ঢাকা

শাসন করায় বাবাকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা!

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

শাসন করায় বাবাকে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা!

  নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে করিম মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে নরসিংদী পৌর এলাকার চৌয়ালায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত করিম মিয়া একজন মুদি দোকানি। মাদকাসক্ত ছেলে মামুন ঘটনার পর থেকে পলাতক।

স্থানীয়রা জানান, সকালে মামুন তার মায়ের কাছে মদকের জন্য টাকা চেয়ে না পেয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ সময় করিম মিয়া মামুনকে ধমক দেন। এতে মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে লোহার রড দিয়ে দিয়ে করিম মিয়াকে এলোপাথারি পেটানো শুরু করেন। এ সময় ছেলের হাত থেকে বাচঁতে করিম মিয়া দৌড়ে ঘর থেকে বাহির হয়ে ঢাকা-নরসিংদী সড়কে আসলেও রেহাই পাননি। মামুন তাকে ধাওয়া করে সড়কের ওপর পিটিয়ে হত্যা করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে মামুন পালিয়ে যান। পরে পুলিশ এসে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। 

নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. সালাউদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘাতক মামুনকে ধরতে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

এ কেমন বর্বরতা!


আরও খবর

ঢাকা
এ কেমন বর্বরতা!

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

নিহত তানজিল

  সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সিদ্ধিরগঞ্জে বর্বরতার বলি হলো সাত বছরের এক শিশু। অভিযোগ উঠেছে বলাৎকারের পর তানজিল নামে এই শিশুকে হত্যা করে একটি স্ট্রোর রুমে ড্রামে ভরে রাখা হয়। 

ঘটনার ২০ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় সিদ্ধিরগঞ্জের রসুলবাগ এলাকার আলম খানের বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন নাজমুল (৩০) ওই বাড়ির কেয়ারটেকার। সে পালিয়ে গেছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তানজিল যশোর সদরের সুলতানপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। সে তার মা-বাবার সঙ্গে সিদ্ধিরগঞ্জের রসুলবাগ এলাকার আলম খানের বাড়িতে ভাড়া থাকত। তার বাবা-মা স্থানীয় একটি কারখানার শ্রমিক। মা-বাবা দু'জনে কাজ করায় সে বাসায় একা থাকত।

তানজিলের বাবা আনোয়ার জানান, গত বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে তার ছেলেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার সন্ধান চেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযোগ করার পর পুলিশ এসে খোঁজ-খবর নিয়ে চলে যায়। পরে বাসায় ফিরে সন্তানকে খুঁজতে থাকেন তিনি। যে বাড়িতে ভাড়া থাকেন সেই বাড়ির একটি স্টোর রুমের দরজা ভেঙে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে একটি ড্রামের ভেতরে তানজিলের লাশ দেখতে পান। তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। 

আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার সন্তানের এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই শামীম আহমেদ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠান। এ ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক-সার্কেল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে বলাৎকারের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর হত্যার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কালিয়াকৈরে চলন্ত বাস থেকে ফেলে স্কুলছাত্র হত্যা


আরও খবর

ঢাকা

নিহত ওমর

  কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় চলন্ত বাস থেকে ফেলে এক স্কুলছাত্রকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় আজমেরি পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহি বাস থেকে তাকে ফেলে দেওয়া হয়।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম হযরত ওমর (১৩)। একই ঘটনায় কামরুল ইসলাম ও শাওন নামের দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। ওমর চন্দ্রা এলাকায় অবস্থিত জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু সরকারী স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে পড়তো। আহত দুই শিক্ষার্থী তার সহপাঠী।

নিহত ওমর চন্দ্রা পলতীবিদ্যুৎ এলাকার শিমুল হোসেনের ছেলে। তার বাবা-মা স্থানীয় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকুরি করেন। ওমর পরিবারের একমাত্র সন্তান ছিল বলে বাবা শিমুল হোসেন জানান।

এদিকে ঘটনার পর চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় পরিবহন শ্রমিক ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। এরপর দ্রুত সেখানে হাজির হয় ওই স্কুলের শিক্ষক ও পুলিশ প্রশাসন। তারা উত্তেজিত শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে কালিয়াকৈর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও ওমরের সহপাঠীরা জানায়,  দুপুর সোয়া একটার দিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সরকারী স্কুল ছুটি হয়ে যায়। স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ওমর সহ ৫-৬জন সহপাঠী পলতীবিদ্যুৎ এলাকার ভাঙ্গা মসজিদের বাসায় আসার জন্য রওনা হয়। তারা গাজীপুরগামী আজমেরি পরিবহনের কাউন্টারের সামনে এসে দাঁড়ায়। এ সময় ওই পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব -১৪-২৬৭৭ নম্বরের একটি বাসে ওঠার চেষ্টা করে ওমর। তবে বাসের হেলপার তাকে দরজার কাছেই সজোড়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। বাসের বডির সঙ্গে মাথা ও বুকে ধাক্কা খেয়ে গুরুতর আহত হয় সে। তখন সহপাঠীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পল্লীবিদ্যুৎ  এলাকার জীবন নামের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত ওমরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

তারা আরও জানায়, এরপর সহপাঠীরা কিছু বুঝে উঠতে না পেরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনন্দ কুমার দাসকে ফোনে ঘটনাটি জানালে তিনি অন্য শিক্ষকদের নিয়ে দ্রত সেই হাসপাতালে ছুটে যান। পরে ওমরকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় তাকে বাঁচাতে ব্যর্থ হয়ে সহপাঠীরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। ছুটে আসেন ওমরের বাবা শিমুল হোসেন। 

অপরদিকে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা চন্দ্রা ত্রিড়োড় এলাকায় গিয়ে আজমেরি পরিবহন আটকের চেষ্টা করলেও ওই পরিবহনের কোনো বাস তারা পায়নি।তবে ওই বাসের চালক আক্তার হোসেনের নাম জানতে পারলেও হেলপারের নাম জানা যায়নি।

সহপাঠী কামরুল ইসলাম ও শাওন জানায়, তারা স্কুল ছুটির পর চন্দ্রা কালামপুর মোড় এলাকার আজমেরি পরিবহনের কাউন্টারের সামনে বাসে ওঠার সময় চলন্ত অবস্থায় ওমরকে হেলপার ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। চোখের সামনে বাসের বডির সঙ্গে জোরে আঘাত পেয়ে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বাসের চালক তখন বাসটি দ্রত চালিয়ে ঢাকার দিকে নিয়ে যায়। পরে তারা ওমরকে উদ্ধার করে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়।

নিহত ওমরের বাবা শিমুল হোসেন বলেন, হেলপার আমার বুকের মানিককে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে। সন্তানের হত্যাকারীর বিচার চাই।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনন্দ কুমার দাস জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে বিদ্যালয় ছুটি হয়। বিদ্যালয় থেকে বের হয়ে ওমর চন্দ্রা ত্রিমোড় বাসস্ট্যান্ড থেকে আজমেরি পরিবহনের বাসে ওঠার চেষ্টা করে। এ সময় তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ওমরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

সালনা কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের ওসি মজিবুর রহমান বলেন, ঘাতক বাসটি আটক করেছি। মামলা ছাড়াই নিহত শিক্ষার্থীকে নেওয়ার জন্য সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অবেদন করেছে তার স্বজন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

১৩ ব্যবসা প্র‌তিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দিলেন চেয়ারম্যানের ছেলে


আরও খবর

ঢাকা

এভাবেই দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন মো. আজাদুল ইসলাম -সমকাল

  শরীয়তপুর প্র‌তি‌নি‌ধি

শরীয়তপুরের জা‌জিরা উপজেলার বি‌কেনগর ইউনিয়নের বি‌কেনগর আনন্দ বাজারে ১৩‌টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন চেয়ারম্যা‌নের ছে‌লে মো. আজাদুল ইসলাম ওরফে মাসুম বেপারী।

বুধবার সন্ধ্যায় মাস‌ুম শতা‌ধিক লোকজন নি‌য়ে প্র‌তিষ্ঠানগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার পাশাপা‌শি নি‌জের না‌মের সাইন‌বোর্ড টাঙিয়েছেন দেয় ব‌লে অভিযোগ করেছেন ভুক্তোভোগীরা।

ব্যবসায়ীরা জানায়, জা‌জিরা-কাঁঠলবাড়ি ফে‌রিঘাট সড়‌কের পা‌শে প্রায় ৩০ বছর পূ‌র্বে বি‌কেনগর আনন্দ বাজারটি গ‌ড়ে ওঠে। এতদিন ওই বাজারের সবাই ভা‌লোভা‌বেই ব্যবসা ক‌রে আস‌ছি‌লেন। কিন্তু হঠাৎ ক‌রে বুধবার সন্ধ্যায় মাদারীপুর জেলার শিবচর উপ‌জেলার কা‌দিরপুর ইউনিয়‌নের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর বেপারীর ছে‌লে আজাদুল ইসলাম (মাসুম বেপারী) শতা‌ধিক লোকজনসহ দে‌শিয় অস্ত্র নি‌য়ে এসে প‌শ্চিম ও পূর্ব পা‌শের ডায়াগন‌স্টিক সেন্টার, দ‌র্জি, সেলুন, ম‌ুদি, পান, হো‌টেল, হার্ডওয়ার, লেপ-‌তোসক ও চা‌য়ের দোকানসহ ১৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে নি‌জের না‌মে সাইন‌বোর্ড টাঙিয়ে দেন। প‌রে ভুক্ত‌ভো‌গীরা আনন্দ বাজার ব‌ণিক স‌মি‌তির সভাপ‌তি সাইদুল সরদার‌কে বিষয়‌টি মৌ‌খিকভা‌বে জানা‌লেও তি‌নি কোন ব্যবস্থা নেন‌নি।

বাজা‌রের বেপারী ভ্যারাই‌টিজ স্টোরের মালিক মোক‌লেছ বেপারী অভিযোগ করে বলেন, ৩০ বছর ধরে আমি বি‌কেনগর আনন্দ বাজারে সরকা‌রি খাস জ‌মি‌তে ম‌ুদি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। কিন্তু হঠাৎ প্রভাব খা‌টি‌য়ে বুধবার সন্ধ্যায় মাসুম বেপারী লোকজন নি‌য়ে আমার ব্যবসা প্র‌তিষ্ঠা‌ন তালাবদ্ধ ক‌রে দেন। 

তিনি বলেন, ঘটনার পর বাজার ব‌ণিক স‌মি‌তির সভাপ‌তি‌কে বিষয়‌টি জানা‌লেও তি‌নি কোন ব্যবস্থা নেন‌নি। তাই বৃহস্প‌তিবার বিকেলে মাসুম বেপারীর বিরু‌দ্ধে জা‌জিরা উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও জা‌জিরা থানায় অভি‌যোগ দা‌য়ের ক‌রে‌ছি। 

মোক্তার ছৈয়া‌ল নামে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, আমি ৮ বছর ধরে বাজারে ব্যবসা করে আসছি। বুধবার সন্ধ্যায় মাসুম বেপারী লোকজন নিয়ে গিয়ে আমাকে দোকান থে‌কে বের ক‌রে দেয়। পরে দোকান তালা মে‌রে বন্ধ করে দিয়েছে। 

ব্যবসায়ী জ‌লিল দেওয়া‌ন ব‌লেন, বাজারে চা বি‌ক্রি ক‌রে স্ত্রী, ছে‌লে-‌মে‌য়ে‌দের নি‌য়ে কোন রক‌মে বেঁচে আছি। কিন্তু বুধবার থে‌কে দোকান বন্ধ। দোকান বন্ধ থাক‌লে সংসার চালানো মুস‌কিল ।

এ বিষয়ে আজাদুল ইসলাম বলেন, জা‌জিরা উপ‌জেলার বি‌কেনগর ইউনিয়‌নের ৯৮নং বড়কৃষ্ণনগর মৌজার ১৯৪নং এসএ ও ৫৩৩১নং খ‌তিয়া‌নে ৩৩ শতাংশ জ‌মির পৈ‌তৃক সূ‌ত্রে মা‌লিক তি‌নি। ৩৩ শতাংশ জ‌মির ম‌ধ্যে ওই ১৩টি ব্যবসা প্র‌তিষ্ঠান। গত ছয় মাস যাবত ব্যবসা প্র‌তিষ্ঠানগু‌লো স‌রি‌য়ে নেয়ার জন্য বল‌লেও তার কথা ব্যবসায়ীরা শুনেননি। তাই সেগুলো তালাবদ্ধ ক‌রে দি‌য়ে‌ছেন তি‌নি।  

বি‌কেনগর আনন্দ বাজার ব‌ণিক স‌মি‌তির সভাপ‌তি ও‌ বি‌কেনগর ইউনিয়ন প‌রিষদ চেয়ারম্যান সাইদুল সরদার বলেন, ব্যবসায়ীরা বিষয়‌টি মোবাই‌লের মাধ্য‌মে আমা‌কে জা‌নি‌য়ে‌ছে। ইউএনও ও ও‌সির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা ব‌লে‌ছি। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা ক‌রবো।

জা‌জিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বেলা‌য়েত হো‌সেন বলেন, দোকান বন্ধ সম্পর্কে ব্যবসায়ীরা বৃহস্প‌তিবার বি‌কে‌লে লি‌খিত অভিযোগ করেছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাজিরা উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস ব‌লেন, ব্যবসায়ীরা আমার কা‌ছে অভি‌যোগ‌টি নি‌য়ে এসে‌ছিল। প‌রে জা‌জিরা থানার ও‌সি‌কে আমি ঘটনাস্থ‌লে পা‌ঠি‌য়ে‌ছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্য‌মে বিষয়‌টি দেখা হ‌বে।

সংশ্লিষ্ট খবর