ঢাকা

বাজিতপুরে 'বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী' নিহত

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

বাজিতপুরে 'বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী' নিহত

  কিশোরগঞ্জ অফিস

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' আশরাফ উদ্দিন (৩০) নামের এক 'মাদক ব্যবসায়ী' নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর ইউনিয়নের উজানচর বিলেরপাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

আশরাফ উদ্দিন ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মানিকদী দক্ষিণপাড়া এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, মাদক কেনাবেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ আগে থেকে বাজিতপুরের পিরিজপুর ইউনিয়নের উজানচর এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত দেড়টার দিকে আনুমানিক ৬-৭ জন মাদক ব্যবসায়ীকে দেখে পুলিশ থামতে বলে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে আশরাফ উদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি শর্টগান, ৫ রাউন্ড কার্তুজ, দু'টি রামদা, ১০০ পিস ইয়াবা ও ১৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, নিহত আশরাফ ডাকাতি ও মাদক ব্যবসা করত। তার নামে ভৈরব থানা ও নরসিংদী জেলার বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

অন্যকে ফাঁসাতে গর্ভের সন্তানকে হত্যা!


আরও খবর

ঢাকা

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ১ মাসের শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার সন্ধ্যায়  উপজেলার ওয়াবদারহাট শান্তিকুটিরের পাশের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে। 

গ্রেফতার মনিষা অধিকারী ওয়াবাদারহাট গ্রামের লিংকন মিত্রের স্ত্রী। লিংকন মিত্র ঢাকায় চাকুরি করেন। 

কোটালীপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল ফারুক বলেন, বিকেলে আমাকে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান শান্তি কুটিরের পাশের বাড়িতে এক মাসের একটি শিশুপুত্র হারিয়ে গেছে। খবরটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। ওই বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় শিশু এন্ড্র সীমিয়ন মিত্রের মা মনিষা অধিকারীর (২০) কথাবার্তায় আমার সন্দেহ হয়। সঙ্গে সঙ্গে আমি ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেই। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে মৃত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে। 

তিনি বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির মা মনিষা অধিকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে পারিবারিক বিরোধের কারণে মনিষা তার জা ও ভাসুরকে ফাঁসাতে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মেঘনায় ভেসে উঠল ২ লাশ


আরও খবর

ঢাকা
মেঘনায় ভেসে উঠল ২ লাশ

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০১৯

মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ শ্রমিকদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে

  মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জে মেঘনা নদীতে ভেসে ওঠা দু'টি লাশ উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা।

রোববার সকাল ৯টার দিকে গজারিয়া লঞ্চঘাট থেকে একটি এবং বেলা ১২টার দিকে গজারিয়া উপজেলার অদূরে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকায় মেঘনা নদীতে ভাসতে থাকা আরেকটি লাশ উদ্ধার করা হয়।

হবে নিহত দু'জন এছাড়া গত সোমবার রাতে মেঘনা নদীতে ডুবে যাওয়া ট্রলারের শ্রমিক কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি ইউনিটের উপ-সহাকরী পরিচালক মো. মোস্তফা মহসিন দু'টি লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মেঘনায় ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল মরদেহ দু'টি উদ্ধার করে। উদ্ধার করা মরদেহ দু'টির পরিচয় জানা যায়নি। দু'টি মরদেহই ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ শ্রমিকদের কিনা তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গজারিয়া লঞ্চঘাট থেকে উদ্ধার মরদেহ সম্পর্কে গজারিয়া থানার ওসি মো. হারুন অর রশীদ জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সকালে লাশটি গজারিয়া লঞ্চঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করেন। লাশটি দেখে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ কোনো শ্রমিকের লাশ বলেই প্রাথমিকভাবে ধারণা মনে হয়েছে। তবে পরিচয় এখন শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ শ্রমিকদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে হয়তো লাশের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর-গজারিয়া) আশফাকুজ্জামান জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চাঁদপুরের ষাটনলের কাছে মেঘনায় নৌবাহিনী, বিআইডাব্লিউটিএ, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যাবহার করে ট্রলারটির সন্ধান করছে।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার রাতে মুন্সীগঞ্জ সদরের চরঝাপটা এলাকায় মেঘনা নদীতে মাটিবোঝাই ট্রলারকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি তেলবাহী ট্যাংকার ধাক্কা দিলে ট্রলারটি মেঘনায় ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ৩৪ জন শ্রমিকের মধ্যে ১৪ জন সাতঁরে তীরে উঠতে পারলেও ২০ জন নিখোঁজ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সোনারগাঁওয়ে মাইক্রোবাস খাদে, প্রাণ গেল ৪ জনের


আরও খবর

ঢাকা

  সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে চারজন নিহত হয়েছে। রোববার ভোরে সোনারগাঁওয়ের বৈরাবরটেক এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদুল্লাহ মোক্তার (৫০), আড়াইহাজারের বাঘানগর এলাকার মো. মোমেন (৫৫), একই উপজেলার মারুয়াদী গ্রামের মো. রাজু (৪৫) ও বড় ফাউসা গ্রামের মো. রিপন (৩৫)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরিফুর রহমান রবিনকে (৩০) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোনারগাঁও থানার ওসি মোরশেদ আলম জানান, ঘন কুয়াশার কারণে সোনারগাঁওয়ের বৈরাবরটেক এলাকায় একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, ধারনা করা হচ্ছে, মাইক্রোবাসের সবাই মাদকসক্ত ছিল। স্বজনেরা পুলিশকে না জানিয়েই লাশ বাড়ি নিয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট খবর