ক্রিকেট

তারকাদের মেলা অমিরাতের টি-১০ লিগে

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮

তারকাদের মেলা অমিরাতের টি-১০ লিগে

  অনলাইন ডেস্ক

বর্তমান সময়ে ক্রিকেটকে আরো আর্কষনীয় করার চেষ্টা চলছে। সেই লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন নিয়ম। সেই সঙ্গে কমে যাচ্ছে খেলার পরিধিও। দর্শকরা দীর্ঘ সময়ের চেয়ে কম সময়ের ক্রিকেট বেশী উপভোগ করেন। তারা চান অল্প সময়ের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ উপভোগ করতে। সেই চিন্তা থেকে শুরু ২০ ওভারের ক্রিকেট। যা এখন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। এর মধ্যে টি-১০ ও ছয় ওভারের খেলার সঙ্গেও পরিচয় হয়ে গেছে ক্রিকেটার ও ক্রিকেট ভক্তদের। তারই সূত্র ধরে এবার আবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে টি-১০ ক্রিকেটের ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট শুরু হতে যাচ্ছে।

এর প্রথম আসর চালু হয়েছিল ২০১৭ সালে। সংযুক্ত আরব অমিরাত ক্রিকেট বোর্ড এর আয়োজন শুরু করেছিল। সেবার তারা ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণকে পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু করে। মাত্র ৯০ মিনিটের এই ম্যাচে ক্রিকেটার ও দশর্কদের সাড়া কেমন তা দেখাই ছিল তাদের উদ্দেশ্যে। লিগটি প্রথম আসরেই বেশ জনপ্রিয়তা পায়। এই লিগকে আরও জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে দ্বিতীয়বারের মত বসতে যাচ্ছে আমিরাতের টি-১০ লিগ।

আর বিভিন্ন দেশের তারকা খেলোয়াড়রা এই লিগে অংশগ্রহন করতে যাচ্ছেন। বর্তমান ও সাবেক অনেক খেলোয়াড়দের নিয়ে বসতে যাচ্ছে এই আসর। তাতে ওয়াসিম আকরাম, ডিন জোন্স, ড্যারেন স্যামি, ড্যানিয়েল ভেট্টরিরা নিজেদের নাম জড়িয়েছেন। তাদের কেউ কোচ, কেউ পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করবেন। টি-১০ লিগের দ্বিতীয় আসর শুরু হবে চলতি বছরের ২৩ নভেম্বর থেকে। চলবে ডিসেম্বরের ২ তারিখ পর্যন্ত।

এবার মোট ম্যাচ হবে ২৯টি। আর অংশগ্রহন করবে আটটি দল। দলগুলো দুইভাগে ভাগ হয়ে খেলবে। আর দল আটটি এবার ড্রাফটে থাকা ৬৪ জন ক্রিকটারকে দলে ভিড়িয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিন আফ্রিকা, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এমনিকি আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে, নেদারল্যান্ড ও নেপালের ক্রিকেটাররা আছেন এই লিগে। এরই মধ্যে ক্রিস গেইল, লাসিথ মালিঙ্গা, জহির খান, রশিদ খান, ইয়ন মরগান, ব্রাভো, শহীদ আফ্রিদি, ওয়াটসনের মত সাবেক-বর্তমান তারকারা খেলার কথা নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

মাশরাফির চোখে হারের কারণ


আরও খবর

ক্রিকেট
মাশরাফির চোখে হারের কারণ

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

অসহায় আত্মসমর্পণ বাংলাদেশ করেনি। শেষ সময় পর্যন্ত লড়ে গেছে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। কিন্তু আশা জাগিয়েও হেরে গেছে ম্যাচটি। সিরিজে ফিরেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ম্যাচে জয়ের পর মাশরাফি বলেছিলেন, আমরা বেশ কিছু ভুল করেছি। কিন্তু ম্যাচ জেতায় তা নিয়ে কথা ওঠেনি। ক্যাচ মিসের কথাটা জোর দিয়ে বলেছিলেন অধিনায়ক। 

দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে মাশরাফি পরাজিত দলের অধিনায়ক। আর তাই হারের কারণ নিয়ে কথা উঠল। কথা বলতে হলো তাকে। বেশ কিছু ভুলের কথা বললেনও মাশরাফি। তার মধ্যে অবশ্যই আগের ম্যাচে ক্যাচ মিসের সমস্যাটা আছে।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, 'ম্যাচটা ফিফটি-ফিফটি ছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা তাদের ওপর চাপ ধরে রাখতে পারেনি। মিডল অর্ডারে সেট হওয়ার পরে আমরা বেশ কিছু উইকেট হারিয়েছি। সাকিব-মাহমুদুল্লাহ আউট হয়ে গেছে। ক্যাচ মিস করার চড়া দাম দিতে হয়েছে আমাদের। ব্যাটিংটা প্রথম ২০-২৫ ওভার পর্যন্ত ঠিক ছিল। বোলিংয়েও শুরুটা ভালো হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আমরা ভালোই লড়াই করেছি।'

বাংলাদেশের সামনে এখনও সিরিজ নিশ্চিত করার সুযোগ আছে। সেজন্য মাশরাফিদের জিততে হবে সিলেটের শেষ ম্যাচটি। ওই ম্যাচে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দারুণ এক ইনিংস খেলায় বাংলাদেশ অধিনায়ক কৃতিত্ব দিয়েছেন উইন্ডিজ ওপেনার শাই হোপকে।

মাশরাফি বলেন, 'আমাদের হাতে এখনও এক ম্যাচ আছে। আশা করছি আমরা ঘুরে দাঁড়াবো। দারুণ ইনিংস খেলায় হোপকে কৃতিত্ব দিতে হবে। তিনি শেষ পর্যন্ত তার দম ধরে রেখেছেন এবং দারুণভাবে ম্যাচ শেষ করে ফিরেছেন।' ম্যাচ শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল বলেন, ম্যাচে আমরা শুরুটা ভালো না করলেও শেষে ব্যাটে-বলে খুব ভালো করেছি। আমাদের সামনে এখন সিরিজ জেতার সুযোগ।' 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

স্মিথের বিপিএল খেলা নিয়ে প্রশ্ন


আরও খবর

ক্রিকেট

ছবি: ফাইল

  অনলাইন ডেস্ক

বিপিএলের আগামী আসরে বড় বড় কিছু নাম যোগ হয়েছে। গেইল-নারইনরা তো আছেনই। প্রথমবারের মতো বিপিএলে নাম লিখিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার, এবি ডি ভিলিয়ার্স, স্টিভেন স্মিথরা। কিন্তু এবার অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্মিথের খেলা নিয়ে অনিশ্চিয়তা তৈরি হয়েছে। বিপিএলে অংশগ্রহণকারী কিছু দল তার ব্যাপারে খুঁতখুঁতানি প্রকাশ করেছে।

বিপিএলের আগামী আসরের প্লেয়ার ড্রাফটে নাম ছিল না স্মিথের। নাম না থাকা কোন ক্রিকেটারকে দলে নেওয়া যাবে না বলে বিপিএলের বিধিতে বলা আছে। কিন্তু ড্রাফটের বাইরে থেকে তাকে দলে ভেড়ায় ফ্রাঞ্চাইজিভিত্তিক দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। তাদের দলে থাকা লংকান অলরাউন্ডার আসলে গুনারত্নের বদলে স্মিথকে দলে নেয় কুমিল্লা।

কিন্তু ড্রাফটের বাইরের খেলোয়াড় হওয়ায় অন্য দলগুলো এ নিয়ে অভিযোগ করেছে। প্রথমে রংপুর রাইডার্স বিষয়টি নিয়ে খুঁতখুঁতানি প্রকাশ করে। পরে অন্য দলগুলো এ নিয়ে অভিযোগ করে। তাই বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্তর জন্য বিসিবি'র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিপিএলের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউসুফ মঙ্গলবার বলেন, 'আমরা বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এটি বিসিবি' কাছে হস্তান্তর করেছি। বিভিন্ন দল বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করায় এটার সমাধান দেওয়া আমাদের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। আর তাই আমরা বিসিবি'কে বিষয়টি দেখার জন্য বলেছি। আগামী বোর্ড মিটিংয়ে এ নিয়ে আলাপ হবে। অথবা বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লাকে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।'

অস্ট্রেলিয়ান এই তারকা ব্যাটসম্যানের বিপিএলের মাঝখানে এসে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কুমিল্লা দলে থাকা শোয়েব মালিক দলের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যোগ দিতে চলে যাবেন। সে সময় আসার কথা ছিল স্মিথের। বর্তমানে স্মিথ বল টেম্পারিংয়ের দায়ে এক বছরের নিষেধাজ্ঞায় আছেন। আগামী বছরের মার্চে তার নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার কথা।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

হোপের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের হতাশা


আরও খবর

ক্রিকেট

ছবি: এএফপি

  অনলাইন ডেস্ক

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসের মাঝে দ্রুত চারটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। জমিয়ে তোলে ম্যাচ। কিন্তু শাই হোপের দৃড়তায় ৪ উইকেটে ম্যাচ হেরেছে মাশরাফিরা। ম্যাচের শেষে ব্যাটিংয়ে খারাপ করা, আবার শেষটায় রান চেক দিতে না পারা। ওদিকে বেশ কিছু ক্যাচ ফেলার খেসারত দিতে হলো ম্যাচ হেরে। এ জয়ে তিন ম্যাচ সিরেজে ১-১ সমতা করল সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অপেক্ষা বাড়াল বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের।

মঙ্গলবার মিরপুর স্টেডিয়ামে প্রথমে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটে পাঠায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুরুতে লিটন দাসের পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা পেয়ে উঠে যাওয়া এবং ইমরুলের বিদায়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে ফিফটি তুলে নেন তামিম এবং মুশফিক। গড়েন ১১১ রানের জুটি। এরপর সাকিব দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন। মাহমুদুল্লাহ করেন ৩০ রান।

বাংলাদেশের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সেরা ১৪৬ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন হোপ। ছবি: এএফপি

তাদের ভালো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের দিকে যাচ্ছিল দল। কিন্তু বাংলাদেশ শেষ ৩ ওভারে নিতে পারে মোটে ১৪ রান। এরমধ্যে শেষ দুই ওভার থেকে আসে মাত্র ৩ রান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান তোলে বাংলাদেশ।

জবাবে ব্যাট করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাদের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায়। এরপর শাই হোপ এবং ড্রারেন ব্রাভো ভালো জুটি করেন। ব্রাভো ফেরেন ২৭ রান করে। এরপর মারলস স্যামুয়েলস আউট হন ২৬ রানে। পরে হেটমায়ার এবং রোভম্যান পাওয়েল যথাক্রমে ১৪ ও ১ রানে তুলে নেয় বাংলাদেশ পেসাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭০ রানে ২ উইকেট থেকে ১৫৭ রানে ৫ উইকেট হয়ে যায়। 

বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ রান আসে সাকিবের ব্যাট থেকে। ছবি: এএফপি

তবে আউট করা যায়নি উইন্ডিজ ওপেনার শাই হোপবে। তিনিই শেষ পর্যন্ত আশা দিয়ে গেছেন দলকে। তার হার না মানা ক্যারিয়ার সেরা ১৪৬ রানের ইনিংসের কাছে হেরে গেছে বাংলাদেশ।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেষ ৪ ওভারে দরকার ছিল ৩৫ রান। মুস্তাফিজ ৪৭তম ওভারে দেন মাত্র ৩ রান। আশা দেখে বাংলাদেশ। কিন্তু পরের ওভারে রুবেল দিয়ে বসেন ১০ রান। দুই ওভারে উইন্ডিজের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২২। ৪৯তম ওভারে ফিজ দেন ১৬ রান। ম্যাচ বেরিয়ে যায় বাংলাদেশের হাত থেকে। শেষ ওভারে থাকা ৬ রান ২ রান থাকতেই তুলে নেয় তারা। সিরিজের শেষ ম্যাচটি আগামী ১৪ ডিসেম্বর সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে। সিরিজের ফয়সালা হবে ওই ম্যাচে।     

সংশ্লিষ্ট খবর