয়মবহির্ভূত কাজ এবং অন্যায়। আশা করি, স্কুলগুলোর জন্য যেসব নিয়ম বেঁধে দেওয়া আছে সেগুলো মেনে তারা ভর্তি করবেন এবং অতিরিক্ত ফি আদায় করবেন না। কোথাও অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার চাঁদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

দীপু মনি বলেন, বছরের প্রথমদিনে শিক্ষার্থীদের হাতে কোটি কোটি নতুন বই তুলে দেওয়া, প্রতিটি শিশুকে স্কুলমুখী করাসহ গত দশ বছরে শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এছাড়া স্কুলহীন গ্রামে স্কুল স্থাপনসহ যেসব সাফল্য রয়েছে সেগুলো এগিয়ে নিতে আগামী পাঁচ বছরে এ ধারা অব্যাহত থাকবে। শিক্ষার মানোন্নয়নে যা কিছু প্রয়োজন তার সব কিছু করা হবে। এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা কামনা করেন শিক্ষামন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌরমেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল প্রমুখ।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

আ'লীগ নেতার দুই পা ভেঙে দিল মাদক কারবারিরা


আরও খবর

ঢাকা

  সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দিয়েছে মাদক কারবারিরা। 

শুক্রবার সকালে পিরোজপুর ইউনিয়নে মঙ্গলেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের কোবরানপুর গ্রামের রাসেলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে। এক মাস আগে রুহুল আমিনের ছেলে লুৎফরকে মাদক দেওয়ার চেষ্টা করে রাসেল ও তার সহযোগী আবদুর রহিম। এ ঘটনায় রুহুল আমিন গালমন্দ করেন আবদুর রহিমকে। এরপর লুৎফরকে একা পেয়ে পিটিয়ে আহত করে আবদুর রহিম। এ ঘটনায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির কাছে বিচার দাবি করেন রুহুল আমিন। এতে রাসেল ও তার সহযোগীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল রুহুল আমিনকে পিটিয়ে আহত করে। এরপর শুক্রবার সকালে আবার দ্বিতীয় দফায় রাসেলের নেতৃত্বে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী গিট্টু হৃদয়, কমল, সোলায়মান, আবদুর রহিম, নুরুদ্দিন, ইমরানসহ অর্ধশতাধিক লোক হকিস্টিক ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রুহুল আমিনের দুই পা ভেঙে দেয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাসেল বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গত বছর মাজহারুল ইসলাম নামের এক যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে তারা। 

অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদকের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তার এক বন্ধুকে পিটিয়ে আহত করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন পাল্টা হামলা চালিয়েছে। 

সোনারগাঁ থানার ওসি মোরশেদ আলম জানান, হামলার খবর শুনেছেন। অভিযোগ পেলে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মরদেহে ঝুলছিল ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’ লেখা চিরকুট


আরও খবর

ঢাকা

  নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

ঢাকার সাভারে গণধর্ষণের শিকার হওয়ার পর এক পোশাক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনার মামলার প্রধান আসামির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে সাভারের খাগান এলাকার আমিন মডেল টাউনের ভেতরে একটি মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রিপনের (৩৯) গলায় ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’ লেখা একটি কাগজ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকায়।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সাভারের আশুলিয়ায় একটি পোশাক কারখানার ওই নারী শ্রমিককে গত ৫ জানুয়ারি দলবেঁধে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মেয়ে ধর্ষণের শিকার হওযার পর মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা ওই পোশাক কারখানার কর্মী আবদুর রহিম, লাইন চিফ রিপন ও ক্যান্টিন মালিক শিপনসহ চারজনের নামে মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রহিমকে গ্রেফতার করে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এ কেমন বর্বরতা!


আরও খবর

ঢাকা
এ কেমন বর্বরতা!

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

নিহত তানজিল

  সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সিদ্ধিরগঞ্জে বর্বরতার বলি হলো সাত বছরের এক শিশু। অভিযোগ উঠেছে বলাৎকারের পর তানজিল নামে এই শিশুকে হত্যা করে একটি স্ট্রোর রুমে ড্রামে ভরে রাখা হয়। 

ঘটনার ২০ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সিদ্ধিরগঞ্জের রসুলবাগ এলাকার আলম খানের বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন নাজমুল (৩০) ওই বাড়ির কেয়ারটেকার। সে পালিয়ে গেছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তানজিল যশোর সদরের সুলতানপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। সে তার মা-বাবার সঙ্গে সিদ্ধিরগঞ্জের রসুলবাগ এলাকার আলম খানের বাড়িতে ভাড়া থাকত। তার বাবা-মা স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক। মা-বাবা দু'জনে কাজ করায় সে বাসায় একা থাকত।

তানজিলের বাবা আনোয়ার জানান, গত বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে তার ছেলেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার সন্ধান চেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করার পর পুলিশ এসে খোঁজ-খবর নিয়ে চলে যায়। পরে বাসায় ফিরে সন্তানকে খুঁজতে থাকেন তিনি। যে বাড়িতে ভাড়া থাকেন সেই বাড়ির একটি স্টোর রুমের দরজা ভেঙে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে একটি ড্রামের ভেতরে তানজিলের লাশ দেখতে পান। তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। 

আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার সন্তানের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই শামীম আহমেদ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠান। এ ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে বলাৎকারের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সংশ্লিষ্ট খবর