মন্তব্য

'বইমেলা একটা উৎসব, ঈদের মতোই আনন্দ লাগে'

প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

'বইমেলা একটা উৎসব, ঈদের মতোই আনন্দ লাগে'

  অনলাইন ডেস্ক

তার লেখালেখির শুরুটা ফেসবুক দিয়ে। একটা সময় সেই লেখাগুলো গ্রহণযোগ্যতা পেতে থাকে বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিত-অপরিচিত মহলে। তারপরই শুরু বই লেখা। নতুন লেখক হিসেবে এরইমধ্যে তিনি বেশ জনপ্রিয়ও হয়ে উঠেছেন। এবারের বইমেলার আয়োজন, নিজের প্রকাশিত বই এবং বইমেলা নিয়ে নিজের ভাবনার কথা সমকাল অনলাইনকে জানিয়েছেন লেখক সাদাত হোসাইন

এবারের বইমেলার জায়গাটা বেশ প্রশস্ত। প্রথম থেকেই মেলায় বেশ ভিড় হচ্ছে। তবে অনেকেই বলছেন, মেলায় ক্রেতার চেয়ে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি।

মেলায় আমার ‘নির্বাসন’ নামে একটি উপন্যাস এসেছে অন্যধারা প্রকাশনা থেকে। একটা সময় মানুষের অবসর কাটানোর মাধ্যম ছিল বিটিভি দেখা, রেডিও শোনা কিংবা বই পড়া। অথচ এখনকার প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের বিনোদনের জন্য অনেক বিকল্প রয়েছে। অনেকগুলো টেলিভিশন চ্যানেল, ফেসবুক, টুইটারসহ অনেক কিছু নিয়েই তারা ব্যস্ত থাকে। তাদেরকে বইমুখী করা একটু কঠিন।

আমার লেখালেখির শুরু ফেসবুকে। লিখতে লিখতেই একটা সময় দেখি অনেকে আমার লেখা পছন্দ করতে শুরু করেছেন। নিজেকে আবিষ্কার করতে আমার অনেক সময় লেগেছে। হয়তো আমার উপস্থাপনার ভঙি এবং যে গল্পটা আমি দর্শকদের বলতে চাই সেটা পাঠকের সঙ্গে সংযোগ ঘটাতে পেরেছে। এর কিছু ফলও এখন পাচ্ছি। যেমন- ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ফেসবুকে আমি পাঠকদের জানাতাম বইমেলায় যাচ্ছি। সেখানেই তাদের সঙ্গে আমার দেখা ও কথা হতো। কিন্তু ধীরে ধীরে পাঠকের ভিড় বেড়ে যাওয়ার কারণে ২০১৮-১৯ সাল থেকে শুধু শুক্র, শনিবার বইমেলায় যাচ্ছি। পাঠকের এতটা সাড়া পেয়ে আমি সত্যিই অভিভূত।

আসলে লিখতে হলে বই পড়ার বিকল্প নেই। কিন্তু তার থেকেও বড় ব্যাপার হলো, লেখকের জীবন পড়তে পারার ক্ষমতা থাকতে হবে। আপনি যদি নিজেকে, চারপাশের মানুষের অনুভূতি উপলব্ধি করতে না পারেন, তাহলে লেখাটা মানুষের হৃদয় ছুঁতে পারবে না।

বইমেলা একটা উৎসব। প্রতি বছর বইমেলা এলে আমার ঈদের মতোই আনন্দ লাগে। কলকাতায় বইমেলা হলে বড় বড় বিলবোর্ড টানানো হয় । আমাদের এখানেও সরকার এ ব্যাপারে নজর দিতে পারে। প্রচারণা বাড়ালে হয়তো দর্শনার্থীর চেয়ে বইমেলায় ক্রেতা কম-এই ব্যাপারটাও পরিবর্তন হবে। 

আরও পডুন

মন্তব্য


অন্যান্য