মন্তব্য

'নতুনদের বইয়ের প্রচারণায় গণমাধ্যমের আরও মুক্তমনা হওয়া উচিত'

প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

'নতুনদের বইয়ের প্রচারণায় গণমাধ্যমের আরও মুক্তমনা হওয়া উচিত'

জেসমিন চৌধুরী

  অনলাইন ডেস্ক

চলছে বাঙালির প্রাণের উৎসব 'অমর একুশে গ্রন্থমেলা'। পাঠক, লেখক ও প্রকাশকদের সবচেয়ে বড় 'মিলন মেলা' এটি। এবারের বইমেলার পরিবেশ, আয়োজন এবং নিজের প্রকাশিত বই নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন লেখক জেসমিন চৌধুরী

দুই বছর ধরে নিয়মিত বইমেলায় যাই। এবারও বইমেলায় প্রতিদিনই যাচ্ছি। ওখানে গেলে অসাধারণ এক অনুভূতি কাজ করে। দুই বছরের অভিজ্ঞতা থেকে দেখছি, এবারের মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি; কিন্তু ক্রেতা কম। এত ভিড় থাকলেও কারও মধ্যে কোনরকম অসৌজন্যমূলক আচরণ দেখিনি। 

বইমেলায় সবাই যে বই কিনতে আসেন, তা নয়। ব্যক্তিগতভাবে অনেক পাঠকের সঙ্গে আমার সরাসরি যোগাযোগ হয়। তরুণদের সঙ্গে আলোচনা হয় বিভিন্ন বিষয়ে। তাদের সঙ্গে আমার একটা আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। সামাজিক আন্দোলেনের অন্যতম স্থান এই বইমেলা। সব মিলিয়ে নিয়মিত বইমেলায় যেতে পেরে আমি ভীষণ খুশি।

এবারের বইমেলায় আমার দুটি বই বেরিয়েছে। গত বছর বইমেলায় বিলেতে পারিবারিক নির্যাতনের পটভূমিকায় আমার 'একজন মায়া অজস্র মধুচন্দ্রিমা' নামে একটি বই বেরিয়েছিল। বইটির বিষয়বস্তু বিলেতে বসবাসরত বাঙালি পরিবারদের ঘিরে হলেও সমস্যাটা বৈশ্বিক। সেই বইয়েরই সিক্যুয়ল বেরিয়েছে এবার ‘উড়াল’ নামে। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত আমার কলামগুলোর সংকলন নিয়ে আরেকটি বই বেরিয়েছে ‘নীরবতা আমার নতুন লজ্জা’ নামে।

এ পর্যন্ত আমার ৪টি বই বেরিয়েছে। সেই অর্থে আমি একজন নতুন লেখক। কিন্তু বইমেলায় কিছু গণমাধ্যমকে দেখছি তারা প্রতিষ্ঠিত লেখকদেরই গুরুত্ব দিয়ে তাদের বই সম্পর্কে আরও প্রচারণা চালাচ্ছেন। কখনও কখনও পরিচিতি বাড়াতে এইসব লেখকদের বাবা বা পারিবারিক ইতিহাসও তুলে ধরছেন। অথচ আমার মতো অনেক নতুন লেখকের বইয়ের নামটা অনেকটা দায়সারা ভাবে প্রকাশ করছেন। নতুনদের প্রতি গণমাধ্যমের এই আচরণ বৈষম্যমূলক। বইমেলা নিয়ে এবারও অনেক গণমাধ্যম কাজ করছে। নতুনদের বইয়ের প্রচারণা চালাতে তাদের আরও মুক্তমনা হওয়া উচিত বলে মনে করি। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

'সারা বিশ্বে বর্ণবাদ ছিল, এখনও আছে'


আরও খবর

মন্তব্য

  অনলাইন ডেস্ক

'শান্তির দেশ' হিসেবে পরিচিত নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে দু’টি মসজিদে বন্দুকধারী এক শ্বেতাঙ্গ বন্দুকধারীর হামলায় এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জন। এরমধ্যে চারজন বাংলাদেশি। হামলার আগে ওই ব্যক্তি ৭৩ পৃষ্ঠার একটি ইশতেহার আপলোড করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে; যেখানে তিনি শ্বেতাঙ্গ নয়- এমন অভিবাসীদের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করেন। এমনকী আদালতে নেওয়ার পরও হামলাকারী ব্রেনটন হেসে ‘হোয়াইট পাওয়ার’ চিহ্ন দেখান। নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলার ঘটনা নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ    

নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলাকারীর ক্ষেত্রে 'বর্ণবিদ্বেষ' ও 'ধর্মবিরোধী'- বিষয় দুটি আলাদা করা মুশকিল। সন্দেহ নেই, হামলাকারীরার লক্ষ্য ছিল বাইরের লোক, যারা সেখানে অভিবাসী তাদের আক্রমণ করা। তার চিন্তায় ছিল যারা শ্বেতাঙ্গ নয় তাদের ওপর হামলা করা। সেই হিসেবে মুসলিমদের লক্ষ্যবস্তু করা তার জন্য সহজ ছিল। তবে শ্বেতাঙ্গরাও যে মুসলিম হতে পারে; সেটা হয়তো তার চিন্তায় ছিল না। 'খ্রিস্টান সন্ত্রাসবাদ' না বলে বিষয়টাকে ‘শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসবাদ’ বলা হচ্ছে। এটা অনেকটা শ্বেতাঙ্গদের প্রতিরক্ষা দেওয়ার মতো। 

বোঝাই যাচ্ছে হামলাকারী মুসলিমদের বিরুদ্ধে ছিলেন। তার ধারণায় ছিল মসজিদে শ্বেতাঙ্গ নয়-এমন ব্যক্তিরাই যান। তার মধ্যে একই সঙ্গে 'মুসলিমবিরোধী' ও 'বর্ণবিরোধী' মনোভাব দেখা গেছে।

সারা বিশ্বে বর্ণবাদ ছিল, এখনও আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের কথাই যদি বলি, শ্বেতাঙ্গদের দিকে তার নজর বেশি। একই সঙ্গে তার মানসিকতা মুসলিম এবং অভিবাসনের বিরুদ্ধে।

এখানে বৈশ্বিক একটা ব্যাপার আছে। নিউজিল্যান্ডে মসজিদে হামলাকারী যখন ফেসবুকে লাইভ দিয়ে হামলা চালান তখন অনেকেই সেটাতে লাইক দেন। এমনকী নিউজিল্যান্ড থেকেও অনেকে লাইক দেন। এ থেকেই বোঝা যায় সেখানে বর্ণবাদ আছে, তারা অনেকেই অভিবাসনের বিপক্ষে।

অস্ট্রেলিয়ায় কিছু আদিবাসী সম্প্রদায় রয়েছে। বিংশ শতাব্দীতেও এদের মারলে বিচার হতো না। নিজেদের সম্প্রদায় নিয়ে এখনও অস্ট্রেলিয়ানদের মধ্যে ট্রমা আছে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা যখন ভেঙে যায় তখন অনেকেই অষ্ট্রেলিয়ায় চলে যান। সে হিসেবে তাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে বর্ণবাদ আছে। হামলাকারী একজন অস্ট্রেলিয়ান। বর্ণবাদের বিষয়টা তার মধ্যে হয়তো আগে থেকেই ছিল। এই ঘটনা সেটারই বহিঃপ্রকাশ।

নিউজিল্যান্ডকে এতদিন শান্তিপূর্ণ দেশ ভাবা হতো। এরকম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এখানে আগে দেখা যায়নি। এমন একটি ঘটনার পর আশা করছি সেখানকার মানুষ এ ধরনের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জেগে উঠবে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় আরও সতর্ক হতে হবে'


আরও খবর

মন্তব্য

বীরপ্রতীক ক্যাপ্টেন আলমগীর সাত্তার

  অনলাইন ডেস্ক

রোববার সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুবাইগামী একটি উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। জানা গেছে, বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পর এক ব্যক্তি বিমানটি জিম্মি করার চেষ্টা করে। যাত্রীদের কেউ কেউ দাবী করেন, বিমানে তারা 'গুলির' শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন। কেউ কেউ আবার বলেছেন, তারা 'বিস্ফোরণের' শব্দ শুনছেন। কমান্ডো অভিযানে নিহত হয়েছেন বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী সেই ব্যক্তি। এই ঘটনার পরই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার ঘটনা নিয়ে সমকাল অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক বৈমানিক ও বীরপ্রতীক ক্যাপ্টেন আলমগীর সাত্তার

ধারণা করা হচ্ছে, বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী ওই ব্যক্তির হাতে খেলনা পিস্তল ছিল। যদি সত্যিকারের অস্ত্র থাকতো তাহলে তিনি যাত্রীদের বের হতে দিতেন না, আটকে রাখতেন। অনেকে গণমাধ্যমই দাবী করছে, ওই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন। আমার মনে হয়, স্ত্রীর সঙ্গে নয়, আসলে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই কথা বলতে চেয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি কোনও জঙ্গী দলের সদস্য ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা চেয়েছিলেন কয়েকজন বন্দীকে জেল থেকে মুক্তি দিতে। আসলে বিষয়গুলো এখনও ধোঁয়াশা। হয়তো দুই-একদিনের মধ্যে কেন ওই ব্যক্তি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন তা স্পষ্ট হবে। 

বিমানবন্দরের যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে তাতে কোনোভাবেই অস্ত্র নিয়ে বিমানে ওঠা সম্ভব নয়। তারপরও যেহেতু এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে এ কারণে বিমানবন্দরের নিরাপত্তার ব্যাপারে আরও সতর্ক হতে হবে। সেটা আন্তর্জাতিক কিংবা আভ্যন্তরীণ যে ফ্লাইটই হোক। 

যদি খেলনা পিস্তলও হয় তারপরও এ ধরনের ঘটনা সাধারণ যাত্রী, ভিআইপি –সবার জন্যই হুমকি হতে পারে। সতর্কতা বাড়াতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মী থেকে শুরু করে ক্যাটারিং, সুইপার- যারাই এয়াক্রাফটের ওঠা-নামার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত আছেন, তাদের প্রত্যেকের জীবনবৃত্তান্ত সংরক্ষণ করা উচিত। এটা বিমানবাহিনী, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ করবে না। এটা ইনটেলিজেন্স ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে করা উচিত। এয়ারক্রাফটের নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত কর্মীদের পাশাপাশি তাদের পরিবারের জীবনবৃত্তান্তও সংরক্ষণ করা উচিত। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এতকিছুর পরও সেবা সংস্থাগুলো চিন্তিত নয়


আরও খবর

মন্তব্য

বিশেষ মন্তব্য

এতকিছুর পরও সেবা সংস্থাগুলো চিন্তিত নয়

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  অধ্যাপক নজরুল ইসলাম

নগরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার, এমনকি সেবা সংস্থাগুলোও খুব একটা চিন্তিত নয়। সেটা যানবাহনের শৃঙ্খলা ফেরানোর ক্ষেত্রেই হোক অথবা পরিবেশ-স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেই হোক। সবকিছুই দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা হালকাভাবে নেন। তাদের কেমন যেন গা-ছাড়া ভাব। এই গা-ছাড়া ভাব থাকার কারণ হলো, তাদের কোনো জবাবদিহি করতে হয় না। এ কারণে কত বড় ক্ষতি যে হতে পারে, নিমতলীর পর চকবাজার তার প্রমাণ। সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকেও যে চাপ দেওয়ার বিষয়, সেটাও দেওয়া হয় না। ছাত্ররা মাঝে মধ্যে আন্দোলন করে। তবে সাধারণ মানুষ ওইভাবে দাবি জানাতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের সেবা সংস্থাগুলোর কর্তাব্যক্তিরা দুর্নীতিগ্রস্ত থাকেন। পয়সা ছাড়া কোনো কাজ করেন না। শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে নিম্ন শ্রেণির কর্মচারীরাও দুর্নীতিগ্রস্ত থাকেন। ফলে ওপর থেকে নিম্নপর্যায়ের কর্মচারীদের জবাবদিহিও ঠিকমতো হয় না। কেউ কারও কথা শোনেন না। সিটি করপোরেশন, রাজউক, পরিবেশ অধিদপ্তর যে প্রতিষ্ঠানই বলি না কেন, সবাই প্রায় একই চরিত্রের।

তাদের বললে তারা বলেন জনবলের অভাব। যে জনবল আছে, সেটা দিয়েও যে সেবা দেওয়া সম্ভব, তারা সেটাও দেন না। তারা বেশি আগ্রহী থাকেন কাজের চেয়ে দুর্নীতির দিকে। যে কাজ এমনিতেই হওয়ার  কথা, সেটা দেখা যায় না। আবার টাকা দিলেই কাজ হয়ে যায়। এ রকম অবস্থা চলছেই।

এ ছাড়া সুশাসন ও নেতৃত্বের জোরালো ভূমিকা প্রয়োজন। তবে দেখা যায়, আমাদের কর্তাব্যক্তিরা এমনকি মন্ত্রীও যে কোনো সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মুখাপেক্ষী হয়ে থাকেন। এখানে মুখাপেক্ষী হয়ে থাকার তো প্রয়োজন নেই। নিমতলীর ঘটনার পর অনেক কমিটি গঠিত হলো। কিছু সুপারিশও এসেছিল। সে সুপারিশগুলো বাস্তবায়িত কেন হয়নি। তখন বলা হয়েছিল স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে। এ ছাড়া একটি মহাপরিকল্পনা করতে হবে। সে মহাপরিকল্পনাও এতদিনে করতে পারেনি আমাদের সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো। আর স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে দাহ্য পদার্থের গোডাউনগুলো সরানোর যে সুপারিশ ছিল, সেটা এতদিনে বাস্তবায়িত হলো না কেন। পরিকল্পনা করেও সেটা বাস্তবায়িত হয় না। আর মহাপরিকল্পনা কবে হবে এবং সেটা কবে বাস্তবায়ন হবে- সেটাই এখন বিষয়। যখন একটি কারখানা গড়ে ওঠে, শুরুতে বাধা দিলে প্রতিরোধ করা সহজ হয়ে যায়। একবার যখন হয়ে যায় তখন সরানো অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। একের পর এক নদী দখল হচ্ছে। যখন দখল হয়েছিল, তখন বাধা দিলে এত নদী দখলকারী সৃষ্টি হতো না। বাধা না দেওয়ার কারণেই এখন দখলদারদের উচ্ছেদ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সম্প্রতি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সেখানে আশপাশের প্রশস্ত রাস্তা ছিল। খুব সহজেই সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পৌঁছতে পেরেছে। পরিকল্পিত ভবনের কারণে দ্রুতই রোগীদের বের করে আনা সম্ভব হয়েছে। অথচ পুরান ঢাকায় এটা সম্ভব নয়। পুরান ঢাকাকে জরুরি ভিত্তিতে রিডেভেলপ করতে হবে। পুরো এলাকা এক ধাপে সম্ভব না হলে ধীরে ধীরে এলাকাভিত্তিক রিডেভেলপ করতে হবে। সিঙ্গাপুরে এভাবে রিডেভেলপ করা হয়েছে। কাজটি কঠিন হলেও করতে হবে।

অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, নগর পরিকল্পনাবিদ ও প্রতিষ্ঠাতা নগর গবেষণা কেন্দ্র

সংশ্লিষ্ট খবর